দলে নড়বড়ে হলেই শুরু রিসর্ট-রাজনীতি, এই ধারার শেষ কোথায়

কোনও বিশেষ দল নয়, প্রায় সব জাতীয় এবং আঞ্চলিক দলই নতুন নতুন রিসর্ট রাজনীতির অধ্যায় সংযোজিত করছে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসের পাতায়।

tiasa gupta
৪ মিনিট
দলে নড়বড়ে হলেই শুরু রিসর্ট-রাজনীতি, এই ধারার শেষ কোথায়

পশ্চিমবঙ্গ এখনও এই ছোঁয়াচ বাঁচিয়ে চলেছে। ভারতের উত্তর থেকে দক্ষিণ কিংবা পশ্চিমের রাজ্যগুলো গা ভাসিয়েছে রিসর্ট রাজনীতিতে। ভারতের বহুদিনের ট্র্যাডিশন এই রাজনৈতিক সংস্কৃতি। হঠাৎ করে আবার আলোচনায় রিসর্ট রাজনীতি। সৌজন্যে মহারাষ্ট্র। ঘোর সংকটে উদ্ধব ঠাকরের সরকার। শোনা যাচ্ছে, অনুগামীদের নিয়ে মোদির রাজ্যে কোনও এক হোটেলে গা ঢাকা দিয়ে আছেন একনাথ শিন্ডে। আর এরপরই আবার সেই রিসর্ট রাজনীতি সামনে এল। হালফিল বিধানসভা নির্বাচন বা রাজ্যসভার ভোটেও এই রিসর্ট রাজনীতির সাক্ষী থেকেছে দেশ।

রাজস্থান

আশঙ্কা ছিল, মধ্যপ্রদেশের পর এবার কি বিজেপির পাখির চোখ রাজস্থানের দিকে? আর সেই আশঙ্কার কেন্দ্রে কংগ্রেসের রিসর্ট রাজনীতি। রাজস্থানের কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলতের অভিযোগ, বিধায়ক কেনা-বেচা শুরু করতে চাইছে ভারতীয় জনতা পার্টি। দলবদলের জন্য বিধায়কদের ২৫ কোটি টাকা করে দেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি। যদিও এই অভিযোগ মানতে নারাজ ছিল বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ ছিল, বিধায়কদের ওপর আস্থা নেই কংগ্রেসের রাজ্য নেতৃত্বের। তবে ঝুঁকি নিতে চায়নি কংগ্রেস। দলের সমস্ত বিধায়ককে জয়পুরের রিসর্টে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। কংগ্রেস বিধায়কদের সেখানে যোগাসন করানো হয়েছিল। দেখানো হয়েছিল মহাত্মা গান্ধীর ওপর তৈরি সিনেমা। এটা যে শুধু কংগ্রেসের সংস্কৃতি, তা কিন্তু না। বিরোধী দল বিজেপিও তাদের বিধায়কদের রিসর্টে নিয়ে তুলেছিল।

২০২০-র জুলাইয়েই কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন উপমুখ্যমন্ত্রী সচিন পাইলট। তাঁর সঙ্গে বিদ্রোহে যোগ দিয়েছিলেন ১৮ জন কংগ্রেস বিধায়ক। বাকি বিধায়কদের বাঁচাতে সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট তাঁদের নিয়ে তুলেছিলেন ফেয়ারমন্ট হোটেলে। পাইলট আবার অনুগামীদের নিয়ে সোজা চলে গিয়েছিলেন বিজেপি-শাসিত হরিয়ানায়। সেই সময় রটেছিল, পাইলট বিজেপির দরজা ধাক্কাচ্ছেন। পরে অবশ্য তা সত্যি প্রমাণিত হয়নি।

মধ্যপ্রদেশ থেকে শিক্ষা

মধ্যপ্রদেশের রাজনৈতিক ভাগ্যও অনেকটাই নির্ভর করেছিল রিসর্ট রাজনীতির ওপর। ২০২০ সালে মধ্যপ্রদেশের বেশ কয়েকজন কংগ্রেস বিধায়ককে এক বিজেপি বিধায়কের তত্ত্বাবধানে বেঙ্গালুরুতে রাখার বন্দোবস্ত করা হয়। তখনই ঘোর অনিশ্চয়তা দেখা যায় কমলনাথ সরকারের ভবিষ্যত নিয়ে। প্রথমে বেশ কয়েকজন বিধায়ক নিয়ে শিবির বদল করেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তারপরই পড়ে যায় কমলনাথ সরকার। এরপর রাজস্থানের ক্ষেত্রে আর কোনও ঝুঁকি নিতে চায়নি কংগ্রেস।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মহারাষ্ট্রে সরকার ভাঙতে চাইছে বিজেপি? শিবসেনার অন্তর্দ্বন্দ্বে যে জল্পনা উঠে আসছে

হঠাৎ করে যাঁকে ঘিরে মহারাষ্ট্রের রাজনীতি তোলপাড়, তিনি একনাথ শিন্ডে। একনাথ শিন্ডে মহারাষ্ট্রের থানে এলাকার প্রভাবশালী নেতা।

গোয়া, উত্তরাখণ্ড

গত বিধানসভা নির্বাচনে গোয়া আর উত্তরাখণ্ডে কংগ্রেস এবং বিজেপি সমানে সমানে টক্কর দিয়েছে। কংগ্রেস তার প্রার্থীদের নির্বাচনের ঠিক পরেই উত্তর গোয়ার রিসর্টে সরিয়ে নিয়েছিল। দলের দাবি ছিল, বেশ কয়েকজন নেতার জন্মদিন পালনের অনুষ্ঠান আছে। তাই সরানো হয়েছে। একই জিনিস দেখা গেছে উত্তরাখণ্ডেও। সেখানে কংগ্রেসের প্রার্থীদের কর্নাটকে সরানো হয়েছিল। দায়িত্বে ছিলেন দলের পুরনো এবং বিশ্বস্ত ভরসা ডিকে শিবকুমার।

মহারাষ্ট্র

২০১৯ সালে মহারাষ্ট্রে কংগ্রেস-এনসিপি-র সঙ্গে সরকার গঠনের জন্য শিবসেনা বিজেপির হাত ছাড়ার পর বেশ কয়েকদিনের জন্য নাটক চলে। সব দলই বিধায়কদের ওপরে কড়া নজর রাখে। ২৫ নভেম্বর, সুপ্রিম কোর্ট যেদিন মহারাষ্ট্র বিধানসভায় আস্থা ভোটের সিদ্ধান্ত নেয়, তার আগের দিন শিবসেনা-এনসিপি-কংগ্রেসের বিধায়করা মুম্বইয়ের একটি হোটেলে জড়ো হন। সংখ্যাটা ছিল ১৬২, এমনটাই দাবি করা হয়। তারপরে শিবসেনা-নেতৃত্বাধীন সরকার। বর্তমানে ডামাডোল।

কর্নাটক

২০১৯-র জুলাই মাসে বিএস ইয়েদুরাপ্পা নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার কংগ্রেস-জেডিএস জোটকে আস্থাভোটে হারিয়ে দেয়। তার আগে ২০১৮ সালে ইয়েদুরাপ্পাকে রাজ্যপাল সরকার গঠন করতে ডেকেছিলেন। সে সরকার মাত্র দুইদিন টিকেছিল, কারণ ইয়েদুরাপ্পা সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারেননি। ২০১৯ সালে, কংগ্রেস, জেডিএস ও বিজেপি তিন দলই নিজেদের বিধায়কদের বিভিন্ন রিসর্টে রেখে দিয়েছিল। এরপর রাজনীতির অলিন্দ দিয়ে অনেক জল গড়িয়েছে। কিন্তু ভারতের রাজনৈতিক সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে যায় রিসর্ট রাজনীতি।

তামিলনাড়ু

এডাপ্পাডি পালানিস্বামী ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তামিলনাডুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তখন ১২২ জন বিধায়ক তাঁর পক্ষে ও ১১ জন বিধায়ক পনিরসেলভমের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন। পনিরসেলভম ২০১৭ সালে মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়তে অস্বীকার করেন এবং অভিযোগ করেন তাঁর উপর জোর খাটাচ্ছেন এআইডিএমকে নেত্রী ভি কে শশিকলা। শশিকলা তাঁর বিধায়কদের চেন্নাইয়ের কাছে এক রিসর্টে পাঠিয়ে দেন। দুর্নীতি মামলায় কারাদণ্ড হওয়ায় শশি নিজে শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেননি। কিন্তু গোল্ডেন বে রিসর্টে বসেই নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন তামিলনাড়ুর ভবিষ্যৎ।

অতীত বিহার

২০০০ সালে জনতা দল (ইউনাইটেড) নেতা নীতীশ কুমার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন। তাঁর মেয়াদ ছিল সাত দিনের কারণ তার পরেই তিনি আস্থা ভোটে হেরে যান। সে সময়ে কংগ্রেস ও রাষ্ট্রীয় জনতা দল উভয়েই দলত্যাগের ভয়ে বিধায়কদের পাটনার হোটেলে রেখেছিল।

ভবিষ্যতের জল্পনা

সারা দেশ এখনও দেখছে অগ্নিপথ নিয়ে বিক্ষোভের আগুন কীভাবে জ্বলতে পারে! সবচেয়ে বেশি আগুন জ্বলেছে বিহারে। বিজেপি শরিক হয়েও নীতীশের দলের ভেতর থেকেই এই প্রকল্প নিয়ে বিরুদ্ধ মত দেখা গেছে। তার ওপর এত আগুন! বিক্ষোভ দমাতে পারত না সরকার? এ কীসের ইঙ্গিত? এনডিএ জোটে নীতিশের অবস্থা যে ভালো নয়, তার প্রমাণ পাওয়া গেছে ভোটের ফলে।

একবার সেই দিকে নজর দেওয়া যাক। গত বিধানসভা নির্বাচনে ৭৫টি আসন পেয়ে একক বৃহত্তম দল হয়েছিল তেজস্বীর আরজেডি। বিজেপি পেয়েছিল ৭৪ আসন। সংযুক্ত জনতা দল পেয়েছিল ৪৩ আসন, গত বারের চেয়ে ২৮ কম। অন্যদিকে বিজেপি গত বারের চেয়ে ২১ আসন বেশি পেয়েছিল। অর্থাৎ জেডিইউ-র ব্যর্থতা ঢেকে দিয়েছে বিজেপি। কংগ্রেস পেয়েছিল ১৯ আসন, গত বারের চেয়ে আট কম। বলাই বাহুল্য, একক বৃহত্তম দল হয়েও সরকার গড়তে পারেননি তেজস্বী। তার ওপর এই ফল বলছে, গতবারের চেয়ে ২৮ আসন কম পেয়ে বিজেপির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন নীতীশ। মুখ্যমন্ত্রী হয়েও এ যে তাঁর পক্ষে স্বস্তিদায়ক নয়, তা বলাই বাহুল্য। সমীকরণ আর ক্ষোভ-বিক্ষোভ যে-জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে, তাতে আগামী দিনে পাটলিপুত্র নতুন করে কোনও ঘোড়া কেনাবেচার সাক্ষী থাকবে না তো?

রাজ্যসভার ভোট ও রিসর্ট রাজনীতি

এই দেশে সংসদের উচ্চকক্ষের নির্বাচনও বাদ যায়নি রিসর্ট রাজনীতির ছোঁয়াচ থেকে। রাজ্যসভা নির্বাচনের আগে দলের প্রায় ৭০ জন বিধায়ককে উদয়পুরের রিসর্টে বন্দি করে রেখেছিল কংগ্রেস। রাজধানী জয়পুর থেকে যার দূরত্ব প্রায় ৪০০ কিলোমিটার। হরিয়ানায় আবার দলের বিধায়কদের ছত্তিশগড়ে সরিয়েছিল কংগ্রেস। কারণ, ছত্তিশগড় কংগ্রেস শাসিত রাজ্য। আর, হরিয়ানা বিজেপির। হরিয়ানার রাজধানী চণ্ডীগড় থেকে ছত্তিশগড়ের দূরত্ব ১,৪৭০ কিলোমিটার। তা সে যত দূরই হোক না-কেন, যাতায়াতে খরচ যতই বাড়ুক না-কেন, নজরদারিটাই আসল। এ যেন এক ধারাবাহিক ইতিহাস।

কোনও বিশেষ দল নয়, প্রায় সব জাতীয় এবং আঞ্চলিক দলই নতুন নতুন রিসর্ট রাজনীতির অধ্যায় সংযোজিত করছে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসের পাতায়।

লিখেছেন
tiasa gupta
tiasa gupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।