এআই নিয়ে আমার আগ্রহ শূন্যের চেয়েও কম: সালমান রুশদি

Salman Rushdie AI: রুশদির মূল যুক্তিটা খুব সহজ ও অকাট্য। তিনি মনে করেন—গল্প বলা, সাহিত্য কিংবা সিনেমা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে 'মৌলিকতা' বা অরিজিনালিটির উপর। আর এই মৌলিক জিনিসটাই এআই-এর পক্ষে নকল করা অসম্ভব।

inscript
৪ মিনিট
এআই নিয়ে আমার আগ্রহ শূন্যের চেয়েও কম: সালমান রুশদি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI কি সত্যিই মানুষের জায়গা নিতে পারবে? এই নিয়ে তর্ক-বিতর্ক-জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। আমাদের বন্ধুদের আড্ডা-ক্ষেত্র থেকে কর্মক্ষেত্র সর্বত্রই এই প্রশ্নের ছয়লাপ। আমাদের মন এই প্রশ্নও ঘোরে, শিল্প, সাহিত্য বা সিনেমার মতো সৃজনশীল জগতে এআই-এর কি সত্যিই মানুষের জায়গা নেওয়ার ক্ষমতা আছে? কিন্তু এই ধরনের আলোচনাকে একদমই প্রশ্রয় দেন না সালমান রুশদি। সম্প্রতি লন্ডনে 'Liberatum’s 14th Cultural Honor' গ্রহণের আগে 'ভ্যারাইটি' (Variety) ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এআই নিয়ে নিজের তীব্র ক্ষোভ ও অনীহা প্রকাশ করেছেন রুশদি।

সৃজনশীল কাজে এআই-এর ভূমিকা আসলে কতখানি? রুশদির ভাষায়:

একদম কিছুই না। শূন্য।

শুধু তাই নয়, খুব স্পষ্ট এবং কড়া ভাষায় লেখক জানিয়ে দিলেন এআই নিয়ে তাঁর আগ্রহ নাকি "শূন্যের চেয়েও কম!" (“I have less than zero interest in AI”)।

কিন্তু কেন এআই-এর উপর এত চটেছেন এই বরেণ্য সাহিত্যিক?

রুশদির মূল যুক্তিটা খুব সহজ ও অকাট্য। তিনি মনে করেন—গল্প বলা, সাহিত্য কিংবা সিনেমা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে 'মৌলিকতা' বা অরিজিনালিটির উপর। আর এই মৌলিক জিনিসটাই এআই-এর পক্ষে নকল করা অসম্ভব।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
AI-ই বিজ্ঞানীদের শেষ ভরসা? কী বলছেন রসায়নে নোবেলজয়ী হ্যাসাবিস?

Nobel Prize in Chemistry 2024: কম্পিউটারকে ব্যবহার করে প্রকৃতিতে অনুপস্থিত এমন কিছু নতুন ধরনের প্রোটিন তৈরির প্রক্রিয়াকেই বলে কম্পিউটেশনাল প্রোটিন ডিজাইন।

রুশদি বলেন,

এআই-এর নতুন কিছু তৈরি করার কোনো ক্ষমতাই নেই। এটি যা করতে পারে তা হলো—ইন্টারনেট থেকে প্রচুর তথ্য গিলে ফেলা বা সংগ্রহ করা এবং তারপর সেটারই একটা অন্য রূপ বা সংস্করণ তৈরি করে দেওয়া। কিন্তু শিল্প তো সেটা নয়! শিল্প হলো এমন কিছু খুঁজে বের করা, যা আগে পৃথিবীর কেউ কখনো করেনি। এআই এই কাজটা কোনোদিনও পারবে না।

এআই নিয়ে সালমান রুশদির এই অবস্থান কিন্তু আজকের নয়, গত কয়েক বছর ধরেই তিনি এই বিষয়ে নিজের মতামত স্পষ্ট করে আসছেন। ২০২৪-২৫ সালের দিকে তিনি বলেছিলেন, এআই হয়তো থ্রিলার বা সায়েন্স ফিকশনের মতো চেনা ছকে বাঁধা (formulaic) লেখার ক্ষেত্রে কিছুটা হুমকি হতে পারে, কারণ সেখানে মৌলিকতার চেয়েও একটা নির্দিষ্ট প্যাটার্ন বেশি কাজ করে। কিন্তু সত্যিকারের সাহিত্যের জন্য এআই কোনো চ্যালেঞ্জই নয়।

নিজের স্টাইল পরীক্ষা করার জন্য রুশদি একবার চ্যাটজিপিটি (ChatGPT)-কে নিজের মতো করে কিছু লিখতে বলেছিলেন। ফলাফল দেখে তিনি স্রেফ হেসে উড়িয়ে দেন এবং সেটাকে 'আবোলতাবোল' বলে আখ্যা দেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বুদ্ধি ফুটুক নাই ফুটুক, AI জাগ্রত দ্বারে!

Artificial Intelligence: যদি প্রযুক্তির উপর আমাদের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায়, AI যদি নিজের মতো করে চিন্তা করতে শুরু করে, তখন কী হবে? আমরা AI-কে ঠিক কতটা বিশ্বাস করতে পারি?

রুশদি মনে করেন, এআই-এর সবচেয়ে বড় খামতি হলো তার 'হিউমার' বা হাস্যরসের অভাব। ২০২৫ সালের একটি সাহিত্য উৎসবে তিনি মজা করে বলেছিলেন,

যতদিন না এআই মানুষকে হাসাতে পারছে, ততদিন লেখকরা সম্পূর্ণ নিরাপদ। চ্যাটজিপিটি-র মুখে কেউ কৌতুক শুনতে চায় না।

তাঁর মতে, সত্যিকারের সাহিত্য সৃষ্টি হয় মানুষের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, স্মৃতি, আবেগ, সাংস্কৃতিক গভীরতা এবং জীবনের নানা অপ্রত্যাশিত মোড় থেকে। এআই কেবল ডেটা বা তথ্য প্রসেস করতে পারে, কিন্তু মানুষের ভিতরের এই গভীর অনুভূতিগুলি তৈরি করতে পারে না।

শিল্পের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে রুশদি একটি চমৎকার কথা বলেছেন। তিনি মনে করেন, শিল্প বা সৃজনশীল কাজ মানে নিছক বিনোদন বা মানুষকে আনন্দ দেওয়া নয়। শিল্পের আসল কাজ হলো মানুষের চিন্তাভাবনাকে নাড়া দেওয়া, সমাজকে উস্কে দেওয়া।

তাঁর ভাষায়,

শিল্প যখন তার সেরা ফর্মে থাকে, তখন তা বিনোদনের চেয়েও অনেক বেশি কিছু। এটি মানুষকে চ্যালেঞ্জ করে। আর আপনি যখন মানুষকে চ্যালেঞ্জ করবেন, তখন অনেকেই হয়তো তা পছন্দ করবে না; কিন্তু সেটাই তো কাজটা করার সবচেয়ে বড় কারণ।

ব্যক্তিগত জীবনে ২০২২ সালে এক মারাত্মক প্রাণঘাতী হামলার মুখোমুখি হতে হয়েছিল রুশদিকে। কিন্তু সেই ধাক্কা সামলে তিনি আবার কলম ধরেছেন। হামলা-পরবর্তী জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা তাঁর আত্মজীবনীমূলক বই 'Knife: Meditations After an Attempted Murder'-এর উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে একটি প্রামাণ্যচিত্র (Documentary), যা আগামী সেপ্টেম্বর মাসে মুক্তি পেতে চলেছে। এছাড়া ২০২৫ সালে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর নতুন গল্প সংকলন 'দ্য ইলেভেন্থ আওয়ার' (The Ground Beneath Her Feet), যেখানে বয়স, মৃত্যু ও স্মৃতির এক অদ্ভুত কোলাজ রয়েছে। বর্তমানে তিনি সম্পূর্ণ নতুন একটি উপন্যাসের কাজও শুরু করেছেন।

পাশাপাশি, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'মিডনাইটস চিলড্রেন' (Midnight's Children)-এর রুপোলি পর্দার রূপান্তর নিয়েও কথা বলেন রুশদি। ২০১২ সালে দীপা মেহতার সঙ্গে করা ছবিটির প্রশংসা করলেও, চলচ্চিত্র নির্মাতা বিশাল ভরদ্বাজের সঙ্গে নেটফ্লিক্সের যে টিভি সিরিজের কথা চলছিল, তা স্ক্রিপ্ট এবং বাজেটের সমস্যার কারণে বাতিল হয়ে গিয়েছে বলে তিনি জানান। তবে অন্যান্য কিছু বই নিয়ে পর্দায় রূপান্তরের নতুন কথাবার্তা এখনও চলছে।

ফতোয়া থেকে শুরু করে ছুরি ছুড়ে খুনের চেষ্টা—জীবনের নানা চড়াই-উতরাই পার করা সালমান রুশদি খুব ভালো করেই জানেন শব্দের শক্তি কতটা তীব্র হতে পারে। আর সেই কারণেই তিনি বিশ্বাস করেন, মানুষের রক্ত-মাংসের অভিজ্ঞতা এবং কল্পনাশক্তির কোনো বিকল্প হয় না। এআই যতই উন্নত হোক না কেন, তা কেবল মানুষের তৈরি করা সৃষ্টিরই একটা অনুকরণ মাত্র; মানুষের হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে আসা খাঁটি শিল্পের জায়গা নেওয়া কম্পিউটারের কোডিং-এর পক্ষে কোনোদিনই সম্ভব নয়।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

প্রেমে, ঈর্ষায়, ভ্রমণে মারিয়া কোদামার চোখে কেমন ছিলেন বোর্হেস?

Jorge Luis Borges: ২০১৯ সালে প্রকাশিত এই সাক্ষাৎকারে লেখকের বিধবা স্ত্রী মারিয়া কোদামা তাঁদের অনন্য সম্পর্ক ও একান্ত যাপনের স্মৃতিচারণ করেছিলেন। মারিয়া কোদামা মৃত্যুবরণ করেন ২০২৩ সালের ২৬ মার্চ। সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেছিলেন পাবলো হিয়েনেরা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ২০১৯ সালে, পরে লা নাসিয়ন (La Nacion) পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ২০২৩ সালের ২৫ মার্চ। সাক্ষাৎকারটি স্প্যানিশ থেকে অনুবাদ করেছেন স্প্যানিশ সাহিত্য ও বোর্হেসবিশেষজ্ঞ কবি, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক রাজু আলাউদ্দিন।

এনসিইআরটি-র নতুন ইতিহাসের বই হিন্দুত্ববাদী ইতিহাসচর্চাকে নতুন জায়গা করে দিচ্ছে?

NCERT Class 9 Book controversy: নবম শ্রেণির সমাজবিজ্ঞান বই 'আন্ডারস্ট্যান্ডিং সোসাইটি'-র 'রেজিস্ট্যান্স অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স' অধ্যায়ে সপ্তম শতক থেকে ভারতীয় উপমহাদেশে আরব, তুর্কি, মুঘল ও ইউরোপীয় আক্রমণের ধারাবাহিকতা, ধর্মীয় উদ্দেশ্য ও হিন্দু রাজাদের দেবী-প্রদত্ত তলোয়ারের উল্লেখ রয়েছে। মুসলিমদের বিরুদ্ধে জাঠ-শিখ-রাজপুত-অহোম প্রতিরোধের বর্ণনা। হিন্দুত্ববাদী লেখক জে. সাই দীপকের 'মধ্যপ্রাচ্যের ঔপনিবেশিকতা'র ধারণা ও হিন্দুত্ববাদী ইতিহাসবিদ মীনাক্ষী জৈনের গবেষণার ছায়ায়, এভাবেই তৈরি হচ্ছে নতুন সাম্প্রদায়িক ইতিহাসচর্চার পরিসর।

‘গ্রাহক পঞ্চায়েত’-এর সভায় ছুরি কোথা থেকে এল?

SRFTI Kolkata clash: সমাজমাধ্যমে যে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছে, তা লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে—এক ব্যক্তি হঠাৎ পিছন থেকে এসে এক শিক্ষার্থীকে সজোরে লাথি মারছে। অথচ ঠিক সেই মুহূর্তেও পিছনের দেওয়ালে ভারতমাতা ও স্বামী বিবেকানন্দের ছবি দেওয়া ব্যানারটি সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় ঝুলছিল। অর্থাৎ, যে ব্যানার ছেঁড়ার অভিযোগকে সামনে এনে এত প্রচার চালানো হচ্ছে, তখনো পর্যন্ত সেই ব্যানারে কোনো আঁচড়ও পড়েনি।

চার-পাঁচ বছর নিয়েছিল তৃণমূল, বিজেপি মাত্র চারমাস

SRFTI incident: গোটা দেশে যখন মানুষের বিজেপির প্রতি মোহভঙ্গ ঘটতে শুরু করেছে, তখন আশ্চর্যজনকভাবে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এল। অথচ একসময় গর্বের সঙ্গে বলা হতো—“হোয়াট বেঙ্গল থিঙ্কস টুডে, ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুমরো।” আজ তা যেন উল্টে গিয়েছে।

মাতঙ্গিনী হাজরা ও তমলুকের বিদ্রোহ: এক বৃদ্ধার মৃত্যু যেভাবে বদলে দিয়েছিল আন্দোলনের গতিপথ

Matangini Hazra death: ২৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৪২। তমলুক শহরের দিকে পাঁচ দিক থেকে ধেয়ে এল জনতার উত্তাল মিছিল। সরকারি দপ্তর ঘিরে ফেলতে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় হাজার মানুষের এক বিরাট বাহিনী এগিয়ে আসছিল শহরের উত্তর দিক থেকে—ফৌজদারি আদালতের পথ ধরে। আর সেই বাহিনীর পুরোভাগে ছিলেন প্রায় বাহাত্তর বছর বয়সি মাতঙ্গিনী হাজরা।

কুম্ভের রাস্তা চওড়া করতে ভাঙা পড়ল মসজিদ, উজ্জয়িনীর ঘটনায় উঠছে যে প্রশ্ন

Legal Battle of ujjain's Shahi masjid: ২০২৮ সালের সিংহস্থ কুম্ভ মেলার প্রস্তুতিতে উজ্জয়িনীর শাহী মসজিদের তিন ফুট অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে। প্রশাসনের ২৭২টি ভবনের তালিকায় রয়েছে ৮০টিরও বেশি ধর্মীয় স্থাপনা। দীর্ঘ আইনি লড়াই ও রাতভর আলোচনার পরও পরিস্থিতি শান্ত হয়নি। ছত্রি চকে ছোড়া হয় পাথর, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে ছুড়তে হয় কাঁদানে গ্যাস।

নাৎসি জার্মানি থেকে FTII–SRFTI: ফিল্ম স্কুল কেন ক্ষমতার চোখে এত গুরুত্বপূর্ণ?

History of Film school's against Fasicsm: ১৯৩৩ সালে নাৎসিরা ভাঙচুর করেছিল বার্লিনের ফিল্ম স্কুল টনফিল্মশুলে। ১৯৩৫ সালে মুসোলিনি রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে এনেছিলেন ইতালির ফিল্ম স্কুল সিএসসি। ২০১৫ সালে ভারতে পুনের এফটিআইআইতে মোদী সরকারের নিয়োগ বিষয়ক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ১৩৯ দিনের ধর্মঘট হয়েছিল। ২০২৬-এ কলকাতার এসআরএফটিআইতে, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের ইট-পাথরের হামলা সেই ইতিহাসকেই পুনরাবৃত্ত করল। হামলার পদ্ধতি বদলেছে, কিন্তু ফ্যাসিবাদের উদ্দেশ্য আজও একই, স্বাধীন সাংস্কৃতিক চর্চাকে নিয়ন্ত্রণ করা। যদিও ইতিহাস বলে, ফিল্ম স্কুল কেবল একটি ভবন নয়, একটি ধারণা, একটি মতাদর্শিক বলয়।

জেলের ৭১৬ দিন: কী পড়তেন, কী ভাবতেন, কীভাবে লড়তেন ভগৎ সিং?

Bhagat Singh jail life: জেলখানায় ভগৎ সিংয়ের সবচেয়ে বড় সঙ্গী ছিল বই। দ্বারকাদাস লাইব্রেরির লাইব্রেরিয়ান শাস্ত্রী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জেলের ভিতর বই পাচার করতেন। এই ৭১৬ দিনে তিনি প্রায় ৩০০-র বেশি বই পড়েছেন ভগৎ সিংহ।