নেশায় ডুবে ভূস্বর্গের নতুন প্রজন্ম, নেপথ্যে রয়েছে সন্ত্রাসের ছক?

'নারকো টেরর ইন কাশ্মীর’, অর্থাৎ ড্রাগ আসক্তির সন্ত্রাস চলছে কাশ্মীরে। প্রতি ঘণ্টায় একজন করে মাদকাসক্ত ভর্তি হন নেশামুক্তি কেন্দ্রে। যার মধ্যে অধিকাংশ স্কুল এবং কলেজপড়ুয়া।

tiasa gupta
৪ মিনিট
নেশায় ডুবে ভূস্বর্গের নতুন প্রজন্ম, নেপথ্যে রয়েছে সন্ত্রাসের ছক?

তখনও ভারী বুটের শব্দে ঘুম ভাঙত উপত্যকার। নতুন সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে গোলাগুলির শব্দ। রাস্তায় সাঁজোয়া গাড়ির লাইন। ভবিষ্যতের চিহ্নমাত্র দেখতে পেত না তরুণরা। এরপর সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল। উন্নয়নের বার্তা দিয়ে দিনবদলের আশ্বাস। আদৌ কি পরিবর্তন হয়েছে? বোধহয় না। ভূস্বর্গে একটা প্রজন্ম ড্রাগ, হেরোইনে নিমজ্জিত। সাম্প্রতিক এই গবেষণায় যে কোনও শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের উদ্বেগ বাড়িয়ে দিতে পারে।

কী বলছে গবেষণা

'নারকো টেরর ইন কাশ্মীর’, অর্থাৎ ড্রাগ আসক্তির সন্ত্রাস চলছে কাশ্মীরে। প্রতি ঘণ্টায় একজন করে মাদকাসক্ত ভর্তি হন নেশামুক্তি কেন্দ্রে। যার মধ্যে অধিকাংশ স্কুল এবং কলেজপড়ুয়া। এই আসক্তদের মধ্যে আবার এক তৃতীয়াংশ মহিলা। এমন তথ্য উঠে এল সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮-এর একটি প্রতিবেদনে। প্রশাসনের দাবি, উপত্যকায় এই মাদকাসক্তির পিছনে রয়েছে পাকিস্তানের পরিকল্পিত ছক। তাই একে 'নারকো টেরর’ বলা হচ্ছে।

রাজ্য সরকার যে সমীক্ষা চালিয়েছে, তাতে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। কাশ্মীরের মোট জনসংখ্যার ২.৮ শতাংশ জনগণ নিয়মিত ড্রাগে আসক্ত। ৫২,৪০৪ সংখ্যার বিশাল জনগণ ড্রাগের ওপর নির্ভরশীল সরাসরি। এর মধ্যে ৯৫ শতাংশ হেরোইনে আসক্ত। অধিকাংশ ক্ষেত্রে কমবয়সিরা এইভাবে নেশায় ডুবে গেছে।

সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ডিপার্টমেন্ট অ্যান্ড ডিরেক্টরেট অফ হেলথ-এর সঙ্গে একযোগে একটি সমীক্ষা চালায় রাজ্য সরকারের সংগঠন- ইনস্টিটিউট অফ মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড নিউরো সায়েন্সেস, সরকারি মেডিক্যাল কলেজ, শ্রীনগর। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, তাঁরা আগেই এরকম একটা বিষয়ে সন্দেহ করেন, তারপর তাঁরা ১০ জেলায় সমীক্ষা চালান। সমীক্ষার যে ফল তাঁদের হাতে এসেছে, তাতে তাঁদের চোখ কপালে ওঠার জোগাড়!

সমীক্ষায় দেখা গেছে, বেকার ও চাকরিহীনদের মধ্যে ড্রাগ নেওয়ার প্রবণতা বেশি। এই প্রতিবেদনের দাবি, ২০১৬ সালে শ্রীনগরে সরকারি মেডিক্যাল কেলেজে ওএসটি সেন্টারে ৪৮৯ জন ড্রাগাসক্ত ভর্তি হয়েছিলেন। ২০১৭ সালে সেই সংখ্যাটা গিয়ে দাঁড়ায় ৩ হাজারে। ২০১৯ সালে সেটা হয় ১০ হাজার। সব মিলিয়ে গত ৫ বছরে জম্মু-কাশ্মীরে নেশাসক্তের সংখ্যা বেড়েছে ২,০০০ শতাংশ।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নতুন অশোক স্তম্ভ ঘিরে দেশজুড়ে বিতর্ক, যে শিল্পী বানালেন এই মূর্তি

নতুন অশোক স্তম্ভ, যা জাতীয় প্রতীক হিসেবে পরিচিত, তার নকশা, ভাস্কর্য এবং ইনস্টলেশনের দায়িত্বে ছিলেন লক্ষ্মণ এবং তাঁর দল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংসদ ভবনে জাতীয় প্রতীক উন্মোচনের সময় শিল্পী লক্ষ্মণকে অভিনন্দন জানান।

স্বাভাবিকভাবে, এই পরিসংখ্যানে উদ্বিগ্ন জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন। তাদের আরও যা ভাবাচ্ছে, তা হলো নেশাসক্তের বয়স। এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ থেকে ১২ বছর বয়সের স্কুলপড়ুয়ারা হেরোইনের নেশায় বুঁদ হচ্ছে। নেশামুক্ত কেন্দ্রে থাকা এই রোগীদের সবার আর্থিক অবস্থাও তেমন ভালো নয়। কেউ উচ্চবিত্ত পরিবারের, তো কেউ সাধারণ নিম্নবিত্ত পরিবারের। উপত্যকাজুড়ে হেরোইন-আসক্তদের সংখ্যা বাড়ছে। এখন প্রশ্ন হলো, বর্তমান প্রজন্ম এভাবে নেশায় বুঁদ হচ্ছে কেন? তারা কোনও ভবিষ্যতের ঠিকানা দেখতে পাচ্ছে না বলেই কি এভাবে অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে? মোদি সরকারের প্যাকেজ-পরিসংখ্যান বেশ চমকে দেওয়ার মতো। তাতে কি উপত্যকার মানুষের জীবন বদলাচ্ছে না?

পাকিস্তানের ষড়যন্ত্র

এর পিছনে পাকিস্তানের পরিকল্পিত ছক দেখছে প্রশাসন। গোয়েন্দা সূত্রে তেমনটা খবর পাওয়া গেছে বলে দাবি। সম্প্রতি মনে করা গিয়েছিল, উপত্যকায় জঙ্গি দৌরাত্ম কমেছে, কিন্তু বলাই যায়, সন্ত্রাসের এটি অন্য চেহারা। প্রশাসন বলছে, সীমান্ত দিয়ে আফিম ও চারাচালান বেড়েই চলেছে। এক নার্কোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো-র আধিকারিকের কথায়, বিশ্বের ৯০ শতাংশ আফিম উৎপাদন হয় আফগানিস্তানে। সেগুলি পাঠানো হয় পাকিস্তানে। পাক ব‍্যবসায়ীদের একাংশ সেসব মাদক চালান করেন কাশ্মীরে। অবশ্য প্রশাসন আমদানি হওয়া দ্রব্যে নজরদারি শুরু করেছে। পুলিশ প্রশাসনের দাবি, পাক মাটিতে ঘাঁটি গাড়া কিছু জঙ্গি সংগঠন রয়েছে এই হেরোইন চক্রের পিছনে। উপত্যকায় পাকড়াও হওয়া বহু জঙ্গির কাছ থেকে অস্ত্র ছাড়াও পাওয়া গিয়েছে হেরোইনের প্যাকেট।

২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি। জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সিআরপিএফের কনভয়ে মারণ হামলা চালিয়েছিল জইশ-ই-মহম্মদ। পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিগোষ্ঠীর হামলায় ঝরে গিয়েছিল দেশের ৪০ জন জওয়ানের প্রাণ। ভারত এর জবাব দিতে দেরি করেনি। পুলওয়ামা হামলার ১২ দিন পর ভারত পাকিস্তানের বালাকোটে এয়ারস্ট্রাইক চালিয়েছিল বলে দাবি করেছিল।

এখন কাশ্মীরে নারকো টেরর স্ট্রাইকের পিছনে কোনও সন্ত্রাসী ছক কাজ করছে কি না, তা তদন্ত বলবে।

৩৭০ ধারা বাতিল ও উন্নয়ন?

কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর আদৌ কি উপত্যকার উন্নয়ন হয়েছে? এখন কি ভূস্বর্গের ঘুম ভাঙে টিউলিপের গন্ধে? না কি বারুদ এখনও ধিকিধিকি জ্বলছে? কিছুদিন আগে কেন্দ্রীয় সরকার সংসদে যে তথ্য দেয়, তাতে কাশ্মীরবাসী খুশিতে আত্মহারা হতেই পারেন। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর প্রধানমন্ত্রী মোদির উন্নয়ন প্যাকেজের আওতায় দেওয়া চাকরি পেতে ২১০৫ জন অভিবাসী কাশ্মীর উপত্যকার ফিরে এসেছেন। সম্প্রতি রাজ্যসভায় এই তথ্য জানান স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই। এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে মন্ত্রী জানান, প্রধানমমন্ত্রীর উন্নয়নের প্যাকেজের অধীনে ২০২০-'২১ সালে মোট ৮৪১টি নিয়োগ করা হয়েছে। ২০২১-'২২ সালে ১২৪৬টি নিয়োগ করা হয়েছে। যতই সরকার এই দাবি করুক, বিরোধীরা অন্য দাবি করছে।

নরেন্দ্র মোদি সরকার সংসদের উভয় কক্ষের ব্যাপক সমর্থন নিয়ে ভারতীয় সংবিধানের বিশেষ ধারা ৩৭০ ও ৩৫এ বিলোপ করে। ফলে স্বতন্ত্র রাজ্যের পরিবর্তে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ এখন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। কাশ্মীর বিশেষ মর্যাদা হারিয়েছে।

বিরোধীদের দাবি, এর ফলে কাশ্মীরে বেড়েছে বন্দুকবাজের ঘটনা। ২০২০ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে ২০৩ জন সন্দেহভাজনক জঙ্গি নিহত হয়েছে। এর মধ্যে ১৬৬ জনই স্থানীয়। এরা সকলেই প্রকৃতই সন্ত্রাসী কি না, তাই নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে কিছু মানবাধিকার সংগঠন।

ভারত সরকার বলছে, ৩৭০ ধারা বাতিলের পর কাশ্মীরে উন্নয়নমূলক কাজ শুরু হয়েছে। অন্যদিকে বিরোধীদের দাবি, এরপর কোনও উন্নতি তো হয়ইনি, উল্টে ধস নেমেছে পর্যটনশিল্পে, যেটা এতদিন ছিল ভূস্বর্গের স্বম্পদ। বিরোধীদের দাবি, ২০১৯ সালের পর থেকে ৫ লক্ষ কাশ্মীরি চাকরি হারিয়েছেন।

পাকিস্তান ড্রাগের মোড়কে সন্ত্রাস রপ্তানি করছে কি না, কিংবা উন্নয়নের নামে সরকার 'ফাঁকা আওয়াজ’ দিচ্ছে কি না, তা নির্দিষ্ট করে বলা যায় না। মোদ্দা কথা হলো, এর মাশুল দিতে হচ্ছে উপত্যকার নবীনদের। তারা কোনও ভবিষ্যতের দিশা দেখতে পাচ্ছে না। তাই কি নেশার ঘোরে ডুবে যাচ্ছে একটা প্রজন্ম?

লিখেছেন
tiasa gupta
tiasa gupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।