দেড় মাসের মধ্যে ফের জোড়া ভূমিকম্প, মৃত ১৮, কতটা ক্ষতিগ্রস্ত তিব্বত?

Tibet Earthquake: দেড় মাসের মধ্যে ফের জোড়া ভূমিকম্প তিব্বতে। বাড়িঘর ধসে পড়া, রাস্তা অবরোধ, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া-সহ কী কী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে? এই অঞ্চলে বারবার প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের আসল কারণটা ঠিক কী?

inscript
৩ মিনিট
দেড় মাসের মধ্যে ফের জোড়া ভূমিকম্প, মৃত ১৮, কতটা ক্ষতিগ্রস্ত তিব্বত?

বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ৩৩ মিনিটে তিব্বতের উত্তরাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭.০। এই ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল তিব্বতের নাগচু শহরের বাচেন কাউন্টি। ভূমিকম্পের উৎসস্থল বাচেন কাউন্টি ছিল নাগচু থেকে প্রায় ১৯০-১৯১ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তর-পূর্বে এবং তিব্বতের রাজধানী লাসা থেকে প্রায় ৩৯০-৪০০ কিলোমিটার দূরে।

কম্পনের উৎসস্থল মাটি থেকে প্রায় ১০ থেকে ১৮ কিলোমিটার। উৎসস্থলের আশেপাশের এলাকার গড় উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪,৮৬৪ মিটার (প্রায় ১৫,৯৬০ ফুট), যা অত্যন্ত উচ্চ ও বিরল বসতিপূর্ণ পার্বত্য অঞ্চল। শুধু একবার নয়, প্রায় ৪০ মিনিটের ব্যবধানে পরপর দু’বার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে তিব্বত। এর পাশাপাশি চিনের অন্য একটি এলাকাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে।

ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় সময় রাত ৮টা ৩ মিনিট নাগাদ তিব্বতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। অরুণাচল প্রদেশের পাণ্ডিন এলাকা থেকে প্রায় ৪৮৯ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে ছিল কম্পনের উৎসস্থল। কম্পনের উৎসস্থল ছিল মাটি থেকে ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৭৩ কিলোমিটার।

এর কিছুক্ষণ পর, রাত ৮টা ৪২ মিনিট নাগাদ ফের ৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ওই অঞ্চল। অরুণাচল প্রদেশের বাসার থেকে প্রায় ৩২৩ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে ছিল দ্বিতীয় কম্পনের উৎসস্থল। এনসিএস-এর তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় কম্পনের উৎসস্থল ছিল মাটি থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার।

এ দিকে, রাত ৮টা ২৯ মিনিট নাগাদ চিনের আরও একটি এলাকায় ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্পের খবর পাওয়া গিয়েছে। অরুণাচল প্রদেশের পাণ্ডিন থেকে প্রায় ৫০৫ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে ছিল এই কম্পনের উৎসস্থল। এর কম্পনের উৎসস্থল ছিল মাটি থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার বলে জানিয়েছে এনসিএস।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সুনামির ‘ T’ কেন উচ্চারিত হয় না?

Tsunami: প্রসঙ্গত “সুনামি” শব্দটির উৎপত্তি জাপানি ভাষায়, যেখানে এটি 津波 (tsunami) হিসেবে লেখা হয় এবং উচ্চারিত হয় “tsu" "ˈnami”। ‘tsu’ এর অর্থ “বন্দর” এবং ‘nami’, যার অর্থ “ঢেউ”।

উল্লেখ্য, কয়েক সপ্তাহ আগেই নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী পার্বত্য অঞ্চলে ভয়াবহ হড়পা বান ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছিল। ওই বিপর্যয়ে ব্যাপক প্রাণহানি ও সম্পত্তির ক্ষতি হয়। সেই বিপর্যয়ের ক্ষত এখনও পুরোপুরি কাটেনি। তার মধ্যেই নতুন করে শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনায় হিমালয় সংলগ্ন এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ল।

এই ভূমিকম্প চিনে ২০২৪ সালের জানুয়ারির পর সবচেয়ে শক্তিশালী। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ (USGS) এবং চিন ভূমিকম্প নেটওয়ার্ক কেন্দ্র (CENC) উভয়েই মাত্রা ৭.০ নিশ্চিত করেছে। ভূমিকম্পটি স্বাভাবিক ফল্টিংয়ের কারণে ঘটেছে, যা তিব্বত মালভূমির পূর্ব-পশ্চিম সম্প্রসারণের সঙ্গে যুক্ত। তিব্বত মালভূমি ভূকম্পনপ্রবণ এলাকা। ১৯০০ সাল থেকে এখানে ২৯টির মতো ৭.০ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে। এর আগে ২০১০ সালে কাছাকাছি এলাকায় ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে ২,৫০০-এর বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল।

প্রাথমিক হিসাবে অন্তত ১৬ থেকে ১৮ জন নিহত হয়েছেন। আহতের সংখ্যা ৩২ থেকে ৫৪ বা তারও বেশি। এর মধ্যে ১১ জনের অবস্থা গুরুতর এবং বাকিরা হালকা আহত। বাচেন কাউন্টিতে অন্তত ৩৩৯টি বাড়ি ধসে পড়েছে এবং আরও অনেক বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে। ২০টির মতো গবাদিপশুর শেডও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মারু টাউনশিপে বাড়িঘর ধসে পড়া, দেয়ালে ফাটল এবং ভূমি ফাটলের খবর পাওয়া গেছে। জাতীয় মহাসড়ক ৩১৭-এ পাথর ধসে রাস্তা অবরোধ হয়েছে এবং গাড়ি ও রেলিং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছে এবং অনেক এলাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

ভূমিকম্পের পরপরই বেশ কয়েকটি আফটারশক অনুভূত হয়। USGS-এর তথ্য অনুযায়ী, ৪.৩ থেকে ৫.২ মাত্রার অন্তত সাতটি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা রাতের অন্ধকারে ঘর থেকে বেরিয়ে রাস্তায় আশ্রয় নেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ভিডিওতে দেখা যায়, রেস্তোরাঁ ও সুপারমার্কেট থেকে মানুষ দৌড়ে বেরিয়ে আসছে।

উদ্ধার অভিযান তৎক্ষণাৎ শুরু হয়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ লেভেল-২ বা লেভেল-৩ জরুরি প্রতিক্রিয়া ঘোষণা করে। বাচেন কাউন্টি থেকে ১,৬০০-এর বেশি উদ্ধারকর্মী মোতায়েন করা হয়। ১,০০০টি প্রিফ্যাব্রিকেটেড হাউজিং ইউনিট, ৩,০০০টি তাঁবু ও ভাঁজযোগ্য বিছানা, টর্চ এবং শীতের পোশাক পাঠানো হয়। চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং 'সর্বাত্মক উদ্ধার অভিযান' চালানোর নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রী লি চাং আহতদের চিকিৎসা ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জরুরি নির্দেশ দেন।

তিব্বতের উচ্চতা প্রায় ৪,৫০০ মিটার এবং আগামী দিনে তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে, ফলে উদ্ধারকাজ আরও কঠিন হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, তিব্বতের ভূতাত্ত্বিক অবস্থান এবং উচ্চতা অন্যান্য অঞ্চলের থেকে ভূমিকম্পের প্রভাবকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কম, কারণ তিব্বত তুলনামূলকভাবে কম জনবহুল।

এই ভূমিকম্প তিব্বতের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিকে আবারও সামনে এনেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ উদ্ধার ও পুনর্বাসন কাজ অব্যাহত রেখেছে। আহতদের চিকিৎসা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সাহায্যে সরকারি সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।

লিখেছেন
inscript
inscript
17 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

জলবায়ু বদলেছে, নদীর প্রবাহ বদলেছে: ৩০ বছরের পুরনো ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তিতে কোন কোন পরিবর্তন দরকার?

A Flawed Pact of Farakka: ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে ১৯৯৬ সালের গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তির ৩০ বছরের মেয়াদ। বাংলাদেশের নদী বিশেষজ্ঞ মনজুর এ চৌধুরীর মতে, চুক্তিটি 'ত্রুটিপূর্ণ', এতে নেই গ্যারান্টি ক্লজ, নেই পরিবেশগত প্রবাহের হিসাব, নেই জলবায়ু পরিবর্তনের বিধান। তাঁর প্রস্তাব, তিন বছরের নতুন অন্তর্বর্তী চুক্তি হোক, তারপর নেপালকে যুক্ত করে তৈরি করা হোক ত্রিপাক্ষিক কাঠামো।

থালায় খাবার, নাকি বিষ? খাদ্যব্যবস্থার ভিতরে যেভাবে ঢুকছে কীটনাশক ও কর্পোরেট নিয়ন্ত্রণ

Poison on the Plate: বায়ার-মনসান্টো ও সিনজেনটার মতো 'বিগ সিক্স' কর্পোরেটের নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে বিশ্বের বীজ বাজার। ২০২৩ সালে ভারতে ১০,৭৮৬ জন খাদ্য উৎপাদক কৃষক ও কৃষিশ্রমিকের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। ২৮ শতাংশ খাদ্য নমুনায় কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পাওয়া যাচ্ছে। কৃষিকাজে ব্যবহৃত গ্লাইফোসেটকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ক্ষতিকারক ‘সম্ভাব্য কার্সিনোজেন’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, তবুও এর ব্যবহার থামেনি। অন্যদিকে, প্রচারের অন্তরালে সিকিম আমাদের দেশের প্রথম শতভাগ জৈব কৃষির রাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। সারা বিশ্বজুড়ে কৃষিবিদ বন্দনা শিবার ‘পয়জন-ফ্রি ফুড অ্যান্ড ফার্মিং ২০৩০’ অভিযানের ডাক আমাদের খাবারের থালাকে বিষমুক্ত করার আহ্বান জানাচ্ছে।

তেলের বদলে বিদ্যুৎ! আরব সাগরের তলায় ভারত-সৌদির ৯ বিলিয়ন ডলারের মহাপ্রকল্প

India Saudi Arabia submarine power link: আরব সাগরের তলদেশ দিয়ে ভারত ও সৌদি আরবের মধ্যে প্রস্তাবিত ২১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সাবমেরিন বিদ্যুৎ সংযোগের একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হচ্ছে, যার ক্ষমতা থাকবে ৩ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের। প্রযুক্তি হিসাবে ব্যবহৃত হবে HVDC, এর ফলে প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ বিলিয়ন ডলার। আজ, ৫ অক্টোবর, দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে আলোচনা হবে প্রকল্পটির ব্যয় কমানো, অর্থায়ন মডেল ও ঝুঁকি ভাগাভাগি নিয়ে। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, ভারতের ওয়ান সান ওয়ান ওয়ার্ল্ড ওয়ান গ্রিড প্রকল্প ও জি-২০ তে প্রস্তাবিত ইন্ডিয়া-মিডল ইস্ট-ইউরোপ ইকোনমিক করিডোরের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এই প্রকল্পটিকে চিনের বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভের বিকল্প হিসেবে দেখা যেতে পারে।

কয়লার দেশ হয়েও কেন বিদ্যুৎ সংকটে ভারত?

India's energy crisis 2026: হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হওয়ায়, ভারতের ৮০ শতাংশের বেশি জ্বালানি আমদানি ধাক্কা খেয়েছে। বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর এক সময় জ্বালানিক্ষেত্রে ‘ঘাটতি নেই’ বললেও সেপ্টেম্বরে স্বীকার করলেন, জ্বালানির পরিস্থিতি বর্তমানে ‘টানটান’। ৭৬টি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সংকটজনক ভাবে মজুত করা কয়লায় চলছে। চলছে এলপিজির কালোবাজারি। ডিসকমগুলির বকেয়া জমে রয়েছে প্রায়, ৩,৩৩০ কোটি টাকা।

প্রকৃতির কোলে পিকনিক, শেষে প্লাস্টিকের পাহাড়: মানুষ কি সত্যিই প্রকৃতিকে ভালোবাসে?

Environmental Pollution: প্রশাসনের তরফে অতিরিক্ত দূষণ ছড়ানো কলকারখানা সিল করে দেওয়ার মতো প্রশাসনিক পদক্ষেপ হয়তো নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এতেই কি সমস্যার সমাধান মিলবে? কারণ জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ব্যক্তিগত যানবাহনের দাপট এবং বৈদ্যুতিন বর্জ্য। শ্রমবিমুখ হয়ে সবকিছু প্রস্তুত পাওয়ার মানসিকতা এবং দেশে সংস্কারের লড়াই না করে সহজে অন্য দেশে পাড়ি দেওয়ার প্রবণতাও স্পষ্ট। এই দায় এড়িয়ে কি সার্বিক সমাধান সম্ভব?

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

সিভিল সার্ভিস ছেড়ে বাঘের টানে রণথম্ভোরে, ৩৫ একর জমিতে তৈরি করলেন বন

Ranthambore tiger conservation: তাঁরা কেবল চেয়েছিলেন সংরক্ষিত বনের বাইরে বাঘেদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তুলতে। তারপর কুড়ি বছর পর্যটন লজ থেকে যেটুকু আয় হতো, তার প্রায় সবটাই তাঁরা সঞ্চয় করতেন ভাদলাভে কৃষকদের কাছ থেকে এক এক করে জমি কেনার জন্য। প্রায় দুই দশক ধরে একটু একটু করে ৩৫ একরেরও বেশি জমি তাঁরা কিনে নেন, যার মোট খরচ ছিল সে সময়ের হিসাবে এক কোটি টাকারও বেশি।