ইরান সংকট: হুথিরা যেভাবে বদলে দিল যুদ্ধের মানচিত্র

Iran proxy groups Houthis Hezbollah: হুথি বিদ্রোহীদের সরাসরি যুদ্ধে প্রবেশে কি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নতুন মোড় নিয়েছে? ইরান-ইজরায়েল উত্তেজনার মাঝে তেলপথ ও বাণিজ্য কি বড় সংকটে? এই বহুমুখী যুদ্ধ কি বিশ্ব অর্থনীতি ও কূটনীতিতে আরও বড় প্রভাব ফেলতে চলেছে?

Tanvia Barua
৫ মিনিট
ইরান সংকট: হুথিরা যেভাবে বদলে দিল যুদ্ধের মানচিত্র

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের মানচিত্র গত কয়েক সপ্তাহে দ্রুত বদলে গিয়েছে। ইরানকে কেন্দ্র করে যে সংঘাত শুরু হয়েছিল, তা ধীরে ধীরে বহু-মাত্রিক আঞ্চলিক যুদ্ধে পরিণত হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সরাসরি যুদ্ধে প্রবেশ ঘটনাটিকে আরও জটিল এবং বিপজ্জনক করে তুলেছে। কারণ, এটি কেবলমাত্র আরেকটি যুদ্ধক্ষেত্র তৈরির বিষয় নয়; এর প্রভাব পড়তে পারে গোটা অঞ্চলের শক্তির সমীকরণে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গতিপ্রকৃতিতে এবং ভবিষ্যতের কূটনৈতিক সম্পর্কের উপরও।

হুথিরা দীর্ঘদিন ধরেই ইয়েমেনের একটি শক্তিশালী সামরিক ও রাজনৈতিক গোষ্ঠী। ২০১৪ সালে রাজধানী সানা দখলের পর থেকে তারা দেশের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। তাদের আদর্শিক অবস্থান স্পষ্টভাবে ইরান-ঘনিষ্ঠ এবং তারা নিজেদের 'অ্যাক্সিস অফ রেজিস্ট্যান্স'-এর অংশ বলে মনে করে। ফলে ইরান যখন সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে, তখন হুথিদের অংশগ্রহণ অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিল। তবে তারা শুরুতে কিছুটা অপেক্ষা করেছিল, সম্ভবত পরিস্থিতি বোঝার জন্য, কিংবা নিজেদের কৌশলগত অবস্থান শক্ত করার জন্য। মার্চের শেষ সপ্তাহে হুথিরা যখন সরাসরি ইজরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে, তখনই বোঝা যায় যে এই যুদ্ধ ধীরে ধীরে এমন এক বড় সংঘাতে পরিণত হচ্ছে, যেখানে একাধিক দেশ জড়িয়ে পড়ছে।

এই ঘটনার তাৎপর্য বুঝতে হলে প্রথমেই দেখতে হবে, হুথিদের ক্ষমতা কতটা। তারা শুধু স্থলযুদ্ধে সীমাবদ্ধ নয়; ড্রোন, মিসাইল এবং সমুদ্রপথে আক্রমণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকেও লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। অতীতে গাজা যুদ্ধের সময় তারা লোহিত সাগরে বহু বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছিল, যার ফলে বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধাক্কা লাগে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইরান সংকটে কেন গুরুত্বপূর্ণ গালিবাফ ও আরাঘচি?

Iran Israel conflict: ইরান সংকটে কেন এত গুরুত্বপূর্ণ গালিবাফ ও আরাঘচি? এই দুই ব্যাক্তিই কি ইরানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করছেন?

এবারের পরিস্থিতি আরও জটিল। কারণ, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালী, ইতোমধ্যেই পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে পারে ইরান। এর সঙ্গে যদি হুথিরা বাব এল-মান্দেব প্রণালীতে বাধা সৃষ্টি করে, তাহলে বিশ্বের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ একসঙ্গে ঝুঁকির মুখে পড়বে। হরমুজ দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ তেল পরিবাহিত হয়, আর বাব এল-মান্দেব হলো ইউরোপ-এশিয়া বাণিজ্যের একটি প্রধান রুট। এই দুই পথই যদি অচল হয়ে যায় বা ঝুঁকির মুখে পড়ে, তাহলে বিশ্ব অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব পড়বে—তেলের দাম বাড়বে, পণ্য পরিবহন ব্যাহত হবে, এবং মুদ্রাস্ফীতি আরও বাড়তে পারে।

ইতোমধ্যেই তার প্রাথমিক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। যুদ্ধের উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়েছে। এর ফলে শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, ভারত-সহ উন্নয়নশীল দেশগুলিও চাপের মুখে পড়তে পারে, কারণ জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন ও উৎপাদন খরচও বেড়ে যায়। তবে এই ঘটনাটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এটি যুদ্ধকে একটি 'মাল্টি-ফ্রন্ট' সংঘাতে পরিণত করছে। আগে যেখানে ইরান ও ইজরায়েল (এবং তাদের মিত্ররা) মূলত সরাসরি বা সীমিতভাবে লড়াই করছিল, এখন সেখানে ইয়েমেন থেকে হুথিরা, লেবানন থেকে হিজবুল্লাহ, এবং অন্যান্য গোষ্ঠীর জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

এই ধরনের বহু-মুখী যুদ্ধ সাধারণত আরও দীর্ঘস্থায়ী এবং অনিয়ন্ত্রিত হয়ে ওঠে। কারণ, এতে একাধিক পক্ষের স্বার্থ জড়িত থাকে, এবং কোনো একক কূটনৈতিক সমাধান সহজে সম্ভব হয় না। হুথিদের প্রবেশ সেই ঝুঁকিকেই বাড়িয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিও এর ফলে নতুন করে অস্থির হয়ে উঠতে পারে। বহু বছর ধরে চলা গৃহযুদ্ধের পর ২০২২ সালে কিছুটা শান্তি ফিরেছিল। কিন্তু এখন হুথিদের এই পদক্ষেপ সেই শান্তি প্রক্রিয়াকে ভেঙে দিতে পারে। বিশেষ করে সৌদি আরব, যারা আগে হুথিদের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ করেছে, তারা আবার সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে, যদি তাদের তেল স্থাপনা বা বাণিজ্যপথ হুমকির মুখে পড়ে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মোসাদ্দেক থেকে খামেনি: ইরানের ক্ষমতার লড়াই

Middle East oil conflict: কেন মোহাম্মদ মোসাদ্দেক-এর জাতীয়করণ ভেঙে দিল সিআইএ-এমআই৬-এর চক্রান্ত? কীভাবে ক্ষমতায় এলেন খামেনি? আজ ইরান কি শেষ ফ্রন্টিয়ার, নাকি নতুন সংঘর্ষের সূচনা?

এখানেই কূটনৈতিক সমীকরণ আরও জটিল হয়ে ওঠে। একদিকে ইরান হুথিদের মতো গোষ্ঠীগুলিকে ব্যবহার করে আঞ্চলিক প্রভাব বাড়াতে চাইছে, অন্যদিকে সৌদি আরব ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই বিস্তার ঠেকাতে চাইছে। এভাবেই ধীরে ধীরে এই সংঘাত একটি বড় ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার অংশ হয়ে উঠছে।

তবে হুথিদের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে ইরানের নির্দেশে হয়েছে, এমন সরলীকরণ করা যায় না। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, তারা নিজেদের অবস্থানও শক্ত করতে চাইছে। ইয়েমেনের অভ্যন্তরে ক্ষমতা ধরে রাখা, সৌদি আরবের সঙ্গে আর্থিক ও রাজনৈতিক দর কষাকষি, এই সব কারণও তাদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে। অর্থাৎ, হুথিদের এই পদক্ষেপ একাধিক স্তরে কাজ করছে। একদিকে তারা ইরানের পক্ষে একটি সামরিক বার্তা দিচ্ছে, অন্যদিকে নিজেদের আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টাও করছে।

যদি হুথিরা কেবল সীমিত ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখে, তাহলে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে। কিন্তু যদি তারা সমুদ্রপথ অবরোধ বা বৃহৎ আকারের আক্রমণ শুরু করে, তাহলে তা সরাসরি বৈশ্বিক অর্থনীতিকে আঘাত করবে এবং আরও দেশকে যুদ্ধে টেনে আনতে পারে। জাতিসংঘ ইতোমধ্যেই সতর্ক করেছে, এই ধরনের উত্তেজনা ইয়েমেনের সংকটকে আরও বাড়িয়ে দেবে এবং দেশটিকে আবার পূর্ণমাত্রার সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।

তবে ওযাকিবহাল মহল বলছে, হুথিদের যুদ্ধে প্রবেশ একটি 'টার্নিং পয়েন্ট'। এটি শুধু যুদ্ধের পরিধি বাড়ায়নি, ঝুঁকিকেও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন আর এটি শুধু ইরান বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইজরায়েলের সংঘাত নয়,এটি একটি বিস্তৃত আঞ্চলিক সংঘর্ষে পরিণত হয়েছএ, যার প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে গিয়েও বিশ্ব অর্থনীতি ও রাজনীতিতে পড়তে পারে। এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো, কী ভাবে এই সংঘাতকে সীমাবদ্ধ রাখা যায়। কারণ ইতিহাস বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে একবার বহু-পক্ষীয় যুদ্ধ শুরু হলে তা নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। আর হুথিদের এই পদক্ষেপ সেই আশঙ্কাকেই আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

EXCLUSIVE: শেষদিকে দল পরিচালনায় গ্যাপ ছিল, অভিষেকের অফিসও ঠিকঠাক ম্যানেজ করা হয়নি: কুণাল

Kunal Ghosh on Abhishek Banerjee: ইন্সক্রিপ্টের ‘অনিন্দ্য এবং’ পডকাস্টে অভিষেক প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কুণাল জানিয়েছেন, শেষ পর্যায়ের দল পরিচালনায় আরও ‘সতর্কতা’ প্রয়োজন ছিল। তাঁর দাবি, অভিষেকের অফিসও সব সময় ঠিকভাবে পরিচালিত হয়নি।

মমতা-অভিষেকের দল পরিচালনায় বিরাট গ্যাপ তৈরি হয়েছিল: ইনস্ক্রিপ্ট পডকাস্টে আর কী বললেন কুণাল?

Kunal Ghosh Interview: বিধানসভা ভোটে বিপর্যয়ের পরে প্রতীক, নাম হারিয়ে কার্যত দিশাহারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল। তার মধ্যেও ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই জারি রয়েছে। যদিও দলের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহে মমতার কাছাকাছির বৃত্ত ক্রমশ সঙ্কুচিত হয়েছে। নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে মুখ পুড়েছে। এই প্রেক্ষিতে আসন্ন পুরভোটে কেমন করবে তৃণমূল? ঘুরে দাঁড়ানোর কোনও সম্ভাবনা আছে? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী? বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে যা বললেন দলের বিধায়ক এবং অন্যতম মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।

এসআইআর: বাংলায় ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব মুসলিম এলাকাগুলিতে ছ’গুণ বেশি, বলছে পরিসংখ্যান

Bengal Voter List Review: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা যাচাইয়ে বিচারাধীন ভোটারদের ক্ষেত্রে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতেই প্রভাব বেশি পড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এই এলাকাগুলিতে ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব অন্যান্য এলাকার তুলনায় প্রায় ছ’গুণ বেশি। এই পার্থক্য কীভাবে তৈরি হলো, কোন এলাকার ভোটাররা বেশি প্রভাবিত হলেন এবং এর পিছনে কী কারণ রয়েছে?

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।