বাংলাদেশের রাজনীতির টার্নিং পয়েন্ট

Khaleda Zia’s Funeral: এই জানাজায় যারা যোগ দিয়েছিলেন তারা সকলেই বিএনপি কর্মী ছিলেন না। কোনো রাজনৈতিক নেতৃত্বের অন্তিম বিদায়ে এমন ছবি এই উপমহাদেশে খুব কমই তৈরি হয়েছে।

Arka Deb
৫ মিনিট
বাংলাদেশের রাজনীতির টার্নিং পয়েন্ট

খালেদা জিয়ার জানাজায় জনপ্লাবন দেখল বাংলাদেশ। 'ভিড়' বাংলাদেশে নতুন নয়। বিগত কয়েক মাসে গোটা বিশ্ব বারবার দেখেছে কী ভাবে বারবার রাস্তায় নেমে পড়েছে বাংলাদেশের নানাপ্রান্তের মানুষ। ক্ষোভে ফেটে পড়েছে। প্রাণ দিয়েছে। আবার, প্রাণ নিয়েওছে। কিন্তু, বছরের শেষ দিনে খালেদা জিয়াকে অন্তিম শ্রদ্ধা জানাতে রাস্তায় নামা মানুষ এবং খালেদার সন্তানের বোঝাপড়া যে দৃশ্যকল্প তৈরি করল তার গুরুত্ব উপমহাদেশের রাজনীতিতে অসীম। সমস্ত ঝুঁকি মাথায় রেখেই বলা যায়, এই মূহূর্তটিই হতে পারে বাংলাদেশের রাজনীতির টর্নিং পয়েন্ট।

জুলাই অভ্যুত্থানে রাস্তার দখল নিয়েছিলেন অপশাসনে ক্লান্ত, দুর্নীতিতে ক্ষুব্ধ, অত্যাচারে রক্তাক্ত মানুষ। তার সঙ্গে জুড়ে গিয়েছিল নানা স্বার্থগোষ্ঠী, যা জুলাই আন্দোলনকে কালিমালিপ্তই করেছে, তাদের জন্যই প্রশ্ন উঠেছে জুলাই আন্দোলনকারীদের অভিসন্ধি নিয়ে। জুলাই আন্দোলন ক্রমে কোণঠাসা করেছে আওয়ামী লীগকে, দায়িত্বে এসেছে অন্তর্বর্তী সরকার, কিন্তু বাংলাদেশের মনের শুশ্রূষা হয়নি। বারবার, ক্ষুব্ধ বিমর্ষ মানুষ কার্যত টুলে পরিণত হয়েছে। 'ভিড়ের' আবেগককে ন্যূনতম সম্মান করেনি স্বার্থগোষ্ঠীগুলি বরং একটা বড় অংশের মনের দখল নিয়ে, তাঁকে পরিচালনা করার চেষ্টা করে গিয়েছে। ৩২ ধানমণ্ডি ভাঙচুর থেকে শুরু, দেশের বাইরে বসে থাকা ইনফ্লুয়েন্সাররা বাংলাদেশের সাধরাণ মানুষের ক্ষোভ প্রশমন না করে, সেই আগুনে মশাল জ্বালিয়েছেন। এর সর্বশেষ উদাহরণ প্রথম আলো-ডেইলি স্টারেরে দফতরে হামলা, নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীরের হেনস্থা। মনে রাখতে হৱে, প্রথম আলো ডেইলি স্টারেরে ক্ষেত্রে শুধু ভবন ভাঙচুর হয়নি, আটকে পড়েছিলেন বহু সাংবাদিক, তাদের মৃত্যু হতে পারত। অর্থাৎ হিংস্র মব সহনাগরিকের প্রাণের মূল্যের কথাও ভাবেনি। যে নূরুল কবীর হাসিনা জামানার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে কখনও পিছু পা হননি তাঁকেও যখন হেনস্থা করা হলো তখন বোঝা গিয়েছিল এই জনতা হিতাহিত জ্ঞানশূন্য। তাদের রিমোট আছে অন্য কারোর হাতে। তাঁরা যেমন খুশি তেমন নাচায় ভাবতে নাচার জনতাকে। আর সরকার, সে যেন অক্ষম, ন্যুব্জ, অপারগ। এই অবস্থা বাংলাদেশে বসবাসকারী এমনকী বাংলাদেশের বাইরে থাকা সচেতন, ধর্মনিরপেক্ষ, রাজনৈতিকভাবে সচেতন মানুষদের বারংবার বিড়ম্বনায় ফেলেছে।

এমন পরিস্থিতিতেই স্বদেশে ফিরেছেন তারেক রহমান। দীর্ঘ প্রবাসজীবনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলীয় কর্মীদের সঙ্গে অনলাইনে যোগাযোগ রাখতেন। সভা করতেন। কিন্তু ১৭ বছরের অদর্শন। ১৮ মাস কারাবাসের পর সেদিন দেশ ছেড়েছিল এক যুবা। আর ফিরেছেন এক পরিণত মধ্যবয়স্ক নেতা। তাঁকে দেশত্যাগে বাধ্য করেছিলেন যাঁরা আজ তারাই দেশছাড়া। তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ঘিরে তাই উচ্ছ্বাস ছিল সঙ্গত কারণেই। অপেক্ষা ছিল বাংলাদেশের আনাচেকানাচে। তারেক রহমান দেশে ফেরার প্রাক্কালে তাঁর সর্মথকদের বিমানবন্দরের সামনে ভিড় করতে না করেন, বুঝিয়ে দেন বাংলাদেশ মানে 'অনিয়ন্ত্রিত ভিড়' এই ছবিটা বিশ্বমঞ্চে প্রর্দশিত হোক তা তিনি চান না। পূর্বাচলে জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে তাঁর বক্তৃতাতেও অভাবনীয় ভিড় হয়েছিল। তিনি স্বপ্নের কথা বললেন, পরিকল্পনার কথা বললেন। কিন্তু কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। যে মব নিয়ন্ত্রণে বারবার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে অর্ন্তবর্তী সরকার, তার থেকে এই ভিড় সংযত অথচ উজ্জীবীত ছিল— মানুষ এই সমাবেশে এসেছিলেন ভালোবাসার তাগিদে, অপেক্ষার ঋতু পার করে। প্রথম জনসভায় তারেক রহমান ভাঙার নয় গড়ার ডাক দিয়েছেন। ইনক্লুসিভ বাংলাদেশের স্বপ্ন তুলে ধরেছেন। অথচ ১৭ বছর দেশে ফিরতে না পারা মানুষটা চাইলেই প্রতিশোধের জিগির তুলতে পারতেন।

খালেদা জিয়ার জানাজা

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বেগম খালেদা জিয়া: গণতন্ত্রের এক নিঃসঙ্গ শেরপা

Khaleda Zia: ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালে পদে পদে খালেদা জিয়াকে অপমান করার চেষ্টা করা হয়। তাঁর নামে কুৎসা রটানো হয়। স্বামীর স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি থেকে জোর করে বের করে দেওয়া হয়।

তারপর এল বেগম খালেদা জিয়ার জানাজার এই মূহুর্ত। এই জানাজায় যারা যোগ দিয়েছিলেন তারা সকলেই বিএনপি কর্মী ছিলেন না। কোনো রাজনৈতিক নেতৃত্বের অন্তিম বিদায়ে এমন ছবি এই উপমহাদেশে খুব কমই তৈরি হয়েছে। ২০০৯-২০২৪ খালেদা জিয়া অপমান সহ্য করেছেন, নিংসঙ্গ জেলজীবন মেনে নিয়েছেন, তাঁর পারিবারিক বাসভূমিটিও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। প্রাণ বাঁচাতে খালেদা জিয়া দেশ ছাড়েননি এই সমস্ত তথ্য-তত্ত্ব খালেদা জিয়ার পুত্রের চেয়ে কে ভালো জানে! ফলে, শোকের দিনে তিনি এই প্রতিটি ঘটনা উল্লেখ করে উপস্থিত মুহ্যমান জনতাকে আরও আরও উস্কানি দিতেই পারতেন। যেমনটা গত কয়েকমাসে বাংলাদেশে ঘটেছে বারবার। কিন্তু সে পথে না হেঁটে মাত্র ৫৮ সেকেন্ডের বক্তৱ্যে তিনি বললেন,

খালেদা জ়িয়া জীবিত থাকা অবস্থায় আপনাদের কারও কাছ থেকে কোনও ঋণ নিয়ে থাকলে আমি পরিশোধের ব্যবস্থা করব। ‘তাঁর (খালেদা) কোনও ব্যবহারে, কোনও কথায় আপনারা আঘাত পেয়ে থাকলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। আল্লা যেন ওঁকে বেহেস্ত দান করেন।

মাত্র ৫৮ সেকেন্ডের এই বক্তব্য আসলে এই উপমহাদেশের ক্ষমার রাজনীতির, অহিংস রাজনীতির দ্যোতনা বহন করছেন। এই বক্তব্য ঐতিহাসিক আবার সময়ানুগ।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বেগম খালেদা জিয়া: বাংলাদেশের রাজনীতিতে গণতন্ত্রের পাঞ্জেরী

Khaleda Zia death: অন্যান্য রাজনৈতিক দল এরশাদের সঙ্গে আপস করে সংসদে যোগ দেয়, তখন তিনি বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সংস্কার চালিয়ে যেতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাকেন।

জেমস হুইলার, ভিনসেন্ট স্মিথ তাঁদের লেখায় দেখিয়েছেন, কলিঙ্গ যুদ্ধের রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন সম্রাট অশোক। অশোকের ধম্ম পরমতসহিষ্ণুতার কথা বলে। বলে ন্যায়পরায়ণতার কথা। শ্রীচৈতন্যের মামার সম্রাট বাড়ি ছিল সিলেটে। শিক্ষাষ্টকে চৈতন্য বলছেন,

তৃণাদপি সুনীচেন তরোরিব সহিষ্ণুনা।

অমানিনা মানদেন কীর্তনীয়ঃ सदा হরিঃ॥

(শিক্ষাষ্টকম্ - ৩)

অর্থাৎ চৈতন্য বলেন, তৃণর মতো নীচু, গাছের মত সহিষ্ণু হতে। বলেন, সমস্ত অভিমান অহং মুছে ফেলতে।" অর্থাৎ তৃণর মতো নিচু, গাছের মত সহিষ্ণু হতে হবে। সমস্ত অভিমান অহং মুছে ফেলতে হবে।

১৯২২ সালের ফ্রেব্রুয়ারি মাসে চৌরিচৌরায় অগুন লাগিয়ে ২২ জন পুলিশ সদস্যকে হত্যা করা হলে মহাত্মা গান্ধী অসহযোগ আন্দোলন প্রত্যাহার করেন। পাশাপাশি ক্ষমাকে গান্ধী কখনও দুর্বলতা হিসেবে দেখেননি। দেখেছেন মুক্তি হিসেবে।

এই উপমহাদেশের ইতিহাস জানেন তারেক রহমান। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি তাঁর করতলগত। তাই মায়ের জানাজায় রাজনীতি করার সুযোগ প্রত্যাখান করলেন তিনি, এগিয়ে দিলেন 'ক্ষমা' শব্দটিকে। তাঁর এই আচরণ আসলে ডিএসকেলেশনের বার্তা দেয়। ভারত-বাংলাদেশে অতি দক্ষিণপন্থী উগ্রবাদের বাড়বাড়ন্ত থেকে বাঁচার একমাত্র দাওয়াই: ডিএসকেলশন, এক পা এক পা করে পিছিয়ে আসা, উত্তেজনা প্রশমন।

নির্বাচনের প্রাক্কালে এনসিপি-র জামাত ঝোঁক একাত্তরপন্থী কিন্তু হাসিনাশাহীর বিরোধী বহু মানুষের মনোবেদনার কারণ হয়েছে। পর্বত মূষিক প্রসব করেছে। এই বৃহত্তর শান্তিকামী বাংলাদেশি সমাজ প্রত্যক্ষ বিএনপি ক্যাডার নয় কিন্তু নেতৃত্বহীন শূন্যসময়ের শরিক। তারেক রহমানের এই শারীরিক উপস্থিতি সেই অভাব পূরণ করত পারে। রোবট মবের রবরাবয় ধস্ত বাংলদেশ এমন নেতা চায় যিনি নিজে আগুনে পুড়বেন কিন্তু সমস্ত ক্ষতের মুখে রেখে দেবেন গোলাপের তোড়া। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ঘৃণাজর্জর রাজনৈতিক পরিবেশে কোনো লোকখ্যাপানো ইনফ্লুয়েন্সার নতুন দিন আনতে পারবে না। দিশা দেখাতে পারে একজন স্বল্পবাক মানুষই। অস্ত্রবিসর্জন, আর ক্ষমার আদর্শকে আঁকড়ে ধরে এগিয়ে যেতে পারে নতুন বাংলাদেশ।

লিখেছেন
Arka Deb
Arka Deb
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।