অপারেশন সিঁদুর: ভারতের হারানো যুদ্ধবিমানের সংখ্যা নিয়ে কেন মাথাব্যথা ট্রাম্পের?

India-Pakistan conflict: সম্প্রতি ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষে যুদ্ধবিমান ধ্বংস নিয়ে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চার-পাঁচটি বিমান ধ্বংসের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।

Tanvia Barua
৩ মিনিট
অপারেশন সিঁদুর: ভারতের হারানো যুদ্ধবিমানের সংখ্যা নিয়ে কেন মাথাব্যথা ট্রাম্পের?

নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বন্ধুত্বের এই প্রতিদান দিলেন ট্রাম্প? সম্প্রতি ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষে যুদ্ধবিমান ধ্বংস নিয়ে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চার-পাঁচটি বিমান ধ্বংসের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ থামানোর ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকার কথা নিজের মুখেই বারবার বলেছেন ট্রাম্প। তাহলে হঠাৎ যুদ্ধবিমান ধ্বংস নিয়ে ট্রাম্পের মাথাব্যথার কারণ কী? এর পেছনে কি ট্রাম্পের বৃহত্তর বাণিজ্যিক লক্ষ্য রয়েছে?

পাহেলগাঁও হামলার পর পাকিস্তানে প্রত্যাঘাত করেছিল ভারত। অভিযানের নাম ছিল 'অপারেশন সিঁদুর'। ভারতের দাবি, ৬ মে পাক অধিকৃত কাশ্মীর এবং পাক পঞ্জাবের ন'টি জঙ্গিঘাঁটি আক্রমণ করে ভারতীয় সেনা। জঙ্গিঘাঁটি লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছিল বলে দাবি করেছিল ভারত। ৭মে থেকে ১০ মে এই চার দিন দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ প্রায় যুদ্ধে পরিণত হচ্ছিল। ট্রাম্প দাবি করেন, এই পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যস্থতা করেন তিনিই। যুদ্ধ থামানোয় তাঁর ভূমিকার কথা নিজেই বারবার বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে পাকিস্তান ট্রাম্পের কৃতিত্ব মেনে নিলেও ভারত তাঁর ওই দাবি স্বীকার করেনি। এবার যুদ্ধবিমান ধ্বংসের প্রসঙ্গে আবার নতুন করে মন্তব্য করলেন তিনি। লোকসভায় বাদল অধিবেশন শুরুর আগে ট্রাম্পের এ হেন মন্তব্যে ব্যপক জলঘোলা চলছে। প্রশ্ন উঠছে, মোদী ট্রাম্পের দূরত্ব কি ক্রমশ বাড়ছে?

হোয়াইট হাউসে রিপাবলিকান পার্টির সদস্যদের নিয়ে একটি সভায় ট্রাম্প বক্তৃতা রাখেন বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ ও হিংসার প্রসঙ্গে। ট্রাম্পের ‌দাবি, "আমরা একাধিক যুদ্ধ বন্ধ করতে পেরেছি। এই যুদ্ধগুলি যথেষ্ট বিপজ্জনক ছিল। ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছে। আমার মনে হয়, সেখানে চার-পাঁচটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে। দুটি পরমাণু শক্তিধর দেশ পরস্পরকে আক্রমণ করছিল।"

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কেন ট্রাম্পের সঙ্গে এপস্টাইনের সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক? জেফ্রি এপস্টাইন কে?

Trump : ২০০২ সালে ট্রাম্প নিউ ইয়র্ক ম্যাগাজিন-কে বলেছিলেন, এপস্টাইনের সঙ্গে থাকতে আমার ভালো লাগে। তিনি এপস্টাইনকে ‘দুর্দান্ত ব্যক্তিত্ব’ বলেও উল্লেখ করেছিলেন।

যদিও ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেননি কোন দেশের যুদ্ধবিমান ধ্বংসের কথা বলছেন। যুদ্ধ বিমান ধ্বংস নিয়ে প্রায় দু'মাস বিতর্ক চলেছিল। পাকিস্তান দাবি করেছিল, ভারতের ৫টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে তারা। তবে ভারত এই নিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু না জানালেও ভারতীয় সেনা সর্বাধিনায়ক অনিল চৌহান সিঙ্গাপুরে জানিয়েছিলেন, ভারতের যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে। কিন্তু কোনও নির্দিষ্ট সংখ্যার উল্লেখ করেননি তিনি। ক্যাপ্টেন শিবকুমারের মুখেও ইন্দোনেশিয়ায় একই ধরনের স্বীকারোক্তি শোনা গিয়েছিল। এখন যুদ্ধ বিমান নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য সামনে আসার পর প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস ট্রাম্পের বক্তব্যকে হাতিয়ার করেছে।

তবে প্রশ্ন উঠছে, তিনিই যুদ্ধ থামিয়েছেন, দাবি করেও হঠাৎ কেন যুদ্ধবিমান ধ্বংসের প্রসঙ্গ আনলেন ট্রাম্প? বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে ভারতের উপর চাপ বাড়াতেই ট্রাম্প এখন এ কথা বলেছেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
'ম্যাডম্যান থিওরি' বা 'পাগল তত্ত্ব'! ট্রাম্পের খেয়ালখুশি সিদ্ধান্ত নিয়ে যা বলছেন বিশ্লেষকরা

Trump: ইরান আক্রমণ থেকে শুরু করে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি-কে আক্রমণ সবটাই ছিল অপ্রত্যাশিত। এই সিদ্ধান্তগুলিকে 'ম্যাডম্যান থিওরি' বা 'পাগল তত্ত্ব' বলছেন বিশ্লেষকরা।

নতুন শুল্ক নীতি আনতে চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিছু মাস ধরেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। সেই আলোচনা এখনও চলছেই। ভারত এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেনি। সম্প্রতি আবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ''আমার মনে হয়, আমরা ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করতে চলেছি। এটা এমন এক চুক্তি হবে, যেখানে আমরা (বাণিজ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ের) ভিতরে ঢুকতে পারব। ভারত সাধারণত কাউকে ভিতরে ঢুকতে দেয় না। আমার মনে হয়, এবার হয়তো তারা দেবে। ভারত যদি এমনটা করতে দেয়, তাহলে আমরা অনেক কম শুল্কে চুক্তি করতে পারব।'' ট্রাম্প একাধিকবার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন, ভারত তাদের অভ্যন্তরীণ বাজারে ঢুকতে দিলেই এই চুক্তি করা হবে।

তবে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনার শুরু থেকেই নীতি আয়োগ সতর্ক করেছিল কেন্দ্রকে। শুধু তাই নয়, এ নিয়ে রিপোর্টও দিয়েছে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। রিপোর্টে স্পষ্ট বলা হয়, ভারতে দুগ্ধজাত পণ্যের ব্যবসার সঙ্গে প্রায় আট কোটি মানুষ জড়িত। নতুন শুল্কনীতি এলে এই ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়বেন।

ওয়াশিংটন চাইছে আপেল, বাদাম, জেনেটিক্যৈালি মডিফায়েড(জিএম) শস্যের উপর ভারত শুল্ক কমিয়ে দিক। এতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের দেশে সব কৃষিপণ্য রপ্তানি করতে পারবে। যুক্তরাষ্ট্র দুধ ও দুধজাত পণ্যের উপরেও শুল্ক কমাতে চাইছে। ট্রাম্পের বাণিজ্য চুক্তির মূল উদ্দেশ্য এটাই। অন্যদিকে, ভারত চায় এখন চুক্তি হোক কিন্তু তাতে দুধ ও দুধজাত পণ্য ও জিএম শস্য বাদ থাক।

আসলে কৃষি ও ডেয়ারিতে শুল্ক কমালে, সরকারকে কৃষক-বিরোধী বলে মনে করবেন অনেকেই। কারণ, ভারতে ডেয়ারির সঙ্গে প্রায় আট কোটি মানুষ জড়িত। পেস্তা, হেজেলনাট, অ্যামন্ড-এর মতো পণ্য ভারত অনেকটাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি করে। দেশটি দাবি করছে, আপেলের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক কমাতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র সোয়াবিন ও ভুট্টার মতো পণ্য এ দেশে রপ্তানি করতে চায়। এ ক্ষেত্রে দেশটির ভারতের বাজার দরকার। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের এ সব অন্যায্য দাবি মেনে নিলে ভারতের ক্ষমতাসীন সরকার রাজনৈতিকভাবে সমস্যায় পড়বে। আর সরকার তা চাইছে না। অন্যদিকে আবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যর সম্পর্ক থাকাটাও জরুরি। এই পরিস্থিতিতে কিছু ক্ষেত্রে শুল্ক কমিয়ে, কিছু ক্ষেত্রে নিজেদের দাবি চাপিয়ে চুক্তি করতে চাইছে ভারত। অন্যদিকে, ট্রাম্প বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে ভারতের উপর চাপ বাড়াতে নতুন করে যুদ্ধবিমান ধ্বংসের প্রসঙ্গ তুলে আনছেন বলেই বিশেষজ্ঞদের একাংশের মত। এখন দেখার, ভারত এই মন্তব্যে কী প্রতিক্রিয়া দেয়।

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।