দেশভাগের ইতিহাসকে নারীর চোখে দেখা: অংশুমান করের ‘হিরণবালা’
Hiranbala Novel Review: বাংলা উদ্বাস্তু-আখ্যানের বড় অংশে দেশভাগের অভিজ্ঞতা এসেছে পুরুষের জীবন, তার মনস্তত্ত্ব ও তার গতিবিধির ভিতর দিয়ে। ‘হিরণবালা’ প্রথমেই এই কাঠামো ভেঙে দেয়। উদ্বাস্তু পরিবারের গল্পে একজন নারীকে নিষ্ক্রিয় বা পরোক্ষ ভূমিকায় না দেখিয়ে, উদ্বাস্তু হওয়ার অভিজ্ঞতাটিকে প্রত্যক্ষভাবে বুনে দেয় নারীটির জীবন। দেশভাগকে প্রায় অদৃশ্য করে হিরণকে উদ্বাস্তু করা শুরু হয় ১৯৪৬ সালে, বিয়ের মধ্য দিয়ে।
অংশুমান করের উপন্যাস 'হিরণবালা'র প্রচ্ছদ
দেশভাগের ইতিহাসে স্বদেশ হারানোর এবং নতুন দেশ গড়ার তুলনায় দেশ ছাড়ার বিষয়টি অনেক বেশি গুরুত্ব পেয়ে এসেছে বাংলার পরিসরে। মানচিত্রে একদিন একটা দাগ পড়ল, গিজগিজে মানুষ বোঝাই ট্রেন ছেড়ে দিল, নৌকা ঘাট পেরোল, বাড়ির চাবি এল সঙ্গে, বাড়ির প্রিয় পুষ্যিটিকে কয়েকদিনের খোরাকি আর জল দিয়ে আসা হলো—অথচ বাড়িটা রয়ে গেল অন্য দেশে।
মুশকিল শুরু হয় তার পরে। নতুন জায়গায় পৌঁছে মানুষ কোথায় মাথা গুঁজবে, কীভাবে পেট ভরাবে নিজের ও পরিবারের, কী কাজ করবে, কাকে নিজের লোক বলবে—ইতিহাসের বই সাধারণত সেই হিসেব রাখে না। হিসাবের খতিয়ান আ...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে






