ছয় দশকে কতটা সফল ভারত-নেপাল গান্ডাকচুক্তি?
Gandak dam history: নেপালের হিমবাহ থেকে পাথর ধসের পর জল নেমেছে ত্রিশূলী-কালীগণ্ডক হয়ে বিহারে। বাল্মীকিনগর বাঁধের ৩৬টি গেট খুলে প্রাণ বাঁচল বহু মানুষের। কিন্তু, ১৯৫৯ সালের গান্ডাক চুক্তি কি সত্যিই নেপাল ভারত দুই দেশের ‘সমন্বিত স্বার্থ’ রক্ষা করল? নেপালের তরাইয়ে জল মেলে না, ক্ষতিপূরণ মেলে না কৃষকদের। ৬০ বছরের পুরনো বাঁধ প্রকল্পকে নিয়েও নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।
নেপালের পার্বত্য অঞ্চলে হিমবাহ ও পাথর ধসের ফলে হঠাৎ বন্যা দেখা দেয়। ত্রিশূলী ও কালীগণ্ডক নদীর তীব্র জলস্রোত নারায়ণী হয়ে সরাসরি নেমে আসে বিহারের দিকে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে গান্ডাক নদীর জলস্তর লাফিয়ে বাড়তে থাকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিহার প্রশাসন তৎক্ষণাৎ খুলে দেয় বাল্মীকিনগর গান্ডাক বাঁধের ৩৬টি গেট। পরবর্তী ২২ ঘণ্টায় বাঁধ থেকে ধাপে ধাপে ছেড়ে দেওয়া হয় প্রায় ৩৮ লাখ কিউসেক জল।
৮ লাখ কিউসেক ধারণক্ষমতাসম্পন্ন এই বাঁধটি ডাউনস্ট্রিমে ১.৫ লাখ কিউসেক পর্যন্ত জলপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করেছে। ফলে বিহারের এক...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে






