মহারাষ্ট্রে সরকার ভাঙতে চাইছে বিজেপি? শিবসেনার অন্তর্দ্বন্দ্বে যে জল্পনা উঠে আসছে

হঠাৎ করে যাঁকে ঘিরে মহারাষ্ট্রের রাজনীতি তোলপাড়, তিনি একনাথ শিন্ডে। একনাথ শিন্ডে মহারাষ্ট্রের থানে এলাকার প্রভাবশালী নেতা।

tiasa gupta
৪ মিনিট
মহারাষ্ট্রে সরকার ভাঙতে চাইছে বিজেপি? শিবসেনার অন্তর্দ্বন্দ্বে যে জল্পনা উঠে আসছে

ঘোর সংকট। মহারাষ্ট্রে শিবসেনা সরকার কি ভাঙনের মুখে? শিবসেনার অন্দরের বিদ্রোহের আঁচ লাগতে চলেছে সরকারের গায়ে। উদ্বেগে উদ্ধব, এখন তিনি কী করে সরকার বাঁচান, সেই দিকে তাকিয়ে দেশ। যদিও সেনা বলতে শুরু করেছে, বিজেপি সরকার ফেলার চেষ্টা করছে।

কী ঘটল

এমএলসি বা বিধান পরিষদের ভোটে বিজেপি-র কাছে হারের কয়েক ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই এবার শিবসেনা দলে ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ১৩ জন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে ‘বেপাত্তা’ মহারাষ্ট্রের নগরোন্নয়ন মন্ত্রী একনাথ শিন্ডে। শিবসেনা নেতার এহেন পদক্ষেপ ঘিরে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। সোমবার মহারাষ্ট্র বিধান পরিষদের নির্বাচনে শিবসেনার বিধায়কদের বিরুদ্ধে ক্রস ভোটিংয়ের অভিযোগের পর পরই বিধায়কদের নিয়ে ‘গা-ঢাকা’ দিয়েছেন শিন্ডে। ওই বিধায়করা সুরাতের একটি হোটেলে রয়েছেন বলে সূত্রের খবর। ফোনে শিন্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। থানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা শিন্ডে। দলীয় সংগঠন মজবুত করতে তাঁর বড় ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করেন শিবসৈনিকদের একাংশ।

মহারাষ্ট্রে কি ভাঙনের মুখে শিবেসনা সরকার? একনাথ শিন্ডের ফোন দীর্ঘক্ষণ ধরে 'আনরিচেবল'! আর তারপর থেকেই এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সূত্রের খবর, সোমবার এমএলসি নির্বাচনের পরই বিধায়কদের নিয়ে সন্ধে সাতটার বিমানে সুরাতের একটি পাঁচতারা হোটেলে গিয়ে ওঠেন একনাথ শিন্ডে। আর এই ঘটনায় সম্ভাব্য ভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে মহারাষ্ট্রে।

যদিও এই খবর রটে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সঞ্জয় রাউত দাবি করেছেন, ইতিমধ্যেই হদিশ পাওয়া গিয়েছে একনাথ শিন্ডের। তাঁর বক্তব্য, "রাজস্থান এবং মধ্যপ্রদেশের মতো এখানেও চক্রান্ত করা হচ্ছে। উদ্ধব ঠাকরে সরকার ফেলে দেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র রচনা করা হয়েছে। তবে শিবসেনা দলের নেতারা সকলেই অনুগত। তাঁরা সকলেই আনুগত্য বজায় রাখবে।"

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
প্রার্থী খুঁজতে হিমশিম, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগেই প্রকাশ্যে বিজেপি-বিরোধী শিবিরের দেউলিয়া দশা

তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, দেশের অ-বিজেপি সাত-সাত জন মুখ্যমন্ত্রী বিরোধী শিবিরের প্রার্থী নিয়ে হয় উদাসীন রয়েছেন অথবা আপত্তি জানিয়েছেন। বিরোধী শিবিরের পক্ষে এই সমীকরণ সুখকর নয়‌।

গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে মহারাষ্ট্রের একাধিক এলাকা। মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের বাসভবনের সামনে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী।

২০ জুন প্রকাশিত হয়েছে মহারাষ্ট্রের এমএলসি নির্বাচনের ফলাফল। রাজ্যসভার নির্বাচনের মতো এই নির্বাচনেও বিজেপি-র কাছে জোর ধাক্কা খায় মহারাষ্ট্রের শাসক জোট। ১০টি আসনের মধ্যে বিজেপি ৫টি আসনে জয়ী হয়। এমএলসি নির্বাচনে প্রতিটি আসনে জয়ের জন্য ২৬ জন বিধায়কের সমর্থন প্রয়োজন ছিল। বিধানসভায় শক্তি অনুযায়ী বিজেপি-র চার ও জোটের ছয় প্রার্থীর জয় নিশ্চিত। কিন্তু, ফলাফল ঘোষিত হওয়ার পর দেখা যায়, বিজেপি ৫টি আসনে জয়ী হয়েছে। সূত্রের খবর, ছোট দলগুলির বিধায়ক ছাড়াও জোটের বেশ কয়েকজন বিধায়কের সমর্থন পেয়েছে পঞ্চম আসনে জয়ী বিজেপি প্রার্থী। এই ঘটনাকে উদ্ধব ঠাকরে সরকারের কাছে বড় ধাক্কা বলে মনে করছেন কেউ কেউ। জোট সরকারের কয়েকজন বিধায়ক ক্রস ভোটিং করে বিজেপি-কে জেতাতে সাহায্য করেছে বলে খবর। আর তারপরই একনাথ শিন্ডে ও তাঁর অনুগামী বিধায়কদের নিয়ে সুরাতের একটি হোটেলে আশ্রয় নেওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসতেই মহরাষ্ট্র সরকারের ভবিষ্যৎ নিয়ে শুরু হয় জল্পনা। একনাথ ‘নিখোঁজ’ হতেই উদ্ধব ঠাকরে তড়িঘড়ি বৈঠক ডেকেছেন বিধায়ক ও মন্ত্রীদের। বিধান পরিষদের ভোট মিটতেই মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে এই মোড়ে চরম অস্বস্তিতে পড়েছে শাসক দল। এমএলসি নির্বাচনে শিবসেনা ৬৪টি ভোট পাবে বলে আশা করা হয়েছিল। তবে ১২টি ভোট উলটো দিকে পড়ে। এরপর থেকে শুরু হয়েছিল জল্পনা। তারপর শিন্ডে বিধায়কদের নিয়ে গা ঢাকা দেওয়ায় সংকট চরমে।

কে এই একনাথ শিন্ডে

হঠাৎ করে যাঁকে ঘিরে মহারাষ্ট্রের রাজনীতি তোলপাড়, তিনি একনাথ শিন্ডে। একনাথ শিন্ডে মহারাষ্ট্রের থানে এলাকার প্রভাবশালী নেতা। বর্তমানে তিনি মহাবিকাশ অঘাড়ি সরকারে নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের দায়িত্বে রয়েছেন। মহারাষ্ট্রের রাজনীতি এখন এই বরিষ্ঠ নেতার হাতে। তিনি জননেতা। শিবসেনার সংগঠন মজবুত করার কাজে তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে থানে এলাকায় তিনি সংগঠন মজবুত করেন। তাঁর হাতেই সেনার বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড রূপ পেয়েছে। তাঁর ছেলেও রাজনীতিতে সক্রিয়। তিনি কল্যাণ থেকে সেনার সাংসদ।

২০০৪, ২০০৯, ২০১৪ এবং ২০১৯ সালের ভোটে সেনার টিকিটে মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে পরপর জয়ী হয়েছেন। যখন মহাবিকাশ অঘাড়ি সরকার তৈরি হয়, তিনি আরবান ডেভলপমেন্ট ও পাবলিক ওয়ার্কস দপ্তরের মন্ত্রী ছিলেন। এখন তিনি আরবান অ্যাফেয়ার্স দফতরের মন্ত্রী। শোনা যায়, সেনার নেতৃত্বের সঙ্গে ইদানীং তাঁর বনিবনা হচ্ছিল না। তিনি বেশ ক্ষুব্ধ ছিলেন। তাই কি এই গা ঢাকা?

এমন জল্পনাও মাথাচাড়া দেয় যে, তিনি বিজেপিতে যেতে পারেন। ২০১৯ সালে মহারাষ্ট্রে সেনা সরকার গঠনের আগে অনেক নাটকীয় মুহূর্তের জন্ম হয়েছিল। এই অবস্থায় বিজেপি কি কোনও নতুন সুযোগ কাজে লাগাতে চাইছে? যদিও একনাথ শিন্ডের বিজেপিতে যোগদান প্রসঙ্গে বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা সুধীর মুঙ্গান্তিওয়ার বলেন, ‘একনাথ শিন্ডে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগে নেই। তাঁর দলীয় নেতৃত্বের তাঁর নাগাল না পাওয়ার সঙ্গে আমাদের কোনও সম্পর্ক নেই। আমরা অবশ্যই পরিস্থিতি খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছি। মহারাষ্ট্রের স্বার্থে যখনই প্রয়োজন হবে, আমরা পদক্ষেপ করব। এটি একদিন না একদিন ঘটত। কারণ শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে ২০১৯ সালের অক্টোবরে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলেন (বিধানসভা নির্বাচন)। এই ধরনের বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে জনগণের অসন্তোষ সম্পর্কে আমরা তাদের সতর্ক করেছিলাম, কিন্তু তারা তাতে কর্ণপাত করেনি।’

মহারাষ্ট্রের অঙ্ক

একনাথ শিন্ডের এই পদক্ষেপে, মহাবিকাশ অঘাড়ি সরকারের নেতৃত্বে থাকা শিবসেনায় ভাঙনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। যদি একনাথ শিন্ডে এবং তাঁর সমর্থক বিধায়করা শিবসেনার থেকে বেরিয়ে আসেন, তাহলে সমস্যা বাড়বে মহাবিকাশ অঘাড়ি সরকারের। মহাবিকাশ অঘাড়ি সরকারের মোট বিধায়ক সংখ্যার মধ্যে, শিবসেনার রয়েছে ৫৬, এনসিপি ৫৩, কংগ্রেস ৪৪, বহুজন বিকাশ আঘাদি ৩, এসপি ২ এবং অন্যান্য ১১ জন।

বিপক্ষে থাকা বিজেপি এবং তাদের সহযোগী দলগুলির মোট বিধায়ক সংখ্যা ১১৩। একনাথ শিন্ডে যদি ২২ জন বিধায়ককে নিয়ে বিজেপিতে যোগ দেন, তাহলে বিজেপির মোট বিধায়ক সংখ্যা হবে ১৩৫। অন্যদিকে মহারাষ্ট্র বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হলে থাকতে হবে ১৪৫ বিধায়কের সমর্থন। ফলে এরপরেও বিজেপিকে আরও ১০ জন বিধায়কের সমর্থন জোগাড় করতে হবে সরকার বানানোর জন্য। বিজেপি এত সহজে রণে ভঙ্গ দেবে বলে মনে হয় না। তারা কী ঘুঁটি চালে, দেখা যাক।

লিখেছেন
tiasa gupta
tiasa gupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।