দুর্ঘটনা নাকি ষড়যন্ত্র? অজিত পাওয়ারের মৃত্যু ঘিরে তুঙ্গে রাজনৈতিক বিতর্ক

Ajit Pawar: বিমান দুর্ঘটনায় অজিত পাওয়ারের মৃত্যু ঘিরে উঠছে প্রশ্ন, এটা কি নিছকই দুর্ঘটনা নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে গভীর কোনো ষড়যন্ত্র?

Sangita Ghorai
৪ মিনিট
দুর্ঘটনা নাকি ষড়যন্ত্র? অজিত পাওয়ারের মৃত্যু ঘিরে তুঙ্গে রাজনৈতিক বিতর্ক

২৮ জানুয়ারি সকালে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। ২৭ জানুয়ারি মুম্বইয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে যোগ দেন তিনি। বুধবার বারামতীর উদ্দেশ্যে রওনা দেন এনসিপি নেতা। সেখানে জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু তার আগেই ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাঁকে বহনকারী চার্টার্ড বিমানটি। সকাল ৮টা ৪৪ মিনিট নাগাদ বারামতীর কাছে ভেঙে পড়ে বিমানটি। অবতরণের সময় রানওয়ের কাছেই বিমানটি আছড়ে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। এই দুর্ঘটনায় অজিত পাওয়ারসহ মোট পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ছিলেন বিমানের পাইলট, কো-পাইলট এবং পাওয়ারের দুই সহকারী (একজন পিএসও ও একজন অ্যাটেনড্যান্ট)। কিন্তু বিমান দুর্ঘটনায় অজিত পাওয়ারের মৃত্যু ঘিরে উঠছে প্রশ্ন, এটা কি নিছকই দুর্ঘটনা নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে গভীর কোনো ষড়যন্ত্র?

কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?

অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের টাইমলাইন অনুযায়ী, সকাল ৮টা ১৮ মিনিটে বিমানটি প্রথম বারামতী এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের (ATC) সঙ্গে যোগাযোগ করে। রানওয়ে ১১-তে ফাইনাল অ্যাপ্রোচে থাকার কথা জানিয়ে পাইলট বলেন, রানওয়ে চোখে পড়ছে না এবং এরপর ‘গো-অ্যারাউন্ড’ শুরু করেন। পরে বিমানটি রানওয়ে দেখতে পাওয়ার কথা জানায় এবং সকাল ৮টা ৪৩ মিনিটে অবতরণের অনুমতি পায়। তবে সেই অনুমতির কোনো ‘রিড-ব্যাক’ বা স্বীকৃতি ATC পায়নি। এর পর সকাল ৮টা ৪৪ মিনিটে ATC রানওয়ে ১১-এর থ্রেশহোল্ডের কাছে আগুন দেখতে পায়।

DGCA সূত্রে জানানো হয়েছে, মুম্বই থেকে আসা চার্টার্ড বিমানটি বারামতীতে রানওয়ের থ্রেশহোল্ডের কাছেই ভেঙে পড়ে। কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার সময় দৃশ্যমানতা খারাপ ছিল। যদিও বিমানের পাইলট সুমিত কাপুর ছিলেন অত্যন্ত অভিজ্ঞ। তাঁর মোট উড়ান অভিজ্ঞতা ছিল প্রায় ১৬,৫০০ ঘণ্টা। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার জন্য অত্যন্ত দক্ষ ও অভিজ্ঞ পাইলট হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ওয়াও মোমো অগ্নিকাণ্ড: মৃত ১৬, দায় কার?

Wow Momo Incident: দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু ঘটনাস্থলে পৌঁছতে প্রায় ৩০ ঘণ্টা সময় নিয়েছেন, এই বিলম্ব নিয়েও আলোচনা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তখনও যাননি। সরকারি ব্যস্ততার কারণ থাকতে পারে, কিন্তু জনমানসে এই অনুপস্থিতি দাগ কেটেছে। কারণ একই সময়ে শহর বইমেলার আলোয় ব্যস্ত, মঞ্চে ছবি তোলা চলছে— এই বৈপরীত্য মানুষ চোখ এড়িয়ে যেতে দেয় না।

তদন্তে কী জানা যাচ্ছে?

দুর্ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব নিয়েছে এয়ারক্রাফ্ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (AAIB)। ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার, ককপিট ভয়েস রেকর্ডার, আবহাওয়ার তথ্য এবং বিমানবন্দরের নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আপাতত সরকারিভাবে এটিকে দুর্ঘটনা বলেই ধরা হচ্ছে, তবে চূড়ান্ত রিপোর্ট আসা পর্যন্ত প্রকৃত কারণ স্পষ্ট নয়। অজিত পাওয়ারের মৃত্যুর পর মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস রাজ্যে এক দিনের ছুটি ও তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন।

বিরোধীদের কী বক্তব্য?

এই দুর্ঘটনার পরই বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির একাংশ সন্দেহ প্রকাশ করেছে। তাঁদের দাবি, খারাপ আবহাওয়ার মধ্যেও কেন অবতরণের চেষ্টা করা হল? প্রশ্ন তোলা হয়েছে, বারামতীর মতো একটি ছোট ও নিয়ন্ত্রণহীন বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট ছিল কি না! এবং অবতরণের অনুমতির পর কেনই বা হঠাৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইরানে মার্কিন হামলা কি সময়ের অপেক্ষা?

US Iran tensions: ইসলামী শাসনব্যবস্থা ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকেই ইরানে বড় বড় প্রতিবাদ-আন্দোলনের জন্ম হয়েছে কয়েকটি পরিচিত জায়গা থেকে। মতপ্রকাশ ও বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা, নির্বাচনের ফল ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণকে ঘিরে হতাশা, অর্থনৈতিক চাপ ও মূল্যবৃদ্ধি, এবং নারীর শরীর ও পোশাককে রাষ্ট্রীয় শাসনের বিষয় বানানোর সিদ্ধান্ত।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই দুর্ঘটনাকে ঘিরে সরকারি তদন্তে সন্দেহের প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে, পাওয়ার খুব শীঘ্রই বর্তমান রাজনৈতিক জোট (BJP/এনডিএ) থেকে বের হয়ে ‘ইন্ডিয়া জোট’-এ যোগ দেওয়ার কথা ভাবছিলেন এবং এমন পরিস্থিতিতে তাঁর আকস্মিক মৃত্যু রহস্যজনক মনে হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে স্বচ্ছ, উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত দাবি করেছেন এবং বলেছেন সরকারে থাকা অন্যান্য তদন্ত সংস্থা ‘বিলকুল বিশ্বাসযোগ্য নয়’ বলে তিনি মনে করেন।

তবে শরদ পাওয়ার বলেন,

কেউ কেউ এই ঘটনাকে রাজনৈতিক রঙ দেওয়ার চেষ্টা করছে। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনো যোগ নেই; এটি সম্পূর্ণরূপে একটি দুর্ঘটনা

তিনি আরও বলেন,

এই ঘটনা আমার এবং সমগ্র মহারাষ্ট্রের জন্য খুবই দুঃখের। আমি সকলের কাছে আবেদন করছি এই ট্র্যাজেডিকে রাজনীতিকরণ না করার জন্য

কেন এই মৃত্যু সন্দেহের জন্ম দিচ্ছে?

প্রথমে রানওয়ে দেখা যায়নি, তবু আবার অবতরণের চেষ্টা কেন করা হলো? তাছাড়া অভিজ্ঞ পাইলট থাকা সত্ত্বেও এত বড় দুর্ঘটনা কীভাবে ঘটল? তা সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে। এছাড়া অবতরণের অনুমতির পর কোনো রেডিও বার্তা না পাওয়া এবং আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণ নিয়ে ধোঁয়াশার কারণে এই দুর্ঘটনা সন্দেহের জন্ম দিয়েছে।

অজিত পাওয়ারের আকস্মিক মৃত্যু মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে বড় ধাক্কা দিয়েছে। সরকার একে দুর্ঘটনা বললেও, বিরোধীদের সন্দেহ ও জনমনে তৈরি হওয়া প্রশ্নের কারণে তদন্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা দেশ। চূড়ান্ত তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ পেলেই স্পষ্ট হবে— এটি নিছক এক দুর্ঘটনা, নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে অন্য কোনো কারণ।

লিখেছেন
Sangita Ghorai
Sangita Ghorai
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।