নীরব মোদি: দেশের ১১ হাজার কোটি লুট করে আজও পলাতক হিরে ব্যবসায়ী

Nirav Modi PNB Scam: পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের  কিছু কর্মকর্তার সহায়তায় বেআইনিভাবে বিদেশি ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হতো, যার দায় পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক বহন করত কিন্তু পরবর্তীকালে এই ঋণ শোধ করা হতো না।

Asish Gupta
৪ মিনিট
নীরব মোদি: দেশের ১১ হাজার কোটি লুট করে আজও পলাতক হিরে ব্যবসায়ী

"কিন্তু ব্যাংকের চেয়ে সে তার সোনার কারিগরের উপর বেশি ভরসা রাখে। সে বড় বড় জুয়েলারি শোরুমে যাবে, কিন্তু কেনার পর নিজের সোনার কারিগরের কাছে যাবে, 'জারা চেক করলো ভাই'। যত বড়ই শোরুম হোক, আমাদের মেহুল ভাই এখানে বসে আছেন।"

এটা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণের একটি অংশ। ২০১৫ সালে সোনার উপর নির্ভরতা কমাতে এবং দেশের ঘরে ঘরে থাকা সোনার সঞ্চয়কে কাজে লাগানোর জন্য ঘোষিত সোনার মনিটাইজেশন স্কিমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মেহুল চোক্সিকে 'মেহুল ভাই' বলে সম্বোধন করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। তিন বছর পরে রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্কের ১৩,৫৭৮ কোটি টাকা নিয়ে বিদেশে পালিয়ে গেলেন মেহুলভাই।

মেহুল চোক্সির গুণধর ভাগ্নে নীরব মোদি। মামাকে অনুসরণ করেই ভাগ্নে পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের মাধ্যমে প্রায় ১১,০০০ কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণা করেছেন। মামা-ভাগ্নে জুটির সম্মিলিত প্রতারণার মোট পরিমাণ, তদন্ত সংস্থাগুলোর তথ্য অনুসারে ২৪,৫৭৮ কোটি টাকা। প্রতারণার কৌশল মামা-ভাগ্নের একই, তাই সেই প্রসঙ্গে আর যাচ্ছি না। ২০১৮ সালে পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের অডিটে বিষয়টি ধরা পড়ে এবং তদন্ত শুরু হয়। কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (সিবিআই) ও এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) নীরব মোদির বিরুদ্ধে মামলা করে। তদন্তে তাঁর একাধিক বিদেশি অ্যাকাউন্ট, সম্পত্তি এবং জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া যায়। নীরব মোদি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান এবং পরে ব্রিটেনে আত্মগোপন করেন। ব্রিটেনে ধরা পড়ার পর, ভারত সরকার তাঁর প্রত্যর্পণের জন্য আইনি পদক্ষেপ করে। ২০২১ সালে যুক্তরাজ্যের একটি আদালত সিদ্ধান্ত নেয় যে নীরব মোদিকে ভারতে ফেরত পাঠানো যেতে পারে। তবে তিনি এই আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করেন এবং এখনও ভারতে প্রত্যর্পণ হয়নি। এদিকে ভারতের বিভিন্ন আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণা, অর্থ পাচার এবং সরকারি সংস্থাকে প্রতারণার মামলাগুলি চলছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
লোপাট কোটি কোটি টাকা, ভারতের সবচেয়ে বড় ব্যাঙ্ক জালিয়াতির শিকড় কতটা গভীরে?

আকার-আকৃতিতে এটিই এখনও পর্যন্ত ভারতে ঘটা সমস্ত ব্যাঙ্ক জালিয়াতির মধ্যে সবথেকে বড়। দেশের ১৭টি ব্যাঙ্ক থেকে উধাও ৩৪,৬১৪ কোটি টাকা।

নীরব মোদির জন্ম ১৯৭১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি, গুজরাতের পালানপুরে, এক জৈন ব্যবসায়ী পরিবারে। তাঁর পরিবার বহু প্রজন্ম ধরে হিরে ও রত্ন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। ছোটবেলায় তিনি ও তাঁর পরিবার মুম্বাইয়ে চলে আসেন। পরবর্তীতে নীরব মোদি বেলজিয়ামে চলে যান এবং সেখানে কিছুদিন পড়াশোনা করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়ার্টন স্কুলে ভর্তি হলেও স্নাতক সম্পূর্ণ করেননি। নীরবের হিরে ব্যবসার হাতেখড়ি হয় মামা মেহুল চোক্সির ‘গীতাঞ্জলি গ্রুপ’-এ কাজ করার মাধ্যমে। সেখান থেকেই তিনি রত্নের বাজার, বিশেষ করে হিরে কাটিং ও ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। ১৯৯৯ সালে তিনি নিজেই ‘ফায়ারস্টার ডায়মন্ড’ নামে একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন এবং ধীরে ধীরে নিজের ব্র্যান্ড গড়ে তোলেন। ২০০৮ সালে ‘নীরব মোদি’ নামে বিলাসবহুল গয়নার ব্র্যান্ড চালু করেন। তাঁর ডিজাইন করা গয়না আন্তর্জাতিক বাজারে সমাদৃত হয়। নিউ ইয়র্ক, হংকং, লন্ডন, বেইজিং-সহ বিশ্বের বিভিন্ন শহরে তাঁর বুটিক খোলা হয়। আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ম্যাগাজিন ও হাই-প্রোফাইল অনুষ্ঠানগুলোতে তাঁর নাম উঠে আসে এবং তিনি ধনী ও প্রভাবশালী গ্রাহকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন।

ব্যক্তিগত জীবনে, নীরব মোদির স্ত্রী অ্যামি মোদি একজন মার্কিন নাগরিক, যিনি মূলত ভারতীয় বংশোদ্ভূত। অ্যামিও হিরে ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং নীরবের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করতেন। তাঁদের তিনটি সন্তান রয়েছে। কেলেঙ্কারির পরপরই পুরো পরিবার দেশ ছেড়ে ব্রিটেনে চলে যায় এবং একান্ত জীবনযাপন শুরু করে। নীরব মোদি আগে ছিলেন ভারতের ধনীদের একজন, ফোর্বসের ধনী ব্যক্তিদের তালিকাতেও উঠে এসেছিল তাঁর নাম কিন্তু ২০১৮ সালে পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক কেলেঙ্কারি ফাঁস হওয়ার পর তিনি পলাতক হয়ে পড়েন এবং বর্তমানে তিনি ব্রিটেনে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন, যাতে ভারত সরকার তাঁকে প্রত্যর্পণ করতে না পারে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
লক্ষ কোটি টাকা ফিরল না আজও! নোটবন্দির ছ'বছর পর কী অবস্থা ঋণখেলাপিদের

Demonetisation: বর্তমানে ঋণখেলাপিদের অবস্থা কীরকম? কেউ কি আদৌ কিছু ফেরত দিয়েছেন না কি এখনও অধরাই রয়েছেন?

নীরব মোদি, অ্যামি মোদি

নীরব মোদির বিরুদ্ধে সিবিআই ও ইডি — এই দুই কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা বেশ কয়েকটি মামলা দায়ের করেছে, যা মূলত পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক কেলেঙ্কারিকে কেন্দ্র করেই। মোট প্রতারণার পরিমাণ প্রায় ১১,০০০ কোটি টাকা । এটি ভারতের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ ব্যাংক জালিয়াতির ঘটনা। সিবিআই ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রথম এফআইআর দায়ের করে। মামলার মূল অভিযোগ ছিল, নীরব মোদি ও তাঁর কোম্পানিগুলি— যেমন ফায়ারস্টার ডায়মন্ড, সোলার এক্সপোর্টস ও স্টেলার ডায়মন্ডস —পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের কিছু কর্মকর্তার সহায়তায় বেআইনিভাবে 'Letter of Undertaking' (LoU) সংগ্রহ করেছিল। এই LoU-র ভিত্তিতে বিদেশি ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হতো, যার দায় পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক বহন করত কিন্তু পরবর্তীকালে এই ঋণ শোধ করা হতো না। নীরব মোদির সঙ্গে এইসব মামলায় নাম আছে তাঁর ভাই নিশাল মোদি, স্ত্রী অ্যামি মোদি, ব্যাংকের একাধিক প্রাক্তন কর্মকর্তা, বিশেষ করে ব্র্যডি হাউস শাখার দুই সিনিয়র কর্মকর্তা গোকুলনাথ শেট্টি ও মনোজ খান্ডারের। এই মামলায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০ (প্রতারণা), ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ (জাল দলিল তৈরি), এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের অধীনে অভিযোগ আনা হয়েছে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) মূলত অর্থপাচার প্রতিরোধ আইন (পিএমএলএ) অনুযায়ী নীরব মোদির বিরুদ্ধে মামলা করেছে। ইডি তদন্তে উঠে আসে, পিএনবি-র প্রতারণামূলক ঋণের টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে এবং এই অর্থ দিয়ে বহু সম্পত্তি, গয়না, শিল্পকর্ম ও বিলাসবহুল সামগ্রী কেনা হয়েছে।

মামা মেহুল চোক্সি

ইডি নীরব মোদি ও তাঁর কোম্পানির প্রায় ১,৪০০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে, যার মধ্যে রয়েছে মুম্বই, দিল্লি ও আলিবাগের রিয়েল এস্টেট, মূল্যবান হিরে ও গয়না, বিদেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, শিল্পকর্ম ও বিলাসবহুল সামগ্রী। এছাড়াও ইডি একটি অতিরিক্ত চার্জশিটে জানায়, নীরব মোদি ১৫-২০টি শেল কোম্পানির মাধ্যমে হংকং, দুবাই, সিঙ্গাপুর, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে অর্থ পাচার করেছেন এবং এসব অর্থ বিভিন্ন অফশোর অ্যাকাউন্টে বিনিয়োগ করেছেন। ২০১৯ সালে নীরব মোদিকে লন্ডনে গ্রেফতার করা হয়। এরপর ভারত সরকার ব্রিটেনে তাঁর প্রত্যর্পণের জন্য অনুরোধ করে। ২০২১ সালে ওয়েস্টমিনস্টার ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট তার প্রত্যর্পণের আদেশ দেয় কিন্তু নীরব মোদি সেই আদেশের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যের উচ্চ আদালতে আপিল করেন। আপিল চলমান থাকায় এখনও তাঁর প্রত্যর্পণ সম্পন্ন হয়নি।

নীরব মোদি ও মেহুল চোক্সি, ভাগ্নে ও মামা একই কেলেঙ্কারির মাধ্যমে ২৪,৫৭৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন, তবে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলাগুলি পৃথক, কারণ তাঁরা আলাদা কোম্পানি ও সংস্থা ব্যবহার করেছেন এবং তদন্তের আওতাও ভিন্ন। এই কেলেঙ্কারি কেবল ভারতীয় ব্যাংক ব্যবস্থার দুর্বলতা নয়, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি ও নজরদারির অভাব, শাসনক্ষমতায় আসীন রাজনৈতিক নেতাদের স্ব-আরোপিত 'অপদার্থতা'-ও তুলে ধরে।

লিখেছেন
Asish Gupta
Asish Gupta
2 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।

হুথিরা যেভাবে স্থানীয় বিদ্রোহী থেকে মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিতে পরিণত হলো

Houthi Expansion in Yemen: ইয়েমেনে ফের কেন যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে? হুথিরা কীভাবে স্থানীয় জায়দি আন্দোলন থেকে শক্তিশালী সামরিক-রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হল? ইরানের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কতটা গভীর? মোখা ও হানিশ দ্বীপপুঞ্জ দখলের পর কেন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বাব আল-মান্দাব? এই সংঘাতের প্রভাব কি শেষ পর্যন্ত বিশ্ব বাণিজ্য, জ্বালানি পরিবহণ ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে পড়বে?