সেদিনের দেবী আজ ভারতমাতা
‘দেবী’ চলচ্চিত্রে দয়াময়ীর সাধারণ এক গৃহবধূ থেকে ‘ঈশ্বরী’তে রূপান্তরিত হওয়ার প্রক্রিয়াটি একটি নিপুণ মনস্তাত্ত্বিক ভাঙাগড়ার গল্প। সত্যজিৎ রায় এই বিবর্তনকে অত্যন্ত ধীরলয়ে এবং বেদনাবিধুরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে ১৯৬০ সালটি একটি সন্ধিক্ষণ। একদিকে ‘অপুর সংসার’-এর মাধ্যমে সত্যজিৎ রায় তাঁর কালজয়ী ত্রয়ী শেষ করেছেন, অন্যদিকে তিনি হাত দিয়েছেন প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের একটি ছোটগল্পে। ‘দেবী’ নির্মাণের নেপথ্যে সত্যজিতের উদ্দেশ্য কেবল একটি গল্প বলা ছিল না, বরং ঊনবিংশ শতাব্দীর বাংলার নবজাগরণ এবং তার বিপরীতে থাকা জগদ্দল পাথরের মতো কুসংস্কারের সংঘাতকে সেলুলয়েডে ধরা। ২ মে, এই মহান পরিচালকের জন্ম বার্ষিকীতে দাঁড়িয়ে যখন আমরা ‘দেবী’ নিয়ে আলোচনা করি, তখন বুঝতে পারি এটি কেবল ষাটের দশকের ছবি নয়, এট...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে







