মাঝরাতে ট্যাক্সি নিয়ে বন্ধুদের বাড়িতে পৌঁছে যেতেন মণিদা
Gautam Chattopadhyay: যত রাত্রিই হোক, মণিদা কিন্তু বাড়ি ফিরে যেতেন। অনেকেই তাঁকে বোহেমিয়ান বা ভবঘুরে বলে ইদানীং শনাক্ত করতে চান। তা কোনোমতেই ঠিক নয়। যথেষ্ট রোজগার না থাকা সত্ত্বেও মণিদা সংসার ও পরিবারের ক্ষেত্রে যথেষ্ট দায়িত্বশীল ছিলেন। বলতেন, "গান করতে হলে বা সিনেমা করতে হলে একটা ডিসিপ্লিনের দরকার। যেভাবে প্রতিটি মাধ্যমের নিজস্ব একটা শৃঙ্খলা আছে, আছে সুনির্দিষ্ট নিয়মকানুন।"
গৌতম চট্টোপাধ্যায় ওরফে মণিদার একটা ট্যাক্সি-প্রীতি ছিল। ঠিক লিখলাম কি? না, আসলে তা ছিল অনেকটাই বাধ্যতামূলক। দুটো পায়ের নিচেই ছিল অসংখ্য কর্ন। সামান্য একটু খুঁড়িয়ে চলতেন। অনেক ডাক্তার-বদ্যি করেও তা সারানো যায়নি। সেই কারণেই মোটা ও নরম সোলের জুতো পরতে হতো।
তবে ট্যাক্সি ছিলই, যেমন ছিল রিক্সা। আশেপাশে কোথাও যেতে হলেই রিক্সায় চড়ে যেতেন। আর তাঁকে অসম্ভব ভালোবাসতেন এই রিক্সাচালকরা। তবে সেই সময় আমরা প্রায়ই বলতাম যে, যত টাকার ট্যাক্সি মণিদা চড়েছেন, তাতে অনায়াসে গোটা তিনেক গাড়ি কিনে ফেলতে পারতেন। সে সময়ে গ...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে





