মহারাষ্ট্রের মহা-নাটকের যবনিকা পতন, নতুন যুগের শুরু?

নতুন করে এই রাজ্যে ফড়নবিসের অভিষেক ঘটানোই কি বিজেপির কাছে বড় চ‍্যালেঞ্জ ছিল? সেই কাজে বিজেপির তুরুপের তাস হিসেবে কাজ করেছেন একনাথ। কার্যত তাঁকে ব্যবহার করেই বিজেপি আবার ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে।

tiasa gupta
৫ মিনিট
মহারাষ্ট্রের মহা-নাটকের যবনিকা পতন, নতুন যুগের শুরু?

২০ জুন বিধান পরিষদ নির্বাচনে শাসক জোট ‘মহাবিকাশ অঘাড়ি’-র অপ্রত্যাশিত ধাক্কার পর শিবসেনার জনা কুড়ি বিধায়ক-সহ বিদ্রোহী নেতা একনাথ শিন্ডে বেপাত্তা হয়ে গিয়েছিলেন। ২১ জুন নরেন্দ্র মোদির রাজ্যে সুরাতের রিসর্টে বসে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি বলেন, ‘‘ক্ষমতা দখলের জন্য অতীতে অনৈতিক কোনও কাজ করিনি। ভবিষ্যতেও করব না। প্রয়াত বালাসাহেব ঠাকরের কাছে আমি হিন্দুত্ববাদের শিক্ষা পেয়েছি।’’ এর পর বিজেপির ‘হেফাজতে’ অসমের গুয়াহাটির বিলাসবহুল হোটেলে আশ্রয় নেন তাঁরা।

তখনই নাটকের আখ্যান আরম্ভ।

তারপর বিভিন্ন ঘটনা-পরম্পরাকে কেন্দ্র করে পরতে পরতে জমেছে মহা-নাটক। উদ্ধব ঠাকরের ইস্তফা ঘোষণার ফলে গত ১০ দিনের এই ‘রাজনৈতিক নাটকের’ যবনিকা পড়ল মহারাষ্ট্রে। ২৯ জুন রাতে রাজ্যপালের নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে শিবসেনার তরফে জানানো আবেদন দীর্ঘ সাড়ে তিন ঘণ্টা শুনানির পর নাকচ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি জেবি পাড়িয়ালার বেঞ্চ রাজ্যপাল নির্দেশিত সময়সূচি মেনেই আস্থাভোট গ্রহণের নির্দেশ দেয়। এর পরেই ‘ফেসবুক লাইভ’ করে পদত্যাগের কথা জানান উদ্ধব। মুখ্যমন্ত্রিত্বের পাশাপাশি তিনি বিধান পরিষদের সদস্যপদেও ইস্তফা দেন।

বুধবার রাত ৯টায় সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, রাজ্যপাল ভগৎ সিংহ কোশিয়ার নির্দেশ মেনে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার মধ্যেই বিধানসভায় আস্থাভোট নিতে হবে তাঁর সরকারকে। কিন্তু সেই নির্দেশের কিছুক্ষণ পরেই মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফার কথা ঘোষণা করেন শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে। আর সেই সঙ্গেই পতন ঘটল ৩১ মাসের ‘মহাবিকাশ অঘাড়ি' জোট (শিবসেনার পাশাপাশি এনসিপি এবং কংগ্রেস যার অন্যতম শরিক) সরকারের।

সুপ্রিম ধাক্কা

মহারাষ্ট্র বিধানসভায় ৩০ জুন আস্থাভোট নিতে হবে উদ্ধব ঠাকরেকে। রাজ্যপালের নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে শিবসেনার তরফে যে আবেদন জানানো হয়েছিল, ২৯ জুন দীর্ঘ সাড়ে তিন ঘণ্টা শুনানির পর তা নাকচ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

২৯ জুন বিকেল ৫টা থেকে শিবসেনার আবেদনের শুনানি শুরু হয় বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি জেবি পাড়িয়ালাকে নিয়ে গঠিত শীর্ষ আদালতের বেঞ্চে। রাত ৮টার কিছু পরে শুনানি শেষ করে বেঞ্চ জানায়, রাত ৯টায় এ-বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হবে। এরপর উদ্ধবের আবেদন নাকচ করে দুই বিচারপতির বেঞ্চ জানায়, রাজ্যপালের নির্দেশমতোই ১১টায় বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন শুরু হবে। আস্থাভোট শেষ করতে হবে বিকেল ৫টার মধ্যে। এই সুপ্রিম ধাক্কার পর অনিবার্য হয়ে ওঠে সরকারের পতন। পদত্যাগ করেন উদ্ধব।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বাল ঠাকরের আদর্শ অতীত, মহারাষ্ট্রের স‌ংকটে নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ উদ্ধব ঠাকরের

উদ্ধবকে মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়তে হবে কি না, তা সময়ই বলবে। কিন্তু মারাঠা পরিচয়কে সামনে রেখে একটি দল চালানোর গণ্ডি পেরিয়ে, চরম সংকটের মুহূর্তেই নেতা হয়ে উঠলেন তিনি।

বিদায়বেলায় কী বললেন উদ্ধব

সুপ্রিম কোর্ট আস্থাভোটের নির্দেশ দেওয়ার পরই ২৯ জুন ফেসবুক লাইভ করেন শিবসেনা প্রধান উদ্ধব। সেখানে তিনি বলেন, "যাঁরা অটো চালাতেন, রিকশা চালাতেন, তাঁদের এমপি, এমএলএ করেছি। যাঁদের সব দিয়েছি, তাঁরাই এমন করলেন। নাম না করে এভাবেই শিন্ডেকে আক্রমণ করেন তিনি।" রাজনীতিতে আসার আগে শিন্ডে ছিলেন অটো-রিকশা এবং টেম্পো চালক। একেবারে ছাপোষা অবস্থা থেকে ওঠেন শিন্ডে। যাওয়ার আগে একথা তাঁকে মনে করিয়ে দেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী। কারণ মহারাষ্ট্রে এই রাজনৈতিক ডামাডোলের নেপথ্যে একনাথই তো প্রধান কারিগর।

উদ্ধব আরও বলেন, যাঁদের বড় করেছি, ক্ষমতা পাওয়ার পর তাঁরাই ভুলে গিয়েছেন। যাঁদের সব দিয়েছি, তাঁরাই আজ বিক্ষুব্ধ। যাঁরা কিছু পাননি, তাঁরাই এখন পাশে। রাজ্যপালের উদ্দেশে উদ্ধব আরও বলেন, "দেড় বছর বিধান পরিষদের যে তালিকা আটকে রয়েছে, তার অনুমোদন দিন।" বিক্ষুব্ধ শিবসেনা বিধায়কদের উদ্দেশে উদ্ধব বলেন, "আপনারা কীসে অখুশি, সুরাত-গুয়াহাটি না গিয়ে, মাতোশ্রীতে এসে বলতে পারতেন। আপনাদের আবেগকে সম্মান করি, মাতোশ্রীতে এসে বলতেই পারতেন আপনারা।" তিনি জানান, শিবসেনা ভবনে বসবেন। পদ ছাড়ার জন্য কোনও দুঃখ নেই। নতুন করে দল তৈরি করবেন।

শিবসেনা বিধায়ক অনিল পারব উদ্ধবের পদত্যাগপত্র পৌঁছে দিয়েছেন রাজ্যপালের কাছে। রাতে তা গৃহীত হয়।

মিষ্টি বিলি

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেই শুরু হয়ে গিয়েছিল উৎসব। শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরের ইস্তফা ঘোষণার পর মুম্বইয়ের একটি বিলাসবহুল হোটেলে জড়ো হওয়া বিজেপি নেতাদের ভিড়ে শুরু হয়ে যায় মিষ্টি বিলি। আর সেই সঙ্গে বিজেপির পরিষদীয় নেতা দেবেন্দ্র ফড়নবিসের নামে উঠল স্লোগান। বিজেপির একটি সূত্র জানাচ্ছে, তৃতীয়বারের জন্য মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন তিনি। উপমুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন বিদ্রোহী শিবসেনা নেতা একনাথ শিন্ডে।

ফরমুলা সিক্স

শোনা যাচ্ছে, ফরমুলা সিক্স হলো, নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের নতুন ফরমুলা।

দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক সেরে ৩০ জুন রাতে মুম্বই ফেরেন ফড়নবিস। রাজ্য বিজেপির অন্য নেতাদের সঙ্গে ডেরা বেঁধেছিলেন ওই হোটেলে। দিল্লির বৈঠকেই ‘ফরমুলা সিক্স’ মেনে পরবর্তী মন্ত্রিসভার রূপরেখা তৈরি হয়ে গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। অর্থাৎ, প্রতি ছ’জন বিধায়ক পিছু এক জন করে মন্ত্রী।

বর্তমানে ৩৯ জন বিদ্রোহী শিবসেনা বিধায়কের পাশাপাশি অন্তত আট জন নির্দল এবং ওমপ্রকাশ বাবুরাও কাড়ু ওরফে বাচ্চুর নেতৃত্বাধীন প্রহার জনশক্তি পার্টির দুই বিধায়ক রয়েছেন শিন্ডে শিবিরে। শিন্ডে, বাচ্চু-সহ মোট ৮ জন মন্ত্রী রয়েছেন এই তালিকায়। তাঁদের প্রত্যেককেই ফের মন্ত্রী করা হতে পারে। এছাড়া বাড়তি দু’টি প্রতিমন্ত্রীর পদ পেতে পারেন শিন্ডে অনুগামীরা। অন্যদিকে বিজেপির রয়েছে ১০৬ জন বিধায়ক।

২৯ জুন শিন্ডে-সহ বিদ্রোহী বিধায়করা গুয়াহাটির কামাখ্যা মন্দিরে পুজো দিয়ে চার্টার্ড বিমানে গোয়ায় পৌঁছন। রাজধানী পানাজির কাছে একটি বিলাসবহুল রিসর্টে রয়েছেন তাঁরা। উদ্ধব ইস্তফা দেওয়ায় আর আস্থাভোটের প্রয়োজন নেই। এই পরিস্থিতিতে আগামী দু’-এক দিনের মধ্যে তাঁদের মুম্বই আনা হতে পারে। শোনা যাচ্ছে, ১ জুলাই বিজেপি নতুন সরকার গঠন করবে।

দীর্ঘদিনের শরিক বিজেপি-র সঙ্গ ছেড়ে আড়াই বছর আগে মহারাষ্ট্রে এনসিপি এবং কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার গড়েন উদ্ধব। তাঁর হাত ধরেই ঠাকরে পরিবারের নির্বাচনী রাজনীতিতে প্রবেশ। এনসিপি এবং কংগ্রেস, দুই শরিকের অনুরোধেই মুখ্যমন্ত্রী হন উদ্ধব। কিন্তু সম্প্রতি উদ্ধবের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন শিবসেনার বিধায়ক একনাথ শিন্ডে। এনসিপি, কংগ্রেসের সঙ্গ ছেড়ে বিজেপি-র হাত ধরতে হবে বলে দাবি করেন তিনি। এর পর একে একে বিক্ষুব্ধদের ভাঙিয়ে অসমে গিয়ে ঘাঁটি গাড়েন। সেই থেকে বিজেপি-র সঙ্গে তাঁর বোঝাপড়া নিয়ে নানা জল্পনা শোনা যাচ্ছিল। তার পর দেবেন্দ্র ফড়নবিস মঙ্গলবারই গিয়ে উদ্ধব সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেন। তার বিরুদ্ধে আদালতে গেলেও, এই দিন আস্থাভোটের পক্ষেই রায় দেয় শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম ধাক্কার পর উদ্ধব সরকারের পতন অনিবার্য হয়ে ওঠে। তাই তড়িঘড়ি এই পদত্যাগ।

২০১৪-'১৯ মহারাষ্ট্রে বিজেপি-শিবসেনা জোটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন ফড়নবিস। ২০১৯-এর বিধানসভা ভোটের পর শিবসেনার সঙ্গে জোট ভেঙে যাওয়ায় এনসিপি প্রধান শরদ পওয়ারের বিদ্রোহী ভাইপো অজিতের সমর্থন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন ফড়নবিস। অজিত হন উপমুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু এনসিপি পরিষদীয় দলে ভাঙন ধরাতে ব্যর্থ হয়ে ৮০ ঘণ্টার মধ্যেই ইস্তফা দিতে হয়েছিল তাঁকে। নতুন করে এই রাজ্যে ফড়নবিসের অভিষেক ঘটানোই কি বিজেপির কাছে বড় চ‍্যালেঞ্জ ছিল? সেই কাজে বিজেপির তুরুপের তাস হিসেবে কাজ করেছেন একনাথ। কার্যত তাঁকে ব্যবহার করেই বিজেপি আবার ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে। তাই বিজেপি তাঁকে পুরস্কার দেবে না, তা হয় না কি!

লিখেছেন
tiasa gupta
tiasa gupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।