এখনই গান ছাড়ছেন না অরিজিৎ সিং

Arijit Singh: শুরুতে জল্পনা ছিল তিনি হয়তো পুরোপুরি চলচ্চিত্র নির্মাণের দিকে ঝুঁকছেন। কিন্তু এক্স হ্যান্ডেলে তাঁর ভক্তদের সঙ্গে তাঁর কথপোকথন বলছে অন্য কথা।

inscript
৬ মিনিট
এখনই গান ছাড়ছেন না অরিজিৎ সিং

সম্প্রতি ভারতের সঙ্গীত জগতে এক অপ্রত্যাশিত ঝড়ের মতো এসেছিল অরিজিৎ সিং-এর ঘোষণা। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি মাত্র পোস্টে তিনি জানিয়েছিলেন, প্লেব্যাক গায়ক হিসেবে তিনি আর কোনো নতুন কাজ করবেন না। ভক্তদের মনে তখন একটাই প্রশ্ন—কেন? ক্যারিয়ারের মধ্যগগনে থাকা অবস্থায়, মাত্র ৩৮ বছর বয়সে কেন এমন সিদ্ধান্ত?

​শুরুতে জল্পনা ছিল তিনি হয়তো পুরোপুরি চলচ্চিত্র নির্মাণের দিকে ঝুঁকছেন। কিন্তু এক্স হ্যান্ডেলে তাঁর ভক্তদের সঙ্গে তাঁর কথপোকথন বলছে অন্য কথা। অরিজিৎ সিং নিজেই তাঁর এই সিদ্ধান্তের পেছনের আসল কারণটি স্পষ্ট করেছেন। এবং সেই কারণটি হলো—একঘেয়েমি বা ‘Boredom’।

​‘আমি বোর হয়ে গেছি’

​অরিজিৎ সিং তাঁর ব্যক্তিগত এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেল থেকে ভক্তদের প্রশ্নের উত্তরে অত্যন্ত খোলামেলাভাবে কথা বলেছেন। তিনি লেখেন,

এর নেপথ্যে নির্দিষ্ট একটি কারণ নেই। একাধিক কারণ রয়েছে এবং আমি বহুদিন ধরেই করতে চাইছিলাম। অবশেষে সাহস হলো। এর মধ্যে একটি কারণ খুব সাধারণ, আমি খুব দ্রুত বোর হয়ে যাই (I get bored pretty quick)। একারণেই স্টেজে পারফর্ম করার সময় আমি বারবার একই গানের অ্যারেঞ্জমেন্ট বা সুরের বিন্যাস বদলাতে থাকি। তাই আসল ব্যাপারটা হলো—আমি বোর হয়ে গেছি। আমাকে বেঁচে থাকার জন্য অন্য ধরনের মিউজিক করতে হবে।

​বছরের পর বছর ধরে একই ধরনের বাণিজ্যিক গান গাওয়ার ক্লান্তি থেকেই যে এই সিদ্ধান্ত, তা তাঁর কথায় স্পষ্ট। তিনি আরও লেখেন,

আমি চাই নতুন কোনো গায়ক আসুক এবং আমাকে সত্যিকারের অনুপ্রেরণা (Motivation) দিক।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বই এবার কিস্তিতে? বইমেলায় নতুন উদ্যোগ প্রতিক্ষণের

Suddhabarata Deb interview: "তিন-চার দশকে আমাদের তরুণ পাঠকের সংখ্যা অসম্ভবভাবে বেড়েছে। প্রায় ৫০ শতাংশের বেশি পাঠক এখন তরুণ প্রজন্ম। আজকের প্রজন্ম পত্রিকা বা খবরের কাগজ কম পড়ে হয়তো, অ্যান্ড্রয়েড ফোনে খবর দেখে নেয়, কিন্তু এতে তাদের বই পড়ার খিদে মেটে না।"

​ভবিষ্যতের পরিকল্পনা: শিকড়ে ফেরা

​প্লেব্যাক ছাড়লেও গান যে তিনি ছাড়ছেন না, তা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়েছেন অরিজিৎ।

আমি গান বানানো বন্ধ করব না

তিনি আরও লেখেন,

আমি নিজের গান বানাব। আমার নিজের গান নিয়ে আসব।

এবং তিনি নতুন করে আর কোনো কাজ নেবেন না। কিন্তু, তাঁর শেষ প্লেব্যাক যে এখনও মুক্তি পায়নি, তা স্পষ্ট করে দিয়ে তিনি লেখেন,

এখনও কিছু অপূর্ণ প্রতিশ্রুতি আছে। শেষ করব সেগুলো। অতএব, এ বছরই কিছু রিলিজ পেতে পারেন।

তিনি জানিয়েছেন, তিনি এবার ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের (Indian Classical Music) চর্চায় ফিরে যেতে চান। ​অরিজিৎ লিখেছেন,

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হাইকোর্টের কড়া নির্দেশ: এবার বইমেলায় বিক্রি করা যাবে না হাঁদা ভোঁদা, নন্টে ফন্টে, বাঁটুল

Narayan Debnath Copyright Case: আদালত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, আগামী ৯ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তারা নারায়ণ দেবনাথের কোনো বই ছাপতে বা বিক্রি করতে পারবে না।

আমি আবার গোড়া থেকে শুরু করতে চাই। আমি নিজের মতো করে গান বানাব। আমি একজন ‘ছোট্ট শিল্পী’ (Small little artist) হিসেবে স্বাধীনভাবে কাজ করতে চাই এবং আরও শিখতে চাই।

অর্থাৎ, বলিউডের গ্ল্যামারাস জগত ছেড়ে তিনি এবার ‘ইন্ডিপেন্ডেন্ট মিউজিক’ বা স্বাধীন সঙ্গীতের জগতে নিজের সৃষ্টিশীলতাকে খুঁজে পেতে চান।

​নতুন অধ্যায়: মাইক্রোফোন ছেড়ে মেগাফোন হাতে

​প্লেব্যাক ছাড়ার দ্বিতীয় এবং অন্যতম বড় কারণ হলো চলচ্চিত্র পরিচালনা। বিবিসির খবর অনুযায়ী, অরিজিৎ সিং ইতিমধ্যেই পরিচালক হিসেবে তাঁর প্রথম হিন্দি ছবির কাজ শুরু করে দিয়েছেন।

এটি একটি জঙ্গল অ্যাডভেঞ্চারধর্মী সিনেমা। ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি। শোনা যাচ্ছে, অরিজিৎ-এর ছেলে এবং নওয়াজউদ্দিনের মেয়ে শোরাও এই ছবিতে অভিনয় করছেন। বর্তমানে শান্তিনিকেতনে ছবিটির শুটিং চলছে। ছবির চিত্রনাট্য যৌথভাবে লিখেছেন অরিজিৎ সিং এবং তাঁর স্ত্রী কোয়েল সিং।

​ঘনিষ্ঠদের প্রতিক্রিয়া: "অবাক নই, এটা হওয়ারই ছিল"

​বলিউডের খ্যাতনামা পরিচালক অনুরাগ বসু, যার ‘বারফি’, ‘জগ্গা জাসুস’, ‘লুডো’-র মতো ছবিতে গান গেয়েছেন অরিজিৎ, তিনি বিবিসি-কে জানান, এই সিদ্ধান্তে তিনি মোটেই অবাক হননি।

​অনুরাগ বসু বলেন,

সারা বিশ্ব হয়তো অবাক, কিন্তু আমি বহুদিন ধরেই জানি অরিজিৎ কতটা প্রতিভাবান। গান ছাড়াও সে জীবনে আরও অনেক কিছু করতে চায়। এমনকি ‘বারফি’ সিনেমা বানানোর সময়ও অরিজিৎ আমাকে অনুরোধ করেছিল, সে আমার সহকারী হিসেবে কাজ করতে চায়। সে একটি স্কুল খুলতে চায় এবং শিশুদের সঙ্গে সময় কাটাতে চায়। তাঁর আরও অনেক পরিকল্পনা রয়েছে।

​সঙ্গীত পরিচালক জুটি সেলিম-সুলেমান-এর সুলেমানও একই সুরে কথা বলেন। তিনি জানান,

চলচ্চিত্র নির্মাণ অরিজিতের বহুদিনের লালিত স্বপ্ন। যেটার উপর সে এখন পুরোপুরি মনোযোগ দিতে চায়। সে ভীষণ উচ্চাকাঙ্ক্ষী মানুষ, আর আমি তাঁর সিদ্ধান্তকে সম্মান করি।

​শিকড়ের টানে মুর্শিদাবাদে

​বলিউডে অসামান্য সাফল্য এবং মুম্বাইয়ের গ্ল্যামার সত্ত্বেও অরিজিৎ সিং নিজেকে সেখানকার ইঁদুর দৌড় থেকে সরিয়ে রেখেছেন। তিনি বর্তমানে সপরিবারে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে বসবাস করেন। সেখান থেকেই তিনি তাঁর গানের কাজ, সমাজসেবামূলক উদ্যোগ এবং নিজের প্রযোজনা সংস্থার কাজ সামলান। ​জিয়াগঞ্জে তিনি একটি অত্যাধুনিক রেকর্ডিং স্টুডিও স্থাপন করেছেন। সম্প্রতি সেলিম মার্চেন্ট সেখানে গিয়ে একটি গান রেকর্ডও করেছেন। স্থানীয় মানুষ এবং বন্ধুদের মতে, অরিজিৎ যতটা বড় মাপের শিল্পী, ঠিক ততটাই উদার মনের মানুষ।

​২০০৫ সালে 'ফেম গুরুকুল'-এর মঞ্চ থেকে বাদ পড়া সেই ১৮ বছরের ছেলেটি পরবর্তীকালে পেয়েছেন দুটি জাতীয় পুরস্কার এবং ২০২৫ সালে 'পদ্মশ্রী' সম্মান।

​প্লেব্যাক থেকে সরে দাঁড়ালেও, অরিজিৎ কথা দিয়েছেন—গান তিনি থামাবেন না। তবে এবার আর অন্যের সুরে নয়, নিজের শর্তে এবং নিজের সৃষ্টিতে তিনি শ্রোতাদের সামনে আসবেন। ভক্তদের জন্য স্বস্তির খবর এটুকুই যে, হাতে থাকা কিছু পুরনো কাজ শেষ করতে চলতি বছরেও হয়তো বলিউডে তাঁর কিছু নতুন গান শোনা যাবে।

​অরিজিৎ সিং প্রমাণ করলেন, তিনি কেবল স্রোতে গা ভাসাতে আসেননি; তিনি এসেছেন নিজের শর্তে শিল্পচর্চা করতে—তা সে গান হোক কিংবা সিনেমা।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

কেতকী কুশারী ডাইসনের গবেষণায় রবীন্দ্রনাথের বর্ণান্ধতা: কবির দেখা রঙের পৃথিবীটা কেমন ছিল?

Ketaki Kushari Dyson about Rabindranath Tagore color blindness: ডাইসনের ক্ষেত্রে একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ‘রঙের রবীন্দ্রনাথ’-এর ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। তরুণ বয়সে তাঁর নিজের দৃষ্টিশক্তি গুরুতর সংকটের মুখে পড়েছিল। ডাইসনের নিজের বিবরণ অনুযায়ী ১৯৫৯-৬০ সালে তাঁর চোখে দুটি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রোপচার হয়।

‘ভারতের সঙ্গে খাপ খায় না ধর্মনিরপেক্ষতা’: মোহন ভাগবতের দাবি কতটা সত্য?

Mohan bhagwat's anti secularism: উজ্জয়নীর যুব ধর্ম সংসদে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত বলেন, ধর্মনিরপেক্ষতা পশ্চিমা ধারণা, ভারতের ‘সর্ব-পন্থ-সমভাব’-এর সঙ্গে এটি খাপ খায় না। সত্যিই কি তাই? মোহন ভাগবতের ‘সর্ব-পন্থ-সমভাব’-এর যুক্তি এবং আরএসএসের ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে অবস্থানের প্রেক্ষিতে নিবেদিতা মেননের ‘মিসডিরেকশন’ তত্ত্ব কী প্রশ্ন তুলছে?

পাতে মাছ, হাতে ‘সনাতনী’ সার্টিফিকেট, কোনটা চায় বাঙালি?

Dhirendra Shastri fish meat controversy: বিতর্কের সূত্রপাত বাগেশ্বর ধামের ধর্মগুরু ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রীর মন্তব্যে। তিনি সম্প্রতি বাংলায় এসে দুর্গাপুজোর সময় হিন্দু বাঙালিদের মাছ-মাংস না খাওয়ার আহ্বান জানান। আমিষাশী হিন্দু বাঙালিদের ‘পাখণ্ডী’ বিশেষণ উপহার দেন।

ছবির পরিকল্পনা থেকে পলিফোনিক সুর: মণিদার যে কাজগুলি শেষ পর্যন্ত হলো না

Gautam Chattopadhyay: একদিন মণিদা বলল, ‘চল তো, জয়ন্ত বোসের বাড়ি যাব। ওকে দিয়ে ছবিতে একটা পলিফোনিক আবহ সংগীত তৈরি করাব।’ তখন আমরা দূরদর্শনের জন্য ‘মহুয়া সুন্দরী’ তৈরি করছি—ময়মনসিংহ গীতিকার একটি জনপ্রিয় লোকপালা।

এক রাজকন্যার স্মৃতি যেভাবে হয়ে উঠল রাঢ় বাংলার মেয়েদের নিজস্ব উৎসব

Bhadu Festival: অবিভক্ত মানভূম জেলার পঞ্চকোটের রাজা নীলমণি সিংহদেবের অপরূপা কন্যা ভদ্রেশ্বরী দেবীর অনূঢ়া অবস্থায় অকালে মৃত্যু ঘটে। রাজকন্যার এই আকস্মিক প্রয়াণে রাজার সঙ্গে প্রজাসাধারণও শোকস্তব্ধ হয়ে পড়ে। কন্যার স্মৃতি অমলিন রাখতে শোকার্ত রাজা রাজ্যজুড়ে এক বিশেষ উৎসব পালনের নির্দেশ দেন।

আলো দিয়ে অন্ধকার দেখাতেন, ব্যঙ্গ দিয়ে সমাজের মুখোশ খুলে দিতেন গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর

Gaganendranath Tagore: আধুনিক ভারতীয় শিল্পের প্রেক্ষাপটে গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান বুঝতে হলে তাঁকে কেবল ‘ঠাকুরবাড়ির মানুষ’ হিসেবে দেখলে চলবে না; বিচার করতে হবে একজন অনুসন্ধিৎসু ও আধুনিক শিল্পী হিসেবে।

বুদ্ধের হাত, বিশ্বকর্মার যন্ত্র! ইলোরার ১০ নম্বর গুহায় আসলে কে বসে আছেন?

The caste history of vishwakarma's: ইলোরার 'সুতারের ঝোপড়ি' থেকে আধুনিক কারিগরের কর্মশালা, বিশ্বকর্মার হাজার বছরের যাত্রা আজও অব্যাহত। ইলোরার দশ নম্বর গুহায় বুদ্ধের মূর্তিকে ভক্তরা ডাকেন বিশ্বকর্মা বলে, যিনি কারিগরদের পূর্বপুরুষ, দেবতাদের স্থপতি। ঋগ্বেদের 'সর্বকর্তা' থেকে পুরাণের 'দেবশিল্পী', ব্রাহ্মণত্বের দাবি থেকে ওবিসি সংরক্ষণ—বিজয়া রামাস্বামী, জ্যান ব্রাউয়ার ও কিরিন নারায়ণের গবেষণায় উন্মোচিত হয়েছে, বিশ্বকর্মাদের ঘিরে গড়ে ওঠা বর্ণবাদ, কারিগরি ও ক্ষমতাকাঠামোর জটিল ইতিহাস।

লেপচাদের দার্জিলিং যেভাবে হয়ে উঠল ব্রিটিশদের শৈলশহর

Darjeeling history: ভারতের প্রথম ‘জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন’ (জিআই) ট্যাগ প্রাপ্ত পণ্য বিশ্বখ্যাত ‘দার্জিলিং টি’। অথচ এই চা গাছ কিন্তু দার্জিলিং-এর ‘ভূমিপুত্র’ নয়। সাহেবরা নিজেদের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে শান দিতেই এখানকার আদি বাস্তুতন্ত্রের খোলনলচে বদলে দিয়েছিল। দেশীয় বনভূমি ধ্বংস করে পাইন আর চা রোপণের মাধ্যমেই জন্ম নিয়েছিল আধুনিক পর্যটন মানচিত্রের এই ‘খাদের ধারের দার্জিলিং’।