ভোটে হার, হাজতবাস! যে যে কারণে রাজনীতির মসৃণ পিচে ফেরা অনিশ্চিত সদা-বিতর্কিত সিধুর

জেলযাপনের মেয়াদ কমতে পারে, কিন্তু সিধুর কি আর রাজনীতির মসৃণ পিচে ফেরা হবে? যদি তেমনটা হয়, তাহলে সেটা হবে মিরাকল, কামব্যাক নয়।

tiasa gupta
৪ মিনিট
ভোটে হার, হাজতবাস! যে যে কারণে রাজনীতির মসৃণ পিচে ফেরা অনিশ্চিত সদা-বিতর্কিত সিধুর

জেলের ভাত হজম হচ্ছে না সিধুর। (সেটাই তো দস্তুর) হাজতের প্রথম রাতগুলোতে খাবার খাচ্ছেন না নভজ‍্যোৎ সিং সিধু। ওষুধ খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। অনিচ্ছাকৃত খুনের একটি মামলায় বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট সিধুর এক বছরের জেলের সাজা ঘোষণা করে অবিলম্বে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু তাঁর আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি শুক্রবার সকালে শীর্ষ আদালতের কাছে আত্মসমর্পণের জন্য সপ্তাহখানেক সময় দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। অবশ্য সেই শুনানি শেষ হওয়ার আগেই মত বদলে শুক্রবার বিকেলে পাতিয়ালা আদালতে আত্মসমর্পণ করেন সিধু। স্থানীয় হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরে সিধুকে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেন মুখ্য বিচারবিভাগীর ম্যাজিস্ট্রেট। এ তো কয়েকদিনের পুরোনো কাসন্দি। কিন্তু তা ঘাঁটার প্রয়োজন হল কেন? শোনা যাচ্ছে, সিধুর জেল যাপনের মেয়াদ কমতে পারে। এতে তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ারের আকাশে যে নতুন সূর্য উদয় হবে না, তা বলাই বাহুল্য। এখন প্রশ্ন হল, জেলের ভাত কতদিন?

জেলযাপন কমার জল্পনা

শীর্ষ আদালত সিধুকে পুরনো মামলায় এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। জল্পনা, তাঁর জেলযাপনের মেয়াদ কমতে পারে। সূত্রের খবর, তাঁর জেলে থাকার মেয়াদ ৮ মাস পর্যন্ত কমতে পারে। তবে এর জন্য অনেক কাঠখড় পুড়বে। প্রথমত, জেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাঁকে ভালো ব্যবহার করতে হবে। পাঞ্জাব সরকারকে একটা ভূমিকা পালন করতে হবে। সিধু কি আগাম আঁচ পেয়ে মানের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন? সেকথায় পরে আসা যাক। আপাতত দেখা যাক, Remission বা সাজায় ছাড় সিধুর ক্ষেত্রে কীভাবে প্রযোজ্য হবে?

সুপ্রিম কোর্ট সিধুকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। তিনি জেল ফ্যাক্টরিতে কাজের ফলে স্বাভাবিকভাবে ৪৮ দিনের ছাড় পেতে পারেন। এক জেল আধিকারিক জানিয়েছেন, একজন অপরাধী প্রতি মাসে চারদিন করে রেমিশন পেতে পারে। প্রথম তিন মাস জেলে কাজের জন্য বিনা পারিশ্রমিকে তার ট্রেনিং হবে। এছাড়া জেল সুপারের প্রত্যেক অপরাধীর ৩০ দিনের সাজা কম করার ক্ষমতা রয়েছে। সাধারণত প্রত্যেক অপরাধী এই সুযোগ পেয়ে থাকে। ব্যতিক্রম কোনও অপরাধীর বিশৃঙ্খল আচরণ। কিন্তু সিধুর ক্ষেত্রে কী সুবিধা? ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিস (জেল) অথবা অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিসের (জেল) ৬০ দিনের থার্ড রেমিশন দেওয়ার বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে এবং রাজনৈতিক অনুমতিসাপেক্ষে এটা সম্ভব। সিধুর ক্ষেত্রে বোধহয় এই সম্ভাবনা সবথেকে বেশি করে উজ্জ্বল। কারণ সেই মান।

সিধুর মান-যোগ

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মোদি-রাজ্যের ভোটে বড় ফ্যাক্টর, কেন এই সম্প্রদায়কে কাছে টানতে মরিয়া সব দল

বাংলায় যেমন উত্তর ২৪ পরগনার কিছু অংশে মতুয়া ভোট নিয়ে হইচই হয় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে, গুজরাতে তেমনই এই পতিদারদের ভোট খুব গুরুত্বপূর্ণ।

পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানের সঙ্গে সিধুর গলায় গলায় সম্পর্ক। সম্প্রতি সেই সম্পর্কে আরও মধু ঢেলেছেন সিধু। তাই জল্পনা, মানের হস্তক্ষেপে সিধুর ভাগ্যের শিকে ছিঁড়তে পারে। পাঞ্জাবে কংগ্রেসের ভরাডুবির পর সিধুর সঙ্গে আপ-এর গলাগলি আরও দৃঢ় ভিতের ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়। কিছুদিন আগে সিধুর মুখে মানের প্রশংসা শোনা যায়। প্রশ্ন হল, তিনি অশনি সংকেত পেয়েছিলেন? কংগ্রেস নেতা নভজ্যোৎ সিং সিধু ভগবন্ত মানকে 'সৎ মানুষ' হিসেবে প্রশংসা করেছেন এবং বলেছিলেন যে, তিনি দলীয় লাইনের ঊর্ধ্বে উঠবেন এবং রাজ্যের মাফিয়াদের বিরুদ্ধে যে কোনও পদক্ষেপে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীকে সমর্থন করবেন। সে যে নেহাতই কথার কথা নয়, তা প্রমাণ হয়ে গেল। এখন কি সিধুর মাথায় মানের হাত রাখা প্রয়োজন? সময়ই এর উত্তর দেবে।

কী নিয়ে বিতর্কে সিধু?

ক্রিকেট থেকে রাজনীতি- সর্বদাই চর্চায় থেকেছেন নভজ্যোৎ সিং সিধু। সিধুকে নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। সেরকম একটি বিতর্কিত মামলায় এবার সুপ্রিম কোর্ট নভজ্যোৎ সিং সিধুকে এক বছরের কারাদণ্ড দিল। জানা গিয়েছে, ১৯৮৮ সালে পথ হিংসা মামলায় সাজা পেলেন কংগ্রেস নেতা নভজ্যোৎ সিং সিধু। সম্প্রতি নির্বাচনে তিনি হেরেছেন। তার কয়েক মাস পরেই এত বড় একটি রায় তার জন্য বিশাল আঘাত। তবে এই রায়ের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ জানানোর সুযোগ আছে তাঁর।

১৯৮৮ সালে রাস্তায় এক হট্টগোলে জড়িয়ে পড়েন সিধু ও তাঁর এক সহযোগী। এর ফলে এক ব্যক্তি মারা যান। তাঁর পরিবারের সদস্যরা সিধুর বিরুদ্ধে মামলা করেন। ১৯৮৮ সালের ২৭ ডিসেম্বর পাতিয়ালার একটি পার্কিং স্পট নিয়ে গুরনাম সিংয়ের (৬৫) সঙ্গে বিতণ্ডায় লিপ্ত হন সিধু। অভিযোগ, গুরনাম সিংকে তাঁর গাড়ি থেকে টেনে নামান সিধু ও তাঁর সহযোগী রুপিন্দর সিং সাধু। এরপর তাঁরা তাঁকে আঘাত করতে থাকেন। এতে গুরনাম সিং মারা যান। এরপর জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। পরিণতি সিধুকে টেনে নিয়ে এল জেলে।

রাজনৈতিক কেরিয়ার

পাঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ধরাশায়ী হওয়ায় সিধুর ভাগ্যে বিপর্যয়ের মেঘ ঘনিয়ে আসে। এরপর এই ঘটনা! ট্র্যাকে ফিরতে পারা কি আদৌ সম্ভব হবে?

পাঞ্জাবে কেবলমাত্র কংগ্রেস পার্টিই নয়, পরাজিত হয়েছেন খোদ সিধুও। অমৃতসর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্র থেকে আপের জীবনজ্যোৎ কউরের কাছে ৩৯, ৫২০ ভোটে পরাজিত হয়েছেন সিধু। তাঁর প্রাপ্ত ভোটের শতাংশ ৩০.৪৯। কংগ্রেসের এই পোস্টার বয়ের পরাজয়ে যদিও খুব একটা হতবাক হয়নি রাজনৈতিক মহল। একাংশের মত, বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নি এবং নভজ্যোৎ সিং সিধুর অন্তর্দ্বন্দ্ব কংগ্রেসের খারাপ ফলাফলের অন্যতম বড় কারণ। ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংয়ের পদত্যাগের পর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের একাংশ মনে করছিল, নভজ্যোৎ সিং সিধুর হাতেই রাজ্যের ব্যাটন দিতে পারে কংগ্রেস। কিন্তু, আদতে তা হয়নি। চরণজিৎ সিং চান্নিকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসিয়েছিলেন সোনিয়া। এরপরেই দলের অন্দরেই ক্ষোভ-বিক্ষোভের খবর সামনে আসতে থাকে। পাঞ্জাব থেকে ধুয়ে-মুছে সাফে হয়ে যায় কংগ্রেস। এর জেরে পাঞ্জাবের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিতে চান সিধু। বলাই বাহুল্য, বাধ্য হন। কারণ শেষ পর্যন্ত সোনিয়ার নির্দিশে তাঁকে দলীয় প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দিতে হয়। নতুন করে রাজনীতিতে ঘুঁটি সাজানোর সময়ই পেলেন না সিধু। এর মধ্যেই তাঁর ঠিকানা হল শ্রীঘর। জেলযাপনের মেয়াদ কমতে পারে, কিন্তু সিধুর কি আর রাজনীতির মসৃণ পিচে ফেরা হবে? যদি তেমনটা হয়, তাহলে সেটা হবে মিরাকল, কামব্যাক নয়।

লিখেছেন
tiasa gupta
tiasa gupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বাংলায় ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব মুসলিম এলাকাগুলিতে ছ’গুণ বেশি, বলছে পরিসংখ্যান

Bengal Voter List Review: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা যাচাইয়ে বিচারাধীন ভোটারদের ক্ষেত্রে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতেই প্রভাব বেশি পড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এই এলাকাগুলিতে ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব অন্যান্য এলাকার তুলনায় প্রায় ছ’গুণ বেশি। এই পার্থক্য কীভাবে তৈরি হলো, কোন এলাকার ভোটাররা বেশি প্রভাবিত হলেন এবং এর পিছনে কী কারণ রয়েছে?

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।