তৃণমূল মানে কে, প্রমাণিত ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে

Ritabrata and Mamata July 21 Rally: একদিকে ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট তৃণমূলের সমাবেশ। অন্যদিকে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ঋত-তৃণমূলের সভা। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের জয়ী ৮০ জন বিধায়কের অধিকাংশই এখন ঋতব্রত শিবিরে। ফলে সাংগঠনিক শক্তির বিচারে সেই শিবিরই এগিয়ে। কিন্তু ২১ জুলাইয়ের জনসমাগম দেখাল, সাংগঠনিক সমর্থন আর জনসমর্থন এক নয়।

Sangita Ghorai
৪ মিনিট
তৃণমূল মানে কে, প্রমাণিত ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে

তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক নিয়ে লড়াইয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও নির্বাচন কমিশনের হাতে। কিন্তু সেই আইনি নিষ্পত্তির আগেই ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের দুই সমাবেশ যেন রাজনৈতিকভাবে অন্য এক প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিল। প্রতীক শেষ পর্যন্ত যে শিবিরের হাতেই যাক না কেন, তৃণমূল কংগ্রেস বলতে সাধারণ কর্মী-সমর্থক কাকে বোঝেন, তার স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলল একুশে জুলাই কলকাতার দুই মঞ্চে।

একদিকে ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট তৃণমূলের সমাবেশ। অন্যদিকে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ঋত-তৃণমূলের সভা। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের জয়ী ৮০ জন বিধায়কের অধিকাংশই এখন ঋতব্রত শিবিরে। ফলে সাংগঠনিক শক্তির বিচারে সেই শিবিরই এগিয়ে। কিন্তু ২১ জুলাইয়ের জনসমাগম দেখাল, সাংগঠনিক সমর্থন আর জনসমর্থন এক নয়।

কলকাতা হাইকোর্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার জন্য বিড়লা প্ল্যানেটরিয়ামের পাশের রাস্তা নির্দিষ্ট করে দিয়েছিল। পাশাপাশি নির্দেশ ছিল, আড়াই হাজারের বেশি মানুষের জমায়েত করা যাবে না। কিন্তু সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কর্মী-সমর্থকদের ঢল নামে সেখানে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঞ্চে ওঠার আগেই গোটা এলাকা কার্যত জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

একুশে জুলাইয়ের সভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

অন্যদিকে মেয়ো রোডে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় মঞ্চে একাধিক বিধায়ক ও নেতার উপস্থিতি থাকলেও দর্শকাসনের বহু চেয়ার ফাঁকাই দেখা যায়। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, এই দৃশ্যই দুই শিবিরের বর্তমান বাস্তবতার সবচেয়ে বড় প্রতীক হয়ে উঠেছে।

বক্তৃতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, প্রলোভন দেখানো সত্ত্বেও শহিদ পরিবারের সদস্যরা তাঁর সভায় এসেছেন। তাঁদের ধন্যবাদ জানান তিনি। একই সঙ্গে ঘোষণা করেন, এবার তিনি জেলায় জেলায় বেরোবেন। তাঁকে আটকানোর ক্ষমতা কারও আছে কি না, সেটাও দেখতে চান বলে মন্তব্য করেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
যন্তর মন্তরে অনশন থেকে সংসদ অভিযান, আরশোলারা যা যা ঘটালো

Sonam Wangchuk: যন্তর মন্তরে সোনম ওয়াংচুকের অনশন শুরুর পর একের পর এক কী কী ঘটনা ঘটেছে? হাসপাতালে স্থানান্তর থেকে 'সংসদ চলো' কর্মসূচি, পুলিশের লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস, আদালতের হস্তক্ষেপ এবং কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠক—জানুন পুরো ঘটনাক্রম।

বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগে তিনি অভিযোগ করেন, ২১ জুলাইয়ের সভা বানচাল করতে সোমবার রাতে বিদ্যুতের তার কেটে দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গ টেনে বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “ওরা তারকাটা পার্টি”।

দলভাঙন নিয়েও এদিন স্পষ্ট বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঋতব্রত শিবিরকে বিজেপির বি টিম বলে আক্রমণ করে তিনি বলেন,

যারা চলে গিয়েছে তারা আর ফিরে আসতে পারবে না।

তাঁর কথায়,

সব চোর চলে গিয়েছে, বেঁচে গিয়েছি।

ভয় দেখিয়ে কিছু মানুষকে কিছু সময়ের জন্য চুপ করানো গেলেও শেষ পর্যন্ত মানুষই জবাব দেবে বলেও দাবি করেন তিনি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
শাহিনবাগ, কৃষক আন্দোলন থেকে কোথায় আলাদা আরশোলাদের জমায়েত?

NEET Protest vs Shaheen Bagh and Farmers' Protest: শাহিনবাগে ছিল নাগরিকত্বের প্রশ্ন, কৃষক আন্দোলনে জীবিকার লড়াই। কিন্তু দিল্লির নিট-দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলন কেন অন্যরকম? কীভাবে এই আন্দোলন ধর্ম বা জীবিকার গণ্ডি ছাড়িয়ে লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণীর ভবিষ্যৎ, পরিশ্রমের ন্যায্য মূল্যায়ন এবং শিক্ষাব্যবস্থার জবাবদিহির প্রশ্নকে জাতীয় বিতর্কের কেন্দ্রে এনে ফেলল?

ভোটে হারের পরও অক্ষুণ্ন মমতা ম্যাজিক

অন্যদিকে মেয়ো রোডের সভা থেকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শহিদ পরিবারগুলির জন্য মাসে ১০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি তাঁদের দলকে স্বীকৃতি দেয়, তাহলে দলের তহবিল থেকেই এই অর্থ দেওয়া হবে। পাশাপাশি তৃণমূলের বিপুল সম্পদ এবং ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাইয়ের তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ না হওয়ার প্রশ্নও তোলেন তিনি।

রাজনৈতিক তাৎপর্যের দিক থেকে এ দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল দুই শিবিরে শহিদ পরিবারগুলির উপস্থিতি। কয়েকটি পরিবার ঋতব্রত শিবিরের সভায় গেলেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পরিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় উপস্থিত ছিলেন। সেই বিষয়টিও নিজের বক্তব্যে তুলে ধরেন মমতা।

মেয়ো রোডে একুশে জুলাইয়ের সভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়

প্রতি বছর ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকেই তৃণমূলের রাজনৈতিক রণকৌশলের বার্তা দিতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। তৃণমূল আর রাজ্যে ক্ষমতায় নেই। অন্যান্যবারের মতো ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভা হয়নি। হাওড়া বা শিয়ালদহ স্টেশনেও অন্যান্য বছরের মতো কর্মীদের ঢল চোখে পড়েনি। তবু সভাস্থলে পৌঁছে দেখা গেল অন্য ছবি। বহু কর্মী শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য শুনতেই কলকাতায় এসেছেন।

সভায় উপস্থিত কর্মীদের অনেকেই বলেন, নেতা নয়, কর্মীরাই নেতা তৈরি করেন। কেউ কেউ বলেন, দল ক্ষমতায় না থাকায় ভিড় কিছুটা কম হওয়াই স্বাভাবিক। তবে যারা এসেছেন, তাঁরাই প্রকৃত তৃণমূল। আবার অনেকেই ঋতব্রত শিবিরে যাওয়া নেতাদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করে বিজেপির বি টিম বলেও কটাক্ষ করেন।

এক সময় বিরোধীরা তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলতেন, দলে একটাই পোস্ট, বাকিরা ল্যাম্পপোস্ট। ২১ জুলাইয়ের দুই সমাবেশের ছবি যেন সেই পুরনো রাজনৈতিক সমালোচনাকেই নতুন করে সামনে নিয়ে এল। অধিকাংশ বিধায়ক, সাংগঠনিক নেতৃত্ব এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি একদিকে থাকলেও কর্মীদের বড় অংশ যে এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই নিজেদের রাজনৈতিক পরিচয় খুঁজে পান, এ দিনের জনসমাগম অন্তত সেই বার্তাই দিল।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হলেও তৃণমূল ৪০.৬৮ শতাংশ ভোট পেয়েছে। সেই ভোটের বড় অংশ আদতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতার প্রতিফলন ছিল বলেই ২১ জুলাইয়ের সমাবেশ যেন বুঝিয়ে দিল।

এদিন শহিদ মিনারের পাদদেশে পৃথকভাবে শহিদ দিবস পালন করে কংগ্রেসও। কারণ ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্রের দাবিতে মহাকরণ অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তৎকালীন যুব কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে কংগ্রেস ছেড়ে তিনি গড়ে তোলেন তৃণমূল কংগ্রেস।

নাম, প্রতীক এবং আইনি স্বীকৃতির লড়াই এখনও শেষ হয়নি। সেই সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু ২১ জুলাইয়ের দুই মঞ্চ অন্তত একটি রাজনৈতিক বার্তা স্পষ্ট করে দিল। সংগঠনের নিয়ন্ত্রণ এক জিনিস, আর মানুষের আবেগ ও রাজনৈতিক পরিচয়ের কেন্দ্রবিন্দু হওয়া আরেক জিনিস। সোমবারের কলকাতার দুই সমাবেশে সেই পার্থক্যটাই সবচেয়ে স্পষ্ট হয়ে উঠল।

লিখেছেন
Sangita Ghorai
Sangita Ghorai
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

অর্ণব গোস্বামী, সুধীরদের প্রত্যাখ্যান মানুষের, অজুহাত অ্যালগরিদম?

Delhi CJP protest: অ্যালগরিই দর্শকদের প্রচলিত সংবাদমাধ্যম থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে?

‘মনমরা’ থেকে ‘ফুরফুরে’: প্রিজন ভ্যানে ‘হাম হোঙ্গে কামিয়াব’ আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক পুনরুজ্জীবনের দিন

Political return of mamata banerjee: জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ‘দিল্লি চলো’ কর্মসূচিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও’ব্রায়েন, দোলা সেনসহ দেড় হাজারেরও বেশি বিরোধী নেতা আটক হলেন। প্রিজন ভ্যান থেকে ফেসবুক লাইভে খোশমেজাজে বিদ্রোহী মমতা গাইলেন, ‘হাম হোঙ্গে কামিয়াব’ ও ‘জাগো দুর্গা’র মতো গান। বিগত কয়েক মাসের পরাজয়, ভাঙনের মধ্যেও ‘ফ্রি বার্ড’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রত্যাবর্তন ঘটল যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের হাত ধরে।

২০১৪–২০২৬: যে যে গণআন্দোলন মোদী সরকারকে পিছু হটতে বাধ্য করেছে

Street fighting years of Modi-Raj: ২০১৯-এর সিএএ-বিরোধী আন্দোলন শাহিন বাগে ১০১ দিন স্থায়ী হয়, যার জেরে সরকার এনআরসি থেকে সরে আসে। ২০২০-২১-এর কৃষক আন্দোলন ৩৮০ দিন চলে, ৭৫০ জন কৃষকের মৃত্যু হয়, তিন কৃষি আইন প্রত্যাহার করা হয়। ২০২৬-এর সিজেপি আন্দোলন শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ আদায় করে এখন এসআইআর ও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে যন্তর মন্তর ২.০ গড়ে তুলতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।

প্রেস কার্ড গলায়, তবু আটক! দিল্লিতে SIR-বিরোধী আন্দোলন কভার করতে গিয়ে পুলিশের জালে সাংবাদিকরা

Journalists detained in Delhi: নিউজলন্ড্রির বিবৃতি অনুযায়ী, তাঁদের তিন রিপোর্টার অনমোল প্রীতম, অশ্বিনী কুমার সিং এবং আস্থা সব্যসাচী ও তাঁদের এক ইন্টার্নের অফিসিয়াল ফোনগুলি পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হয়। সাংবাদিকরা যখন নিজেদের গণমাধ্যমের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেন, তখন পুলিশ সরাসরি বলে ওঠে— “এখানে কোনো মিডিয়া নেই!” (কোই মিডিয়া নেহি হ্যায়)

জ্ঞানেশ বিতর্ক: সিআইএ থেকে জর্জ সোরোস, বিজেপির ন্যারেটিভ কাজ করছে না?

The Narrative structure of BJP Breaks: ২০২৬-এর অক্টোবরে, জ্ঞানেশ কুমার-বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল ভারত। ১৩ কোটি জনতার ভোটাধিকার হরণের অভিযোগে সরব বিরোধীরা। জবাবে বিজেপির পাল্টা ন্যারেটিভে কখনও উঠে আসছেন দুবাইয়ের পাইলট, ইলন মাস্কের USAID দাবি, জর্জ সোরোস, অথবা ‘বিদেশি ফান্ডিং’ এর পুরনো গল্প। কিন্তু, একথা প্রমানিত সত্য, USAID-র ২১ মিলিয়ন ডলার বাংলাদেশে গিয়েছিল, আর এবার ভোটাধিকারের প্রশ্নে বিজেপির ন্যারেটিভ কন্ট্রোল কাজ করছে না।

সিজেপি আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ মুখ সোনম ওয়াংচুক কোথায়?

Sonam Wangchuk: সিজেপি আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ মুখ সোনম ওয়াংচুক কোথায়? দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে তাঁকে দেখা গেল না কেন?

বিশ্বমঞ্চ যেভাবে দেখছে ভারতের নির্বাচন কমিশনারকে

Global Spotlight on Gyanesh Kumar: ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে, জেন-জি আন্দোলন আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে কভার হয়েছে। বিবিসি, রয়টার্স, গার্ডিয়ান, আল জাজিরা, ডিডাব্লিউ, এপি, নিউ ইয়র্ক টাইমস, আরএফআই, ফ্রান্স ২৪, ডন, সবাই জানিয়েছে, এসআইআরে ১৩ কোটি নাম বাদের কথা, ভারতের মুসলিম নাগরিকদের এসআইআরের মাধ্যমে অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে লক্ষ্যবস্তু বানানোর কথা, রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী সাংসদরা বারবার আটকের কথা।

সিইসি-র পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ, রাজধানীতে বিক্ষোভ শুরুর আগেই ৫০০ আটক, ৪০,০০০-এরও বেশি নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন

Delhi’s October 10 protest: যন্তর মন্তর ও কনট প্লেসের আশপাশ থেকে আন্দোলনকারীদের আটক করা হয়েছে। পুলিশের দেওয়া তথ্য উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আটক ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় ৫০০। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিও।