ছাত্রনেতাদের আটক করেও থামেনি বিক্ষোভ, লখনউয়ে পরীক্ষার্থীদের পাশে ককরোচ জনতা পার্টি

Cjp Lucknow protest: ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) লখনউয়ে লেখপাল ও সাব-ইন্সপেক্টর পরীক্ষার্থীদের আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস, নিয়োগে অনিয়ম ও স্বচ্ছতার দাবিতে চলা এই বিক্ষোভে ছাত্রনেতাদের আটকের অভিযোগ উঠেছে। তবে পুলিশি বাধা সত্ত্বেও হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থী তাঁদের দাবি আদায়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

inscript
৩ মিনিট
ছাত্রনেতাদের আটক করেও থামেনি বিক্ষোভ, লখনউয়ে পরীক্ষার্থীদের পাশে ককরোচ জনতা পার্টি

উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের ইকো গার্ডেনের বিক্ষোভ রাজ্যের চাকরিপ্রার্থী ও পরীক্ষার্থীদের ক্ষোভকে নতুন করে সামনে এনে দিয়েছে। লেখপাল (Lekhpal) পরীক্ষা, পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টর নিয়োগ পরীক্ষা এবং বিভিন্ন সরকারি চাকরির পরীক্ষায় অনিয়ম, প্রশ্নপত্র ফাঁস ও ফল প্রকাশে স্বচ্ছতার অভাবের অভিযোগে হাজার হাজার পরীক্ষার্থী রাস্তায় নেমেছেন। পুলিশি বাধা ও ছাত্রনেতাদের আটক সত্ত্বেও প্রতিবাদ থামেনি। বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন, সামাজিক কর্মী এবং ককক্রোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রতিনিধিরা হাতে হাত মিলিয়ে একসঙ্গে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

সেখানে উপস্থিত বহু পরীক্ষার্থীর বক্তব্য, বছরের পর বছর ধরে তারা সরকারি চাকরির আশায় প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিন্তু পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিলম্ব এবং ফলাফল প্রকাশে অস্পষ্টতা তাদের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। অনেকের অভিযোগ, তারা একাধিকবার পরীক্ষায় বসেছেন, কিন্তু প্রতিবারই কোনো না কোনো বিতর্ক বা প্রশাসনিক সমস্যার কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে যাচ্ছে।

বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ছিলেন মোহাম্মদ সুহাইল নামে এক সমাজকর্মী। তিনি একটি ব্যঙ্গাত্মক পোস্টার নিয়ে প্রতিবাদে যোগ দেন। তিনি দ্য ওয়েরে বলেন, বাজারে ১০ টাকার ডায়াপার পর্যন্ত লিক করে না, অথচ হাজার টাকার পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বারবার ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। তিনি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর দায় স্বীকার ও পদত্যাগের দাবি জানান। তাঁর মতে, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলিতে যদি বারবার প্রশ্নফাঁস হয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা আর কাদের উপর ভরসা করবে?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
যাদের আরশোলা বলা হয়েছিল, তারাই কি হয়ে উঠছে নতুন রাজনৈতিক প্রতিরোধ?

‘অর্গানাইজার’ পত্রিকা সম্প্রতি সরকারের প্রযুক্তিনীতির সমালোচকদের ‘তেলাপোকা সিনড্রোম’ আখ্যা দেওয়ার পর থেকেই এই পরিভাষা বিতর্কের কেন্দ্রে। সিজেপি-র কর্মীরা এদিন সেই তকমাকেই প্রতীকী প্রতিবাদে রূপ দেন। তাদের দাবি, “তথাকথিত ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ আসলে ভারতের জাগ্রত নাগরিক সমাজ, যারা স্বজনপোষী পুঁজিবাদ ও স্বৈরাচারী প্রবণতার বিরুদ্ধে সরব।”

প্রতিবাদের একটি বড় অংশ ছিল উত্তরপ্রদেশের লেখপাল নিয়োগ পরীক্ষা ঘিরে। গত মে মাসে অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। পরীক্ষার্থীদের দাবি, গোটা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টর নিয়োগ পরীক্ষার প্রার্থীরাও আন্দোলনে অংশ নেন। তাঁদের অভিযোগ, শুধুমাত্র মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, কিন্তু পৃথক পরীক্ষার্থীদের নম্বর বা স্কোরকার্ড প্রকাশ করা হয়নি। ফলে মূল্যায়ন প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ ছিল, তা যাচাই করার সুযোগ নেই।

বারাবাঙ্কির বাসিন্দা মোহাম্মদ ফৈসল, সাব-ইন্সপেক্টর পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন, তিনিও ওয়েরকে বলেন, তাঁরা শুধু ফলাফল চান না, পুরো হিসাব চান। তাঁর দাবি, পরীক্ষার্থীদের স্কোরকার্ড এবং শিফটভিত্তিক নর্মালাইজেশনের তথ্য প্রকাশ করতে হবে। সরকারের কাছ থেকে পরিষ্কার জবাব না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও তিনি জানান।

আন্দোলনে অংশ নেওয়া আরও এক পরীক্ষার্থী জিতেন্দ্র যাদবের অভিযোগ, উত্তরপ্রদেশে একটি 'পেপার লিক সিন্ডিকেট' গড়ে উঠেছে। তিনি নিজেও অতীতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেন। তাঁর মতে, বারবার এমন ঘটনা ঘটলে মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে হতাশা বাড়ে এবং সরকারি ব্যবস্থার প্রতি আস্থা কমে যায়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
যন্তর মন্তরে আরশোলাদের ঢল: কী বলতে চাইছে নতুন প্রজন্মের এই আন্দোলন?

Cockroach Janata Party: প্রশ্নপত্র ফাঁস, শিক্ষা ব্যবস্থার সংকট ও রাজনৈতিক জবাবদিহির দাবিতে যন্তর মন্তরে ছাত্র-যুবদের অভূতপূর্ব জমায়েত—ককরোচ জনতা পার্টির এই আন্দোলন কি ভারতের নতুন রাজনৈতিক শক্তির সূচনা, নাকি ক্রমবর্ধমান জনঅসন্তোষকে নিয়ন্ত্রণে রাখার এক ‘সেফটি ভালভ’ মাত্র?

এই বিক্ষোভে সমর্থন জানাতে উপস্থিত ছিলেন ককক্রোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। সম্প্রতি তরুণদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে গঠিত এই ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক উদ্যোগ পরীক্ষার অনিয়ম ও বেকারত্বের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে প্রচার চালাচ্ছে। লখনউয়ের সভায় তিনি বলেন, সরকারকে প্রশ্ন করতে ভয় পাওয়া যাবে না এবং আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। তাঁর বক্তব্যে উপস্থিত পরীক্ষার্থীদের বড় অংশ সমর্থন জানান।

প্রতিবাদকারীদের মধ্যে অনেকেই অভিযোগ করেন, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে অস্বাভাবিক বিলম্বের কারণে বয়সসীমার সমস্যায় পড়ছেন। এক পরীক্ষার্থী জানান, যে ট্রেইনড গ্র্যাজুয়েট টিচার (TGT) পরীক্ষা ২০২২ সালে হওয়ার কথা ছিল, তা ২০২৬ সালে এসে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অন্যদিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়নি। ফলে বহু প্রার্থী ধীরে ধীরে চাকরির বয়সসীমাও পেরিয়ে গিয়েছেন।

আন্দোলনে কেউ মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের মতো পোশাক পরে এসেছিলেন, কেউ আবার বিভিন্ন স্লোগান ও পোস্টারের মাধ্যমে নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের বক্তব্য, শিক্ষা মাফিয়া এবং প্রশ্নফাঁস চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইন আনা প্রয়োজন। পাশাপাশি প্রতি বছর নিয়মিত শূন্যপদ ঘোষণা ও নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি তোলেন তাঁরা।

তবে আন্দোলনের আগে থেকেই প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। বিভিন্ন জেলার একাধিক ছাত্রনেতাকে পুলিশ আটক বা গৃহবন্দি করেছে বলে অভিযোগ। প্রয়াগরাজ, গোরখপুর, কাসগঞ্জ-সহ বিভিন্ন জায়গায় ছাত্র সংগঠনের নেতাদের বাড়ি থেকে বের হতে বাধা দেওয়া হয় বলে আন্দোলনকারীদের দাবি। এমনকি কয়েকটি কোচিং প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষও অভিযোগ করেন যে, ছাত্র আন্দোলনের পাশে দাঁড়ানোর কারণেই তাঁদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে, নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল এবং শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনের সুযোগও ছিল। প্রশাসনের দাবি, আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়টি মাথায় রেখেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।

হুথিরা যেভাবে স্থানীয় বিদ্রোহী থেকে মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিতে পরিণত হলো

Houthi Expansion in Yemen: ইয়েমেনে ফের কেন যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে? হুথিরা কীভাবে স্থানীয় জায়দি আন্দোলন থেকে শক্তিশালী সামরিক-রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হল? ইরানের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কতটা গভীর? মোখা ও হানিশ দ্বীপপুঞ্জ দখলের পর কেন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বাব আল-মান্দাব? এই সংঘাতের প্রভাব কি শেষ পর্যন্ত বিশ্ব বাণিজ্য, জ্বালানি পরিবহণ ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে পড়বে?

জেন্ডার গ্যাপে ভারতের ১৩১তম স্থান : আইন বদলালেও যে কারণে বদলালো না মানসিকতা

Global Gender Gap Report 2026: সার্বিক বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, গত দুই দশকে পৃথিবী জুড়ে নারী-পুরুষের বৈষম্য কমানোর ক্ষেত্রে কিছু অগ্রগতি হলেও, পূর্ণাঙ্গ সমতা অর্জন করতে বিশ্বকে আরও অন্তত ১২০ বছর অপেক্ষা করতে হবে। ২০০৬ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে জেন্ডার গ্যাপ কমানোর গতি যতটা দ্রুত ছিল, তার পরবর্তী দশকে সেই গতি অনেকটাই মন্থর হয়ে পড়েছে।

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন কীসের ইঙ্গিত?

Nandigram Election: নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে বিতর্ক, মমতা-পন্থী প্রার্থীর সরে দাঁড়ানো, কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের গ্রেফতার—সব মিলিয়ে বদলে গিয়েছে রাজনৈতিক সমীকরণ? মমতা কেন কংগ্রেসকে সমর্থন করলেন? কংগ্রেস কি এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারবে?

এসআইআর: ৫ মাসে নিষ্পত্তি ১.২৬ লক্ষ, বাকি মামলা মিটাবে ১২ বছরে?

SIR Appeals: এসআইআর-এর পর পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা নিয়ে জমা পড়া আপিলের মধ্যে পাঁচ মাসে মাত্র ১.২৬ লক্ষ আবেদন নিষ্পত্তি হয়েছে। বর্তমান গতিতে কাজ চললে বাকি ৩৭ লক্ষেরও বেশি আপিল নিষ্পত্তি করতে প্রায় ১২ বছর সময় লাগতে পারে।