'আত্মা'ও কথা বলতে চায়! বিজ্ঞান নয়, বিশ্বাসে ভর দিয়ে ভূত খোঁজেন এই গোয়েন্দারা!

Bhoot Chaturdashi 2022: আত্মা প্রথমত ভয় দেখায় না। আমরা অস্বাভাবিক কিছু অনুভব করেই ভয় পেয়ে সরে যাই। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া। আত্মাও কথা বলতে চায়। সে তো একাকী। হঠাৎ সঙ্গহীন!

Ramen Das
৫ মিনিট
'আত্মা'ও কথা বলতে চায়! বিজ্ঞান নয়, বিশ্বাসে ভর দিয়ে ভূত খোঁজেন এই গোয়েন্দারা!

অপরাধের তথ্য তালাশ! তার জন্য মাঝে মাঝেই ডাক পড়ে গোয়েন্দার। কিন্তু ভূত খুঁজতে গোয়েন্দা! শুধু এ রাজ্য নয়, দেশের ভূত-ভবিষ্যত খোঁজার কাজে তাক লাগাচ্ছেন ‘ডিটেকটিভস অব সুপার ন্যাচরাল’ দলের সদস্যরা। এবার ভূত নিয়ে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা থেকে মজা, ভয় থেকে আত্মা- সব বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানালেন এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেবরাজ সান্যাল এবং ঈশিতা দাস সান্যাল।

ভূত চতুর্দশীর অনেক অনেক শুভেচ্ছা ভূতের বন্ধুদের!

(হাসি) ধন্যবাদ। ধন্যবাদ। আপনার জন্যও ভূতেদের তরফে শুভেচ্ছা!

আলোচনায় আসি। আচ্ছা এই যে, প্যারানর্মাল অ্যাক্টিভিটি। এটা ঠিক কী?

যা কিছু স্বাভাবিক নয়। অর্থাৎ আপনি-আমি আমাদের দেখা, শোনা, চলমানতার সময়ে ঠিক যে যে প্যারামিটারের উপর নির্ভর করে একটা স্বাভাবিক, অস্বাভাবিকের ধারণা করে নিই- তার থেকে অন্য কিছু। অর্থাৎ যা আপনাকে অস্বাভাবিক অনুভূতি দিচ্ছে।

তার মানে ভয় দিচ্ছে এমন কিছু?

হ্যাঁ। খানিকটা তাই। আপনি যখন অস্বাভাবিক কিছু বুঝলেন, অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলেন, ভয় পেলেন! তখনই এর প্রকাশ।

কিন্তু এর চর্চা কেন করছেন? মানে এরকম অদ্ভুতুড়ে চিন্তাভাবনা কেন এল?

বিশ্বের ভূত ইতিহাসে এই চর্চা কিন্তু আগে থেকেই রয়েছে। হলিউডের একাধিক সিনেমা, কনজিউরিং, এরকম বহু জায়গায় প্যারানর্মাল বিষয়টি দেখা যায়। বলতে পারেন এই বাংলায় বা দেশে সংগঠিতভাবে এটা আমরা করছি। আর ভাবনা এল আসলে শখ থেকে। মনে হত নতুন কিছু করি। নতুন ভাবে কাজটা দেখি। এরকম চ্যালেঞ্জ নেওয়া থেকেই শুরু।

বাড়ির লোক, পরিবার বারণ করেনি?

না। আমাদের কাজে বাড়ির সকলে উৎসাহ দিয়েছেন। আর আমরা দম্পতি।

এই অমাবস্যা, কালীপুজো, ভূত চতুর্দশী- এই সময়ের সঙ্গে ভূতের সম্পর্ক কী?

যে কোনও বিশেষ সময়, গাঢ় অন্ধকার, অমাবস্যা- এই সময়ে অতিপ্রাকৃতিক শক্তির আবহ বাড়ে, শক্তি বাড়ে।

অর্থাৎ ভূত আছেই?

হ্যাঁ আছে। নিশ্চিত একটা সুপার পাওয়ার আছে। থাকতেই হবে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বাংলাদেশের কালীমূর্তি চুরি হয়ে রাজস্থানের দুর্গে! যেভাবে পুজো হয় যশোরেশ্বরী কালীর

Jeshoreshwari Kali Temple Bangladesh: মূর্তির অবয়ব পুরোটাই আবৃত মখমলে। মাথার ওপর টকটকে লাল রঙের চাঁদোয়া ও সোনার মুকুট। কণ্ঠে রক্তজবার মালা ও নানা অলংকার। লোলজিহ্বা দেবীর ভীষণা মূর্তি।

কেমন দেখতে সেই ভূত?

এখানে একটা বিষয় বলার। মূলত, ঠিক যে যে ভাবে আমরা ভূতের রূপের বর্ণনা পাই বা ভাবি, সেটা কিন্তু ঠিক নয়। ভূত ওই অর্থে নয়। আসলে তা নিরাকার। একটা শক্তি। একটা চেতনা।

চেতনা বলতে কী বোঝাচ্ছেন?

ধরা যাক, আপনি বা আমি, আমরা কথা বলতে বলতেই কেউ মারা গেলাম। এই মাত্র জীবিত ছিলাম! এই যে মুহূর্তেই মৃত হয়ে যাওয়া। এই সময়ে আমার যে চেতনা, যে শক্তি তার কী হবে?

তার মানে এই শক্তি, চেতনা এসব মৃত নয়, সেখান থেকেই ভয়?

খানিকটা সেরকম, তবে এর যুক্তি আলাদা। এক বিদেশি গবেষক বারবার বলছেন, আমাদের ব্রেন নয়, চেতনা তৈরি হয় ভিন্ন জায়গা থেকে। তাই ব্রেন বা শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মৃত্যুর পরেও সেই চেতনা থেকেই যায়।

বিজ্ঞান মঞ্চ তো এর বিরোধ করে। আপনার লোকজনকে ভুল বোঝাচ্ছেন! বুজরুকি করছেন!

বিজ্ঞান তো একটা বন্ধ বাক্সের মতো। যা লেখা সেটাই। যা বলা সেটা দিয়েই সব। এর বাইরে কিছু থাকতে পারে না? ব্ল্যাক হোলের ছবি দেখলেন কয়েকদিন আগেই। এর আগে তো কল্পনায় ছিল! এরপর যদি দেখেন, একদিন বলা হল এই চেতনার কথা, আত্মার কথা। তখন?

আত্মা জীবিত, ভয় দেখায়। কীভাবে হয় সবটা?

আত্মা ভয় দেখায় না।

অর্থাৎ?

হ্যাঁ, আত্মা প্রথমত আপনাকে ভয় দেখায় না। আমরা অস্বাভাবিক কিছু অনুভব করেই ভয় পেয়ে সরে যাই। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া। আত্মাও আপনার সঙ্গে কথা বলতে চায়। সে তো একাকী। হঠাৎ সঙ্গহীন!

ভূতের বন্ধুত্ব! এ তো সিনেমার মতো!

খানিকটা তাই। একটা সুপার পাওয়ার। সেটা যদি খারাপ থেকে হয় খানিকটা চেষ্টা করবে। আবার ভালোর থেকে হলে করবে না। আবার অনেক ক্ষেত্রেই এই জগতেই থাকবে না কোনও অস্তিত্ব।

স্বর্গ-নরক বলছেন?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
খাসি বা ইলিশ নয়! ইছামতির গলদা চিংড়ি ভোগে সন্তুষ্ট কৃষ্ণচন্দ্রের সাধের ইটিন্ডার সিদ্ধেশ্বরী কালী

Kali Puja 2022: মন্দির পার্শ্ববর্তী যে পুকুর রয়েছে সেখানে নাকি কালী স্নান করতেন এবং একাধিক পূণ‍্য তিথিতে খাঁড়া হাতে কালীকে নাকি রাস্তায় প্রদক্ষিণ করতেও দেখা যেত।

এসব টার্ম ব্যবহার করা যায় কী না জানি না। তবে সেই শক্তি, সকলের মৃত্যুর পরেই আবর্তিত হবে। এটাও নিশ্চিত করা যায় না।

বুঝব কীভাবে? ভূতের খপ্পরে পড়েছে আমার বাড়ি?

অস্বাভাবিক কিছু। যদি আপনি একা হন, একাধিক একই জিনিস দেখেন। কারণ আত্মা নিরাকার হলেও এর কিন্তু মুভমেন্ট রয়েছে।

ভূত, ডেভিল, জ্বিনের কবলে পড়েছেন ভূত খুঁজতে গিয়ে?

জ্বিন, ডেভিল নিয়ে চর্চা করিনি। কিন্তু এই যে আত্মার কথা বলছি, সুপার পাওয়ারের কথা বলছি এর খপ্পরে আমরা না পড়লেও অভিজ্ঞতা রয়েছে ভয়ঙ্কর কিছুর।

কেমন?

২০১৯ সাল। ডায়মন্ড হারবার এলাকার একটি বাড়িতে আমরা কাজ করতে যাই। দু’দিন ছিলাম সেখানে। আমাদের দলের সদস্যরা হলেন; অনিন্দ্যম ঘোষাল, উজ্জ্বল গুপ্ত, আয়ুষ মজুমদার, ঋতবান চ্যাটার্জী। অনেকেই ছিলেন। সেদিন ওই বাড়িতে ঢুকেই একটা ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা হয়েছিল। কেমন যেন আতঙ্কের লাগছিল সবটা।

তারপর?

বাড়ি ফিরলাম। আমাদের সঙ্গে কিছু না হলেও অনিন্দ্যমের সঙ্গে অদ্ভুত ঘটনা ঘটছে।

কী কী হচ্ছে?

ওঁর বাড়িতে কেউ নেই। কিন্তু দেখা যাচ্ছে বাড়ি তছনছ। রাতে অদ্ভুত আওয়াজ শুনছেন ওঁরা। ওঁর দেওয়ালে লাগানো একাধিক কাগজ আচমকা খুলে যাচ্ছে। এসবের পর থেকে আমরা কাজ বন্ধ রেখেছি খানিকটা।

এসবের পিছনে তো অন্য কারণও থাকতে পারে?

না এর পিছনে অন্য কারণ নেই। তবে এই সমস্ত ঘটনার সঙ্গে দুষ্কৃতী, প্রোমোটার-সহ একাধিক ঘটনাও থাকে।

দেবরাজ সান্যাল এবং ঈশিতা দাস সান্যাল

কেমন?

সম্প্রতি, কলকাতা পুলিশ ডাকল আমাদের। জোড়াবাগান ট্রাফিক গার্ডে নাকি লোক টিকতে পারছেন না। আমরা গেলাম। যাঁরা বলছেন, তাঁরা নাকি অদ্ভুত স্বপ্ন, রাতে বিকট আওয়াজ শোনেন। কিন্তু আমরা দেখলাম, ওই অঞ্চলের ঠিক কাছেই একটি উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন মোবাইল ফোনের টাওয়ার রয়েছে। সেটার জন্য এই পরিস্থিতি হতে পারে বলে মনে হয়েছিল। আবার...

আবার কী?

আমরা ফুলবাগান এলাকায় একটি কাজ করতে যাই। সেখানে নাকি এক বিজ্ঞানী থাকতেন। তিনি নানা কাজ করতেন। লোকে তাঁকে ‘কালো জাদু’ করার অভিযোগে পিটিয়ে খুন করে। তারপর থেকেই উপদ্রব। আমরা যখন গেলাম আমাদের নির্দিষ্ট যন্ত্র, মেশিনে সব রেকর্ড করছি। একটা অদ্ভুত শব্দ এল। সেখানে কেউ বলছেন, আমি মুক্তি চাই!

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুতে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়, খানিকটা তেমন?

হ্যাঁ খানিকটা। সেটা হয়। কিন্তু সুশান্ত কেন ওই ব্যক্তির কাছে বলবেন।

কারণ?

আত্মা কেন আসবেন ডাকলেই? অত সহজে এসব করা যায় না। আমরা নির্দিষ্ট পদ্ধতি এবং যেখানে সমস্যা বা উপদ্রব রয়েছে, সেখানেই অনুসন্ধান করি। অনেক সময় ওই নির্দিষ্ট ক্ষেত্রের কাছের কাউকে দিয়ে প্রশ্ন করাই।

প্রশ্নের উত্তর পান?

হ্যাঁ। বেহালায় একটি জায়গায় গিয়ে একটি মানুষের অবয়বের মতো দেখা যায়। অনেকেই বলেন, ক্যামেরায় ফ্ল্যাশের জন্য হয়েছে। কিন্তু সেটাও অতিপ্রাকৃতিক কিছু।

ভূত তো সবসময় আসে না। আপনারা এত জন লোক, এত মেশিন। ভূত আসবে?

আসবে। সবকিছুর সঠিক পদ্ধতি রয়েছে যদিও। অনেক ক্ষেত্রেই গুজবের রহস্য সন্ধান করি আমরাই।

গুজব?

হ্যাঁ। কেউ চক্রান্ত করে গুজব ছড়ান। দীর্ঘমেয়াদি কোনও লক্ষ্য নিয়ে। কারও প্রতি শত্রুতা, আক্রোশও থাকে এর পিছনে।

তাহলে ভূত ভয়ঙ্কর নয়। ভূতের খপ্পরে পড়লে কী করণীয়?

ভূত ভয়ঙ্কর কিনা জানি না। তবে এর খপ্পরে অর্থাৎ ওই সুপার পাওয়ারের খপ্পরে পড়লে অবশ্যই ভয় পাবেন না। চেষ্টা করুন সামলে নেওয়ার। দেখবেন ভালো কিছুও হতে পারে! বিশ্বাসে মিলায় বস্তু! তর্কে বহুদূর হেঁটে যাওয়ার তাড়না ছেড়ে খানিকটা যুক্তি দিয়েই ভেবে দেখুন না, তারাও তো আমাদের লোক ছিলেন! থাকুক আর একটু...!

লিখেছেন
Ramen Das
Ramen Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ক্লাইভের মুখে দুগ্গা দুগ্গা, কেমন ছিল শোভাবাজার রাজবাড়ির প্রথম দুর্গাপুজো

Shobhabazar Rajbari Durgapuja: শোভাবাজারের গর্ব সাবেকী এক চালার প্রতিমা। প্রতিমা শিল্পী, মোদক, ঢাকি বংশ পরম্পরায় জড়িয়ে আছেন এই পুজোর সঙ্গে। দশমীর পুজোর অন্যতম নিয়ম ‘কনকাঞ্জলি প্রথা’। লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০২১ সালের ১১ অক্টোবর।

জিতাষ্টমী থেকে শুরু দেবীর আরাধনা, ঝাড়গ্রাম রাজবাড়ির পুজো চলে পনেরো দিন

Jhargram Rajbari Durga Puja: রাজপুতানার ফতেহপুর সিক্রি থেকে আসা চৌহান বংশের ক্ষত্রিয় বীর সর্বেশ্বর সিংহ চৌহান। মুঘল সেনাপতি মানসিংহের বাংলা অভিযানের সময় তিনি জঙ্গলখণ্ডে আসেন। স্থানীয় জংলি মাল রাজাকে দ্বন্দ্বযুদ্ধে পরাজিত করে তিনি এই জঙ্গলমহলে নিজের রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। নামের সঙ্গে জুড়ে নেন 'মল্লদেব' উপাধি। আর ঘন জঙ্গলে ঘেরা সেই জায়গার নাম দেন ঝাড়গ্রাম।

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

থিম নেই, জাঁকজমক নেই: মানুষের ভালবাসায় গড়া আমার গ্রাম কেশাতড়ার দুর্গাপুজো

Keshatara village Durga Puja: পুজোর সম্পূর্ণ খরচ বহন করেন গ্রামের মানুষই। ইদানীং সরকারি অনুদান মেলে ঠিকই, কিন্তু পুজোর ভোগের চালটা আজও আসে গ্রামের মানুষের দেওয়া টাকা থেকেই।

দুর্গা মুখ তুলে তাকাবেন হকারদের দিকে?

Durga Puja Economy in Bengal: কর্পোরেট পুঁজির প্রভাব, অসংগঠিত অর্থনীতির সংকট, হকার উচ্ছেদ এবং ধর্মীয় বিধিনিষেধের আবহে কতটা সুরক্ষিত থাকবে শারদোৎসবের নিজস্ব চরিত্র? পুজোর জৌলুস বাড়লেও নাগরিক স্বাধীনতা, শিল্পের স্বতঃস্ফূর্ততা এবং সাধারণ মানুষের জীবিকার জায়গা ক্রমশ সংকুচিত হবে?

দুর্গাপুজোর উৎসব, অসুরের শোক: বাংলার ইতিহাসে কার জয়, কার পরাজয়?

Mahishasur Puja: ২০১১-র পুরুলিয়া পার করে ২০১৪-র মালদার গাজল। নিত্যানন্দ হেমব্রমরা শুরু করলেন অসুর আন্দোলন। ততদিনে উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলে অসুর পুজোর সংখ্যা ৬৫০ ছাড়িয়েছে। কেউ মূর্তি বানিয়ে মহিষাসুর স্মরণ করেন, কেউ ফ্লেক্স বানিয়ে আলোচনা সভা।

প্রতিদিন বদলায় মেনু, বদলায় খাবারের দাম: তবু স্বাদে অটুট কলকাতার সিদ্ধেশ্বরী আশ্রম

Hotel Siddheswari Ashram: সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে চোখ পড়বে সুবিশাল মেনু বোর্ডে, যাতে মুদ্রিত আছে হোটেলটির সামগ্রিক খাদ্য সমাহার। বোর্ডটিতে সেই দিনের প্রাপ্ত পদের পাশে চকখড়িতে হাতে লেখা সেই দিনের দাম। আর অতি অবশ্যই বাংলা ও ইংরাজিতে লেখা থাকে তারিখ।

যে দুর্গাবাড়ির পঞ্চমুণ্ডির আসনে আজও বসেন দেবী, সেখানেই একদিন শপথ নিতেন বিপ্লবীরা

Gangarampur Durgabari,: তন্ত্রশাস্ত্র অনুসারে, পঞ্চমুণ্ডি আসন সাধারণ কোনো বেদি নয়। পাঁচটি নির্দিষ্ট খুলি বা করোটি—যেমন চণ্ডাল বা ডোমের, শিয়ালের, বেজি বা নেউলের, বিষধর সাপের এবং হনুমানের খুলি মাটির নিচে নির্দিষ্ট নিয়মে পুঁতে এই আসন তৈরি করা হয়।