জগদীশ বসুর ‘প্রাণময়’ প্রকৃতি কেন নারীবাদী সমালোচনার মুখে?
Jagadish Chandra Bose: জগদীশ চন্দ্র বসুর ‘প্যান-ভাইটালিস্ট’ বিজ্ঞান কি সত্যিই পাশ্চাত্যের যান্ত্রিক বিজ্ঞানকে চ্যালেঞ্জ করেছিল, নাকি প্রকৃতিকে ‘মা’ এবং বিজ্ঞানকে ‘পুরুষ’ হিসেবে দেখার মাধ্যমে পিতৃতান্ত্রিক ধারণাকেই পুনরুৎপাদন করেছিল? নব্য উদারপন্থার যুগে পরিবেশ-ন্যায়ের লড়াইয়ে গীতা চাঁধার প্রস্তাবিত নারীবাদী বিজ্ঞান কি নতুন পথ দেখাচ্ছে?
ঔপনিবেশিক বাংলায় জগদীশ চন্দ্র বসু পাশ্চাত্যের যন্ত্রচালিত বিজ্ঞানকে চ্যালেঞ্জ করে গড়ে তুলেছিলেন একরকমের ‘প্যান-ভাইটালিস্ট’ দর্শন। সেখানে সজীব-নির্জীবের সীমানা মুছে যায়। কিন্তু গবেষক গীতা চাঁধার বিশ্লেষণ বলছে, মাতৃভূমি ও মাতার দ্বৈত প্রতীকে আবদ্ধ এই বিজ্ঞানও পিতৃতান্ত্রিক কাঠামো থেকে মুক্ত হতে পারেনি। নব্য উদারপন্থার যুগে বাংলার নদী-জলাভূমি বাণিজ্যিকীকরণের শিকার; সেই প্রেক্ষাপটে ‘স্নেহ ও সংলাপের নারীবাদী বিজ্ঞান’ কী ভাবে বিকল্পের পথ দেখাতে পারে?
বাংলার পরিবেশ ইতিহাস কেবল বন-বাদাড়, নদী-খাল আর জলব...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে







