বঙ্কিমদা থেকে রবীন্দ্রনাথ! ভোট এলেই মোদির ঝোলায় বাঙালি আইকন?

BJP Uses Bengali Icons as Electoral Tools: বাংলায় বিজেপির শিকড় নেই বলে সাংস্কৃতিক ধারকেই ব্যান্ডউইডথ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বঙ্কিম-রবীন্দ্রনাথ-নেতাজিকে এমনভাবে সাজানো হচ্ছে যেন তাঁরা হিন্দুত্ব রাজনীতির অগ্রদূত ছিলেন।

Tanvia Barua
৪ মিনিট
বঙ্কিমদা থেকে রবীন্দ্রনাথ! ভোট এলেই মোদির ঝোলায় বাঙালি আইকন?

লোকসভার সাম্প্রতিক বিতর্কে আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল, বাঙালি আইকনরা এখন বিজেপির নির্বাচনী কৌশলের কেন্দ্রে। বন্দে মাতরম নিয়ে আলোচনার সময়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে 'বঙ্কিমদা' বলে সম্বোধন করেন। মুহূর্তেই আপত্তি ওঠে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের তরফে। আপত্তি শুনে মোদি দ্রুত সংশোধন করেন,

আচ্ছা, বঙ্কিমবাবু বলছি।

বাঙালি আইকনদের ব্যবহার বিজেপির কাছে দিন দিন প্রথাগত বোঝাপড়া ছাড়াই কেবল নির্বাচনী স্টান্টের মতো হয়ে যাচ্ছে।

লোকসভায় বঙ্কিমচন্দ্রকে নিয়ে এই বিতর্ক শুধু একটি শব্দ ভুল বলার ঘটনা নয়। এতে আবারও সামনে এসেছে যে বিজেপি কীভাবে বাংলার সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারকে রাজনৈতিক লাভের জন্য ব্যবহার করে। বন্দে মাতরম, বাঙালির কাছে যুগান্তকারী সাহিত্য ও স্বাধীনতা আন্দোলনের অনুপ্রেরণা, সেটিকে বিজেপি খুব সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদের মধ্যে বেঁধে ফেলতে চাইছে। কিন্তু মনে রাখতে হবে বিজেপি শাসনেই মতপ্রকাশের অধিকার পর্যন্ত সংকুচিত, বহুত্ববাদের সংজ্ঞা বদলে দেওয়া হয়েছে, এখন তারা বঙ্কিমের ভাবনাকে দখল করে নৈতিকতা শেখাতে চায়! বিজেপির কাছে এটি ইতিহাসের থেকেও বেশি রাজনৈতিক আবেগ তৈরির শক্তিশালী হাতিয়ার।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বিজেপির গান্ধী-মুক্ত ভারতের কৌশল না কি মোদি আমলেই যোগ্য সম্মান পাচ্ছেন নেতাজি!

Netaji Subhash and Mahatma Gandhi: মোদির মুখে বারবার নেতাজির নাম এবং জাতীয়তাবাদে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়দের ভূমিকা উঠে এসেছে। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে খানিকটা নিষ্ক্রিয় হয়েছেন মহাত্মা গান্ধী।

'বঙ্কিমদা' বলে ফেলার পর মোদির তৎক্ষণাৎ সংশোধনও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এতে বোঝা যায়, বিজেপি বাংলার ভাষা, রীতি, সংস্কৃতির সূক্ষ্মতা এখনও পুরোপুরি বুঝতে পারেন না। অথচ সেই বাংলার সংস্কৃতিকেই তারা বারবার নির্বাচনে সহানুভূতি পাওয়ার জন্য ব্যবহার করে থাকে। আসলে বাংলায় বিজেপিকে আজও বহিরাগত মনে করা হয়, এটাই মূল সমস্যা। তাই বাংলা জয়ের শর্টকাট হিসেবে তারা ইতিহাস, সাহিত্য, প্রতীক সবাইকে ভোটের ভাষায় অনুবাদ করছে।

মোদি আগেও বাঙালির আবেগ টেনে রাজনীতি করেছেন। আর ভারতের জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে বাঙালি আইকনের জায়গা বরাবরই বিশেষ। কিন্তু গত এক দশকে তাঁদের ব্যবহার নতুন এক মাত্রা পেয়েছে, বিশেষত নির্বাচনের সময়। নির্বাচন সামনে এলেই, তাঁর ভাষণে অনিবার্যভাবে চলে আসে রবি ঠাকুর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু থেকে শুরু করে বিবেকানন্দের নাম। ক্রমে এটি রাজনৈতিক কৌশলের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে, প্রতিটি বাঙালি আইকনকে বিজেপি তাদের সাংস্কৃতিক-জাতীয়তাবাদী বয়ানে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলে।

২০১৯ সালে লালকেল্লায় নেতাজি সংগ্রহশালা উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রবেশদ্বারে নেতাজির ছবির পাশাপাশি তাঁর নিজের ছবিও রাখা হয়। ২০২২ সালে মোদি অভিযোগ তোলেন, স্বাধীনতার পরে জওহরলাল নেহরু ও কংগ্রেস ইচ্ছাকৃতভাবে নেতাজিকে ইতিহাস থেকে আড়াল করার চেষ্টা করেছে। তাঁর দাবি ছিল, ভারত যদি নেতাজির পথ অনুসরণ করত, দেশ আরও উঁচুতে পৌঁছতে পারত, এবং তিনি নাকি এখন সেই পথেই এগোচ্ছেন। বাংলার ২০২১ সালের ভোটের আগে মোদি আত্মনির্ভরতার প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথের একটি পংক্তি,

চলায় চলায় বাজবে জয়ের ভেরী

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
শতবর্ষে আরএসএস : ইতিহাস পুনর্লিখনের পথে মোদি সরকার?

RSS 100 years: ইতিহাসের নথি বলছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে সঙ্ঘ নেতারা যুবকদের ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। এমনকী, গান্ধীর হত্যাকারী নাথুরাম গডসের সঙ্ঘ যোগও অস্বস্তিকর বাস্তব।

উচ্চারণ করার চেষ্টাও করেন। রবীন্দ্রনাথকে ঘিরে তাঁর আগ্রহ তিনি মন কি বাত-এ বারবার দেখিয়েছেন। ২০১৮ সালে তিনি দাবি করেন, রোজ ভোর সাড়ে পাঁচটায় তিনি রেডিও-তে রবীন্দ্রসঙ্গীত শোনেন। ২০২০ সালে একই অনুষ্ঠানে দেশের খেলনা শিল্প বা শিশুদের উপযোগী খেলনার সম্ভাবনা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আবারও রবীন্দ্রনাথের কথা উল্লেখ করেন।

ভোট এলেই মোদির ভাষণে বাঙালির মহীরুহদের নাম এমনভাবে উঠে আসে যে মনে হয় তিনি দীর্ঘদিন বাংলার সাংস্কৃতিক পরিসরের সদস্য। বিশ্বভারতী যেন হয়ে ওঠে তাঁর আধ্যাত্মিক তীর্থ ক্ষেত্র। তিনি যেন দীর্ঘদিন শান্তিনিকেতনের আশ্রমিক ছিলেন। বিশ্বভারতী, রবীন্দ্র-দর্শন, সবই তাঁর ঠোঁটে সাজানো। কিন্তু বাস্তব প্রশ্ন একটাই, যেখানে কেন্দ্র-রাজ্য দ্বন্দ্বে বিশ্বভারতী আজ ক্ষতবিক্ষত, রবীন্দ্রনাথের প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক চাপে নুইয়ে ফেলা হয়েছে, সেখানে মোদির এই ‘রবীন্দ্রভক্তি’ কতটা আন্তরিক? নাকি এটি ছিল কেবল ভোটের মৌসুমী চশমা?

আর নেতাজি! এখানেই বিজেপির প্রতীকী রাজনীতি সবচেয়ে স্পষ্ট ও সবচেয়ে নগ্নভাবে ধরা পড়ে। তাঁর জন্মদিনকে পরাক্রম দিবস ঘোষণা করা হোক বা লালকেল্লায় হলোগ্রাম মূর্তি স্থাপন সবকিছুই ক্রমে এক ধরনের রাজনৈতিক প্রহসনে পরিণত হয়েছে। কারণ নেতাজির প্রকৃত আদর্শ ছিল বহুমাত্রিক, সাম্যবাদী, অন্তর্ভুক্তিমূলক; তাঁর রাজনীতি কেন্দ্রীভূত শক্তির নয়, বরং বহুধারার ভারত গড়ার স্বপ্নে ভর করে। কিন্তু বিজেপি আজ তাঁকে এমনভাবে ব্যবহার করছে, যেন নেতাজির নাম উচ্চারণ করলেই তাদের আক্রমণাত্মক, কেন্দ্রিকৃত জাতীয়তাবাদ হঠাৎই 'খাঁটি' হয়ে যায়। নেতাজির ভাবমূর্তি তাদের কাছে শুধু ইতিহাস নয়, নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থানকে বৈধতা দেওয়ার হাতিয়ার। যে নেতাজি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন, তিনিই এখন ব্যবহৃত হচ্ছেন কর্তৃত্বকেন্দ্রিক রাজনীতির চিহ্ন হিসেবে, এটাই সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য।

সত্যিটা হলো, বিজেপির কাছে বাঙালি আইকনরা কেবলই নির্বাচনী ব্র্যান্ডিং। বাংলায় নিজেদের শিকড় নেই বলে সাংস্কৃতিক ধারকেই ব্যান্ডউইডথ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বঙ্কিম-রবীন্দ্রনাথ-নেতাজিকে এমনভাবে সাজানো হচ্ছে যেন তাঁরা হিন্দুত্ব রাজনীতির অগ্রদূত ছিলেন। অথচ তাঁদের লেখনী, চিত্রকল্প, রাজনৈতিক আদর্শ সবই ছিল বহুমাত্রিক, মানবতাবাদী, যুক্তিবাদী। বিজেপির প্রচারণায় সেই সত্যের জায়গায় ঢুকে পড়েছে একটি সুবিধাজনক বিকল্প ইতিহাস।

তাই বলতেই হয়, বাংলা দখলের লড়াইয়ে বিজেপির সবচেয়ে বড় অস্ত্র এখন আর সংগঠন নয়, আইডিওলজিও নয়, আইকন। ভোট এলেই যেন জাদুর ঝোলার মতো বেরিয়ে আসে বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ, নেতাজি, বিবেকানন্দ। একদিকে বাংলার সংস্কৃতি-বোধকে টার্গেট করা, অন্যদিকে ‘বহিরাগত’ তকমা— এই দুই লক্ষ্যেই মোদি-শাহর দল বাঙালির হৃদয়ে জায়গা করতে চায় বাংলা আইকনদের কথা উল্লেখ করে। তবে বিজেপির আইকন-রাজনীতি যতই আকর্ষণীয় দেখাক, ভিতরে তা ততটাই ফাঁপা। লোকসভায় বঙ্কিমচন্দ্রকে ঘিরে যে ঘটনা ঘটল, সেটি ছবিটা আরও স্পষ্ট করে দেয়, বাংলার সাংস্কৃতিক প্রতীকরা এখন ইতিহাসের উত্তরাধিকার নয়, বরং ভোট পাওয়ার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।

প্রশ্ন এখানেই বাংলাকে জিততে কি বিজেপির নিজের মতো কোনো বাঙালি নেতৃত্ব, কোনো দীর্ঘস্থায়ী সামাজিক কাজ, কোনো সাংস্কৃতিক মুখ নেই? বিজেপি বাংলা সংস্কৃতি বোঝার জন্য এত বছরেও কোনো গ্রহণযোগ্য মুখ দাঁড় সামনে আনতে পারেনি, তাদের ভরসা এখন কেবল বাংলার মহীরুহরা।

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সিজেপির কর্মসূচির আগে ৬ হাজার পুলিশ, দুর্ভেদ্য দুর্গ কনট প্লেস

Connaught Place protest: সিজেপির কর্মসূচির আগে কনট প্লেস এবং তার আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ। কনট প্লেসের আশপাশে ৬ হাজারেরও বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?