চিত্তপ্রসাদ? সেটা আবার কে!
Chittaprosad: চিত্তপ্রসাদ পছন্দ করতেন না তাঁর ছবির এক্সিবিশন হোক। চেকোশ্লোভাকিয়ায় একটি প্রদর্শনীর পরে আসে একটি মোটা অঙ্কের চেক এবং আজীবন নাগরিত্বের অনুরোধ। চিত্তপ্রসাদ দুই-ই ফিরিয়ে দেন। এত মৃত্যু দেখেছেন, সম্ভবত অনাহারে মৃত্যু তাঁর কাছে বড় শ্লাঘার বিষয় ছিল।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্প্রতি মুছে ফেলা হলো চিত্তপ্রসাদের গ্রাফিত্তি। পুরকর্মী এবং পুলিশের যৌথ প্রচেষ্টায় শ্বেতশুভ্র দেওয়াল। ভাগ্যিস! ভাগ্যিস মোছা হলো! মোছা হলো বলেই ফের মনে এল, তিনিও ছিলেন, আমাদের ভাতঘুম, গ্যালারি-আর্ট আর আরামসর্বস্ব জীবনে, ড্রয়িংরুমে যদিও তার জায়গা হয়নি। তাঁকে আগলে রেখেছিল ছাত্ররা।
যে কোনো ছবি দেখার একটা প্রস্তুতি আছে। চিনতে হয় আর্টিস্টের হয়ে ওঠার লক্ষণগুলিকে, ক্রমে চেনা যায় তাঁর সিগনেচার। চিত্তপ্রসাদ তাঁর ছবিকে দাঁড় করিয়েছিলে মেওনিজ আর ওবেসিটি সভ্যতার বিপ্রতীপে, ক্ষুধার্ত...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে







