জোড়া ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত ভেনেজুয়েলা, দেশব্যাপী জরুরি অবস্থার ডাক দিলেন অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান ডেলসি রডরিগেজ

Venezuela earthquake: ভেনেজুয়েলায় পরপর ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে রাজধানী কারাকাস-সহ একাধিক শহরে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের খবর মিলেছে। বহু ভবন ধসে পড়েছে, ব্যাহত হয়েছে যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ পরিষেবা। দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

inscript
৩ মিনিট
জোড়া ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত ভেনেজুয়েলা, দেশব্যাপী জরুরি অবস্থার ডাক দিলেন অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান ডেলসি রডরিগেজ

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানার পর গোটা দেশ কার্যত বিপর্যস্ত অবস্থার মধ্যে পড়েছে। রাজধানী কারাকাস-সহ একাধিক শহরে বহুতল ভবন ভেঙে পড়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ বিল্ডিং। উদ্ধারকাজ এখনও চলছে, ফলে প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা জানা না গেলেও আন্তর্জাতিক ভূতাত্ত্বিক সংস্থাগুলি আশঙ্কা করছে প্রাণহানির সংখ্যা অত্যন্ত বেশি হতে পারে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭.২। তার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আরও শক্তিশালী ৭.৫ মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্প দুটির উৎসস্থল ছিল ক্যারিবিয়ান উপকূলবর্তী মোরোন অঞ্চলের কাছে, যা রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। বিশেষজ্ঞরা একে ‘ডাবলেট’ বা পরপর সংঘটিত শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করছেন।

প্রথম কম্পনের ধাক্কা সামলানোর আগেই দ্বিতীয় ভূমিকম্প আঘাত হানায় মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অফিস, শপিং মল, আবাসন এবং সরকারি ভবন থেকে মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। অনেকেই খালি পায়ে বা জরুরি জিনিসপত্র না নিয়েই নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে দৌড়তে শুরু করেন। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলিতে দেখা গিয়েছে, ভবন কাঁপতে শুরু করতেই আতঙ্কিত মানুষ রাস্তায় ছুটছেন এবং বহু জায়গায় ভবনের অংশ ভেঙে পড়ছে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতির খবর এসেছে রাজধানী কারাকাস থেকে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় বহু বহুতল ভবন আংশিক বা সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে বহু মানুষ আটকে পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ধারকারী দল রাতভর ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছে। হাসপাতালগুলিতে আহতদের ভিড় বাড়তে থাকায় অতিরিক্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জরুরি ভিত্তিতে কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, পুলিশ, দমকল এবং নাগরিক সুরক্ষা বাহিনীকে একযোগে উদ্ধারকাজে নামানো হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপকতা এতটাই বেশি যে বহু জায়গায় উদ্ধারকর্মীরা এখনও পৌঁছতে পারেননি। বিদ্যুৎ ও ফোন-ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যাহত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। বহু পরিবার এখনও তাঁদের স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না।

ভূমিকম্পের পর ইউএসজিএস একটি ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে। সংস্থাটির মূল্যায়নে বলা হয়েছে, এই ধরনের প্রবল কম্পনের ফলে ব্যাপক প্রাণহানি এবং বিপুল অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রাথমিক অনুমানে কয়েক হাজার থেকে কয়েক লক্ষ মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, যদিও সরকারি ভাবে এখনও কোনো চূড়ান্ত সংখ্যা ঘোষণা করা হয়নি।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে অন্তর্বর্তী রাষ্ট্রপতি ডেলসি রদ্রিগেস দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত এড়াতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ভবন থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে। স্কুল, কিছু সরকারি পরিষেবা এবং গণপরিবহনের একাংশ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

কারাকাসের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে বিমান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। বিভিন্ন সড়ক ও সেতুতেও ফাটল দেখা দিয়েছে। ফলে উদ্ধারকারী বাহিনীর কাজ আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।

প্রথম ধাক্কার পর ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের কিছু অংশে সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়েছিল। যদিও পরে সেই সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়। তবুও উপকূলবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে, কারণ বড় ভূমিকম্পের পর দীর্ঘ সময় ধরে আফটারশক বা পরাঘাত চলতে পারে।

ভেনেজুয়েলা এমন একটি অঞ্চলে অবস্থিত যেখানে ক্যারিবিয়ান এবং দক্ষিণ আমেরিকান টেকটোনিক প্লেটের সীমান্ত রয়েছে। এই ভূতাত্ত্বিক অবস্থানের কারণে দেশটি দীর্ঘদিন ধরেই ভূমিকম্পপ্রবণ। অতীতেও একাধিক বিধ্বংসী ভূমিকম্পের সাক্ষী থেকেছে দেশটি। ১৮১২ সালের ভয়াবহ কারাকাস ভূমিকম্পে প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। ১৯৬৭ সালেও রাজধানী এলাকায় বড় ভূমিকম্পে কয়েকশো মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল।

এবারের ভূমিকম্পকে অনেক বিশেষজ্ঞ গত কয়েক দশকের মধ্যে ভেনেজুয়েলার সবচেয়ে বিধ্বংসী প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলির একটি বলে মনে করছেন। কারণ, দুটি শক্তিশালী কম্পন পরপর আঘাত হানায় ভবনগুলির উপর চাপ বহুগুণ বেড়ে যায়। প্রথম কম্পনে দুর্বল হয়ে পড়া কাঠামো দ্বিতীয় ধাক্কায় সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার ঘটনা বহু জায়গায় ঘটেছে।

এই মুহূর্তে গোটা দেশের নজর উদ্ধারকাজের দিকে। ধ্বংসস্তূপের নীচে এখনও বহু মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রাত পেরিয়ে সকাল হলেও উদ্ধারকারী দলগুলির কাজ থামেনি। পরিবারগুলিও হাসপাতাল, আশ্রয়কেন্দ্র এবং দুর্ঘটনাস্থলের সামনে উদ্বেগ নিয়ে অপেক্ষা করছেন তাঁদের প্রিয়জনদের খোঁজের জন্য।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

তেলের বদলে বিদ্যুৎ! আরব সাগরের তলায় ভারত-সৌদির ৯ বিলিয়ন ডলারের মহাপ্রকল্প

India Saudi Arabia submarine power link: আরব সাগরের তলদেশ দিয়ে ভারত ও সৌদি আরবের মধ্যে প্রস্তাবিত ২১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সাবমেরিন বিদ্যুৎ সংযোগের একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হচ্ছে, যার ক্ষমতা থাকবে ৩ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের। প্রযুক্তি হিসাবে ব্যবহৃত হবে HVDC, এর ফলে প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ বিলিয়ন ডলার। আজ, ৫ অক্টোবর, দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে আলোচনা হবে প্রকল্পটির ব্যয় কমানো, অর্থায়ন মডেল ও ঝুঁকি ভাগাভাগি নিয়ে। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, ভারতের ওয়ান সান ওয়ান ওয়ার্ল্ড ওয়ান গ্রিড প্রকল্প ও জি-২০ তে প্রস্তাবিত ইন্ডিয়া-মিডল ইস্ট-ইউরোপ ইকোনমিক করিডোরের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এই প্রকল্পটিকে চিনের বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভের বিকল্প হিসেবে দেখা যেতে পারে।

কয়লার দেশ হয়েও কেন বিদ্যুৎ সংকটে ভারত?

India's energy crisis 2026: হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হওয়ায়, ভারতের ৮০ শতাংশের বেশি জ্বালানি আমদানি ধাক্কা খেয়েছে। বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর এক সময় জ্বালানিক্ষেত্রে ‘ঘাটতি নেই’ বললেও সেপ্টেম্বরে স্বীকার করলেন, জ্বালানির পরিস্থিতি বর্তমানে ‘টানটান’। ৭৬টি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সংকটজনক ভাবে মজুত করা কয়লায় চলছে। চলছে এলপিজির কালোবাজারি। ডিসকমগুলির বকেয়া জমে রয়েছে প্রায়, ৩,৩৩০ কোটি টাকা।

প্রকৃতির কোলে পিকনিক, শেষে প্লাস্টিকের পাহাড়: মানুষ কি সত্যিই প্রকৃতিকে ভালোবাসে?

Environmental Pollution: প্রশাসনের তরফে অতিরিক্ত দূষণ ছড়ানো কলকারখানা সিল করে দেওয়ার মতো প্রশাসনিক পদক্ষেপ হয়তো নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এতেই কি সমস্যার সমাধান মিলবে? কারণ জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ব্যক্তিগত যানবাহনের দাপট এবং বৈদ্যুতিন বর্জ্য। শ্রমবিমুখ হয়ে সবকিছু প্রস্তুত পাওয়ার মানসিকতা এবং দেশে সংস্কারের লড়াই না করে সহজে অন্য দেশে পাড়ি দেওয়ার প্রবণতাও স্পষ্ট। এই দায় এড়িয়ে কি সার্বিক সমাধান সম্ভব?

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

সিভিল সার্ভিস ছেড়ে বাঘের টানে রণথম্ভোরে, ৩৫ একর জমিতে তৈরি করলেন বন

Ranthambore tiger conservation: তাঁরা কেবল চেয়েছিলেন সংরক্ষিত বনের বাইরে বাঘেদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তুলতে। তারপর কুড়ি বছর পর্যটন লজ থেকে যেটুকু আয় হতো, তার প্রায় সবটাই তাঁরা সঞ্চয় করতেন ভাদলাভে কৃষকদের কাছ থেকে এক এক করে জমি কেনার জন্য। প্রায় দুই দশক ধরে একটু একটু করে ৩৫ একরেরও বেশি জমি তাঁরা কিনে নেন, যার মোট খরচ ছিল সে সময়ের হিসাবে এক কোটি টাকারও বেশি।

জলবায়ু বদল শুধু প্রকৃতির বিপদ নয়, ভারতের অর্থনীতির ভিতও নড়বড়ে করে দিচ্ছে

climate change and economy: ১৯৯০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ২১টি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি খতিয়ে দেখে একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে এক চমকে দেওয়ার মতো তথ্য। দেখা যাচ্ছে, বার্ষিক গড় তাপমাত্রা যদি মাত্র ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসও বাড়ে, তবে দীর্ঘমেয়াদে সামগ্রিক উৎপাদন দক্ষতা কমে যায় প্রায় ৩.২২ শতাংশ।

নেপাল বিপর্যয়ের ক্ষতিপূরণ দেবে কে?

Climate Justice for nepal: ২৬ অগাস্ট লাংটাং লিরুং-এর হিমবাহ ধসে নেপালের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিপর্যয়—নিহত ১,৩৪৪, নিখোঁজ ৪,৮৮৭। পুনর্গঠনে প্রয়োজন ৪-৫ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ডে আছে মাত্র ৮২২ মিলিয়ন ডলার।নেপালের দাবি, চিন-ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক দায় আছে। জলবায়ু ন্যায়বিচারের প্রশ্ন এখন আন্তর্জাতিক কাঠগড়ায়।

নেপালের হড়পা বান থেকে বেঁচে ফিরলেন যাঁরা, তাঁদের চোখে ২৬ অগাস্ট

Nepal flash floods 2026: ২৬ অগাস্ট, ২০২৬-এ নেপালের হড়পা বানে ধ্বংসস্তূপের মাঝেও কিছু মানুষ বেঁচে ফিরেছেন। কেউ এক কাপ চায়ের বিরতির জন্য, কেউ গাড়ির একটা রিভার্স গিয়ারের কারণে, কেউ ডালপালা ছড়ানো একটা আমগাছ আঁকড়ে ধরে, আবার কেউ কেবল ১৫ সেকেন্ডের দৌড়ে ছিনিয়ে এনেছেন নিজের শ্বাস। মৃত্যু খুব কাছ থেকে অনুভব করে ফেরা সেই মানুষগুলির অভিজ্ঞতায় রইল রাসুয়া আর নুয়াকোটের সেই সকালের কথা।