রাশিয়ার পরমাণু বিস্ফোরণ, ভুগল এই শহরটি- প্রথম পর্ব

Sourish Das
৪ মিনিট
রাশিয়ার পরমাণু বিস্ফোরণ, ভুগল এই শহরটি- প্রথম পর্ব

তারিখটা ১৯৪৯ সালের ১২ অগস্ট, কাজাকাস্তানের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় শহর সেমিপালাতিনোস্কের বাসিন্দারা হঠাৎ করেই তীব্র ভূমিকম্পের সঙ্গে বিকট একটা আওয়াজ শুনে রীতিমতো চমকে গেলেন। মুহূর্তেই পশ্চিমাকাশে দেখা গেল দৈত্যাকার মাশরুম সদৃশ একটি মেঘ। স্থানীয় বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে প্রচার করা হল, এটা একাধিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের সমারোহ। সম্প্রচারটি অবশ্যই মিথ্যা হলেও, ওইদিনের পর থেকেই কাজাকাস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ওই শহরের মানুষের জীবন সম্পূর্ণরূপে বদলে গেল। এই ঘটনাটির চার বছর আগে, ১৯৪৫ সালের ১৬ জুলাই, নিউ মেক্সিকোর মরুভূমিতে একদল পরমাণু বিজ্ঞানী প্রথমবারের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে পৃথিবীতে পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটালেন। সূচনা করলেন একটি নতুন ইতিহাসের। আজ অবধি পৃথিবীতে যে ক'টি পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ করা হয়েছিল তার মধ্যে দু'টি বাদে বাকি সব ক'টি পরীক্ষামূলক। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল কাজাকাস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সেমিপালাতিনোস্ক শহরেই। যদিও এই বিস্ফোরণের পিছনে সম্পূর্ণ 'হাত' ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের।

শক্তিমত্তার যুগে নিজেদের সামরিক অভ্যুত্থানের পরিচয় দেওয়ার জন্য সোভিয়েত ইউনিয়ন যথেচ্ছ ব্যবহার করেছিল এই সেমিপালাতিনোস্ক টেস্ট সাইটের। স্নায়ুযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নকে প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখতে এই পরীক্ষাকেন্দ্রটির ভূমিকা ছিল অপরিসীম। কিন্তু, এই শক্তি প্রদর্শনের মাঝখানে ওই পরীক্ষা কেন্দ্রের আশেপাশের জনগণের ক্ষতির কথা বরাবরই এড়িয়ে গিয়েছে সোভিয়েত ইউনিয়ন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে যখন জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিজেদের শক্তিমত্তার পরিচয় দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তখন থেকেই পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে কাজ শুরু সোভিয়েত ইউনিয়নের।

হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে বিস্ফোরণের পরবর্তীতে এটা বোঝা গিয়েছিল যে, পারমাণবিক অস্ত্র ভবিষ্যতের সামরিক শক্তিমত্তার প্রধান নির্ণায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। এরকম অবস্থায় যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সারা বিশ্বকে নিজের শক্তিমত্তার জানান দিয়ে দিয়েছে, সেই সময়ে নড়েচড়ে বসল সোভিয়েত ইউনিয়ন। সোভিয়েত ইউনিয়নের তৎকালীন প্রধান জোসেফ স্ট্যালিন সিদ্ধান্ত নিলেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সোভিয়েত ইউনিয়নকে তিনি পারমাণবিক অস্ত্রের বলে বলিয়ান করবেন। শোনা যায়, এর জন্য তিনি সোভিয়েত ইউনিয়নবাসীদের গণবলি দিতেও রাজি ছিলেন। তবে এই গণবলির ঘটনা আদতে ঘটল কাজাকাস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সেমিপালাতিনোস্ক টেস্ট সাইটে। তবে, এই টেস্টিং সাইট তৈরি করতে তাকে সাহায্য করেছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ সহচর লাভরিন্তি বেরিয়া। ১৯৪৩ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে পরমাণু বিজ্ঞানী ঈগর কুর্চতভের নেতৃত্বে নিজস্ব পারমাণবিক প্রকল্প শুরু করলো। এবং তখন থেকেই এই প্রকল্পের প্রধান কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দিলেন লাভরেন্তি বেরিয়া।

১৯৪৫ সালে আগস্ট মাসে যখন হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তারপরেই এই কাজের গতি ত্বরান্বিত হতে শুরু করল। পারমাণবিক বোমায় ব্যবহৃত ইউরেনিয়াম ও প্লুটোনিয়ামসহ একাধিক তেজস্ক্রিয় পদার্থ নিয়ে তৈরি হল একটি পরীক্ষাকেন্দ্র। কিন্তু, সমস্যাটা তখন হয়ে গেল যখন এই বোমা তৈরীর কাজ সম্পূর্ণ। যত্রতত্র তো আর পরীক্ষামূলক পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো সম্ভব নয়, তাই দরকার একটা টেস্ট সাইট। এরই ধারাবাহিকতায় সোভিয়েত ইউনিয়ন সরকার বেছে নিল কাজাকিস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ১৮,৫০০ বর্গ কিলোমিটার জায়গা জুড়ে অবস্থিত সেমিপালাতিনোস্ক অঞ্চলটিকে। এই পরীক্ষা কেন্দ্রটির আরো একটি নাম রয়েছে, যা হলো পলিগন। যাত্রা শুরু হল কাজাকাস্তানের সেমিপালাতিনোস্ক পারমাণবিক বোমা টেস্ট সাইটের।

এই পারমাণবিক গবেষণা গতি বৃদ্ধি করার জন্য প্রতি চার বছরের মাথায় এই পারমাণবিক বোমার সফল বিস্ফোরণ ঘটাতে শুরু করল সোভিয়েত ইউনিয়ন। মাত্র চার দশকে এই টেস্ট সাইটে ৪৫৬টি পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। ১৯৪৯ থেকে ১৯৬৩ সালে ১১৬টি পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল মাটির উপরিভাগে, যার ফলে বায়ুমন্ডলে বোমার তেজস্ক্রিয়তা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে শুরু করলে ১৯৬৩ সালে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করার মাধ্যমে পারমাণবিক বোমার পরীক্ষাস্থল ভূগর্ভে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। ভূগর্ভের টানেলে বোমা বিস্ফোরণ করানোর কারণে তেজস্ক্রিয়তার পরিমাণ কমলেও, একেবারে যে শুন্য হয়ে গিয়েছিল তা নয়। এর ফলে, শক্তিমত্তার লড়াইয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিশ্বের কাছে নিজের মান রাখতে পারলেও, এই সফলতার পাহাড়প্রমাণ মূল্য দিতে হয়েছিল কাজাকাস্তানের ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের।

সাধারণত, পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণস্থল হিসেবে একেবারে জনমানবশূন্য কোন একটি অঞ্চল নির্ধারণ করতে হয়। বিস্ফোরিত বোমার তেজস্ক্রিয় তা কতদূর যেতে পারে তা আগে থেকে বোঝা যায় না। কিন্তু, সোভিয়েত ইউনিয়ন সেই সময়ে কাজাকাস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বাসিন্দাদের ব্যাপারে কোনরকম ভ্রুক্ষেপই করেনি। বরং বলতে গেলে, মানবদেহে বোমার প্রভাবের পরীক্ষার অসৎ উদ্দেশ্যে কাজাকাস্তানের ওই অঞ্চলের যাযাবর বাসিন্দাদের অন্যায়ভাবে ব্যবহার করেছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন।

এই শহরের বাসিন্দা ভ্যালেন্তিনা নিকনচিক এখনো ভুলতে পারেন না ১৯৫৩ সালের ১২ আগস্টের একটি ঘটনা। তখন তিনি বাড়ির বাইরে খেলা করছিলেন। হঠাৎ করেই, তার কানে একটা আকাশ ফেটে পড়ার মতো শব্দ আসে। ওই শব্দের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিলো যে, ভ্যালেন্টিনা রীতিমতো হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েন। তৎক্ষণাৎ তিনি অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন। আদতে সেই গগনবিদারী শব্দটি এসেছিল পলিগন টেস্ট সাইট থেকে। কিন্তু ঐদিন পলিগনে যে পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ করা হয়েছিল সেটা কোন সাধারণ পারমাণবিক বোমা ছিল না, সেটা ছিল দ্বিতীয় প্রজন্মের প্রথম তাপীয় পারমানবিক বোমা, যার ক্ষমতা ছিল হিরোশিমায় নিক্ষিপ্ত লিটিল বয় থেকে ২৫ গুণ বেশি। তবে শুধু ক্ষমতায় না, মানবদেহে এই পারমাণবিক বোমার তেজস্ক্রিয়তার প্রভাব ছিল সব থেকে বেশি। বাতাসের মাধ্যমে পারমাণবিক বোমা তেজস্ক্রিয়তা খুব সহজে ছড়িয়ে পড়েছিল। ১৯৫৬ সালের একটি পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণের ঘটনা এই তেজস্ক্রিয়তা পলিগন এর থেকে ৪০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত উষ্ট কামেনগর্সক শহর পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল। ওই শহরের ৬০০ জন বাসিন্দাকে তেজস্ক্রিয়তাজনিত অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি পর্যন্ত করতে হয়েছিল। কিন্তু তাদের রিপোর্ট সম্পূর্ণরূপে ধামাচাপা দিয়ে দেয় সোভিয়েত ইউনিয়ন সরকার।

পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণের ফলে উদ্ভূত তেজস্ক্রিয়তার প্রভাব সুদূরবিসারী। মানবদেহের কোষ থেকে শুরু করে মাতৃগর্ভে থাকা ভ্রুণ পর্যন্ত এই তেজস্ক্রিয়তার কারনে নষ্ট হতে পারে। কাজাকাস্তানের ওই অঞ্চলে বিস্ফোরণের সময় আশেপাশে গর্ভবতী মায়েদের মধ্যে যারা যারা তেজস্ক্রিয়তার সংস্পর্শে এসেছিলেন তাদের মধ্যে বহু মায়েদের সন্তান বিকলাঙ্গ জন্ম হয়েছিল। এমনকি তাদের ক্ষেত্রে গর্ভপাত এর পরিমাণ ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে গর্ভবতী মায়েদের দেহে যতটা তাড়াতাড়ি এই তেজস্ক্রিয়তার প্রভাব লক্ষ্য করা যায় ততটা কিন্তু অন্যদের দেহে এতটা লক্ষ্য করা যায় না। সোভিয়েত সরকারের তরফ থেকে কাজাকাস্তানের পারমাণবিক বোমার তেজস্ক্রিয়তার ফলে ক্ষতিগ্রস্তদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল বটে, কিন্তু তাদের রিপোর্ট কোনদিনই প্রকাশ্যে আনা হয়নি।

লিখেছেন
Sourish Das
Sourish Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

EXCLUSIVE: শেষদিকে দল পরিচালনায় গ্যাপ ছিল, অভিষেকের অফিসও ঠিকঠাক ম্যানেজ করা হয়নি: কুণাল

Kunal Ghosh on Abhishek Banerjee: ইন্সক্রিপ্টের ‘অনিন্দ্য এবং’ পডকাস্টে অভিষেক প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কুণাল জানিয়েছেন, শেষ পর্যায়ের দল পরিচালনায় আরও ‘সতর্কতা’ প্রয়োজন ছিল। তাঁর দাবি, অভিষেকের অফিসও সব সময় ঠিকভাবে পরিচালিত হয়নি।

মমতা-অভিষেকের দল পরিচালনায় বিরাট গ্যাপ তৈরি হয়েছিল: ইনস্ক্রিপ্ট পডকাস্টে আর কী বললেন কুণাল?

Kunal Ghosh Interview: বিধানসভা ভোটে বিপর্যয়ের পরে প্রতীক, নাম হারিয়ে কার্যত দিশাহারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল। তার মধ্যেও ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই জারি রয়েছে। যদিও দলের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহে মমতার কাছাকাছির বৃত্ত ক্রমশ সঙ্কুচিত হয়েছে। নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে মুখ পুড়েছে। এই প্রেক্ষিতে আসন্ন পুরভোটে কেমন করবে তৃণমূল? ঘুরে দাঁড়ানোর কোনও সম্ভাবনা আছে? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী? বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে যা বললেন দলের বিধায়ক এবং অন্যতম মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।

এসআইআর: বাংলায় ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব মুসলিম এলাকাগুলিতে ছ’গুণ বেশি, বলছে পরিসংখ্যান

Bengal Voter List Review: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা যাচাইয়ে বিচারাধীন ভোটারদের ক্ষেত্রে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতেই প্রভাব বেশি পড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এই এলাকাগুলিতে ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব অন্যান্য এলাকার তুলনায় প্রায় ছ’গুণ বেশি। এই পার্থক্য কীভাবে তৈরি হলো, কোন এলাকার ভোটাররা বেশি প্রভাবিত হলেন এবং এর পিছনে কী কারণ রয়েছে?

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।