অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে মাঠে বামেরা, ছাত্র-যুবদের মন কি পেল ইনসাফ যাত্রা?

Insaf Yatra : ইনসাফ যাত্রা কেন হচ্ছে, সমস্ত মানুষ, বা নিদেন পক্ষে অর্ধেক সাধারণ মানুষের কাছেও তা স্পষ্ট নয়।

inscript
৪ মিনিট
অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে মাঠে বামেরা, ছাত্র-যুবদের মন কি পেল ইনসাফ যাত্রা?

ইনসাফ চাই। কীসের ইনসাফ? কার থেকে ইনসাফ চাইতে হবে? এ প্রশ্ন গুলিয়ে গিয়েছে বহুকাল, গুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধু এ রাজ্যে নয়, সারা দেশে, বিশ্বে। কমিউনিস্ট পার্টি হকের কথা বলে, বলে ন্যায্য অধিকার আদায়ের কথা, অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার কথা। অন্যায় ঘটলে ইনসাফ চাওয়ার কথাই বলে। কিন্তু সেই কথার সুরে সুর মেলায় ক'জন? দেশের ডানপন্থী রাজনীতিতে বামপন্থার অবস্থান ঠিক কী, তা জানার জন্য এই রাজ্যে বামফ্রন্টের ইনসাফ যাত্রা দরকার ছিল। মানুষের ইনসাফের প্রশ্নের পাশাপাশি বামেদের নিজেদের প্রাসঙ্গিকতা খোঁজার এক মাধ্যম ছিল এই যাত্রা। ইনসাফ যাত্রার শেষ দিনে এসে তাই এই প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক, ইনসাফের লক্ষ্যে লড়াইয়ে সামিল হলেন কারা? বামেদের এই যাত্রা কি ছাত্রযুবদের একজোট করতে পারল?

যুব সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় এই যাত্রায় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ডিওয়াইএফআই সর্ব ভারতীয় সম্পাদক হিমঘ্নরাজ ভট্টাচার্য, রাজ্য সভাপতি ধ্রুবজ্যোতি সাহা বিভিন্ন স্থানে নেতৃত্ব দিয়েছেন মিছিলকে। বিভিন্ন জায়গাতে মানুষের জমায়েত ঘটেছে, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েছে। কীসের লক্ষ্যে? ইনসাফের লক্ষ্যে। কেন যোগ্য মানুষ চাকরি পাবে না, কেন চাকরি পেতে গেলে ঘুষ দিতেই হবে, কেন রাজনৈতিক নেতা মানেই দুর্নীতিবাজ - সমস্ত প্রশ্নই কিন্তু লুকিয়ে আছে ইনসাফের প্রশ্নে। চাকরি ও শিক্ষার অধিকার কেড়ে আনার দাবিতে, দুর্নীতিবাজ, দাঙ্গাবাজদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালাতে, বিজেপি এবং তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে হকের দাবিতে লড়াই করার আহ্বান জানিয়েছে ইনসাফ যাত্রা, কিন্তু ৪৭ দিনের এই ইনসাফ যাত্রা শেষমেশ এল কোথায়?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
'সংখ‍্যালঘুরা আজও শাসকের কাছে শুধুই ভোটব‍্যাঙ্ক': নৌশাদ সিদ্দিকি

Exclusive interview of Nawsad Siddiqui: ইনস্ক্রিপ্ট-এর সঙ্গে বিশেষ কথোপকথনে নৌশাদ সিদ্দিকি।

ডিওয়াইএফআইয়ের ৪৪তম প্রতিষ্ঠা দিবস ছিল ৩ নভেম্বর। সে দিনই কোচবিহার থেকে সিপিএমের যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআইয়ের ‘ইনসাফ যাত্রা’ শুরু হয়। কোচবিহার থেকে হাঁটতে হাঁটতে দিনাজপুর, মালদহ, বর্ধমান, পুরুলিয়া হয়ে, সমস্ত জেলায় জেলায় কর্মসূচি পালন করে বাম যুবকর্মীরা আগামী ৭ জানুয়ারি পৌঁছবেন কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে। ৭ জানুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশ রয়েছে বামেদের। এই ব্রিগেড রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে নিজেদের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার এক মঞ্চ তো বটেই। সকলের জন্য কাজের দাবির কথা বলেছিল এই যাত্রা। নিজের ন্যায্য চাকরি পাওয়ার দাবি আদায়ে লড়াইয়ের কথা বলেছিল ইনসাফ যাত্রা। পাশাপাশি রাজ্যের শিল্পায়ন, দুর্নীতির মতো বিষয়ও উঠে এসেছে। ডিওয়াইএফআই নেতৃত্ব জানিয়েছিল এই মুহূর্তে রাজ্যে তাঁদের চার হাজার ইউনিট আছে। প্রতি ইউনিটের তরফে বাড়ি বাড়ি কৌটো দিয়ে আসা হবে। এক মাস পরে ওই কৌটো ফেরত নিয়ে আসা হবে। মানুষের কাছ থেকে যে টাকা পয়সা উঠবে তাতেই ব্রিগেড সমাবেশ হবে। সেই সমাবেশে ফের উঠে আসবে কাজ ও শিক্ষার দাবি। উঠে আসবে রাজ্যের বেকার যুব সম্প্রদায়ের আত্মহত্যার কথা। উঠে আসবে তৃণমূল নেতাদের কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি, খাটের তলায় টাকা লুকিয়ে রাখা, চুরি করে জেলে যাওয়া। তাতে কি আগামী বিধানসভা নির্বাচনে হালে পানি পাবে সিপিআইএম? কোনওভাবেই ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে কি বিজেপি বিরোধী জোট মানুষের ভরসা পাবে?

রাহুল গান্ধিও কিঞ্চিৎ এমনই উদ্দেশ্যে ভারত জোড়ো যাত্রা করেছিলেন, আবারও করার কথা ভাবছেন। রাহুল ও কংগ্রেসের লক্ষ্য ছিল ঘৃণায় বিভক্ত দেশকে ভালোবাসা দিয়ে জোড়া। ভারত জুড়তে গিয়ে, দক্ষিণ থেকে উত্তর হেঁটে ২০২৩ সালের পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস একটি মাত্র রাজ্যে সরকার গড়েছে, তেলঙ্গানা। ‘নফরত কে বাজার মে মহব্বত কা দুকান' খুলতে গিয়ে কংগ্রেস দেশে নিজেদের অবস্থান হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে সন্দেহ নেই। সিপিএমের যুব সংগঠন ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন এই যে কোচবিহার থেকে কলকাতা পর্যন্ত পদযাত্রার ডাক দিল তাতে রাজ্যের নাগরিক-ভোটাররা, নিদেনপক্ষে ছাত্র-যুবরাও কি কোনও লক্ষ্য খুঁজে পেল?

দুই সরকারের বিরুদ্ধেই কথা বলা হয়েছে ইনসাফ যাত্রায়। মনে রাখতে হবে, রাজ্যের তৃণমূলের সঙ্গেই বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটে শরিক বামেরা। রাজ্য ভাগের হুমকি, সাম্প্রদায়িক বিভাজনের চেষ্টা, মৌলবাদের বিরুদ্ধে কথা বলছেন বাম নেতৃত্বরা। চা বাগানের শ্রমিকদের সমস্যার কথা উঠে আসছে, পথচলতি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা হচ্ছে। বাংলার যুব বাম রাজনীতির নেতৃত্ব হিসেবে মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের হাতে অলিখিতভাবেই ব্যাটন তুলে দিয়েছেন নেতারা। মীনাক্ষীও ইনসাফের লড়াইয়ে জমি ছাড়ছেন না, একথা স্বীকার করতেই হয়। স্বীকার করতেই হয়, বাম রাজনীতি নিজের শিকড়ের সঙ্গে সবটুকু যোগাযোগ ছিন্ন করেনি। তাই আটপৌরে মিছিল, তাই সমর্থকদের ঘরে ঘরে বা কোনও রকম একটা ঠাঁইয়ে রাত কাটানো, একসঙ্গে সামান্য কিছু খাওয়াদাওয়া – যেমনটা অতীতের বাম আন্দোলনের প্রাণ ছিল তেমনই। একদিকে প্রবল ক্ষমতাশালী শাসক, অন্যদিকে খেটে খাওয়া মানুষের দল। খেটে খাওয়াদের লড়াই এমনই ছিল বরাবর। কিন্তু 'খেটে খাওয়া' শব্দটিই খেই হারিয়েছে। খেটে খেতে গেলে রাজ্যে কী কী পরিস্থিতি পোহাতে হয় মানুষ জানেন। কিন্তু এই প্রাণের আঁচ কতখানি ছুঁল মানুষকে?

রাজ্যের বেহাল শিক্ষাব্যবস্থা, স্কুল বন্ধ হওয়া, সরকারি চাকরি না পাওয়া, সাংস্কৃতিক অদ্ভুত মোড় বদল, মানুষকে ক্রমেই ধর্মে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার চেষ্টা, মানুষকে নিজের কথা বলতে ভুলিয়ে দেওয়া বা সামান্য সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দূরের সমস্যা দেখতে না দেওয়া কি মানুষকে ভাবায়? এই রাজ্যের মহিলাদের ব্যাপক ভোট পেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর সরকার। নেপথ্যে উঠে আসে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো প্রকল্পের কথা। সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি যে আসলে সুবিধা ঠিক পাইয়ে দিচ্ছে না উল্টে কেড়ে নিচ্ছে বাঁচার ভালো সুযোগ এই প্রশ্ন কি ইনসাফ যাত্রা জাগাতে পেরেছে মানুষের মধ্যে? এই রাজ্যের বিজেপির বাড়বাড়ন্ত এবং আরএসএসের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি একদিনে হয়নি। ইনসাফ যাত্রা কোচবিহার থেকে কলকাতা এসেছে ঠিকই। কিন্তু বছরের বাকি সমস্ত দিন বাম আন্দোলন যাদবপুর-কলকাতা এলাকা ছেড়ে কেন বেরোতে পারেনি এই প্রশ্নের উত্তর মেলে না ঠিক। এই প্রশ্নের গোড়াতেই রাজ্যের প্রান্তে প্রান্তরে দীর্ঘদিন ধরে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি বসে থাকে। নীরবে, নিরুচ্চারে নিজেদের কাজ করে যায় তারা। সেই ফল এতদিনে মিলছেও।

ইনসাফ যাত্রা কেন হচ্ছে, সমস্ত মানুষ, বা নিদেন পক্ষে অর্ধেক সাধারণ মানুষের কাছেও তা স্পষ্ট নয়। আনিস খানের মৃত্যুর কথা কি মানুষের মনে নতুন চিন্তা জাগাল? ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে যাওয়ার মাশুল গুনতে হয়েছে যে দিন-আনা দিন-খাওয়া মানুষদের, বাধ্য হয়ে আশ্রয় নিতে হয়েছে শাসক দলের ছত্রছায়ায় সেই মানুষদের ভরসায় জায়গায় কি আসতে পারবে বামেরা? ভোটের রাজনীতি আর মাঠের রাজনীতি এই রাজ্যে আলাদা হয়ে গিয়েছে। বামেদের ব্রিগেডের ভিড় দেখে তাই ভোটের হিসেব করতে বসা একেবারেই কাম্য না। কিন্তু একেবারেই কি ব্যর্থ ইনসাফের লড়াই? এমন অস্থির সময়ে ছাত্রদের, যুবদের কাছে কোনও ঢেউই কি তোলেনি এই যাত্রা? মাঝে মাঝে নিজের পাশে অন্যকে দেখলে ভরসা বাড়ে। মিছিলে সমমনস্ক মানুষের পাশে যখন আরও সমমনস্করা এসে জোটেন, লড়াইয়ের বীজ তাতে জল পায়, সার পায়। প্রতিনিয়ত হেরে যাওয়া মানুষ জানে একা বলে কিছু হয় না। অন্ধকার আলোর অভাব মাত্র, আলো নেই তা নয়। এই আলোদের জোট বাঁধানোর লড়াই যদি বামেরা করতে পারেন, একদিনে না হোক একদিন হবেই।

লিখেছেন
inscript
inscript
17 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।