রাফাহতে ইজরায়েলের ভয়াবহ হামলার মধ্যেই নেতানিয়াহুর গ্রেফতারির আশঙ্কা! কোন পথে ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন সংঘাত?

Israel's war on Gaza: ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট (ICC)-র হাতে গ্রেফতার হতে পারেন নেতানিয়াহু। দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক আদালতে গাজায় গণহত্যার অভিযোগে কাঠগড়ায় ইজরায়েল।

Sohini Das
৪ মিনিট
রাফাহতে ইজরায়েলের ভয়াবহ হামলার মধ্যেই নেতানিয়াহুর গ্রেফতারির আশঙ্কা! কোন পথে ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন সংঘাত?

বেশ কিছুদিন ধরেই হুমকি দিচ্ছিল ইজরায়েল। হামাসের হাতে বন্দিদের নিয়ে রফা না হলে রাফাহ উড়িয়ে দেবে ইজরায়েলি সেনা। বেশ কিছুদিন আগে থেকেই রাফাহ থেকে মানুষজনকে সরাতে শুরু করেছিল নেতানিয়াহু বাহিনী। হামাসকে নিশ্চিহ্ন করতে গোটা শহরটাই উড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। এই ব্যাপারে প্রাথমিক ভাবে মত ছিল না আমেরিকার। রাফাহ উড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে যাতে বিরত থাকে ইজরায়েল, এ নিয়ে কম পরামর্শ ইজরায়েলকে দেয়নি জো বাইডেন। তবে পরে ইরানে বড়সড় হামলা না করার পরিবর্তে রাফাহ হামলার অনুমতি দিয়ে দেয় আমেরিকা। ফলে রাফাহ উড়িয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া অনেকদিন আগে থেকেই শুরু করে দিয়েছিল ইজরায়েল। রাফাহ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা। এরই মধ্যে আবার উঁকি দিয়েছে অন্য আশঙ্কা। আন্তর্জাতিক আদালতের হাতে গ্রেফতার হতে পারেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। সেই গ্রেফতারি পরোয়ানা হাতে আসাও নাকি এখন সময়ের অপেক্ষা। কোন পথে যেতে চলেছে এখন ইজরায়েল আর প্যালেস্টাইনের ভবিষ্যৎ। একদিকে আস্ত শহর রাফাহ, অন্যদিকে নেতানিয়াহুর কর্মফল? সব দিক থেকে মারাত্মক এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন সংঘাত।

পূর্ব পরিকল্পনা মতোই রাফাহতে হামলা করা শুরু করে দিয়েছে ইজরায়েল। গত আটচল্লিশ ঘণ্টায় বারংবার রাফাহতে হামলা চালিয়েছে নেতানিয়াহু সরকার। ইতিমধ্যেই শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে রাফায় ইজরায়েলি হামলায়। সোমবার শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ইজরায়েলের সাম্প্রতিকতম হামলায় তেরোজনের মৃত্যু হয়েছে অন্তত। জখম বহু। শেষ হামলায় ইজরায়েল নিশানা করে দক্ষিণ গাজার রাফাহ শহরের বেশ কয়েকটি ঘরবাড়িকে। হামাসের তরফে অবশ্য জানানো হয়েছে, ওই হামলায় মৃতের সংখ্যা অন্তত ১৫।

গাজায় প্রায় সমস্ত জায়গাই হামলায় হামলায় ধ্বংস করে দিয়েছে ইজরায়েল। বাকি ছিল ওই রাফাহটুকুই। যার ফলে সেখানেই গাজার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পালিয়ে আসা মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন। গাজায় পালিয়ে বাঁচার জায়গাটুকুও আর কোথাও নেই। মাস খানেক ধরেই অসংখ্য মানুষের শেষ আশা ছিল এই রাফাহ। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। মিশরের মধ্যস্থতায় হামাসের সঙ্গে বন্দিমুক্তি নিয়ে রফা হল না ইজরায়েলের। আর তার ফল ভুগতে হচ্ছে না রাফাহতে আশ্রয় নেওয়া হাজার হাজার মানুষকে। বহু আকাঙ্ক্ষিত যুদ্ধবিরতির মুখ দেখতে পায়নি প্যালেস্টাইন। তবে ফের নতুন করে শহর ধ্বংসের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে হাজার হাজার নিরপরাধ মানুষ, যাদের এই যুদ্ধের সঙ্গে, এই সংঘাতের সঙ্গে সিকেভাগ সম্পর্কও নেই।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হামাস হামলার দায়ে সরলেন ইজরায়েলের গোয়েন্দাপ্রধান, হারের ইঙ্গিত নাকি...

Iran-Israel Crisis: ফের ইজরায়েলে হামলা চালিয়ে বসল হিজবুল্লাহ। সোমবার রাতে ইজরায়েলের উত্তর দিক লক্ষ্য করে কাতিউশা রকেটের একটি ব্যারেজ নিক্ষেপ করে হিজবুল্লা। তাদের নিশানায় ছিল ইডরায়েলের একটি সেনা সদর দফতর।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইজরায়েলে ঢুকে হামলা চালিয়েছিল প্যালেস্টিয়ানের সশস্ত্র বাহিনী হামাস। সেই হামলায় মৃত্যু হয় অন্তত ১২০০ জনের। হামাস বন্দি বানায় ২৫৩ জন ইজরায়েলিকে। তার পর থেকেই হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধঘোষণা করে দিয়েছে ইজরায়েল। সে হামলা যত না হামাসের বিরুদ্ধে, তার চেয়ে অনেক বেশি ছিল গাজার বিরুদ্ধে। সেই থেকে ৩৪ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে গাজায়। তার মধ্যে অর্ধেকই শিশু এবং নারী। সেই ধ্বংসলীলা থামেনি ছ'মাস পরেও। এবার গাজার রাফাহ শহর শেষ করতে উঠেপড়ে লেগেছে ইজরায়েল।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
গাজার পর লেবাননেও 'মারণ' ফসফরাস হামলা! যে ভয়ঙ্কর অভিযোগ ইজরায়েলের বিরুদ্ধে

Phosphorus Attack on Lebanon: বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, এই সাদা ফসফরাস অক্সিজেনের সংস্পর্শে এলেই রাসায়নিক বিক্রিয়া করে ৮১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপ উৎপন্ন করতে পারে। যা মারাত্মক ভাবে পুড়িয়ে দিতে পারে ত্বক।

কাতার আর মিশরের মধ্যস্থতায় দীর্ঘদিন ধরেই হামাস আর ইজরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির আলোচনা চলছে। কিন্তু আলোচনা কোনওদিনই কোনও আশাজনক ফল আনতে পারেনি। কেউই কারওর চুক্তিতে সম্মত হয়নি, মধ্য়িখানে মরেছে শুধু নিরপরাধ মানুষ। রাফাহতে হামলা শুরু হওয়ার পর খালিল আল-হায়য়া নেতৃত্বাধীন হামাসের একটি প্রতিনিধি দল যুদ্ধবিরতি আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে ইজরায়েলকে। সেখানেও আমেরিকার নেতৃত্বে মধ্যস্থতা করছে কাতার ও মিশর। তবে আদৌ সেখানেও কোনও রফাসূত্র বেরোবে কিনা, যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। সংবাদ সংস্থা রয়টার্স কথা বসেছিল দুই হামাস আধিকারিকের সঙ্গে। তবে সাম্প্রতিক এই প্রস্তাবের ব্যাপের বিস্তারিত তারা কিছুই জানায়নি। তবে সূত্রের খবর, ৪০ জন ইজরায়েলি বন্দিকে ছাড়তে রাজি তারা। তবে তার পরিবর্তে ইজরায়েলি জেল থেকে ফিলিস্তিনি বন্দিদের ছাড়তে হবে নেতানিয়াহপ সরকারকে। একই সঙ্গে গাজায় পাকাপাকি ভাবে যুদ্ধবিরতিও ঘোষণা করতে হবে ইজরায়েলকে। হামাসের এই দাবি কতটা মানতে চাইবে ইজরায়েল, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে বিশেষজ্ঞদের। ফলে গাজায় শান্তি যে বিশ বাঁও জলে, তা-ও ভালোই বুঝতে পারছে বিশ্ববাসী।

ইতিমধ্যেই প্যালেস্টিয়ানের প্রেসিডেন্ট মেহমুদ আব্বাস আমেরিকার কাছে আবেদন জানিয়েছে, যাতে ইজরায়েলের এই পরিকল্পিত হামলা কোনও ভাবে বন্ধ করা যায়। যদিও তেমন কোনও ভাবনাচিন্তা নেই নেতানিয়াহু সেনার। ইজরায়েলি সেনা প্রধান ইতিমধ্যেই রাফাহ ধ্বংসের নীল নকশায় সই করেছেন। ইজরায়েলের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী নেতানিয়াহুকে বুঝিয়েছে, হামাসের এই ধরনের চুক্তিতে রাজি হলে, নেতানিয়াহু সরকার পড়ে যেতে পারে। এদিকে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট বারবার করে আর্জি জানিয়েছেন আমেরিকাকে। তাঁর বিশ্বাস, ভয়াবহ এই হামলা যদি কেউ থামাতে পারে, তাহলে একমাত্র আমেরিকা। এরই মধ্যে আমেরিকা বলেছে, ইজরায়েল আমেরিকার সঙ্গে কথা বলতে রাজি হয়েছে এ বিষয়ে। হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইজরায়েলি প্রেসিডেন্ট বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেছেন ইতিমধ্যেই। তবে সত্যিই কিনারা বেরোবে কিনা, তা নিয়ে সংশয়ে গোটা বিশ্বের রাজনীতিমহল।

এদিকে, ইজরায়েলি প্রেসিডেন্ট বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সামনে নয়া বিপদ। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট (ICC)-র হাতে গ্রেফতার হতে পারেন নেতানিয়াহু। এমন একটা কানাঘুষো শোনা গিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক আদালতে গাজায় গণহত্যার অভিযোগে কাঠগড়ায় ইজরায়েল। দক্ষিণ আফ্রিকা-সহ একাধিক দেশ সওয়াল করেছে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে। সেই মামলাতেই এবার গ্রেফতার হতে পারেন নেতানিয়াহু। তাঁর বিরুদ্ধে জারি হতে পারে গ্রেফতারি পরোয়ানা। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমের মিত্রদেশগুলির থেকে সমর্থন জোগার করার চেষ্টা করছে ইজরায়েল। ইজরায়েলি সংবাদসংস্থা ওয়াল্লা জানিয়েছে, যথেষ্ট চাপে রয়েছেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। যার জন্য ইজরায়েলের তরফেও একাধিক বার ফোন গিয়েছে আমেরিকার কাছে। একমাত্র আমেরিকাই যে এই গ্রেফতারি আটকাতে পারে, তেমন বিশ্বাস ইজরায়েলেরও। ফলে এই মুহূর্তে অনেক কিছুই রয়েছে আমেরিকার হাতে। এই মুহূর্তে রাফাহ-ধ্বংস আটকাতে প্যালেস্টাইনও ভরসা রাখছে আমেরিকার উপরেও। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক আদালতে গ্রেফতারি এড়াতেও ইজরায়েলের ভরসা জো বাইডেনই। এবার কোন পথ বেছে নেবে আমেরিকা, তার উপর অনেকটাই নির্ভর করছে বিশ্বশান্তি।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

পিস বন্ড কী, কেন দিতে হয়? নেহা বোরার আপত্তিতে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ঔপনিবেশিক আমলের আইন

Peace Bond: শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করলেই কি দিতে হবে পিস বন্ড? AISA-র জাতীয় সভাপতি নেহা বোরার আপত্তিতে নতুন করে বিতর্কে ঔপনিবেশিক আমলের প্রতিরোধমূলক আইন। ব্রিটিশ আমল থেকে স্বাধীন ভারত, CrPC থেকে BNSS—কীভাবে বদলেছে এই আইনি ব্যবস্থা? কেন কাউকে ১০ হাজার টাকার মুচলেকা দিতে বলা হয়? কী বলছে আইন?

রামলীলা ময়দানের সভায় ভিড় দেখাতে এআই ছবি? কতটা সত্যি?

Ramlila Maidan AI image controversy: দিল্লির রামলীলা ময়দানে ১ নভেম্বরের ‘ইন্ডিয়া’ জোটের সমাবেশে ভিড় ও এআই ছবি ব্যবহার নিয়ে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে বিতর্ক তুঙ্গে। ভাইরাল ছবিগুলোর সত্যতা কী?

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।