মতুয়ারাও ভোট দিল না মমতাকে! নাগরিকত্ব পেতে ভরসা মোদি-শাহ?

তৃণমূল মতুয়াদের আবেগ কাজে লাগাতে চাইলেও, ন্যারেটিভ তৈরি করতে ব্যার্থ হয়েছে— ফলাফলেই তা স্পষ্ট। এখন দেখার, মতুয়াদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখে কি না বিজেপি সরকার।

inscript
৪ মিনিট
মতুয়ারাও ভোট দিল না মমতাকে! নাগরিকত্ব পেতে ভরসা মোদি-শাহ?

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে গত কয়েক নির্বাচনে বিশেষ গুরুত্ব রেখেছে মতুয়া ভোটব্যাংক। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং নদিয়া— রাজ্যের এই তিন জেলার অন্তত ২৩টি বিধানসভা কেন্দ্রে মতুয়া ভোটারদের প্রভাব সরাসরি ফল নির্ধারণে ভূমিকা নেয়। ফলে এই তিন জেলায় সামান্য ভোটের হেরফেরও ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে আগে থেকেই আশঙ্কা ছিল রাজনৈতিক মহলে।

দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণে উত্তর ২৪ পরগনায় প্রায় ৯৩ শতাংশ এবং নদিয়ায় ৯২ শতাংশেরও বেশি ভোট পড়েছে। সংখ্যার বিচারে এই অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য। ২০২১ সালের নির্বাচনে উত্তর ২৪ পরগনার ৩৩টি আসনের মধ্যে ২৮টি পেয়েছিল তৃণমূল, বিজেপি জিতেছিল ৫টি। ২০২৬-এর ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, তৃণমূল নেমে এসেছে ১১টি আসনে এবং বিজেপি শক্তি বৃদ্ধি করে ঝুলিতে ভরেছে ২২টি আসন। অন্যদিকে, নদিয়ার ১৭টি আসনে গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছিল ৯টি, তৃণমূল ৮টি। এবার বিজেপি পেয়েছে ১৪টি আসন এবং তৃণমূল ধরে রাখতে পেরেছে মাত্র ৩টি আসন। এমনকী, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় যেখানে ২০২১-এ একটিও পদ্ম ফোটাতে পারেনি রাজ্য বিজেপি। এই জেলায় মোট ৩১টি আসনের ৩০টি পেয়েছিল তৃণমূল, আইএসএফ পেয়েছিল একটি আসন, আর বিজেপি কোনো আসনই পায়নি। ২০২৬-এর ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, এই জেলায় শূন্য থেকে নিজেদের আসনসংখ্যা ১০ করে ফেলেছে গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে তৃণমূলের আসনসংখ্যা এখানে কমে হয়েছে ২০। আইএসএফ ধরে রেখেছে ভাঙড় বিধানসভাকেন্দ্রটি।

ভোটের আগে মতুয়া অধ্যুষিত এলাকায় ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনে প্রশাসনিক তথ্য অনুযায়ী, শুধু উত্তর ২৪ পরগনাতেই প্রায় ৩.২৫ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। বনগাঁ মহকুমায়, যা মতুয়া সম্প্রদায়ের অন্যতম ঘাঁটি, যাচাইয়ের আওতায় থাকা ভোটারদের মধ্যে ৬৭% থেকে ৮৮% পর্যন্ত নাম বাদ পড়ার অভিযোগ উঠেছে। গাইঘাটায় ২২,২৭৮ জনের মধ্যে ১৬,২২২ জনের নাম বাদ গেছে, বাগদায় ১৫,০০০-এর বেশি নাম বাদ পড়েছে। বনগাঁ উত্তর ও দক্ষিণেও একই প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।

নদিয়ার কৃষ্ণনগর উত্তর, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ ও রানাঘাট এলাকায় যাচাই হওয়া ভোটারদের ৯০ শতাংশেরও বেশি চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পাননি। প্রশাসনের হিসেব বলছে, এই বাদ পড়া নামের বড় অংশই মতুয়া নমশূদ্র সম্প্রদায়ভুক্ত। এই পরিস্থিতি আরও জটিল হয় নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA)-এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার সঙ্গে। ২০২৪ সালের মার্চে নিয়ম চালু হওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ১.১২ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে, যার মধ্যে মাত্র প্রায় ১৫,০০০টি অনুমোদিত হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়া থেকেই এসেছে ৫০,০০০-এর বেশি আবেদন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অভয়ার জন্যই ভোট দিল বাংলার মেয়েরা?

West Bengal Election 2026: লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী সব থাকা সত্ত্বেও কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মহিলা ভোটব্যাঙ্ক ভাঙল? অভয়া আন্দোলনের ক্ষোভেই কি বাংলার মেয়েরা এ বার বিজেপির দিকে ঝুঁকল?

ফলে বহু বাসিন্দা, যারা দীর্ঘদিন ধরে ভোট দিয়েছেন, তারা তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন। এতে তাঁদের নাগরিক পরিচয় এবং ভোটাধিকার— উভয়ই অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। অনেকেই ভোট দিতে পারেননি। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর SIR পর্বে বলেছিলেন,

“এক লক্ষ মতুয়া ভোট দিতে না পারলেও সেটা মেনে নিতে হবে।”

অনুপ্রবেশকারীদের আটকাতে এইটুকু সহ্য করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

এই ইস্যুতে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ করেছে, SIR-এর মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে মতুয়া ভোটারদের ভোটাধিকার খর্ব করা হচ্ছে। অন্যদিকে বিজেপির কিছু স্থানীয় নেতা-কর্মীরাও নাম বাদ পড়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। বাগদা ও গাইঘাটায় বিক্ষোভ এবং দলত্যাগের ঘটনাও সামনে এসেছিল।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
পরিবর্তনের পরিবর্তন: বিজেপি সরকার পারবে বাংলার হাল ফেরাতে?

BJP Government in West Bengal: ১৫ বছরের তৃণমূল জমানার অবসান ঘটিয়ে বিজেপি এল বাংলার ক্ষমতায়। এই পরিবর্তনে কি সত্যিই দুর্নীতি, বেকারত্ব, কাটমানির রাজনীতি শেষ হবে? নাকি শুধু শাসকের মুখ বদলাবে, মানুষের ভাগ্য নয়?

যদিও, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভোটপ্রচারে এসে মতুয়া সম্প্রদায়কে আশ্বস্ত করেন যে, CAA-এর মাধ্যমে তাঁদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা হবে। তিনি উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরবাড়িতে গিয়ে প্রার্থনা করেন এবং দ্রুত নাগরিকত্ব প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বও একই বার্তা দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে মতুয়া নমশূদ্রদের সংখ্যা প্রায় ১৭-১৮ শতাংশ বলে অনুমান। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, হাওড়া, কোচবিহারসহ বিভিন্ন জেলায় তাঁদের বিস্তার রয়েছে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির উত্থানের পেছনে এই সম্প্রদায়ের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। তবে বর্তমান বাস্তবতায় মতুয়া ভোট আর একমুখী নয়। ঠাকুর পরিবার-সহ নেতৃত্বের মধ্যেই বিভাজন তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব ভোটব্যাঙ্কে পড়ছে।

আসলে, মতুয়া সমাজের ভোট কোন দিকে যাবে, তার পিছনে দীর্ঘদিন ধরেই গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে ঠাকুরবাড়ি-র। ঠাকুরবাড়ির ‘বড়মা’ নামে পরিচিত প্রয়াত বীণাপাণি দেবী-র সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভালো সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্কের সূত্রেই বীণাপানির দুই ছেলে কপিল কৃষ্ণ ঠাকুর এবং মঞ্জুল কৃষ্ণ ঠাকুর-কে সক্রিয় সংসদীয় রাজনীতিতে নিয়ে এসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
জেলায় জেলায় বিপর্যয়, ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি তৃণমূল?

২০২১ সালে যেখানে বিজেপি পেয়েছিল ৭৭টি আসন এবং তৃণমূল ২১৫। ২০২৬-এ দেখা যাচ্ছে বিজেপি জয়লাভ করেছে ২০৭ আসনে এবং তৃণমূল ধরে রাখতে পেরেছে মাত্র ৮০টি আসন।

তবে ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। সেই সময় বিজেপিতে যোগ দেন মঞ্জুলকৃষ্ণ। আর তার পর থেকেই কার্যত ঠাকুরবাড়ির ভিতরে রাজনৈতিক বিভাজন স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বর্তমানে ঠাকুরবাড়ির দুই ভিন্ন রাজনৈতিক শিবিরের নেতৃত্বে রয়েছেন কপিলকৃষ্ণের স্ত্রী মমতাবালা ঠাকুর (TMC) এবং মঞ্জুলকৃষ্ণের ছেলে শান্তনু ঠাকুর (BJP)। ফলে মতুয়া রাজনীতির সমীকরণে তাঁদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের পর দীর্ঘ সময় এই মতুয়া অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে শক্ত ভিত তৈরি করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় সেই সমীকরণে বড় পরিবর্তন দেখা যায়। মতুয়া ভোটব্যাঙ্কে দ্রুত প্রভাব বাড়াতে শুরু করে ভারতীয় জনতা পার্টি।

২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে এই ২৩টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ১১টিতে এগিয়ে যায় বিজেপি। বাকি ১২টি আসনে এগিয়ে ছিল তৃণমূল। পরে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও সেই প্রবণতা প্রায় অক্ষুণ্ণ থাকে। যে দল যে আসনে লোকসভায় এগিয়েছিল, পরের বিধানসভা ভোটে মূলত সেই দলই আসন ধরে রাখে।

তবে রাজনৈতিক সমীকরণ আবারও বদলাতে শুরু করে ২০২৪ সালের উপনির্বাচনের পরে। মতুয়া প্রভাবিত বাগদা কেন্দ্র হাতছাড়া হয় বিজেপির।

এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে মতুয়া অধ্যুষিত আসনগুলির মধ্যে বিশেষ নজরে ছিল বাগদা ও গাইঘাটা। বিশেষ করে বাগদা কেন্দ্র ঘিরে আগ্রহ ছিল বেশি। কারণ, সেখানে কার্যত ঠাকুর পরিবারের দুই রাজনৈতিক ধারার সরাসরি লড়াই দেখেছে রাজ্য রাজনীতি। ননদ মধুপর্না ঠাকুর এবং বৌদি সোমা ঠাকুরের লড়াই ঘাসফুল ও পদ্মফুল প্রতীক সঙ্গে নিয়ে। ফলাফল প্রকাশের পদ্ম হাতে জয়ী শান্তনু-স্ত্রী সোমা।

এই নির্বাচন তাই শুধু রাজনৈতিক লড়াই ছিল না, অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইও ছিল। একদিকে নাগরিকত্বের প্রতিশ্রুতি, অন্যদিকে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া, এই পরিস্থিতি মতুয়া সমাজে অনিশ্চয়তা তৈরি করে। কিন্তু তারপরও নাগরিকত্ব পাওয়ার স্বার্থে মোদি-শাহদের প্রতি আস্থা রেখেছেন মতুয়ারা। তৃণমূল মতুয়াদের আবেগ কাজে লাগাতে চাইলেও, ন্যারেটিভ তৈরি করতে ব্যার্থ হয়েছে— ফলাফলেই তা স্পষ্ট। এখন দেখার, মতুয়াদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখে কি না বিজেপি সরকার।

লিখেছেন
inscript
inscript
17 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে আমেরিকার নজর, কেন ঘোষিত হলো ২০ মিলিয়ন ডলারের পুরস্কার?

Million dollar reward for Iranian nuclear plan: ওয়াশিংটন থেকে সরাসরি ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, বৈজ্ঞানিক সরঞ্জাম ও বিজ্ঞানীদের তথ্যের জন্য ২০ মিলিয়ন ডলারের রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস পুরস্কার ঘোষণা করল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট। ফেব্রুয়ারিতে ইরানে এবিষয়ে পরিদর্শকদের প্রবেশ বন্ধের পর, সারা বিশ্ব ইরানের এই পারমাণবিক ‘জ্ঞান' সম্পর্কিত তথ্যের ধারাবাহিকতা হারিয়েছে। ট্রাম্প এই প্রকল্পের ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ দাবি করলেও, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এবিষয়ে অনিশ্চিত।

কেন মানবাজারে জোট বাঁধল আদিবাসী সমাজ?

Adivasi Mahasamavesh in Purulia's Patharkata: পুরুলিয়ার মানবাজার মহকুমার পাথরকাটায় ‘ভারত জাকাত মাঝি পরগনা মহল’-এর ডাকে প্রায় ২০টি আদিবাসী সংগঠনের মহাসমাবেশ ঘটে গেল। কুড়মিদের এসটি তালিকাভুক্তি করার রাজনৈতিক উদ্যোগের বিরোধিতা, বন অধিকার আইন ২০০৬-এর বাস্তবায়ন, ২০২৩ বন সংরক্ষণ আইন বাতিল, অষ্টম তফসিলে আদিবাসী ভাষা অন্তর্ভুক্তির দাবি নিয়ে তারা জমায়েত করলেন এই মহাসমাবেশে।

পুলিশের গুলিতে শেষ হয়েছিল মান্যা সুর্ভে, সদিক জামাল, ইশরত জাহাঁর জীবন, কিন্তু শেষ হয়নি বিতর্ক

Police Encounter in India: পুলিশি হেফাজতে বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগেই অভিযুক্তদের এই ধারাবাহিক পরিণতি কেবল অপরাধের তদন্তকেই থামিয়ে দিচ্ছে না, বরং সংবিধানে প্রদত্ত মৌলিক অধিকার এবং বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়েও বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিচ্ছে। আমাদের বিশেষ ধারাবাহিক সিরিজ ‘এনকাউন্টার’-এর প্রথম পর্বে রইল এমনই হাড়হিম করা কয়েকটি ঘটনার নেপথ্য সত্যের খতিয়ান।

মোদী জমানায় যেভাবে বেড়েছে ভাই-বেরাদারি পুঁজিবাদ

25 Years of Modi's Economic Legacy: মোদী জমানায় রাজনৈতিক ক্ষমতা ও কর্পোরেট পুঁজির ঘনিষ্ঠতায় কীভাবে বদলে যাচ্ছে ভারতের অর্থনীতির চরিত্র, বেড়েছে ভাই-বেরাদারি পুঁজিবাদ, একচেটিয়া বাজার ও মুষ্টিমেয় শিল্পগোষ্ঠীর আধিপত্য?

বছরে ৫০ দিনের ছুটি কমে ৪০! বাদ পড়তে পারে কোন কোন উৎসবের ছুটি?

West Bengal Government Holidays: পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীদের বছরে ছুটির সংখ্যা প্রায় ৫০ দিন থেকে কমিয়ে ৪০ দিন করার পরিকল্পনা করছে শুভেন্দু সরকার। অর্থসচিবকে নতুন ছুটির তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূল আমলে চালু হওয়া শিবরাত্রি, ভাইফোঁটা, ছটপুজো-সহ একাধিক ছুটি কি তবে এবার বাতিল হতে চলেছে?

দুই কক্ষেই ডেমোক্র্যাটদের জয়, ট্রাম্পের ক্ষমতায় কতটা লাগাম পড়বে?

US midterms 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান দুর্গে বড় ধস নামিয়ে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়, শুল্কনীতি এবং যুদ্ধ সংক্রান্ত অসন্তোষের জেরে ট্রাম্পের নীতি প্রত্যাখ্যান করল ভোটাররা। বদলের প্রত্যাশা কতটা পূরণ হবে?

মিডটার্ম নির্বাচনে কে কত টাকা ঢাললেন?

US midterm elections 2026: আমেরিকার নির্বাচনে প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ড ব্যয়। ইলন মাস্ক ও জর্জ সোরোসের মতো ধনকুবেরদের অনুদান, সুপার প্যাক ও ডার্ক মানি কীভাবে আমেরিকার রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করছে?

মানুষ টাকা পেয়ে গেলে ভুলে যাবে, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ সম্পর্কে বললেন বিজেপি বিধায়ক সজল

Sajal Ghosh interview: ‘ভয় ছাড়া ভক্তি আসে না’— আইন-শৃঙ্খলা, দুর্গাপূজা বিতর্ক এবং তৃণমূলের দলবদল নিয়ে নিজের মতামত জানালেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ।