হোয়াটসঅ্যাপের হাল এবার CRED প্রতিষ্ঠাতা কুনাল শাহের হাতে!

Kunal Shah WhatsApp CEO: ভারতীয় স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের পোস্টার বয়, CRED-এর ফাউন্ডার কুনাল শাহ এবার বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় চ্যাট অ্যাপ WhatsApp-এর গ্লোবাল হেড বা সিইও (CEO) হতে চলেছেন।

inscript
৪ মিনিট
হোয়াটসঅ্যাপের হাল এবার CRED প্রতিষ্ঠাতা কুনাল শাহের হাতে!

২২ জুন ২০২৬, চারদিকে হইচই! খবর কী? ভারতীয় স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের পোস্টার বয়, CRED-এর ফাউন্ডার কুনাল শাহ এবার বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় চ্যাট অ্যাপ WhatsApp-এর গ্লোবাল হেড বা সিইও (CEO) হতে চলেছেন।

শুধু ভারতের নয়, গোটা বিশ্বের হোয়াটসঅ্যাপ সাম্রাজ্য সামলাবেন মুম্বইয়ের এই বাঙালি ঘরের ছেলে। তবে চমকের এখানেই শেষ নয়। হোয়াটসঅ্যাপের মাদার কোম্পানি ‘Meta’ কেবল কুনাল শাহকে নিজেদের টিমে নেয়নি, সেই সঙ্গে কুনালের নিজের তৈরি কোম্পানি CRED-এ এক ধাক্কায় ৯০০ মিলিয়ন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৮,৫৫ কোটি টাকা) ইনভেস্ট করার ঘোষণা করেছে।

গোটা ডিলটা ঠিক কী? কুনাল শাহের এই উত্তরণ ভারতীয় টেক দুনিয়ার জন্য কতটা বড় মাইলফলক? আমাদের রোজকার ব্যবহারের হোয়াটসঅ্যাপে এর কী প্রভাব পড়তে চলেছে?

আজ বিশ্বজুড়ে হোয়াটসঅ্যাপের ৩০০ কোটিরও বেশি (3 Billion+) ব্যবহারকারী আছে, যার মধ্যে ৫০ কোটির বেশি ব্যবহারকারী শুধু ভারতেই! ভারতের মানুষের কাছে আজ হোয়াটসঅ্যাপ মানেই হলো ইন্টারনেট। সকালের গুড মর্নিং মেসেজ থেকে শুরু করে ভয়েস মেসেজ বা আঞ্চলিক ভাষায় চ্যাট—সবকিছুই চলে এই অ্যাপে।

কিন্তু মুশকিল হলো, এত বড় ইউজার বেস বা ‘স্কেল’ থাকা সত্ত্বেও হোয়াটসঅ্যাপ সেখান থেকে আশানুরূপ রেভিনিউ বা আয় জেনারেট করতে পারছে না। মেটা দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করছে হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেস এবং চ্যাটের ভিতরে কেনাকাটা বা কমার্স চালু করতে, কিন্তু তাতে এখনও বড় কোনো সাফল্য আসেনি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
স্ক্রিন ছাড়াই কোডিং শিখবে দৃষ্টিহীনরা, ভারতীয় ছাত্রদের আবিষ্কার তাক লাগাল বিশ্বকে

Project TACTO: কোনো স্ক্রিন ছাড়াই, স্রেফ হাতের স্পর্শ, বোতাম, সেন্সর আর অডিও বার্তার সাহায্যে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের কোডিং শেখাতে গালগোটিয়াস ইউনিভার্সিটির চার শিক্ষার্থী তৈরি করেছে এক অভিনব ডিভাইস—'TACTO'। প্রচলিত স্ক্রিন-নির্ভর শিক্ষার নিয়মকে বদলে দিয়ে কোডিংয়ের মতো জটিল বিষয়কে এই যন্ত্রটি অনায়াসে তাদের হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে।

গুগল পে আর ফোনপে-র ধাক্কা

সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা লেগেছে ডিজিটাল পেমেন্টসের বাজারে মেটা ২০১৮ সালেই ভারতে ‘WhatsApp Pay’ (UPI) চালু করেছিল। কিন্তু সরকারি নানা নিয়মকানুন এবং স্থানীয় স্তরে সঠিক লিডারশিপের অভাবে হোয়াটসঅ্যাপ পেমেন্টস ভারতের বাজারে পুরোপুরি মার খেয়ে যায়।

আজ ভারতের অলিতে-গলিতে, চায়ের দোকান থেকে শপিং মল—সব জায়গায় রাজত্ব করছে ফোনপে এবং গুগল পে। সেখানে হোয়াটসঅ্যাপ পেমেন্টস ওয়ান পার্সেন্ট (১%)-এরও কম মার্কেট শেয়ার নিয়ে বহু পিছনে পড়ে রয়েছে। কোটি কোটি মানুষ রোজ হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট করছেন ঠিকই, কিন্তু টাকা পাঠানোর সময় অ্যাপ বদলে ফোনপে বা গুগল পে খুলছেন। এই গ্যাপটাই মেটার গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

আর ঠিক এই জায়গাতেই প্রয়োজন ছিল কুনাল শাহের মতো একজন মানুষের। কুনাল নিজেই সম্প্রতি লিখেছেন, “হোয়াটসঅ্যাপ আজ যেখানে দাঁড়িয়ে আছে, আর তার আসলে যতটা সম্ভাবনা আছে—এই দুটোর মধ্যে একটা বিশাল গ্যাপ রয়ে গিয়েছে।”

কেন কুনাল শাহ-ই মেটার সেরা বাজি?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
৭ বছর বয়সে কোডিং, ১৬ বছরেই ১০০ কোটির কোম্পানি! কে এই প্রাঞ্জলি অবস্থি?

ভারতেই জন্ম প্রাঞ্জলির। তবে ছোটবেলাতেই, মাত্র ১১ বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে তিনি আমেরিকার ফ্লোরিডায় চলে যান। প্রাঞ্জলির বাবা ছিলেন একজন ইঞ্জিনিয়ার। বাবার কাজ দেখতে দেখতেই ছোট্ট প্রাঞ্জলির কম্পিউটারের প্রতি ভালবাসা তৈরি হয়।

মার্ক জুকারবার্গ এবং মেটার টিম স্রেফ একজন চাকরিজীবী ম্যানেজার খুঁজছিলেন না, তাঁরা খুঁজছিলেন একজন পোড়খাওয়া ‘এন্টারপ্রেনার’ বা উদ্যোক্তাকে, যার মধ্যে রয়েছে ‘বিল্ডার মেন্টালিটি’। কুনাল শাহ হলেন সেই মানুষ, যিনি ফিনটেক দুনিয়ায় শূন্য থেকে সাম্রাজ্য গড়তে ও স্কেল করতে পারেন।

  • Freecharge থেকে CRED-এর জার্নি: ২০১০ সালে কুনাল তৈরি করেছিলেন মোবাইল রিচার্জ প্ল্যাটফর্ম ‘Freecharge’, যা ২০১৫ সালের মধ্যে ভারতের অন্যতম বড় প্ল্যাটফর্ম হয়ে ওঠে এবং পরে স্ন্যাপডিল তা কিনে নেয়। এরপর ২০১৮ সালে তিনি গড়ে তোলেন CRED।

  • বিশ্বাসের ব্র্যান্ড তৈরি: কুনাল শাহ CRED-এর মাধ্যমে ভারতের সবচেয়ে প্রিমিয়াম এবং হাই-ক্রেডিট স্কোরের (৭৫০-এর উপরে) গ্রাহকদের টার্গেট করেছিলেন। ক্রেডিট কার্ডের বিল পেমেন্টে কয়েন বা রিওয়ার্ড দেওয়ার যে আইডিয়া তিনি এনেছিলেন, তা সোশ্যাল মিডিয়ায় মিম হলেও মানুষের মনে এক অদ্ভুত ট্রাস্ট বা বিশ্বাস তৈরি করেছিল। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে লাখ লাখ টাকার লেনদেনে মানুষ CRED-কে বিশ্বাস করতে শিখেছে।

  • লাইসেন্স ও প্রফিটাবিলিটি: এই মুহূর্তে CRED-এর ইউজার সংখ্যা ১.৭ কোটি। কোম্পানিটির অ্যানুয়ালাইজড রেভিনিউ প্রায় ৩,২০০ কোটি টাকা এবং তারা প্রথমবার লাভের মুখ দেখেছে। সবচেয়ে বড় কথা, কুনালের দূরদর্শিতায় CRED-এর কাছে আজ লেন্ডিং (NBFC), ব্রোকার, ইনস্যুরেন্স এবং পেমেন্ট অ্যাগ্রিগেটর-এর মতো সমস্ত প্রয়োজনীয় ফাইন্যান্সিয়াল লাইসেন্স রয়েছে।

মেটা আসলে কুনাল শাহের এই ফিনটেক বুদ্ধি, ভারতীয় বাজারের গভীর বোঝাপড়া এবং পেমেন্ট ইকোসিস্টেমের এক্সপার্টাইজটাকেই কাজে লাগাতে চায়।

হোয়াটসঅ্যাপ নিয়ে কুনালের মাস্টারপ্ল্যান কী হতে পারে?

কুনাল শাহ এবার CRED-এর প্রতিদিনের অপারেটিং রোল থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন, সেখানে ইন্টেরিম সিইও হচ্ছেন মিতেন সম্পত। তবে কুনাল তাঁর শেয়ার নিজের কাছেই রাখছেন। হোয়াটসঅ্যাপের গ্লোবাল হেড হিসেবে কুনাল এবার তিনটি মূল বিষয়ে ফোকাস করবেন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল:

১) চ্যাটের ভিতরেই পেমেন্ট ও কমার্স: ফোনপে বা গুগল পে-র মতো আলাদা অ্যাপে না গিয়ে মানুষ যেন চ্যাট করতে করতেই অত্যন্ত সহজে এবং বিশ্বাসের সঙ্গে টাকা লেনদেন করতে পারেন। হোয়াটসঅ্যাপের ভিতরেই আস্ত দোকান বা ব্যবসা খুলে সরাসরি বেচাকেনা চালু করা।

২) ক্রস-সেলিং (Cross-selling): CRED যেমন লেন্ডিং বা ইনস্যুরেন্সের ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকা রেভিনিউ বাড়িয়েছে (যার লেন্ডিং বুক বা AUM আজ ২৪,০০০ কোটি টাকা), সেই একই মডেল হয়তো হোয়াটসঅ্যাপের বিশাল ইউজার বেসের উপর প্রয়োগ করা হতে পারে। হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমেই লোন, ইনস্যুরেন্স বা কো-ব্র্যান্ডেড ক্রেডিট কার্ডের মতো প্রিমিয়াম সার্ভিস মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হতে পারে।

অবশ্য এই মেগা মুভ নিয়ে সমালোচনাও কম হচ্ছে না। সমালোচকদের একাংশের মতে, CRED এবং হোয়াটসঅ্যাপ আসলে একেবারে বিপরীত মেরুর দুটি অ্যাপ। CRED তৈরি হয়েছিল শুধুমাত্র সমাজের উপরতলার প্রিমিয়াম ইউজারদের জন্য, যার চক্করে তাদের ইউপিআই মার্কেট শেয়ার মে ২০২৬-এর মধ্যে তলানিতে (৮ম স্থানে) ঠেকেছে। অন্যদিকে হোয়াটসঅ্যাপ হলো দেশের একেবারে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের অ্যাপ। প্রিমিয়াম মাইন্ডসেটের কুনাল শাহ এই আমজনতার অ্যাপকে কীভাবে ড্রাইভ করবেন, সেটাই দেখার।

তা ছাড়া ডেটা প্রাইভেসি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। CRED-এর বিরুদ্ধে আগে থেকেই প্রচুর কাস্টমার ফিন্যান্সিয়াল ডেটা নেওয়ার অভিযোগ ছিল, আর মেটার নিজস্ব AI আসার পর হোয়াটসঅ্যাপের প্রাইভেসি নিয়েও মানুষ চিন্তিত। দুটি অ্যাপের এই ডেটা পলিসি ইউজারদের মনে কতটা স্বস্তি দেবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

ভারতের একজন 'ফাউন্ডার' এবার ক্যালিফোর্নিয়ায় বসে নিয়ন্ত্রণ করতে চলেছেন দুনিয়ার কোটি কোটি মানুষের চ্যাট বক্সের ভবিষ্যৎ। ফোনপে আর গুগল পে-র একচেটিয়া বাজারে কি এবার কুনাল শাহের হাত ধরে হোয়াটসঅ্যাপ পেমেন্টস বড়সড় কামব্যাক করতে পারবে?

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আইনস্টাইনের কাল্পনিক পরীক্ষা এবার বাস্তবে, কোয়ান্টাম জগতের কণা-তরঙ্গ রহস্যের কী হলো?

Einstein Bohr quantum debate: সম্প্রতি ১০০ বছর আগের আইনস্টাইনের সেই কাল্পনিক পরীক্ষাটি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি অব চায়না (USTC)-এর বিখ্যাত কোয়ান্টামবিজ্ঞানী জিয়ান-উই প্যান (Jian-Wei Pan) এবং তাঁর সহকর্মীরা ল্যাবরেটরিতে বাস্তবে রূপ দিয়েছিলেন।

AI-এর যুগে মানুষ কি নিজের বুদ্ধিটাই মেশিনের হাতে তুলে দিচ্ছে?

Artificial Intelligence: ছোটবেলায় অনেকেই ভাবত রোবট এসে মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলি করে দেবে। মানুষ অবসর পেয়ে গান শুনবে, কবিতা লিখবে কিংবা বারান্দায় বসে কফি খাবে। বাস্তবে দেখা গেল ঠিক তার উল্টো চিত্র। রোবট এখন কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে আর কোড তৈরি করছে। অন্যদিকে মানুষ সকাল থেকে রাত ল্যাপটপের সামনে বসে শিখছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং।

মহাকাশে রওনা নাসার টেলিস্কোপের, বদলে দিতে পারে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি?

NASA’s Roman Space Telescope: নাসার নতুন ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ বদলে দেবে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি? হাবল ও জেমস ওয়েবের পর কেন প্রয়োজন হলো এই নতুন মহাকাশ-চোখের? ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে কি নতুন তথ্য দেবে রোমান? মহাবিশ্বের প্রসারণের ইতিহাস বুঝতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ?

সৌরপৃষ্ঠ আসলে কেমন? ৩৩ বছর পর মিলল উত্তর

Sun’s surface mystery: সূর্যের পৃষ্ঠকে এতদিন দূর থেকে তুলোর মতো নরম ও শান্ত দেখালেও, তা কি সত্যিই এমন? বিশ্বের বৃহত্তম সৌর টেলিস্কোপ ড্যানিয়েল কে ইনোয়ের তোলা সর্বোচ্চ-রেজোলিউশনের ছবিতে দেখা গেল ছোট ছোট হিংস্র প্লাজমার ঘূর্ণি। ৩৩ বছর আগে করা জোয়ান কার্পেনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কি অবশেষে সত্যি প্রমাণিত হলো? এই আবিষ্কার কি বদলে দেবে সৌরপৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা?

৩ অগাস্ট থেকে বদলে যাচ্ছে শেয়ার বাজারের নিয়ম!

Stock Market India: নতুন ব্যবস্থার অধীনে শেয়ার বাজার বন্ধের সময়কে তিনটি আলাদা অংশে ভাগ করা হয়েছে। তবে নন-এফএন্ডও (Non-F&O) স্টকগুলির ক্ষেত্রে আগের মতোই বিকেল ৩:৩০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন চালু থাকবে, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। কিন্তু এফএন্ডও স্টকগুলির ক্যাশ মার্কেটে প্রতিদিন একটানা লেনদেন চলবে বিকেল ৩:১৫ মিনিট পর্যন্ত।

আইআইটি-র দুই প্রাক্তনীর বৈদ্যুতিক কৃষিযন্ত্রে একরপ্রতি খরচ মাত্র ৪০ টাকা

Electric Power Tiller: বাজারে যেসব ট্র্যাক্টর পাওয়া যায়, তা হয় বিশাল বড় জমির উপযোগী, না হয় কেনা ও চালানো দুটোই খুব ব্যয়বহুল। ভারতে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কৃষকের জমিই ছোট ও খণ্ড-বিখণ্ড, যেখানে বড় যন্ত্র ঢোকানোই সম্ভব নয়। আবার চিন থেকে আমদানি করা ছোট ছোট সস্তা মেশিনগুলিতে যন্ত্রাংশ ও সার্ভিসিংয়ের চূড়ান্ত সমস্যা তৈরি হয়। তাই বিদেশ থেকে আমদানির কথা না ভেবে, আইআইটি বোম্বের দুই প্রাক্তনী ঐশ্বর্য রামকৃষ্ণন ও কেদার গোখলে সিদ্ধান্ত নেন খাঁটি দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতের মাটির উপযোগী সমাধান তৈরি করার।

মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও উষ্ণ থাকে সোনাম ওয়াংচুকের বাড়ি

Sonam Wangchuk House: সোনম ওয়াংচুক মানেই পাহাড়ঘেরা লাদাখের ছবি, বরফে ঢাকা জীবন আর নতুন এক ভাবনার আলো। পেশায় তিনি একজন প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ এবং উদ্ভাবক। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে তিনি যেন রূপকথার সেই মানুষটি, যিনি পাহাড়ের রুক্ষ জীবনের কঠিন সমস্যাগুলিকে বিজ্ঞানের সহজ ছোঁয়ায় অত্যন্ত সহজ করে তুলেছেন।

মহাকাশে মিলল চিনির সন্ধান, কেন গুরুত্বপূর্ণ এই আবিষ্কার?

natural sugar in space: ছায়াপথের কেন্দ্রের একটি আণবিক মেঘে প্রথমবারের মতো প্রকৃত মনোস্যাকারাইড ‘এরিথ্রুলোজ’-এর সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার জানাচ্ছে, নক্ষত্র ও গ্রহ তৈরির আগেই মহাকাশে জটিল জৈব অণু তৈরি হতে পারে। ফলে পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বে জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে গবেষণার আগ্রহ বেড়েছে।