সাধারণ স্কুল শিক্ষিকা থেকে রাষ্ট্রপতির দৌড়ে, আদিবাসী নেত্রী দ্রৌপদী মুর্মুর যাত্রা সহজ ছিল না

এই বছরই যে প্রথম তাঁর নাম রাষ্ট্রপতি তালিকায় উঠে এসেছে, তা কিন্তু নয়। এর আগেও, ২০১৭ সালে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম উঠে এসেছিল বিজেপি-র তালিকায়।

Sourish Das
৬ মিনিট
সাধারণ স্কুল শিক্ষিকা থেকে রাষ্ট্রপতির দৌড়ে, আদিবাসী নেত্রী দ্রৌপদী মুর্মুর যাত্রা সহজ ছিল না

আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে সরগরম হয়ে উঠেছে জাতীয় রাজনীতি। রামনাথ কোবিন্দের পর কে হতে চলেছেন ভারতের পরের রাষ্ট্রপতি, সেই নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। মঙ্গলবারই বিরোধী জোটের তরফ থেকে যশবন্ত সিনহাকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তবে বিজেপি জোট এনডিএ-র তরফ থেকে কে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হবেন, সেই নিয়ে অনেকদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। বিজেপির প্রার্থী তালিকায় চর্চিত ছিল দু'টি নাম- কেরালার রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান, এবং ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন রাজ্যপাল দ্রৌপদী মুর্মু।

এই নিয়ে মঙ্গলবার বিজেপি শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর এরপরেই এনডিএ জোট গ্রহণ করল একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। হিন্দু-দলিত রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের পর এবার বিজেপির তরফ থেকে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হতে চলেছেন একজন আদিবাসী মহিলা নেত্রী। সাংবাদিক বৈঠকে জেপি নাড্ডা বিজেপি রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন রাজ্যপাল দ্রৌপদী মুর্মুর নাম। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এই প্রথম কোনও আদিবাসী মহিলা নেত্রীকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। আর যদি তিনি যশবন্ত সিনহাকে পরাজিত করতে পারেন, তাহলে ভারত পাবে দেশের প্রথম আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণার পরেই সরাসরি সারা দেশের লাইমলাইট গিয়ে পড়ে দ্রৌপদী মুর্মুর ওপর। জেপি নাড্ডা বলেন, জোট-শরিকদের সঙ্গে আলোচনায় সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ২০ জনের নাম এসেছিল। শেষ পর্যন্ত দ্রৌপদীর নাম চূড়ান্ত হয়েছে। কিন্তু কে এই দ্রৌপদী মুর্মু? সাধারণ একটি স্কুলের শিক্ষিকা থেকে কীভাবে তিনি হয়ে উঠলেন বিজেপির রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী? কীরকম ছিল তাঁর রাজনৈতিক জীবন?

কে এই দ্রৌপদী মুর্মু?

আদিবাসী নেত্রী দ্রৌপদী মুর্মুর জন্য ভারতীয় জনতা পার্টির রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হয়ে ওঠার পথটা খুব একটা সহজ কোনওদিনই ছিল না। সাধারণ একটি স্কুলের শিক্ষিকা থেকে রাজনীতিতে পদার্পণ, এই যাত্রাপথটা ছিল যথেষ্ট দুর্গম। ২০ জুন, ১৯৫৮ সালে ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ আদিবাসী জেলার বাইদাপসি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি ছিলেন আদিবাসী সাঁওতাল পরিবারের একজন মেয়ে। তাঁর বাবার নাম ছিল বিরিঞ্চি নারায়ণ টুডু।

কর্মজীবন

ওড়িশার ভুবনেশ্বরের রমাদেবী উইমেন্স কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর চাকরিতে যোগদান দ্রৌপদী মুর্মু-র। তিনি কলা বিভাগে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন। তারপরেই উড়িষ্যা সরকারের সেচ এবং জলবিদ্যুৎ বিভাগে একজন জুনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট অর্থাৎ ক্লার্ক হিসেবে নিজের কর্মজীবন শুরু করেন দ্রৌপদী মুর্মু। কিন্তু সেই চাকরিটা খুব একটা ভালো লাগেনি তাঁর। এর পরেই উড়িষ্যার রাইরাংপুর জেলায় স্থিত অরবিন্দ ইন্টিগ্রাল এডুকেশন সেন্টারে একজন সহকারী শিক্ষক হিসেবে কাজ করতে শুরু করেন দ্রৌপদী।

স্বামী এবং দুই ছেলেকে হারিয়েছেন দ্রৌপদী

কর্মজীবন এবং রাজনৈতিক জীবন ভালো হলেও ব্যক্তিগত জীবনে অনেক সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিলেন দ্রৌপদী মুর্মু। শ্যামচরণ মুর্মুর সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল এবং তাঁদের তিনজন সন্তান হয়। এদের মধ্যে দু'জন পুত্রসন্তান এবং একজন কন্যা। কিন্তু, তাঁর ব্যক্তিগত জীবন কখনওই সুখের ছিল না। খুব কম বয়সেই নিজের স্বামী এবং দুই ছেলেকে হারিয়েছিলেন দ্রৌপদী। তাঁর কন্যার নাম ইতিশ্রী মুর্মু। জানা গিয়েছে, তাঁর কন্যার বিবাহ হয়েছে গণেশ হেমব্রমের সঙ্গে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে ২০২৪-এর জন্য বিজেপিকে যে বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন মমতা

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী শিবিরের জয়-পরাজয় যাইই হোক, ২০২৪-এর আগেই বিজেপির ঘুম উড়িয়ে দিতে সফল হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুরন্ত স্ট্র্যাটেজি।

বিজেপি-তে যোগদান

১৯৯৭ সালে সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্ত নেন দ্রৌপদী মুর্মু। সেই সময় আদিবাসী মহিলা নেত্রী হিসেবে রাজনীতিতে আসা খুব একটা সহজ বিষয় ছিল না। কিন্তু তিনি তৎকালীন সময় অটলবিহারী বাজপায়ীর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে যোগদান করেন ভারতীয় জনতা পার্টিতে। সেই বছরই উড়িষ্যার রাইরাংপুর অঞ্চলের কাউন্সিলর এবং ওই এলাকার ভাইস চেয়ারপার্সন হিসেবে নির্বাচিত হলেন দ্রৌপদী। একটা সময় বিজেপির তফশিলি উপজাতি মোর্চার ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন দ্রৌপদী মুর্মু। দলীয় সূত্রে খবর, দক্ষতাঁর সঙ্গেই নিজের সময়ে সংগঠন সামলেছেন দ্রৌপদী।

উড়িষ্যা সরকারের মন্ত্রিত্ব

২০০০ সালের উড়িষ্যা বিধানসভা নির্বাচন ছিল তাঁর জীবনের অন্যতম একটি মোড়-ঘোরানো সময়। সেবার নবীন পট্টনায়কের বিজু জনতা দল এবং ভারতীয় জনতা পার্টি একসঙ্গে উড়িষ্যার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। সেই নির্বাচনের রাইরংপুর এলাকা থেকে নির্বাচিত হয়ে নবীন পট্টনায়কের নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন দ্রৌপদী। ২০০০ থেকে ২০০৪ পর্যন্ত সময়কালে বেশ কিছু মন্ত্রিত্ব দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করেছেন তিনি। ৬ মার্চ, ২০০০ থেকে ৬ আগস্ট, ২০০২ পর্যন্ত তিনি ছিলেন বাণিজ্য এবং পরিবহণ মন্ত্রী। ৬ আগস্ট, ২০০২ থেকে ১৬ মে, ২০০৪ পর্যন্ত মৎস্য এবং প্রাণীসম্পদ উন্নয়নের স্বতন্ত্র দায়িত্বে রাজ্য মন্ত্রী ছিলেন তিনি।

২০০৪ সালেও বিজেপি এবং বিজেডি সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ বিধায়ক ছিলেন তিনি। নিজের বিধানসভা এলাকায় ভালো কাজ করার জন্য তাঁর সুখ্যাতি ছিল সম্পূর্ণ উড়িষ্যায়। ময়ুরভঞ্জের বিজেপি ইউনিটের সভাপতির দায়িত্বও সামলেছেন একটা সময়ে। মন্ত্রিত্ব এবং বিধায়ক পদ থাকলেও সব সময় তিনি দলের প্রতি ছিলেন নিষ্ঠাবান। ২০০৬ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত সময়কালে বিজেপি উড়িষ্যার তফশিলি জাতি এবং উপজাতি মোর্চার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন দ্রৌপদী।

জোট ভেঙে গেলেও জিতেছিলেন নির্বাচনে

২০০৯ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় ভারতীয় জনতা পার্টি এবং বিজু জনতা দলের মধ্যে জোট ভেঙে গেলেও দ্রৌপদী মুর্মু কিন্তু নিজের আসন টিকিয়ে রাখতে পেরেছিলেন। নিজের বিধানসভা এলাকায় সুখ্যাতি থাকার কারণে এলাকার মানুষ তাকে আরও একবার নির্বাচিত করেন বিধায়ক হিসেবে। বিজু জনতা দল বিধানসভা নির্বাচনে জয়লাভ করলেও, রাইরংপুর এলাকার আসনটি ধরে রেখেছিলেন দ্রৌপদী।

ছিলেন 'সর্বশ্রেষ্ঠ বিধায়ক'

উড়িষ্যা বিধানসভায় যাঁরা বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ বিধায়ক থাকেন, তাঁদের একটি বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করে উড়িষ্যা সরকার। ২০০৭ সালে বছরের স্টার পারফরমার হিসেবে উড়িষ্যা সরকারের তরফ থেকে 'নীলকণ্ঠ পুরস্কারে' ভূষিত হয়েছিলেন দ্রৌপদী মুর্মু। সেই বছরের সেরা বিধায়ক হওয়ার কারণে তাঁকে এই পুরস্কার প্রদান করেছিল উড়িষ্যা সরকার।

বিজেপির গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন দীর্ঘদিন

দ্রৌপদী মুর্মু ভারতীয় জনতা পার্টির উড়িষ্যা রাজ্যের সংগঠনের একটা বড় মুখ ছিলেন একটা দীর্ঘ সময় পর্যন্ত। ভারতীয় জনতা পার্টির জনজাতি মোর্চার উপাধ্যক্ষ এবং অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন দ্রৌপদী। ২০১৩ সালে বিজেপির রাষ্ট্রীয় মোর্চা-র সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছিলেন দ্রৌপদী মুর্মু। বিজেপি তফশিলি জাতি এবং উপজাতি অংশের রাষ্ট্রীয় কার্যকারিণী হিসেবে ২ বছর দায়িত্ব সামলেছেন দ্রৌপদী।

ছিলেন ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল

২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার থাকাকালীন ঝাড়খণ্ডের প্রথম মহিলা রাজ্যপাল হিসেবে মনোনীত হয়েছিলেন তিনি। ১৮ মে, ২০১৫ থেকে শুরু করে ১২ জুলাই, ২০২১ পর্যন্ত ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল ছিলেন তিনি। তিনি ঝাড়খণ্ডের নবম রাজ্যপাল ছিলেন এবং পেয়েছিলেন ঝাড়খণ্ডের প্রথম রাজ্যপালের মর্যাদা, যিনি পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ করতে পেরেছিলেন।

গন্তব্য রাইসিনা হিল

এই বছরই যে প্রথম তাঁর নাম রাষ্ট্রপতি তালিকায় উঠে এসেছে, তা কিন্তু নয়। এর আগেও, ২০১৭ সালে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম উঠে এসেছিল বিজেপি-র তালিকায়। কিন্তু সেই সময় বিহারের তৎকালীন রাজ্যপাল রামনাথ কোবিন্দকে বেছে নিয়েছিল কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন জোট। তবে এবার তেমনটা হয়নি। ২০২২ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য বিজেপির পদপ্রার্থী হিসেবে উঠে এসেছে তাঁর নাম। এবার তাঁর গন্তব্য হতে পারে রাইসিনা হিল। রাষ্ট্রপতি পদে বিরোধীদের প্রার্থী যশবন্ত সিনহাকে পরাজিত করতে পারলেই দ্রৌপদী হয়ে উঠবেন দেশের প্রথম আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতি। পাশাপাশি তিনি হবেন ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি, যিনি ভারতের স্বাধীনতার পর জন্মগ্রহণ করেছেন।

সম্ভাবনা কতটা?

প্রাথমিক হিসেব অনুযায়ী, ১৮টি বিরোধী দল সমর্থিত প্রার্থী যশবন্ত সিনহা-র থেকে রাষ্ট্রপতি হওয়ার দৌড়ে বেশ অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন দ্রৌপদী মুর্মু। উপজাতি সম্প্রদায় প্রতিনিধি হওয়ার কারণে প্রথম থেকেই প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ভাসছিল। উপজাতি গোষ্ঠীর কেউ রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হলে রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, তেলেঙ্গানা, জম্মু-কাশ্মীর এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে জনগোষ্ঠীর সমর্থন বিজেপির দিকে যেতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশ-সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে গত নির্বাচনে গেরুয়া শিবির বিপুল সমর্থন পেয়েছে। অন্যদিকে, আর দু'বছর পরেই হতে চলেছে লোকসভা নির্বাচন। সেক্ষেত্রে যদি রাষ্ট্রপতি হিসেবে কোনও মহিলাকে বিজেপি বেছে নেয়, তাহলে তাদের জন্য বড় বার্তা দেওয়া হবে বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি, আদিবাসী ভোটের একটা বড় অংশ বিজেপির দিকে যেতে পারে এই সিদ্ধান্তে। এই বিষয়টা বিরোধী দলের নেতা-মন্ত্রীরাও ভালোই বুঝতে পারছেন। পাশাপাশি, মহিলাদের ব্যাপক সমর্থনও প্রাপ্তি করবে গেরুয়া শিবির। সেক্ষেত্রে বিষয়টি ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের আগে গেরুয়া শিবিরকে কয়েক ধাপ এগিয়ে রাখবে বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।

অন্যদিকে, এই পদক্ষেপের ফলে বিজেপির 'নিম্নবর্গের পরিপন্থী' তকমাটাও অনেকাংশে ঘুচতে পারে। এর আগে ২০১৭ সালে হিন্দু-দলিত নেতা রামনাথ কোবিন্দকে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী করার ফলে উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনে হিন্দু-দলিতদের প্রতি একটা ইতিবাচক বার্তা দিতে পেরেছিল বিজেপি। পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর ফলও ভালোভাবেই উসুল করেছে শাসক দল। তাই এবার যদি দ্রৌপদী মুর্মু রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন, তাহলে আদিবাসী-অধ্যুষিত এলাকায় অনেকটাই সমর্থন লাভ করতে পারে বিজেপি। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির জন্য এই বিষয়টা বেশি লাভজনক হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

লিখেছেন
Sourish Das
Sourish Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? সরকার বদলায়, কেন বদলায় না মন?

Rabindranath Tagore Targeted in Bangladesh: বাংলাদেশে বারবার কেন নিশানা হচ্ছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর? হাসিনা থেকে ইউনূস, সরকার বদলালেও কেন থামছে না তাঁর সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার মুছে ফেলার চেষ্টা? জাতীয় সঙ্গীতের স্রষ্টাকেই কেন বারবার প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়তে হচ্ছে?