গানের নতুন ব্যাকরণ লিখেছিল মহীনের ঘোড়াগুলি, বুঝতে লেগেছে অর্ধশতাব্দী
Gautam Chattopadhyay: একথা স্বীকার করতেই হবে যে, সলিল চৌধুরী-পরবর্তী এই গান এমন একটা অবস্থা ক্রমে তৈরি করেছে, যা অনেকানেক গায়কদের উদ্বুদ্ধ করেছে, অনুপ্রাণিত করেছে। কয়েক যুগ পরেও ব্যান্ডের দল মঞ্চে উঠে ঘোড়াগুলির গান গাইছে অহরহ। হয়তো সময় লেগেছে, সময় লাগছে।
সময়টা কঠিন ছিল, পুরো সমাজসংস্থা ছিল রক্তাক্ত। তবু গান ছিল, সুর ছিল, তাল ছিল। ছিল বিচ্ছিন্নভাবে। একাকী মানুষ গান বেঁধেছে। গেয়ে শুনিয়েছে তাদের স্বজন-বন্ধুদের। রঞ্জনপ্রসাদ, অরুণেন্দু, বহরমপুরের হর্ষ দাশগুপ্তসহ এমন অনেক নাম বলা যায়। কিন্তু এই গানকে সমবেতভাবে, যৌথ অভিপ্রায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার কথা ভাবা হয়নি বা সেভাবে কেউ ভাবেনি সেই সময়ে। ঘুম ভাঙার গানে তখন ভাটার টান। আর সেও তো সম্পূর্ণ অন্য এক ধারার আদ্যোপান্ত রাজনৈতিক গান। সত্তরের দশকের মাঝামাঝি গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একদল তরুণ এই নতুন ধার...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে





