মহালয়ার ভোরে বাঙালির ঘুম ভাঙায় যে কণ্ঠ, কীভাবে জন্ম নিল সেই ‘মহিষাসুরমর্দিনী’?
Mahishasura Mardini history Birendra Krishna Bhadra; ধূপ-ধুনোর গন্ধে অর্কেস্ট্রাদলের এক মুসলিম যন্ত্রশিল্পীর চোখ জ্বলে ওঠায় তিনি সশব্দে হাঁচি দিয়ে বসলেন! লাইভ সম্প্রচার চলকালীন সেই অনভিপ্রেত শব্দ সোজা মাইক্রোফোনে ধরা পড়ল। স্টুডিওর সবাই দম আটকে হাসি চেপে কোনোমতে সামাল দিলেন সেই মুহূর্ত। সেকালের রেডিও স্টুডিওতে ধর্ম বা জাতপাতের কোনো দেওয়াল ছিল না;
১৯৩০ সালের এক ভোরের কলকাতার আকাশবাণী স্টুডিও (তৎকালীন ১ নম্বর গার্স্টিন প্লেস)। স্টুডিওর ছোট কামরাটি তখন গরমে গুমোট। শিল্পী ও কলাকুশলীরা গভীর রাতে এসে হাজির হয়েছেন—পুরুষদের পরনে ধুতি-পাঞ্জাবি, নারীদের গায়ে লালপাড় শাড়ি। সবার গায়েই ভোরের মিষ্টি ছোঁয়া আর স্নান সেরে আসার পবিত্রতা। ঠিক হয়েছে সেদিন ভোর চারটেয় একটি নতুন পরীক্ষামূলক অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হবে। কিন্তু বিপত্তি অন্য জায়গায়। তখন আকাশবাণীর স্টুডিওর মাইক্রোফোনগুলি ছিল অত্যন্ত সংবেদনশীল অথচ কাঁচা প্রযুক্তির; একটু জোরে কথা বললেই ভাল্ভ ফেটে যায়, ...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে






