বিদেশে ক্ষমতার পদে ফের ভারতীয়! মার্কিন মুলুকে অরুণা মিলারের জয় যে কারণে গুরুত্বপূর্ণ

Aruna Miller: ২০১৫ সাল। ডেমোক্রেটিক দলের সঙ্গে জুড়ে গেল অরুণার নাম। দক্ষ মিলারের উপর ভরসা করলেন নেতারা

Ramen Das
৩ মিনিট
বিদেশে ক্ষমতার পদে ফের ভারতীয়! মার্কিন মুলুকে অরুণা মিলারের জয় যে কারণে গুরুত্বপূর্ণ

কমলা দেবী। ঋষি। অরুণা। ভারতবর্ষের একাধিক নাগরিক খুঁজে পাওয়া যায় এই নামেই। কিন্তু বিদেশে? উপরের তিনজনের পদবি জুড়লে এঁরা সবাই বিদেশি! শুধু ভিন দেশের নাগরিক নন, বিখ্যাত নাগরিকও বটে। কিন্তু সকলেই ভারতীয় বংশোদ্ভূত। ভারতীয় বংশের হয়েও বিদেশে বিখ্যাত হয়ে ওঠার ভূরি ভূরি উদাহরণ রয়েছে আগে থেকেই। কেউ কেউ জন্ম থেকেই অন্য দেশের। আবার কেউ কেউ জন্মেছেন এদেশে, কিন্তু বাকিটা অন্য জায়গায়। দেশের প্রতি কতটা অবদান রয়েছে, আদৌ তাঁরা কতটা বিদেশি, এ নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও একদা ব্রিটিশ শাসনাধীন ভারতের কেউ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান! এই ঘটনাও তাক লাগিয়েছে বিশ্বকে। যে চমকের শুরু হয়েছিল কমলা হ্যারিসকে (Kamala Harris) দিয়ে। তাইই ফের মাথাচাড়া দেয় ঋষি সুনকে (Rishi Sunak) এসে। এবার সেই জল্পনা আর আলোচনার উপজীব্য হিসেবে উঠে এসেছেন আরেক ভারতীয় বংশোদ্ভূত অরুণা মিলার (Aruna Miller)। যিনি মার্কিন মুলুকের একটি প্রদেশের লেফট্যানেন্ট গভর্নর নির্বাচিত হলেন। অন্যপদের মাধ্যমে রেকর্ড আগেই গড়েছেন কমলা হ্যারিস। ২০১১-২০১৭ সাল পর্যন্ত ক্যালিফোর্নিয়ায় অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। তারপর দেশের উপরাষ্ট্রপতি হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেন কমলা। যাঁর মায়ের বাড়ি এদেশেই, দক্ষিণ ভারতে। আর অরুণা নিজেই দক্ষিণ ভারতের সন্তান। প্রায় ৭ বছর বয়স পর্যন্ত কাটিয়েছেন চেন্নাইয়ে।

কী করেছেন তিনি?

আমেরিকার অন্যতম একটি জনপদ, প্রদেশ মেরিল্যান্ডের মধ্যমেয়াদি নির্বাচনে জয় পেয়েছেন অরুণা। আর এই জয়ের সঙ্গেই এই প্রদেশের প্রথম উদ্বাস্তু গভর্নর হিসেবে রেকর্ড গড়েছেন। এমনকী ভারতীয় বংশোদ্ভূত হিসেবেও নয়া মাইলস্টোন সৃষ্টি করেছেন তিনি।

কী কাজ করবেন অরুণা?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
গীতা ছুঁয়ে শপথ, ঋষি সুনককে কেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মানল ব্রিটেন

Rishi Sunak: ঋষি-র কাছে এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে, দেশের অর্থনীতিকে ফের শক্তিশালী করা।

মূলত, বৃহৎ ওই প্রদেশের গভর্নর হিসেবে যিনি নির্বাচিত হন, তিনিই মূলত সর্বেসর্বা। সমস্ত প্রশাসনিক কাজকর্ম করার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা অন্যতম থাকে। আর নির্দিষ্ট কিছু প্রশাসনিক কাজের সঙ্গেই, গভর্নর অনুপস্থিত থাকলে সম্পূর্ণ দায়িত্ব বর্তায় লেফট্যানেন্ট গভর্নরের উপরে। যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপরাষ্ট্রপতির মতোই একটি পদ। কিন্তু এর দায়িত্ব খানিকটা বেশি, ওই প্রদেশের পরিপ্রেক্ষিতে। এখানেও রয়েছে ইতিহাসের হাতছানি। এই প্রদেশের গভর্নর ওয়েস মুর কৃষ্ণাঙ্গ, যা মেরিল্যান্ড প্রদেশে প্রথম।

কে এই অরুণা মিলার?

১৯৬৪-র ৬ নভেম্বর অন্ধপ্রদেশের (তখন তেলঙ্গনা রাজ্য হয়নি) হায়দরাবাদে জন্মগ্রহণ করেন। ভর্তি হন স্থানীয় স্কুলে। কিন্তু তাঁর যখন ৭ বছর বয়স, ঠিক তখনই মেরিন ইঞ্জিনিয়র বাবার সঙ্গে অরুণা পাড়ি দেন মার্কিন মুলুকের উদ্দেশ্যে। নিউ ইয়র্কের পাফিস্কি শহরে দুই ভাইবোনের সঙ্গে বসবাস করতে থাকেন তিনি। ভর্তি হন মিসৌরির একটি কলেজে। এই শহরের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রযুক্তিবিদ্যায় এগোন পড়াশোনা। এরপর চাকরি সূত্রে তিনি কাজ শুরু করেন ক্যালিফোর্নিয়ায়। সেখান থেকে ভার্জিনিয়া, হাওয়াই সরকারের হয়েও কাজ করতে শুরু করেন অরুণা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কুকথাই অস্ত্র! পঞ্চায়েত ভোটের আগে শুভেন্দুকে এভাবেই বিপাকে ফেলবে তৃণমূলের হোয়াটস্যাপ?

Suvendu Adhikari: বিজেপি নেতার অভিযোগ, তাঁর ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে অশালীন বার্তা পাঠাচ্ছেন কেউ কেউ! রাজ্যের সাইবার ক্রাইম পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি

অরুণার আমেরিকা-যাপন

কাজ চলতে চলতে তাঁর মধ্যে প্রভাব বিস্তার করে মানুষের সমস্যার কথা। এর মধ্যে ১৯৯০ সাল নাগাদ তিনি চলে এসেছেন মেরিল্যান্ডে। একাধিক সংস্থায় কাজ, পরামর্শদাতা কমিটির সদস্য হিসেবে যোগদান। এর সঙ্গেই একাধিক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তে তাঁর ছাপ রাখেন অরুণা। অনগ্রসর শ্রেণি, আর্থিকভাবে দুর্বলদের জন্য সহযোগিতা, প্রকল্পের বাস্তবায়ন, বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষের উন্নয়ন থেকে শুরু করে শিক্ষা ক্ষেত্রে সবার জন্য সমান অধিকার, শিক্ষার প্রসার; সব ক্ষেত্রেই ভূমিকা পালন করেন তিনি। হাউস ওয়েস অফ্ মিনস কমিটি, অ্যাপরেসিয়েশন কমিটির সদস্য হিসেবেও কাজ করতে থাকেন অরুণা। তাঁর ভূমিকা ছিল সবেতন পারিবারিক ছুটির মতো ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তে। ২০০০ সালে আমেরিকার নাগরিকত্ব পান তিনি।

রাজনীতিতে অরুণা

২০১৫ সাল। ডেমোক্রেটিক দলের সঙ্গে জুড়ে গেল অরুণার নাম। দক্ষ মিলারের উপর ভরসা করলেন নেতারা। মেরিল্যান্ডের সংসদীয় রাজনীতিতে প্রবেশ ঘটল তাঁর। যে অরুণা এতদিন ইন্দো ভারত সম্পর্ক এবং তার প্রয়োগে সচেষ্ট ছিলেন তিনিই এবার উঠে এলেন প্রশাসনে। যদিও এর আগেও মেরিল্যান্ডের প্রায় ১৫টি জেলার প্রতিনিধি হিসেবে একাধিক দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। যদিও একবার মার্কিন কংগ্রেসের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও হারেন অরুণা। দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা সোসাইটির সভাপতি তিনি। এমনকি মন্টেগমরি কমিটির অন্যতম সদস্য অরুণা।

হিন্দুত্ববাদ ও অরুণা মিলার

দাবি করা হয়, মেরিল্যান্ডের এই নির্বাচনে হিন্দুত্ববাদ ইস্যু হয়েছে মার্কিন মুলুকেও। যেখানে অন্যতম ভূমিকা পালন করেছেন অরুণা মিলার। শুধু তাঁর পদ নয়, গভর্নর পদের ক্ষেত্রেও এই ইস্যু বিরাট ভূমিকা পালন করেছে। ভারত আমেরিকার সম্পর্ক, বহু হিন্দু ভারতীয় প্রবাসীর আধিক্য মিলারের প্রভাব বেড়েছে। যদিও এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। যাঁর মধ্যে রাজনৈতিক মত তৈরি হয়েছিল ৯০-র দশক থেকেই। এদিকে এই নির্বাচনে মিলার, ওয়েসের হয় প্রচার করেছেন জো বাইডেন এবং কমলা হ্যারিস স্বয়ং।

কেন তাঁকে প্রাধান্য

বহুকালের অভিজ্ঞতা। ৫৭ বছর বয়সি এই মহিলার শিক্ষা এবং সমাজের বিভিন্ন অংশে কাজের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়েছে ডেমোক্র্যাট দলের নেতারা। তৃণমূল স্তরের মানুষের প্রয়োজন বোঝেন অরুণা, যা মূলত, একজন জননেতার বা প্রশাসনিক প্রধানের প্রয়োজন। সেই ক্ষেত্রেই একাধিক প্রতিনিধির মধ্যে এগিয়ে ছিলেন অরুণা। যাঁর সুবক্তা সুলভ প্রকাশও নজর কেড়েছিল মেরিল্যান্ডের ভোটারদের মধ্যে। অর্থাৎ অন্য কেউ জিতুন, এর তুলনায় অরুণা জিতছেন! এই মন্ত্র তৈরি করতে পেরেছিলেন চেন্নাইয়ের চমকদার কৃতী! বলছেন কেউ কেউ।

লিখেছেন
Ramen Das
Ramen Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।