মোদির টক্কর খাড়্গে! কেন তাঁকেই প্রধানমন্ত্রী পদে চান মমতা-কেজরি?
India Alliance: সব মিলিয়ে সোমবারের বৈঠকের পরে একাধিক সম্ভাবনাকে জন্মাতে দেখেছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞেরা। তবে সত্যিই কি ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে নিজের জায়গা করতে পারবে জোট ইন্ডিয়া?

একদিকে যখন লোকসভার শীতকালীন অধিবেশনের পিচ ছেড়ে একে একে আউট গিয়েছেন প্রায় সমস্ত বিরোধী দলের সাংসদ। কেউ বলছেন, এ বিজেপির নয়া বিল বিরোধীশূন্য লোকসভায় পাশ করার কৌশল, কেউ বা বলছেন, এ গণতন্ত্রের মৃত্যু। মোদিবিরোধীতায় উত্তাল যখন লোকসভা, তার মধ্যেই দিল্লিতে হয়ে গেল জোট ইন্ডিয়ার চতুর্থ বৈঠক। দিল্লির অশোকা হোটেলে বসেছিল সেই বৈঠক। ২০২৪ সালে ভোটেই কীভাবে মোদির রথ থামানো যায় একেবারে, সেই রণনীতি ঠিক করতেই বসেছিল বৈঠক।
ওই বৈঠকে সনিয়া গান্ধি, রাহুল গান্ধি, মল্লিকার্জুন খড়্গের মতো কংগ্রেস নেতারা তো ছিলেনই। ছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সমাজবাদী পার্টি প্রধান অখিলেশ যাদব, আরজেডি প্রধান লালুপ্রসাদ, তার ছেলে তথা বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদব, এনসিপি প্রধান শরদ পওয়ার, ডিএমকে প্রধান তথা তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন, জেএমএম নেতা তথা ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন, মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা শিবসেনা (ইউবিটি) প্রধান উদ্ধব ঠাকরে, সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি-সহ আরও অনেকেই।
ইন্ডিয়া জোটের মঙ্গলবারের বৈঠকে উঠে এসেছে একাধিক বড় সিদ্ধান্ত। ২০২৪ ভোটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জোর টক্কর দিতে ইতিমধ্যেই ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থীর নাম। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। খড়্গে অবশ্য বলেছেন, এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে নির্বাচনে ফলাফলের পরেই।
সোমবারের বৈঠকে অংশ নিয়েছিল মোট ২৮টি দল। প্রথম থেকেই বিজেপি বিরোধিতার লক্ষ্য নিয়ে এককাট্টা হয়েছে দেশের সবকটি বিজেপি বিরোধী দল। যেন তেন উপায়ে বিজেপিকে হঠাতেই হবে। সেই লক্ষ্যমাত্রা নিয়েই কোমর বেঁধেছে জোট ইন্ডিয়া। তাদের প্রথম বৈঠকটি হয়েছিল পটনায়, দ্বিতীয় বৈঠকটি বেঙ্গালুরুতে তৃতীয়টি এবং তার ঠিক তিন মাসের ব্যবধানে চতুর্থ বৈঠকটি হল দিল্লিতে।
প্রতিবার বৈঠকেই কারও না কারওর মধ্যে মতানৈক্য দেখা গিয়েছে। বহু বিষয়েই এককাট্টা হতে পারেনি জোটের সবকটি দল। তবে এ বারের বৈঠক ছিল সেগুলোর থেকে আলাদা। এবারের বৈঠকে অভিষেককে সঙ্গে নিয়ে হাজির হয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিই প্রধানমন্ত্রী পদে মল্লিকার্জুন খড়্গের নাম প্রস্তাব করেন। সে প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে জোটের বাকি দলগুলোও। এমনকী কংগ্রেসের সঙ্গে যাঁর বিবাদ লেগেই থাকে, সেই অরবিন্দ কেজরিওয়ালের গলাতেও শোনা যায়নি উল্টো সুর। তবে খড়্গে নিজে সময় নিয়েই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চাইছেন। আগে তো জোট জয় পাক, তার পরেই এই সিদ্ধান্তে এগোনো যাবে বলে জানান তিনি।
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
AIADMK Ends Alliance With BJP : এআইএডিএমকের সঙ্গে বিজেপির বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বরাবরের। কিন্তু এই মিত্রতার মাঝে রয়েছে যথেষ্ট দূরত্বও।
বিধানসভা ভোটে তিন রাজ্যে হেরে ভূত কংগ্রেস। বিষয়টি নিয়ে আগেই কংগ্রেসকে নিশানা করেছিলেন মমতা। শীতকালীন অধিবেশন চলাকালীন তিনি বিধানসভায় জানান, তিন রাজ্যের এই হার মানুষের নয়, আদতে কংগ্রেসের পরাজয়। সেখানেই তিনি আহ্বান জানিয়েছিলেন, যাতে ইন্ডিয়া জোটের সমস্ত দল একসঙ্গে কাজ করে বিজেপিকে পদচ্যুত করতে পারে। আসন সমঝোতা ঠিকঠাক মতো হলে ২০২৪ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসবে না বলে জানান মমতা। তাঁর মতে ভোট কাটাকাটির ফলে ১২ শতাংশ ভোট নষ্ট হয়েছে বিধানসভা ভোটে। ভোট পাওয়ার ফারাক মাত্র ৩ শতাংশের। বিজেপি যেখানে পেয়েছে ৪২ শতাংশ ভোট সেখানে বিরোধীরা পেয়েছে ৩৯ শতাংশ ভোট'।
শুধু মমতাই নয়। জানা গিয়েছে, সোমবারের বৈঠকে কংগ্রেসকে দোষারোপ করেন সমাজবাদী পার্টির রামগোপাল যাদব, জেডিইউ-এর লাল্লন সিংহ, আরজেডি নেতা ও বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবও। তাঁদেরও বক্তব্য, ইন্ডিয়া জোটে যে গতি এসেছিল, কংগ্রেসের জন্যই তা নষ্ট হয়েছে। সমাজবাদী পার্টি, বাম দলগুলি মধ্যপ্রদেশ, ছত্তীসগঢ়, রাজস্থানে কংগ্রেসের সঙ্গে আসন সমঝোতায় গিয়ে কিছু আসন চেয়েছিল। কমল নাথ, অশোক গেহলট, ভূপেশ বাঘেলরা তা নস্যাৎ করে দেন। কিন্তু তিন জনের কেউই নিজেদের রাজ্যে কংগ্রেসকে জিতিয়ে আনতে পারেননি। অথচ কংগ্রেস এই তিন রাজ্য ও তেলঙ্গানা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় ইন্ডিয়া নিয়ে সক্রিয়তা পিছনের সারিতে চলে যায়। সমাজবাদী নেতা রামগোপালও মনে করিয়েছেন, লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে আটকাতে হলে উত্তরপ্রদেশের ৮০টি আসনে বিরোধীদের এককাট্টা হয়ে লড়তে হবে। কংগ্রেস শীর্ষনেতাদের সঙ্গে উত্তরপ্রদেশের রাজ্য কংগ্রেস নেতাদের অনেকেই মায়াবতীর সঙ্গে জোট করতে চাইছেন বলে শোনা যাচ্ছে। কিন্তু তা করতে গেলে কংগ্রেস ভুল করবে। কারণ, বিএসপি-কে ভোট দেওয়া আর বিজেপিকে ভোট দেওয়া এখন একই। সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব স্পষ্ট বার্তা দেন, বিএসপি ইন্ডিয়া জোটে যোগ দিলেও তিনি কোনও ভাবে মায়াবতীর সঙ্গে জোট চান না। বৈঠকের পরে অখিলেশ বলেন, "উত্তরপ্রদেশে ৮০টি আসনে বিজেপিকে হারাতে পারলে দেশের গণতন্ত্র বাঁচানো যাবে।"

তিন রাজ্যে আসন সমঝোতা না হওয়ার ফলেই যে গো-হারান হেরেছে কংগ্রেস, তেমন ইঙ্গিতই করেছেন ডিএমকে-র এম কে স্ট্যালিনও। যিনি আবার রাজ্যে কংগ্রেসের শরিক। ঝাড়খণ্ডে কংগ্রেসের শরিক জেএমএম-এর হেমন্ত সোরেন এদিনের বৈঠকে ছিলেন না। কিন্তু দলের সাংসদ মহুয়া মাঝির গলাতেও শোনা গিয়েছে একই সুর। এদিকে, সম্মিলিত চাপের মুখে ভুল মেনেও নেন কংগ্রেস নেতারা। অন্য দলের সঙ্গে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল, তা কাটাতে রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খড়্গে অখিলেশ যাদবদের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন। চা খান। পরে বৈঠকে এসে সনিয়া গান্ধীও নীতীশ কুমার, লালু প্রসাদ, অখিলেশ, এম কে স্ট্যালিনদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। অন্যান্য বিরোধী নেতাদের তাঁরা অনুরোধ করেন, পুরনো কথা ভুলে গিয়ে সবাই যেন একসঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করেন।
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
INDIA Alliance: জোট ইন্ডিয়া-র সমন্বয় কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, বিজেপির দিকে ঝুঁকে থাকা ধামাধারী সংবাদমাধ্য়মগুলির কোনও শো-তেই কোনও প্রতিনিধি পাঠানো হবে না। সেইসব চ্যানেলের বিশেষ বিশেষ উপস্থাপকদের নিয়েই আপত্তি জোট ইন্ডিয়ার।
এখন প্রশ্ন, এই যে আসন সমঝোতা নিয়ে এত ভুল বোঝাবুঝি, ২০২৪ ভোটের আগে সেই দিকে চোখ রেখেই কি পরবর্তী রূপরেখা তৈরি করতে চলেছে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টাল ইনক্লুসিভ অ্যালায়েন্স বা জোট ইন্ডিয়া। সেদিকে চোখ রেখেই একাধিক বিষয়ে জোড় দেওয়া হয়েছিল সোমবারের বৈঠকে। চতুর্থ দিনের বৈঠকের মূল অ্যাজেন্ডাগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল লোকসভা ভোটের আগে আসন ভাগাভাগি নিয়ে চূড়ান্ত একটি ফর্মুলা চূড়ান্ত করা।
রাহুল গান্ধী জানান, লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে এখন থেকেই জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু করে দিতে হবে। যে ভাবে গোড়া থেকে গোদি মিডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদামাধ্য়মের আক্রমণেক মুখে পড়েছে জোট ইন্ডিয়া, তাতে ভোটের আগে সংবাদমাধ্যমের থেকে যে তারা বিশেষ সুবিধা পাবে না, তা পরিষ্কার। তাই বিরোধী শিবিরকে সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছতে হবে বলেই মনে করছেন রাহুল। সিপিএমের সীতারাম ইয়েচুরিও একই সঙ্গে জনসংযোগ কর্মসূচির উপরে জোর দেন। ঠিক হয়েছে, খুব শীঘ্রই ইন্ডিয়া-র প্রচার কমিটির বৈঠক ডাকা হবে। সেখানে ইন্ডিয়া-র প্রথম জনসভা, প্রচারের বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।

এরই মধ্যে আবার মমতা দাবি করেছেন, বঙ্গে তৃণমূল, কংগ্রেস ও বামেদের মধ্যে ত্রিমুখী জোট ভালোভাবেই সম্ভব। তাই তিনি ভোটের আগে এই জোট নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী। এরই মধ্যে লোকসভা থেকে দলে দলে বিরোধী সাংসদদের বরখাস্ত করা নিয়ে একটি প্রস্তাব পাশ করেছে ইন্ডিয়া জোট। সেখানে বলা হয়েছে, গণতন্ত্র বাঁচাতে লড়াইয়ে প্রস্তুত জোটে অন্তর্ভুক্ত সবকটি দল। নিরাপত্তা লঙ্ঘনের বিষয়টি লোকসভায় তুললেই বিরোধী সাংসদদের বরখাস্ত করছেন লোকসভার স্পিকার। নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ব্যাপারটি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছিলেন তারা। আর সেখানেই বাঁধে বিপত্তি। আর এই ধরনের ফ্যাসিবাদ রুখতেই এককাট্টা হওয়ার কথা ঘোষণা করেছে জোট।
সোমবারের বৈঠকে যে ২৮টি দল অংশগ্রহণ করে এবং জোট কমিটির সামনে নিজেদের ভাবনাচিন্তা রাখে। আশার কথা, জোট কীভাবে এগোবে, সে ব্যাপারে সকলেই সিদ্ধান্তে সম্মত হয়েছে। জানা গিয়েছে, সারা দেশে আট থেকে দশটি বৈঠকের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জোট ইন্ডিয়া। খাড়্গে জানান, জোটের শরিকরা যদি এক মঞ্চে না আসে, তাহলে জোটের অস্তিত্বই জনগণের কাছে পরিষ্কার হবে না। তাই বৈঠক প্রয়োজন বলেই জানান প্রবীণ এই নেতা।
আসন ভাগাভাগি নিয়ে দ্রুত ও সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে আসার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করেছে জোট। এ ব্যাপারে আগেই সতর্ক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতো বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তার দেখানো পথেই কি আসন সমঝোতায় এগোবে ইন্ডিয়া। খাড়্গে অবশ্য জানান, প্রাথমিক ভাবে রাজ্য়ের লোকেরাই আসন সমঝোতার ব্যাপারটি দেখবে। কোথাও কোনও সমস্যা হলে জোটের নেতারা তা সমাধান করবেন। তামিলনাড়ু, কেরল, তেলেঙ্গানা, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি বা পাঞ্জাব, যে রাজ্যই হোক না কেন, আসন সমঝোতার সমস্যা সমাধান করাই জোট ইন্ডিয়ার প্রাথমিক কাজ বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে বৈঠক। আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই সেই কাজ সেরে ফেলা হবে বলেও জানা গিয়েছে জোটের তরফে।
সব মিলিয়ে ভালোই হয়েছে সোমবার জোট ইন্ডিয়ার ব্লক মিটিং। প্রচার, আসন সমঝোতা সব নিয়েই একরকম সিদ্ধান্তে পৌঁছনো গিয়েছে ওই বৈঠকে। এবার ঝড়ের গতিতে কাজ শুরু করার পালা। এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞেরা। তবে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, কেন প্রবীণ নেতা খড়্গেকেই প্রধানমন্ত্রীর মুখ করতে উঠেপড়ে লেগেছে জোট ইন্ডিয়া। বিশেষত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিক থেকেই সব চেয়ে জোরালো ভাবে এই প্রস্তাব। তাকে সমর্থন করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ও আপ নেতা কেজরিবালও। বিশেষজ্ঞেরা মনে করছেন, এর পিছনে তৃণমূলনেত্রীর পোক্ত রাজনৈতিক বুদ্ধি রয়েছে ভালো রকম। খাড়্গে মুখ হলে একদিক থেকে যেমন প্রভাবিত হবে আদিবাসী ভোট, তেমন ভাবেই গান্ধী পরিবারের নিয়ন্ত্রণ থেকে বের করা আনা যাবে জোট ইন্ডিয়াকে। দীর্ঘদিন ধরেই কংগ্রেস নিয়ে ভিতরে-বাইরে এই বিতর্ক রয়েইছে। মমতা জানান, তেমনটা হলে দেশের প্রথম দলিত প্রধানমন্ত্রী হবেন খাড়্গে। আসলে এই ভাবে খড়্গেকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে রেখে কংগ্রেসকে যেমন গুরুত্ব দেওয়া হল, একই ভাবে কমিয়ে আনা যাবে সনিয়া-রাহুলদের প্রভাবও, তেমন ভাবনা রেখেই কি এগোচ্ছেন জোট ইন্ডিয়া? একই সঙ্গে এর মধ্যে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়েও কি নিজেকে সামান্য এগিয়ে রাখলেন না মমতা? এখানেই শেষ নয়, রাহুলকে যে ঠিক ততটা যোগ্যতম মনে করছে না জোট, সেই বার্তাও কংগ্রেসের সদর দফতরে পৌঁছে দেওয়া হল এর মাধ্যমে।
সব মিলিয়ে সোমবারের বৈঠকের পরে একাধিক সম্ভাবনাকে জন্মাতে দেখেছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞেরা। তবে সত্যিই কি ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে নিজের জায়গা করতে পারবে জোট ইন্ডিয়া। নাকি মোদিঝড়ে ফের মুখ থুবড়ে পড়বে জোট ইন্ডিয়ার সমস্ত নীল নকশা, সেটাই এখন দেখার।







