বিজেপি-বিরোধী খবর করার জের! খুনের হুমকি সাংবাদিক তুলসি চন্দুকে

Thulasi Chandu, Telugu Journalist: 'হিন্দুত্ববিরোধী', 'আর্বান নকশাল' 'কমিউনিস্ট' এমন অনেক তকমাই জুটে গিয়েছে কপালে ইতিমধ্যেই। খুনের হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয় তাঁকে।

Sohini Das
৪ মিনিট
বিজেপি-বিরোধী খবর করার জের! খুনের হুমকি সাংবাদিক তুলসি চন্দুকে

গণতন্ত্রে বিরোধীশূন্যতা ভালো নয়। এমনটাই বলে থাকেন বিশেষজ্ঞেরা। কারণ সেক্ষেত্রে তা আর গণতন্ত্র থাকে না, বরং তা স্বৈরাচার হয়ে যায়। আর বিরোধী থাকা মানে গণতন্ত্রে বাকস্বাধীনতাও থাকতে হবে। অন্তত থাকাটা উচিত। কিন্তু সত্যিই কি তা হয় সবসময়? নাকি বহু ক্ষেত্রেই তা খর্ব হয়। আর বোধহয় তা সবচেয়ে বেশি খর্ব হয় সাংবাদিকদের, যাদের ক্ষেত্রে যেটা থাকাটা একান্ত দরকারি। মানুষের কাছে নিরপেক্ষ খবর পৌঁছে দিতে আজকাল প্রায়শই বেগ পেতে হয় সাংবাদিকদের। নানা রকম অঙ্ক, নানা ছক,খেলা এসে হাত-পা চেপে ধরে। কোথাও প্রতিষ্ঠানের প্রশ্ন, তো কোথাও ব্যক্তিগত টানাপড়েন, তো কোথাও আবার রাষ্ট্রের চোখরাঙানি। শুধু বেগই পেতে হয়, তা-ই নয়। মাঝেমধ্যে গৌরী লঙ্কেশদের মতো অনেকেরই গতি রুদ্ধ করে দেওয়া হয় বরাবরের মতো। কিংবা 'আর্বান নকশাল' তকমা দিয়ে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় জেলে। বড় বড় দেশে এমন ছোটখাটো ঘটনা আখছার ঘটে।

আজকাল সাংবাদিকতার ধরন অনেকটাই বদলেছে। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষের হাতে উঠে এসেছে প্রযুক্তির বহু অস্ত্র। সোশ্যাল মিডিয়া হয়ে উঠেছে মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়ার স্বাধীন মাধ্যম। আপাত ভাবে দেখতে গেলে যেখানে প্রাতিষ্ঠানিক চোখরাঙানি নেই। কিন্তু সত্যিই কি নেই! হয়তো আছে। সে প্রসঙ্গ অন্য। কিন্তু সত্যি বলতে সোশ্যাল মিডিয়া মানুষকে এমন একটা প্ল্যাটফর্ম দিয়েছে, যেখানে কারওর মুখাপেক্ষী হয়ে না-থেকে নিজের কথাটুকু পৌঁছনো সম্ভব ব্যক্তি থেকে গোষ্ঠীর কাছে। আর সেই সুবিধাটুকু নিয়েই বেড়েছে স্বাধীন সাংবাদিকতার সুযোগ। বহু ইউটিউবারই আজকাল এমন স্বাধীন সাংবাদিকতার পথ বেছে নিয়েছেন। সেটাই তাঁদের পেশা, তাঁদের নেশাও।

তবে ধরাবাঁধা প্রতিষ্ঠানের নাগপাশ নেই বলে যে তারা সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রেও ঠিক ততটাই মুক্ত, তা বললে বোধহয় ভুল হবে। কারণ সেখানেই পথ আটকে দাঁড়ায় নানা ধরনের হুমকি, এমনকী মৃত্যুভয়ও। ঠিক যেমনটা হয়েছে তেলুগু সাংবাদিক তুলসি চন্দুর সঙ্গে। সোশ্যাল মিডিয়া যেমন মত প্রকাশের স্বাধীনতা দিয়েছে, তেমনই জন্ম দিয়েছে 'ট্রোল' নামক একটি বিষ শব্দের। সমালোচনা, ব্যঙ্গের উর্ধ্বে উঠে যা ব্যক্তিমানুষকে ঠেলে দিতে বিপন্নতার খাদে। আগে রাস্তার ধারে রকের আড্ডায় বসে যা বলা যেত বা যেত না, তা-ই এখন অবলীলায় বলে ফেলা যায় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে। দেওয়া যায় হুমকি, এমনকী মৃত্যুরও। তিন বছর ধরে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে স্বাধীন সাংবাদিকতা করে আসছেন ৩৬ বছরের তুলসি। নানা কনটেন্টকে কেন্দ্র করে একাধিক বার বিরোধিতার মুখে পড়ছেন। একাধিক বার মুখোমুখি হয়েছেন ট্রোলিংয়েরও । আবার প্রশংসাও পেয়েছেন। এ তার কাজের অঙ্গ। তবে সম্প্রতি তাঁর সঙ্গে যা হয়েছে, যে কোনও গণতান্ত্রিক দেশে তা লজ্জার।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সত্যি বললেই বন্দি! ভারতে জেলে পচছেন কত সাংবাদিক, শিউরে উঠতে হবে যে তথ্যে

Indian Journalists in Jail: ২০২১ সালে সারা পৃথিবীতে জেলবন্দি ছিলেন ৪৮৮ জন সাংবাদিক। এই সংখ্যাটা ২০২২ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৩৩ জনে।

সম্প্রতি তিনি তাঁর ইউটিউবে একটি ভিডিও বানান হায়দরাবাদের বাসিন্দা তুলসি। যেখানে তিনি ব্যাখ্যা করে দেখিয়েছিলেন কীভাবে ধর্মীয় বিদ্বেষ ও কট্টরপনায় বিজেপি এবং এআইএমআইএম (অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমে) একই পথের পথিক। সেই ভিডিওর টাইটেলটির মর্মার্থ ছিল অনেকটা এরকম- 'প্রিয় জনগণ, সাবধান, ধর্ম আসছে'। সেখানে তিনি এটুকুই বলার চেষ্টা করেছিলেন যে, দুটি দলই ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন করার চেষ্টা করছে। বলতে চেয়েছিলেন, 'এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে দেশে ধর্মীয় হিংসার চেয়ে ক্ষতিকর আর কিছু নেই।' আর সেটাই কাল হল। কম সময়েই সেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়। এবং তার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা ধরনের হুমকি, কটুক্তির মুখোমুখি পড়তে হচ্ছে তুলসিকে। 'হিন্দুত্ববিরোধী', 'আর্বান নকশাল' 'কমিউনিস্ট' এমন অনেক তকমাই জুটে গিয়েছে কপালে ইতিমধ্যেই। এখানেই শেষ নয়, খুনের হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয় তাঁকে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বাকস্বাধীনতা শুধুই মুখের কথা! ভারতে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ নিয়ে যে প্রশ্ন উঠে আসছে

ভারতে ২০২১ ও ২০০২ সালে একই কারণে খুন হয়েছেন মোট ৬ জন সাংবাদিক। গত এক দশকে ভারতে সাংবাদিক খুনের নিরিখে এক বছর সময়সীমায় ৬ জন সাংবাদিককে হত্যার ঘটনা নিয়ে উদ্বিগ্ন কমিটি ফর প্রোটেক্ট জার্নালিস্ট।

আর এই বিষয়টি নিয়েই সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খুলেছেন তুলসি। গত সপ্তাহের একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, রীতিমতো ভয় হচ্ছে তাঁর। তাঁকে খুন করা হতে পারে বলেও আতঙ্ক প্রকাশ করেছেন তরুণ এই সাংবাদিক। মাতৃভাষায় লেখা ওই পোস্টে তুলসি জানান, কোনওদিন হয়তো ঘৃণা উগরে দিতে অস্ত্র হাতে আমার উপর চড়াও হবেন কয়েকজন নিষ্পাপ তরুণ। যাদের হৃদয় বিষিয়ে দিয়েছেন যুদ্ধবাজ বিভাজনকামী কয়েকটি রাজনৈতিক দল। মৃত্যুভয় অনুভব করছেন তিনি প্রতিপদে। আর এমন অসহায় পরিস্থিতির মুখে তাঁকে পড়তে হয়েছে শুধুমাত্র 'ধর্মীয় হিংসা'-কে 'ভয়ঙ্কর' বলার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায়। তুলসি জানিয়েছেন, ভয়ে কুঁকড়ে গিয়েছেন তিনি। বৃদ্ধা মা, ১২ বছরের সন্তান আর স্বামীর সঙ্গে থাকেন তুলসি। স্বামী সন্তানের থেকে বরাবর সমর্থন পেয়েছেন তিনি। আর আজ পরিবারের সুরক্ষার কথা ভেবে ভয় পাচ্ছেন তিনি। তুলসির বক্তব্য, তারা যে শুধুমাত্র তাঁর ভিডিওর বিরোধিতা বা সমালোচনা করেছে তা-ই নয়, ব্যক্তিগত স্তরে নেমে তুলসিকে আক্রমণ করা হচ্ছে। চলছে এন্তার 'বডিশেমিং'। তাঁকে হিন্দু-বিরোধী বলে প্রচারও চালানো হচ্ছে। এমনকী কেনিয়া থেকে পর্যন্ত হুমকি-ফোন এসেছে।

কোথায় বাকস্বাধীনতা? স্বাভাবিক ভাবেই এই ঘটনা ফের আরও একবার সেই প্রশ্নই আমাদের সামনে তুলে ধরেছে। এত ভয়, এত আতঙ্কের মধ্যেও নিজের অবস্থান থেকে সরছেন না তুলসি। বরং তাঁর সাফ কথা, হিন্দু ধর্মকে অসম্মান করে কোনও কথা তিনি বলেননি বা কোনও ভিডিও বানাননি। বরং তাঁর ভিডিও সেইসব শিক্ষিত, শুভবোধসম্পন্ন মানুষদের জন্য, যাঁদের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে ন্যূনতম ধারণা রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় যে বা যাঁরা বলছেন, কেন শুধু হিন্দুদের তিনি নিশানা করেছেন, কেন অন্য ধর্মাবলম্বীদের নয়।? তাঁদের জন্য একই কথা তুলসির।

তবে সাংবাদিকদের জন্য এই ধরনের বিরোধিতা, হিংসাবাক্য বোধহয় ভারতে নতুন নয়। কখনও খুনের হুমকি তো কখনও বুকে এঁকে দেওয়া বুলেট, কখনও 'দেশদ্রোহী' তকমা তো কখনও জেলের ঘানি। আজ থেকে নয়, বহু বছর ধরে বারবার অবরুদ্ধ করা হয়েছে সাংবাদিকদের পথ, খর্ব করা হয়েছে বাকস্বাধীনতা। সংবাদমাধ্যম বা গণদর্পণের কাজ নিরপেক্ষ ভাবে সমাজের সত্যটুকু জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া। সেই সত্য এবং তাঁর জনগণের কাছে দায়বদ্ধ সংবাদমাধ্যম ও সংবাদকর্মীরা। এভাবে তাঁদের সাময়িক ভাবে থামানো যেতে পারে হয়তো। কিন্তু একেবারে মুখ বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব নয় কোনও মতোই। দীনেশ পাঠক, গৌরী লঙ্কেশ থেকে শুরু করে আজকের তুলসি চন্দু। হাত বদলালেও ব্যাটনটা কিন্তু একই থেকে যাবে।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

SRFTI: কীভাবে অনুষ্ঠান থেকে পরিস্থিতি গড়াল সংঘর্ষে?

SRFTI Clash: SRFTI-তে ডানপন্থী সংগঠনের অনুষ্ঠান ঘিরে কেন আপত্তি জানালেন পড়ুয়ারা? বক্তৃতায় কী বলা হয়েছিল, যা নিয়ে তৈরি হয় উত্তেজনা? কীভাবে অনুষ্ঠান থেকে পরিস্থিতি গড়াল সংঘর্ষে? পড়ুয়া ও আয়োজকদের পাল্টা অভিযোগের মধ্যে আসল ঘটনা কী?

যে নির্বাচন কমিশনার ভোট চুরি আটকেছিলেন

Election reforms of T. N. Seshan: ১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে নির্বাচন কমিশনারের চেয়ারে বসেছিলেন যে ব্যক্তি, সেই টি. এন. শেষন বলেছিলেন, 'আমাকে এই পদে বসাবেন না, আমি আপনাদের অসুবিধার কারণ হয়ে দাঁড়াব।'

ছদ্ম-বিরোধী তৈরিই কি তবে ভারতের রাজনীতিতে ক্ষমতার নতুন কৌশল?

Indian opposition politics: বিরোধীদের সরাসরি নিষিদ্ধ না করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার চাপ, আইনি ফাঁকফোকর এবং সুপরিকল্পিত দল ভাঙার মাধ্যমে তৈরি করা হচ্ছে অনুগত ‘ছদ্ম-বিরোধী’।

EXCLUSIVE: কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদে ভোট না-করানো তৃণমূলের বড় ভুল, নিজেদের ভুল নিয়েও আলোচনার দরকার ছিল: কুণাল

Kunal Ghosh on Mamata Banerjee: ইনস্ক্রিপ্টে ‘অনিন্দ্য এবং’ পডকাস্টে তিনি একদিকে যেমন দাবি করেছেন মমতাকে ভয় পেয়েই তাঁকে বারবার নিশানা করা হচ্ছে, তেমনই অন্যদিকে দলের ভুলত্রুটি স্বীকার করে আত্মসমালোচনার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেছেন।

EXCLUSIVE: শেষদিকে দল পরিচালনায় গ্যাপ ছিল, অভিষেকের অফিসও ঠিকঠাক ম্যানেজ করা হয়নি: কুণাল

Kunal Ghosh on Abhishek Banerjee: ইন্সক্রিপ্টের ‘অনিন্দ্য এবং’ পডকাস্টে অভিষেক প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কুণাল জানিয়েছেন, শেষ পর্যায়ের দল পরিচালনায় আরও ‘সতর্কতা’ প্রয়োজন ছিল। তাঁর দাবি, অভিষেকের অফিসও সব সময় ঠিকভাবে পরিচালিত হয়নি।

মমতা-অভিষেকের দল পরিচালনায় বিরাট গ্যাপ তৈরি হয়েছিল: ইনস্ক্রিপ্ট পডকাস্টে আর কী বললেন কুণাল?

Kunal Ghosh Interview: বিধানসভা ভোটে বিপর্যয়ের পরে প্রতীক, নাম হারিয়ে কার্যত দিশাহারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল। তার মধ্যেও ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই জারি রয়েছে। যদিও দলের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহে মমতার কাছাকাছির বৃত্ত ক্রমশ সঙ্কুচিত হয়েছে। নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে মুখ পুড়েছে। এই প্রেক্ষিতে আসন্ন পুরভোটে কেমন করবে তৃণমূল? ঘুরে দাঁড়ানোর কোনও সম্ভাবনা আছে? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী? বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে যা বললেন দলের বিধায়ক এবং অন্যতম মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।

এসআইআর: বাংলায় ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব মুসলিম এলাকাগুলিতে ছ’গুণ বেশি, বলছে পরিসংখ্যান

Bengal Voter List Review: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা যাচাইয়ে বিচারাধীন ভোটারদের ক্ষেত্রে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতেই প্রভাব বেশি পড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এই এলাকাগুলিতে ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব অন্যান্য এলাকার তুলনায় প্রায় ছ’গুণ বেশি। এই পার্থক্য কীভাবে তৈরি হলো, কোন এলাকার ভোটাররা বেশি প্রভাবিত হলেন এবং এর পিছনে কী কারণ রয়েছে?

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?