অফিসে কমছে ‘এক্সট্রা এফোর্ট’! কাজ নিয়ে কী ভাবছে জেন জি?
Great Place To Work India 2026-এর এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে, ভারতে ৬৩ শতাংশ সংস্থায় গত এক বছরে কর্মীদের 'অতিরিক্ত উদ্যোগ' বা ডিসক্রিশনারি এফোর্ট কমেছে। অর্থাৎ, নির্ধারিত দায়িত্বের বাইরে গিয়ে কাজ করার প্রবণতা আগের তুলনায় হ্রাস পাচ্ছে।
অফিসে বেশি সময় থাকা, কাজ শেষ হওয়ার পরেও ইমেলের উত্তর দেওয়া বা নিজের দায়িত্বের বাইরেও অতিরিক্ত কাজ করা—একসময় এগুলিকেই ভালো কর্মীর পরিচয় বলে মনে করা হতো। কিন্তু সেই ধারণা এখন দ্রুত বদলাচ্ছে। বিশেষ করে Gen Z কর্মীরা এখন কাজের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন মানসিক সুস্থতা, কাজ-জীবনের ভারসাম্য এবং অর্থবহ কাজকে।
Great Place To Work India 2026-এর এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে, ভারতে ৬৩ শতাংশ সংস্থায় গত এক বছরে কর্মীদের 'অতিরিক্ত উদ্যোগ' বা ডিসক্রিশনারি এফোর্ট কমেছে। অর্থাৎ, নির্ধারিত দায়িত্বের বাইরে গিয়ে কাজ করার প্রবণতা আগের তুলনায় হ্রাস পাচ্ছে।
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
Gen Z Switiching jobs: বিদেশেও অফিস পলিটিক্স আছে, কিন্তু সেখানে শক্তিশালী নীতি, আইনি সুরক্ষা ও স্বচ্ছ পারফরম্যান্স ভিত্তিক ব্যবস্থার কারণে এর প্রভাব তুলনামূলকভাবে সীমিত।
সমীক্ষা অনুযায়ী, বর্তমানে ভারতের মোট কর্মীর ২৬ শতাংশই Gen Z। এই প্রজন্ম দীর্ঘক্ষণ অফিসে থাকার বদলে ফ্লেক্সিবল কাজের পরিবেশ, নতুন দক্ষতা শেখার সুযোগ, কেরিয়ারের উন্নতি এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উপর বেশি জোর দিচ্ছে। একই সঙ্গে AI কাজের ধরনও বদলে দিচ্ছে।
সব শিল্পে এই পরিবর্তন এক রকম নয়। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে রিটেল ক্ষেত্রে, যেখানে ৮৮ শতাংশ সংস্থা অতিরিক্ত উদ্যোগ কমার কথা জানিয়েছে। এরপর রয়েছে আইটি, প্রফেশনাল সার্ভিসেস, এবং কনস্ট্রাকশন ও রিয়েল এস্টেট। অন্যদিকে, ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে এই প্রবণতা তুলনামূলক কম।
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
GEN-Z's FINANCIAL INFLUENCE AND HABITS: আউটলুক বিজনেস-এর তথ্য বলছে, নতুন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ৫৬.২% ছিল ৩০ বছরের নিচে অর্থাৎ অনভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীর অংশীদারিত্ব দ্রুত বাড়ছে।
সংগঠন-মনোবিজ্ঞানী Gurleen Baruah-এর মতে, এটি কর্মীদের কাজের প্রতি অনীহা নয়, বরং কাজের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। তাঁর কথায়,
এখন অনেকেই মনে করেন, আমি কত ঘণ্টা অফিসে ছিলাম, তা নয়; আমি কতটা মূল্য তৈরি করেছি, সেটাই আসল।
তিনি আরও জানান, কর্মীরা এখনও অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে প্রস্তুত, তবে তার আগে তারা জানতে চান সেই বাড়তি পরিশ্রমের উদ্দেশ্য কী? শুধু দীর্ঘ সময় কাজ নয়, বরং বিশ্বাস, সম্মান, অর্থবহ কাজ এবং নিজের অবদানের মূল্যায়নই এখন কর্মীদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।








