ঘটি-বাঙাল দ্বন্দ্বের সবচেয়ে বড় মঞ্চ ছিল কলকাতার ফুটবল
এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা, এক অর্থে, ‘ঘটি’ (পশ্চিমবঙ্গের মূলত স্থায়ী বাঙালি জনগোষ্ঠী) ও ‘বাঙাল’ (পূর্ববঙ্গীয় উদ্বাস্তু বাঙালি)–এর মধ্যকার একটি সাংস্কৃতিক যুদ্ধ। উদ্বাস্তুদের পক্ষে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব ছিল তাঁদের স্মৃতিবাহী ‘পোর্টেবল হোমল্যান্ড’—একটি রূপক প্রতীক, যা তাঁরা বাস্তব ভূখণ্ড হারালেও হৃদয়ে বহন করে চলেছেন।
ভারতবর্ষের দেশভাগ (১৯৪৭) কেবল একটি রাজনৈতিক-ভূখণ্ডগত পুনর্বিন্যাস ছিল না; বরং তা ছিল ইতিহাসের এক বেদনাময় ছেদ, যা লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে শিকড়চ্যুতি, নিরাপত্তাহীনতা এবং আত্মপরিচয়ের সংকট ডেকে আনে। বিশেষত পূর্ববঙ্গ থেকে পশ্চিমবঙ্গে আগত উদ্বাস্তু বাঙালিরা শুধুমাত্র তাঁদের বসতভিটা হারাননি; হারিয়েছেন সামাজিক সম্মান, সাংস্কৃতিক আত্মবিশ্বাস এবং নাগরিক পরিসরে অংশগ্রহণের অধিকার। সেইসঙ্গে তৈরি হয় এক বিশিষ্ট জাতিগত ও সাংস্কৃতিক দ্বন্দ্ব, যার বহিঃপ্রকাশ ঘটে কলকাতার জনজীবনের নানা স্তরে। তবে এই দ্বন্দ্ব স...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে







