বাবার ঘরে প্রবেশ নিষেধ ছিল পি সি সরকার জুনিয়রের, কেমন ছিল পিতা-পুত্রের সম্পর্ক?

P C Sorcar Junior : প্রদীপচন্দ্রের জীবনের প্রথম মঞ্চ অভিজ্ঞতা হয়েছিল বাবার সহকারী হিসেবে। সেটাই তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ ম্যাজিক শো বলে মনে করেন তিনি।

inscript
৪ মিনিট
বাবার ঘরে প্রবেশ নিষেধ ছিল পি সি সরকার জুনিয়রের, কেমন ছিল পিতা-পুত্রের সম্পর্ক?

বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠিত বাঙালিদের নাম স্মরণ করলে প্রথম সারিতেই চলে আসেন পি সি সরকার তথা প্রতুলচন্দ্র সরকার। ভারতের জাদুবিদ্যার ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব। স্বমহিমায় তাঁর এই কৃতিত্ব বহন করেছেন পুত্র প্রদীপ চন্দ্র সরকার, যিনি পি সি সরকার জুনিয়র বলে খ্যাতি লাভ করেছেন স্বভূমে এবং বিশ্বদরবারে। লুকিয়ে বাবার থেকে জাদুবিদ্যা শিখেছিলেন প্রদীপচন্দ্র। বাবার থেকে ম্যাজিক করার অনুমতি পেতে সাইকোলজি নিয়ে পড়াশোনা করেছিলেন। কেমন ছিল পিতা-পুত্রের সম্পর্ক?

পিসি সরকার জুনিয়রের মতে, তৎকালীন এবং তাঁর পূর্ববর্তী সময়ের জাদুকর সমাজ বা জাদুকর জগৎ, জাদুকর বৃন্দ সবাইকে মন্থন করে পি সি সরকার তৈরি হয়েছেন। যেমন সমুদ্র মন্থন করে অমৃত তৈরি হয়েছিল।

জাদুসম্রাট পি সি সরকার

পি সি সরকার মনে করতেন, ভারত ম্যাজিকের দেশ। ম্যাজিক মানে, বাস্তবে যেটা সম্ভব হয় না সেটা সম্ভব করে দেখানো। কেউ ভালো ফুটবল খেললে, তার নাম হয়ে যায় ফুটবলের জাদুকর। একইভাবে ক্রিকেট, হকি, লেখার জাদুকর। সেরার সেরা মানেই জাদুকর। লোকে জাদুকর বললে অপমান বোধ করতেন পিসি সরকার। তিনি মনে করতেন সবই বিজ্ঞান। কেবল জাদুকরের মত অভিনয় করেন তিনি। আর পিসি সরকার জুনিয়র মনে করেন — ম্যাজিক অভিনয় নয়, ম্যাজিক হচ্ছে অভিদশ।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আস্তাকুঁড় হল স্বভূমি! হর্ষ নেওটিয়া যে ভাবে গড়েছিলেন বাঙালির প্রিয় ডেস্টিনেশন

Swabhumi, Kolkata: সেটা ২০০১ সাল হবে। কলকাতার কাঁকুড়গাছি এলাকার নারকেল ডাঙা মেইন রোডের উপর গড়ে উঠেছিল বাঙালির সাধের স্বভূমি। কিন্তু সেই স্বভূমি তৈরি হওয়ার নেপথ্যে রয়েছে দীর্ঘ এক লড়াইয়ের গল্প।

উন্নতি করতে করতে প্রতুলচন্দ্র যখন পিসি সরকার হলেন, তখন সমালোচনা শুরু হল সবার। ওই সমালোচকদের শিক্ষক মনে করতেন প্রদীপচন্দ্র। তাদের মুখ বন্ধ করে দেবেন বলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। বাবার ম্যাজিক দেখে সমালোচকরা বলতেন, ‘ওই যে মঞ্চের পিছনটা দেখাল না’। তখন তিনি বুঝে গেছিলেন যে তাঁকে মঞ্চের পিছনটা দেখাতে হবে আর সমালোচকের কল্পনাটাকে চুরমার করে দিতে হবে। সেটাই করেছেন তিনি। সারা বিশ্বে আর কারোরই সংশয় নেই তাঁর জাদুবিদ্যা নিয়ে।

পি সি সরকার জুনিয়রের স্টেজ শো

বাবা বলেছিলেন, ম্যাজিক হচ্ছে বড়দের আসর। সেই কথার যথার্থতা বড় হয়ে বুঝতে পারেন প্রদীপচন্দ্র।

বাড়িতে বসত আড্ডার আসর। কিন্তু সেই ঘরে প্রবেশ নিষেধ ছিল প্রদীপচন্দ্রের। বাবা তাঁকে বলতেন, এটা ‘ওয়ান ওয়ে ট্রাফিক’। ঢুকলে অনন্তকালের যাত্রী হতে হবে, এগিয়েই যেতে হবে। শৈশবে এই কথার অর্থ বুঝতে পারেননি তিনি। মা বুঝিয়ে বলতেন সেই ঘরে না যাওয়ার জন্য। কিন্তু সেই ঘরে প্রবেশের উপায় বের করেছিলেন পি সি সরকার জুনিয়র। আড্ডার আসরে যাঁরা আসতেন, তাঁরাও ছিলেন বড় বড় শিল্পী। ৫০ থেকে ৫৫ জন ঘিরে বসে থাকতেন তাঁর বাবাকে। সাধারণত কারোর বাড়িতেই এতগুলো চায়ের কাপ থাকে না। তাই পালা করে করে অতিথিদের হতে চায়ের কাপ তুলে দিতেন প্রদীপচন্দ্র। সেই দায়িত্ব মা তাঁকে দিয়েছিলেন। এই সময়ে তাঁদের মধ্যেকার কথপোকথন শুনতেন তিনি। এইভাবেই বাবার কথা শুনে শুনে তাঁর ম্যাজিক শেখা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বাজারের পাশাপাশি আড্ডার ঠেক, যেভাবে গড়ে উঠেছিল বাঙালির প্রিয় মল সিটি সেন্টার

City Centre, Kolkata: এই মলটির ডিজাইনের জন্য হর্ষ ছোটেন বিশ্ববিখ্যাত স্থপতি চার্লস কোরিয়া সাহেবের কাছে। হর্ষের কথায়, “তখন তিনি ইন্ডিয়ার মোস্ট সেলিব্রেটেড আর্কিটেক্ট।” বিশ্বজোড়া তাঁর খ্যাতি।

বাবা বলতেন এইভাবে ধরতে হয়, এইভাবে দাঁড়াতে হয়, এইভাবে দর্শকদের বোঝাতে হয় যে আমি দূরে তাকিয়ে আছি — এই আলোচনাগুলো বা মুদ্রার ব্যাপারটা একা একা অভ্যাস করতেন প্রদীপচন্দ্র। বাবা আর বাবার বন্ধুরা বেরিয়ে গেলেও তাঁর ছুটি হত না। কারণ অতিথিদের রাউন্ড করে চা দেওয়ার সময় যে কাপের চা ঠান্ডা হয়ে যেত, পান করে নিতেন। এভাবে চার-পাঁচবার চা পান হয়েই যেত তাঁর। ফলে রাতে ঘুম আসতো না। তখন তাঁর প্রোগ্রাম শুরু হত। কল্পনার দৃষ্টিতে খুলে যেত বিরাট মঞ্চ। প্রোগ্রামটা করতেন পি সি সরকার জুনিয়র। নিজের দিকে তাকিয়ে দেখতেন, গায়ে কী সুন্দর পোশাক! ডানদিকে, বামদিকে সহকারী-সহকারিণীরা এবং ম্যাজিকের যন্ত্রপাতি। সবগুলো নিয়ে সামনে তাকিয়ে দেখতেন হাজার হাজার দর্শক। আর তারা আনন্দ পাচ্ছেন তাঁর ম্যাজিক দেখে। এটা শুয়ে শুয়েও হত, আবার জেগে জেগেও হত। জেগে থাকা, আর ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখা, দুটোর অর্থই একই প্রদীপচন্দ্রের কাছে।

পি সি সরকার জুনিয়র

ম্যাজিক শিখতে চেয়ে যখন বাবার কাছে গেছিলেন প্রদীপচন্দ্র, পি সি সরকার বলেছিলেন — ম্যাজিক শেখানো যায় না। ম্যাজিক শিখে নিতে হয়। আর সেটাই আর্টের লক্ষণ। তখন খুব অভিমান হয়েছিল প্রদীপচন্দ্রের। বাবা তাঁকে বলেছিলেন, ম্যাজিশিয়ান হতে গেলে পেটে বিদ্যা থাকা দরকার। তিনি তখন গ্র্যাজুয়েট, বিএসসি পাশ করেছেন। বাবাকে সগর্বে সেই সার্টিফিকেট দেখান প্রদীপচন্দ্র। কিন্তু বাবা বলেছিলেন — বিজ্ঞান দিয়েই সবকিছু করা হচ্ছে ম্যাজিকের, কিন্তু ম্যাজিক আদতে একটা আর্ট। তখন লুকিয়ে লুকিয়ে আবার স্পেশাল বি.এ-এর আবেদন করেন তিনি। কিন্তু বি.এ পাশ করে বাবাকে সার্টিফিকেট দেখালেও বাবা অনুমতি দেননি। বাবা বলেছিলেন, “ম্যাজিক জন্ম নেয় দর্শকের মনে। দর্শকের মন জয় না করতে পারলে মনোরঞ্জন করবে কী ভাবে?”

তখন প্রদীপচন্দ্র ঠিক করেন সাইকোলজি নিয়ে পড়বেন। তারই সঙ্গে বাবার থেকে প্রতিশ্রুতি নিয়ে নেন, যে এমএসসি পাশ করলেই ম্যাজিক করার অনুমতি দিতে হবে। ছেলের এই কথা শুনে গম্ভীর হয়ে গেছিলেন প্রতুলচন্দ্র সরকার। নাটকীয়ভাবে প্রদীপচন্দ্রের দিকে তাকিয়ে বলেছিলেন, “ঠিক আছে কথা দিলাম।” ভালো রেজাল্ট করেছিলেন প্রদীপচন্দ্র। কিন্তু ভাগ্যের এমন পরিহাস। ছেলের জীবনের শুরুতে, থেমে যায় বাবার হৃদস্পন্দন। পি সি সরকার জুনিয়র খবর পান বাবার মৃত্যুর।

জাপান থেকে বাবার মৃতদেহ দেশে সেখানেই রয়ে যান তিনি। কারণ বাবা মারা যাওয়ার আগে বলেছিলেন, শো যেন বন্ধ না হয়। সেই কথা রাখতেই পরদিনই শো শুরু করেন প্রদীপচন্দ্র সরকার। বাবার মৃত্যু মেনে নিয়েছিলেন, কিন্তু জাপানের চুক্তি শেষ করে দেশে ফিরে মাকে সাদা থান পরে দেখে মেনে নিতে পারেননি।

পিতা-পুত্রের সম্পর্ক কেমন ছিল, তা ধরা পড়ে বাবার সঙ্গে পি সি সরকার জুনিয়রের প্রথম ম্যাজিক শো-তে।

প্রদীপচন্দ্রের জীবনের প্রথম মঞ্চ অভিজ্ঞতা হয়েছিল বাবার সহকারী হিসেবে। সেটাই তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ ম্যাজিক শো বলে মনে করেন তিনি। বাবার শোয়ের আগের দিন দলের কয়েকজন সহকারী দল ছেড়ে চলে গেছিলেন। সেই সময় বাবাকে প্রদীপচন্দ্র বলেছিলেন, “আমাকে সুযোগ দাও, আমি করে দেখাচ্ছি।” শোয়ের পর দর্শকরা যখন হাততালি দিলেন, পি সি সরকার জুনিয়রের মনে হয়েছিল দর্শক তাঁকে হাততালি দিলেন। কিন্তু বাবা তাঁকে কোনো উৎসাহ দেননি। খুব মন খারাপ হয়েছিল তাঁর। মা মাঝরাতে তাঁর ঘরে এসে বলেছিলেন, বাবা বলেছে “ও ভীষণ ভালো করেছে। ওকে বললে ও নষ্ট হয়ে যাবে, ওকে বোলো না ও ভালো করেছে।” মা তাঁকে দশটাকা দিয়েছিলেন। সেই নোটটা এখনও রেখে দিয়েছেন তিনি। জীবনের প্রথম উপার্জন।

‘পি সি সরকার জুনিয়র’ আখ্যা পছন্দ করেন না প্রদীপচন্দ্র। তিনি মনে করেন, ‘পি সি সরকার কনটিনিউয়েশন’ তিনি। পি সি সরকার শেষ হবেন না।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ক্লাইভের মুখে দুগ্গা দুগ্গা, কেমন ছিল শোভাবাজার রাজবাড়ির প্রথম দুর্গাপুজো

Shobhabazar Rajbari Durgapuja: শোভাবাজারের গর্ব সাবেকী এক চালার প্রতিমা। প্রতিমা শিল্পী, মোদক, ঢাকি বংশ পরম্পরায় জড়িয়ে আছেন এই পুজোর সঙ্গে। দশমীর পুজোর অন্যতম নিয়ম ‘কনকাঞ্জলি প্রথা’। লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০২১ সালের ১১ অক্টোবর।

জিতাষ্টমী থেকে শুরু দেবীর আরাধনা, ঝাড়গ্রাম রাজবাড়ির পুজো চলে পনেরো দিন

Jhargram Rajbari Durga Puja: রাজপুতানার ফতেহপুর সিক্রি থেকে আসা চৌহান বংশের ক্ষত্রিয় বীর সর্বেশ্বর সিংহ চৌহান। মুঘল সেনাপতি মানসিংহের বাংলা অভিযানের সময় তিনি জঙ্গলখণ্ডে আসেন। স্থানীয় জংলি মাল রাজাকে দ্বন্দ্বযুদ্ধে পরাজিত করে তিনি এই জঙ্গলমহলে নিজের রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। নামের সঙ্গে জুড়ে নেন 'মল্লদেব' উপাধি। আর ঘন জঙ্গলে ঘেরা সেই জায়গার নাম দেন ঝাড়গ্রাম।

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

থিম নেই, জাঁকজমক নেই: মানুষের ভালবাসায় গড়া আমার গ্রাম কেশাতড়ার দুর্গাপুজো

Keshatara village Durga Puja: পুজোর সম্পূর্ণ খরচ বহন করেন গ্রামের মানুষই। ইদানীং সরকারি অনুদান মেলে ঠিকই, কিন্তু পুজোর ভোগের চালটা আজও আসে গ্রামের মানুষের দেওয়া টাকা থেকেই।

দুর্গা মুখ তুলে তাকাবেন হকারদের দিকে?

Durga Puja Economy in Bengal: কর্পোরেট পুঁজির প্রভাব, অসংগঠিত অর্থনীতির সংকট, হকার উচ্ছেদ এবং ধর্মীয় বিধিনিষেধের আবহে কতটা সুরক্ষিত থাকবে শারদোৎসবের নিজস্ব চরিত্র? পুজোর জৌলুস বাড়লেও নাগরিক স্বাধীনতা, শিল্পের স্বতঃস্ফূর্ততা এবং সাধারণ মানুষের জীবিকার জায়গা ক্রমশ সংকুচিত হবে?

দুর্গাপুজোর উৎসব, অসুরের শোক: বাংলার ইতিহাসে কার জয়, কার পরাজয়?

Mahishasur Puja: ২০১১-র পুরুলিয়া পার করে ২০১৪-র মালদার গাজল। নিত্যানন্দ হেমব্রমরা শুরু করলেন অসুর আন্দোলন। ততদিনে উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলে অসুর পুজোর সংখ্যা ৬৫০ ছাড়িয়েছে। কেউ মূর্তি বানিয়ে মহিষাসুর স্মরণ করেন, কেউ ফ্লেক্স বানিয়ে আলোচনা সভা।

প্রতিদিন বদলায় মেনু, বদলায় খাবারের দাম: তবু স্বাদে অটুট কলকাতার সিদ্ধেশ্বরী আশ্রম

Hotel Siddheswari Ashram: সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে চোখ পড়বে সুবিশাল মেনু বোর্ডে, যাতে মুদ্রিত আছে হোটেলটির সামগ্রিক খাদ্য সমাহার। বোর্ডটিতে সেই দিনের প্রাপ্ত পদের পাশে চকখড়িতে হাতে লেখা সেই দিনের দাম। আর অতি অবশ্যই বাংলা ও ইংরাজিতে লেখা থাকে তারিখ।

যে দুর্গাবাড়ির পঞ্চমুণ্ডির আসনে আজও বসেন দেবী, সেখানেই একদিন শপথ নিতেন বিপ্লবীরা

Gangarampur Durgabari,: তন্ত্রশাস্ত্র অনুসারে, পঞ্চমুণ্ডি আসন সাধারণ কোনো বেদি নয়। পাঁচটি নির্দিষ্ট খুলি বা করোটি—যেমন চণ্ডাল বা ডোমের, শিয়ালের, বেজি বা নেউলের, বিষধর সাপের এবং হনুমানের খুলি মাটির নিচে নির্দিষ্ট নিয়মে পুঁতে এই আসন তৈরি করা হয়।