তিব্বতী স্মৃতি: সীমানা বদলালেও যে সংস্কৃতি হারায় না
Tibetan refugees in Ladakh: লাদাখ ও কার্গিলে আমার যাত্রা শুরু হয়েছিল পুরখি/পুরক্সি/পুরিখ সম্প্রদায়ের ভাষাতাত্ত্বিক ও নৃবৈজ্ঞানিক গবেষণার উদ্দেশ্যে। কিন্তু সেই যাত্রা অপ্রত্যাশিতভাবে আমার সামনে তিব্বতী স্মৃতির এক জানালা খুলে দেয়।
১৯৫৯ সাল। তিব্বতের ইতিহাসে এক রক্তক্ষরা অধ্যায়। চিনা আগ্রাসনের পর হাজার হাজার তিব্বতী জীবন বাজি রেখে হিমালয় পেরিয়ে আশ্রয়ের খোঁজে বেরিয়ে পড়েছিলেন। তাঁদের অনেকেই এসে পৌঁছান লাদাখের দুর্গম সীমান্তভূমিতে—পর্বত, মঠ আর তীক্ষ্ণ নীরবতায় মোড়া এক কঠোর ভূখণ্ডে। আজ লাদাখের এই রুক্ষ উপত্যকাগুলির ভেতরেই লুকিয়ে আছে তিব্বতী নির্বাসনের এক জীবন্ত জাদুঘর।
তিব্বতের এই গল্প কেবল রাজনৈতিক ইতিহাস নয়; এটি স্মৃতি, আকাঙ্ক্ষা, সহনশীলতা এবং সাংস্কৃতিক টিকে থাকার এক মানবিক ভূদৃশ্য।
তিব্বতী স্মৃতি: হারানো স্বদেশের খোঁজে
...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে







