বিশ্বকাপের ফাইনালের প্রথমার্ধ বলছে, এই বিশ্বকাপটা মেসির
Fifa World Cup 2022 : দু'টি গোল করেছেন লিওনেল মেসি এবং অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। উদযাপন শুরু হয়ে গিয়েছে এখনই।

আর্জেন্টিনা সমর্থকদের কাছে এ যেন স্বপ্নের শুরু। অপ্রতিরোধ্য আবেগ, তুমুল ছবি। কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামের বিশ্বকাপ ফাইনালে বাঁশি বাজার আগেই উন্মাদনা শুরু হয়ে গিয়েছিল। মেসির গোল সেই উত্তেজনা আরও কয়েকশো গুণ বাড়িয়ে দিল। ইতিমধ্যেই প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয়ে গিয়েছে। আর শেষে ২-০ গোলে এগিয়ে আছে আর্জেন্টিনা। দু'টি গোল করেছেন লিওনেল মেসি এবং অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। উদযাপন শুরু হয়ে গিয়েছে এখনই।
শুরু থেকেই আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়িয়েছিল আর্জেন্টিনা। মেসি, দে পল, ডি মারিয়া, আলভারেজের মরিয়া চেষ্টা বারবার ফরাসি রক্ষণ ভাঙছিল। লরিসের চোট চিন্তায় রাখলেও তিনি এখনও মাঠে। অন্যদিকে ফ্রান্সও নিজেদের দিক থেকে যথেষ্ট ঝাঁঝ বাড়াচ্ছে। মেসিকে খুব একটা জায়গা দিচ্ছেন না ভারানেরা। কিন্তু তার মধ্যেই ঘটল বিপত্তি। ম্যাচের ২৩ মিনিটের মাথায় নিজেদের বক্সের মধ্যে ডি মারিয়াকে ফাউল করেন ফ্রান্সের অউসমান ডেম্বেলে। পেনাল্টি দিতে দেরি করেননি রেফারি। আর গোল করতেও ভুল করেননি মেসি। এটা নিয়ে ৬টি গোল করলেন তিনি।
আক্রমণ, প্রতি আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়তে থাকে। সেইসঙ্গে বাড়তে থাকে ফাউলের পরিমাণ। কিন্তু ৩৬ মিনিটে ফের বাজিমাত আর্জেন্টিনার। শুরুটা করেন মেসিই। তাঁর অসামান্য নো ফ্লিক পাস থেকে শুরু হয় আক্রমণ। ম্যাক অ্যালিস্টারের পাস থেকে বল চলে যায় ডি মারিয়ার কাছে। ওয়ান টু ওয়ান সিচুয়েশনে শেষমেশ জালে বলটি জড়ান ডি মারিয়া। মেসির সঙ্গে এটি তাঁরও শেষ বিশ্বকাপ। গোলের পরই কান্নায় ভেঙে পড়েন। মনেরাখতে হবে, কোপা আমেরিকাতেও জয়ী গোলটি করেন ডি মারিয়াই। এবারও কি সেই ছবি? এখনও একটি অর্ধ বাকি। অলিভার জিরৌ এবং অউসমান ডেম্বেলেকে তুলে নেওয়া হয়েছে। ফ্রান্স ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়েছে। কিন্তু সেগুলো কাজে আসেনি। দ্বিতীয়ার্ধে কী হবে, মেসির দিকেই কি ঝুঁকে থাকবে বিশ্বকাপের পাল্লা? নাকি প্রত্যাঘাতে ছিন্নভিন্ন করবে ফ্রান্স? ফিঙ্গার ইজ ক্রসড...







