মাদকচক্রের জাল ঠিক কতটা গভীরে? বিজেপি নেত্রী সোনালী ফোগাতের রহস‍্যমৃত‍্যুতে যে ইঙ্গিত লুকিয়ে

বিজেপি নেত্রী সোনালী ফোগাতের রহস্যমৃত্যুই বুঝিয়ে দিল, অতল গভীরে প্রোথিত মাদক সমস্যার শিকড়।

pampii adhikari
৫ মিনিট
মাদকচক্রের জাল ঠিক কতটা গভীরে? বিজেপি নেত্রী সোনালী ফোগাতের রহস‍্যমৃত‍্যুতে যে ইঙ্গিত লুকিয়ে

প্রতিভাবান অভিনেতার মৃত্যুর ঘোর তখনও কাটেনি পুরোপুরি। তার মধ্যেই দেশের প্রথম সারির অভিনেতার ছেলের গ্রেফতারি। দুই ঘটনাতেই আবার মাদক সংযোগ। বছরখানেক আগে তা নিয়ে উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোটা দেশ। সঙ্গে সঙ্গে মাঠে নেমে পড়েছিলেন দেশের তাবড় নীতিবাগীশ, গণ‍্যমান্য ব্যক্তিরা। অল্প বয়সে বৈভবের ছোঁয়া পেয়েই অল্পবয়সি ছেলেমেয়েরা মাদকের নেশায় ডুবে যাচ্ছেন বলে গেল গেল রব উঠেছিল চারিদিকে। মায়ানগরীতে প্রায় সকলেই বেলেল্লাপনায় ডুবে থাকেন বলে বদ্ধমূল ধারণা তৈরি হয়েছিল রাতারাতি। কিন্তু বিজেপি নেত্রী সোনালী ফোগাতের রহস্যমৃত্যুই বুঝিয়ে দিল, অতল গভীরে প্রোথিত মাদক সমস্যার শিকড়।

২৩ অগাস্ট সকালে কার্যত আগুনের মতোই ছড়িয়ে পড়েছিল খবরটি। জানা গিয়েছিল, গোয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে হরিয়ানার বিজেপি নেত্রী সোনালী ফোগাতের। শাসক দলের হাই-প্রোফাইল নেতানেত্রীর ভিড়ে সোনালী কে, তা বুঝতে সময় লেগেছিল খানিকক্ষণ। তবে ছবি দেখে মুখচেনা মনে হয়েছিল অনেকেরই। কারণ তথাকথিত রাজনীতিক বলতে যা বোঝায়, তার চেয়ে আলাদা ছিলেন সোনালী। Gen Z-এর ভিড়ে টিকটক ভিডিও বানিয়ে খ্যাতি পেয়েছিলেন। টেলিভিশনে সঞ্চালনার কাজ করেছেন। অভিনয় করেছেন টিভি সিরিয়ালেও। বিনোদনের চেয়ে বিতর্কের জন্য পরিচিত রিয়্যালিটি শো ‘বিগ বস’-এও দেখা গিয়েছিল তাঁকে। আবার সরকারি কর্মীকে চটিপেটা (জুতো নয়) করে বিতর্কও বাধিয়েছিলেন।

মৃত্যুর সময় নয় নয় করে ৪২ বছর বয়স হয়েছিল সোনালীর। তবে চেহারা দেখলে বোঝার উপায় নেই। ৪২ বছর বয়সেও বলিউডের কন্যা-সম নায়িকাদের রাতের ঘুম কেড়ে নেওয়ার ক্ষমতা ছিল তাঁর। এহেন সোনালীর মৃত্যুতে তাই কেচ্ছার গন্ধ পেয়েছিলেন অনেকেই। কারণ স্বামী বিয়োগের পরেও যে ভাবে খোলামেলা জীবনযাপন করতেন সোনালী, হাঁটুর বয়সি সুদর্শন অভিনেতার প্রতি যেভাবে প্রকাশ্যে অনুরাগ প্রকাশ করেছিলেন তিনি, তা হজম হয়নি অনেকেরই। তাই প্রদীপের তলায় অন্ধকার থাকলেও থাকতে পারে মনে হয়েছিল। তবে শাসক দলের নেত্রী যেহেতু, তা সোশ্যাল মিডিয়ার মুখরোচক গল্প হয়ে ওঠা ছাড়া, তেমন বড় আকার ধারণ করেনি।

কিন্তু সোনালীর মৃত্যুর খবর প্রকাশের পর তখনও বেলা গড়ায়নি, প্রথম বোমা ফাটান তাঁর পরিবারের লোকজনই। তাঁরা জানান, মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে ফোনে মা, বোন এবং জামাইবাবুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন সোনালী। নিজের সহযোগী-কর্মীর বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। খাবার বা পনীয়ের সঙ্গে কিছু মিশিয়ে তাঁকে খাইয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান। শুধু তাই নয়, তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছে এবং সেই ভিডিও তুলে ব্ল্যাকমেল করা হচ্ছে বলেও নাকি ফোনে জানিয়েছিলেন সোনালী, অন্তত এমনই দাবি তাঁর পরিবারের। শুধু তাই নয়, তাঁর ফোন, সম্পত্তির কাজগপত্র, এটিএম কার্ড এমনকী, বাড়ির চাবিও সুধীর আটকে রেখেছেন, ফোনে সোনালী জানিয়েছিলেন বলে দাবি তাঁদের। তবে সোনালীর মৃত্যুর কারণ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করলেও, শুরুতে ময়নাতদন্তে রাজি হননি পরিবারের কেউ। পরে গোয়া মেডিক্যাল কলেজে ময়নাতদন্তের প্রস্তাব দেওয়া হলে রাজি হন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আপাতত দিল্লিতে বাজিমাত কেজরির! রাজধানীতে আটকানো যাবে 'পদ্ম ফোটাও অভিযান'?

মধ্যপ্রদেশ থেকে মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ড থেকে দিল্লি, সর্বত্রই চলেছে এই ‘পদ্ম ফোটাও অভিযান’।

আর সেই ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টেই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে। জানা যায়, সোনালীর দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। তার ধরন দেখে চিকিৎসকদের মনে হয়, ভারী এবং ভোঁতা কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়ে থাকতে পারে সোনালীকে। এতেই সোনালীর মৃত্যুর কারণ ঘিরে জল্পনা দানা বাধতে শুরু করে। তাতে অন্য মাত্রা যোগ করেন তাঁরই পরিবারের সদস্যরা। গোয়া পুলিশ প্রথমে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে। কিন্তু সোনালীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ৩০২ ধারায় খুনের মামলা দায়ের করা হয়। তবে তারপর থেকে একের পর এক যে তথ্য সামনে এসেছে, সিসিটিভি ফুটেজ থেকে পাওয়া যে ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে গুরুতর কিছু একটা যে ঘটেছে, সে ব্যাপারে সন্দেহ নেই।

সোনালীর ব্যক্তিগত সচিব সুধীর সাংওয়ান এবং সহযোগী সুখবিন্দর সিংহ বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং খুনের অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি নেত্রীর পরিবারের সদস্যরা। তার ভিত্তিতেই তদন্তে নেমে গোয়া পুলিশ জানিয়েছে, সোনালীর পানীয়তে MDMA মেশানোর কথা স্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা। সোনালীর পানীয়তে ১.৫ গ্রাম MDMA মেশানো হয়েছিল বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। উত্তর গোয়ার যে কার্লিজ রেস্তরাঁয় গিয়েছিলেন সোনালী, সেখানকার সিসিটিভি ফুটেজে সুধীর এবং সুখবিন্দরের সঙ্গে দেখা গিয়েছে সোনালীকে। একরকম জোর করেই সোনালীকে মাদক মেশানো ওই পানীয় গলায় ঢালতে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ। তার একটি ফুটেজও সামনে এসেছে।

এর পর ভোর ৪টে নাগাদ রেস্তোরাঁর শৌচাগারে ছুটে যান সোনালী। শৌচাগারের ভেতর তিনি প্রায় ঘণ্টাদুয়েক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ওই সময় অভিযুক্তদের মধ্যে একজনও সোনালীর পিছু পিছু শৌচাগারে গিয়েছিলেন। ওই দু’ঘণ্টায় কী ঘটে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এরপরই নাকি অসুস্থ বোধ করতে শুরু করেন সোনালী, দাবি পুলিশের। গোয়ায় গ্র্যান্ড লিউনি হোটেলে ছিলেন সোনালী, সুধীর এবং সুখবিন্দর। সেই হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজেও সোনালীকে ধরে নিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে সুধীর এবং সুখবিন্দরকে। ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ সেখান থেকেই সেন্ট অ্যান্টনি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় সোনালীকে। সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। বলা হয়, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। পরে ময়নাতদন্তে আঘাতের চিহ্নের কথা উঠে আসে।

সোনালীর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে আপাতত ভিসেরা টেস্টের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে গোয়া পুলিশ। গোয়া, চণ্ডীগড়, দুই জায়গাতেই ভিসেরা টেস্ট হচ্ছে। রিপোর্ট আসতে সময় লাগবে কয়েকদিন। ময়নাতদন্তের রিপোর্টেও মৃত্যুর কারণ অধরা। কেমিক্যাল, হিস্টোপ্যাথোলজিক্যাল এবং সেরোলজিক্যাল পরীক্ষার রিপোর্ট এলে, তবেই নিশ্চিতভাবে কারণ জানা যাবে। তবে সুধীর এবং সুখবিন্দরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, ইচ্ছাকৃতভাবেই সোনালীকে মাদক মেশানো পানীয় গলায় ঢালতে বাধ্য করেছিলেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে দু’জনই স্বীকার করে নিয়েছেন। প্রমাণ যাতে নষ্ট করতে না পারেন, তার জন্যই দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাহলে কি সোনালীকে হত্যার ছকই ছিল দু’জনের! উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ। টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেওয়াই দু’জনের উদ্দেশ্য হতে পারে বলে সন্দেহ পুলিশের।

এর মধ্যেই সোনালীর রহস্যমৃত্যু নিয়ে নানা তত্ত্ব উঠে আসতে শুরু করেছে। সোনালীর ভাই রিঙ্কু ঢাকার দাবি, হিসার থেকে চণ্ডীগড়ের বাড়িতে যাওয়ার কথা ছিল সোনালীর। গোয়া যাওয়ার কোনও পরিকল্পনাই ছিল না। তাঁকে খুন করতে সুধীর এবং সুখবিন্দরই জোর করে গোয়া নিয়ে গিয়েছিলেন বলে দাবি রিঙ্কুর। হিসারে সোনালীর বাড়ি থেকে সুধীর ৪০ লক্ষ টাকা চুরিও করেন বলে দাবি তাঁর। সেই নিয়ে থানায় অভিযোগও দায়ের করার পরিকল্পনা ছিল সোনালীর। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, গোয়া যাওয়ার আগে কি বাড়িতে জানিয়েছিলেন সোনালী? তাঁকে জোর করে মাদক মেশানো পানীয় গলায় ঢালতে বাধ্য করলে, আশেপাশের কেউ কেন এগিয়ে এলেন না? সোনালীই বা তাঁদের কথা শুনলেন কেন? বাড়িতে ফোন করে সব জানালেও, কেন পুলিশকে খবর দিতে বললেন না? টাকা চুরি নিয়ে অভিযোগ জানাতে অপেক্ষা করছিলেন কেন? সুধীর এবং সুখবিন্দর ছাড়া আর কেউ কি গোয়ায় তাঁর সঙ্গে ছিলেন না? মৃত্যুর আগে সত্যিই কি সোনালীর ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়, নাকি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় ধাক্কাধাক্কিতে শরীরে আঘাত লাগে? প্রশ্ন অনেক, কিন্তু উত্তর অধরা।

তবে তার চেয়েও বড় প্রশ্ন হল, ২০১৯ সালে গোয়ার সমুদ্রসৈকত থেকে শুরু করে প্রকাশ্য জায়গায় মদ্যপান যেখানে নিষিদ্ধ, সেখানে হরিয়ানা থেকে গিয়ে MDMA-র ব্যবস্থা কী করে হয়ে যায়? যদিও স্থানীয়রা তাতে একটুও অবাক হচ্ছেন না। কারণ এ-বছরই জুলাই মাসে গোয়ার বিধায়ক স‌ংকল্প আমোনকর জানান, গোয়ার অলিগলিতে বিকোচ্ছে মাদক। স্কুল, কলেজ, কোনও জায়গা বাদ যাচ্ছে না। পাঞ্জাব নয়, বর্তমানে গোয়াই দেশের মাদক রাজধানীতে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিধায়ক মাইকেল লোবোও। বিধায়ক অ্যালেক্সিও সেকোয়েরা অভিযোগ করেন যে, সরকার শুধু ছুটকো মাদক বিক্রেতাদের ধরেই হাত তুলে নিচ্ছে। বড় বড় পাচারকারীদের নির্ভয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এর সঙ্গে পুলিশও যুক্ত বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, ছুটকো বিক্রেতাদের জেলে ভরে চোখে ধুলো দেওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ। তার আড়ালে বড় কারবারিদের ব্যবসার সুযোগ করে দেওয়া হয়। সোনালীর রহস্যমৃত্যু মাদক কারবার রুখতে গোয়া সরকারের ব্যর্থতারও প্রমাণ।

লিখেছেন
pampii adhikari
pampii adhikari
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।