যেভাবে বাংলাকে 'প্রাচুর্যের দেশ’ বলে লুঠের পথ খুলেছিল ব্রিটিশরা
The Colonial Discovery of Bengal: রালফ ফিচ, থমাস বাওরি ও উইলিয়াম ব্রুটনের ভ্রমণবৃত্তান্তে বাংলা উঠে এসেছে অফুরন্ত সম্পদের দেশ হিসেবে। প্রমোদ কে. নায়ারের বিশ্লেষণ দেখায়, এই বিস্ময়মিশ্রিত বর্ণনাই পরে ব্রিটিশ উপনিবেশবাদ, বাংলার সম্পদ লুঠ এবং ‘অলস বাঙালি’র মতো ঔপনিবেশিক ধারণার বৌদ্ধিক ভিত্তি তৈরি করেছিল।
রালফ ফিচ থেকে উইলিয়াম ব্রুটন—তিন ব্রিটিশ পরিব্রাজকের বর্ণনায় বাংলা ছিল ‘অলৌকিক প্রাচুর্যের দেশ’, যেখানে শ্রমিকের অস্তিত্ব নেই, জমি যেন নিজে থেকেই ফলায় ফসল। প্রমোদ কে. নায়ারের বিশ্লেষণ বলছে, এই ‘বিস্ময় ও লোভের মিলিত বয়ানই’ পরবর্তী উপনিবেশিক শোষণের বীজ পুঁতেছিল।
সপ্তদশ শতকের প্রথমার্ধ। বাংলার মাটিতে পা রেখেছেন প্রথম দিককার ইংরেজ বণিকেরা। তাঁদের চোখে এ দেশ যেন এক স্বপ্ন। তুলা, রেশম, আফিম, মশলার অফুরন্ত ভাণ্ডার। নদীবিধৌত উর্বর জমি। দিবারাত্র বাণিজ্যের হাট। এক বাজারে দৈনিক হাজার হাজার পণ্য হাত বদলা...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে








