দেশভাগের ইতিহাস নয়, মানুষের গল্প ‘ম্যায় ওয়াপস আউঙ্গা’
Mai Vaapas Aaunga Review: ব্রিটেনে বেড়ে ওঠা তৃতীয় প্রজন্মের এক তরুণ, নিবি। সে তার দাদাজি কিনুর অতীত সম্পর্কে জানতে চায়। কেন তিনি পাকিস্তানের সরগোদার কথা কখনো বলেন না? কেন পরিবারের ইতিহাসে এত শূন্যস্থান? এই অনুসন্ধানই ছবির কাহিনিকে বর্তমান থেকে ১৯৪৭-এ ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
পার্টিশন নিয়ে নির্মিত অধিকাংশ চলচ্চিত্র হয় জাতীয়তাবাদী আবেগের ভারে নত, নয়তো সাম্প্রদায়িক প্রোপাগান্ডার ফাঁদে আটকে পড়ে। ‘ম্যায় ওয়াপস আউঙ্গা’ সেই পরিচিত রীতিকে অতিক্রম করে দেশভাগকে একটি আন্তঃপ্রজন্মীয় ট্রমা (intergenerational trauma) হিসেবে পাঠ করে। এই ছবির কেন্দ্রে কোনো রাষ্ট্র নেই, কোনো রাজনৈতিক স্লোগানও নেই; রয়েছে একটি পরিবারের তিন প্রজন্মের স্মৃতি, নীরবতা এবং ফিরে-দেখার আকাঙ্ক্ষা। সেই কারণেই ছবিটি কেবল দেশভাগের চলচ্চিত্র নয়, বরং স্মৃতি ও পরিচয়ের চলচ্চিত্র।
ছবির শুরু ২০২৬ সালে। ব্র...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে







