দ্রৌপদী নয়, আসল নাম... নিজের প্রকৃত পরিচয় কখনও ভোলেননি রাষ্ট্রপতি

শপথ নিয়েই জানান, তাঁর আসল নাম দ্রৌপদী নয়। তাহলে কী? মহাভারতের বহু নন্দিত এবং আলোচিত চরিত্র দ্রৌপদী। তাঁর নামেই রাষ্ট্রপতির নামকরণ করেছিলেন তাঁর স্কুলের শিক্ষক।

tiasa gupta
৩ মিনিট
দ্রৌপদী নয়, আসল নাম... নিজের প্রকৃত পরিচয় কখনও ভোলেননি রাষ্ট্রপতি

মহাভারতের সবচেয়ে আলোচিত নারীচরিত্র দ্রৌপদী। মহাকাব্যের ব্যাপ্তির সঙ্গে হয়তো সেদিন জুড়ে গিয়েছিল তাঁর নাম, যেদিন তাঁকে দ্রৌপদী বলে ডেকেছিল স্কুল।

২৫ জুলাই সকালে দেশের ১৫তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন দ্রৌপদী মুর্মু। এদিন তাঁকে দেশের শীর্ষ সাংবিধানিক পদ শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি এনভি রমানা। সেই সঙ্গে ভারতের সাংবিধানিক ইতিহাসে লেখা হয়ে গেল এক নতুন অধ্যায়। কারণ তিনি প্রথম জনজাতির প্রতিনিধি রাষ্ট্রপতি। দ্বিতীয় মহিলা রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়া প্রথম ব্যক্তি, যিনি স্বাধীনতার পর জন্মগ্রহণ করেছেন।

তাঁকে নিয়ে ইতিমধ্যে নানা মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। তার কারণ অবশ্য তিনি নিজেই। শপথ নিয়েই জানান, তাঁর আসল নাম দ্রৌপদী নয়। তাহলে কী? মহাভারতের বহু নন্দিত এবং আলোচিত চরিত্র দ্রৌপদী। তাঁর নামেই রাষ্ট্রপতির নামকরণ করেছিলেন তাঁর স্কুলের শিক্ষক।

সবুজ-লাল পাড়ের সাদা শাড়ি পরে দেশের ১৫তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথগ্রহণ করলেন দ্রৌপদী মুর্মু। শপথগ্রহণের পর তিনি জানান, দ্রৌপদী তাঁর আসল নাম নয়। তাঁর নাম দ্রৌপদী রেখেছিলেন স্কুলের এক শিক্ষক। এক ওড়িয়া ম্যাগাজিনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি জানান, সাঁওতালি ভাষায় তাঁর আসল নাম ছিল `পুটি’। পরে অবশ্যই স্কুল তাঁর নাম বদলে নেন। নতুন নাম হয় দ্রৌপদী। তিনি জানান, যে শিক্ষক তাঁর নাম বদল করেছিলেন, তিনি অন্য জেলার বাসিন্দা ছিলেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
প্রথম রাজভোগ এল রাষ্ট্রপতি ভবনে, রাইসিনা হিলে কেমন কেটেছিল সাতটা দিন?

রাষ্ট্রপতির প্রাসাদ, বাগিচা, আর সত্যিই অবিশ্বাস্য গ্রন্থভান্ডার , এই তিনটি ব্যাপার দেখার ও বোঝার জন্য সাতদিন যথেষ্ট নয়। বিশেষ করে প্রেসিডেন্টের লাইব্রেরি।

তিনি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, "সাঁওতালি সংস্কৃতিতে নাম কখনও মরে না।" তিনি বলেন, "যদি পরিবারে একটি মেয়ে জন্মগ্রহণ করে, সে তার দিদার নাম নেয়। যখন একটি ছেলে জন্মায়, তখন দাদুর নামে তার নামকরণ হয়।" এটাই তাঁদের ঐতিহ্য। দ্রৌপদী আরও জানান, এখনও পর্যন্ত বহুবার তাঁর নাম বদল হয়েছে। এককালে তাঁর নামের উচ্চারণ ছিল 'দূরপদি'। পরে সেই উচ্চারণ হয়েছিল 'দৌরপদি'। শেষ পর্যন্ত তা দ্রৌপদী হয়। তাঁর পদবিও মুর্মু ছিল না। তিনি জানান, জন্মের সময় তাঁর পদবি ছিল টুডু। স্কুল-কলেজে তিনি এই পদবি ব্যবহার করতেন। বিয়ের পর তাঁর পদবি হয় মুর্মু।

গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের মেয়ে পুটি ওরফে দ্রৌপদী প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়ে পড়াশোনা করেন ভুবনেশ্বরের রামাদেবী উইমেন্স কলেজে। ওড়িশা সরকারের করণিক হিসেবে কেরিয়ার শুরু করেন দ্রৌপদী মুর্মু। ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত তিনি রাজ্যের সেচ ও জ্বালানি বিভাগের জুনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত ওড়িশার রায়রংপুরের অরবিন্দ ইন্টিগ্রাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারে শিক্ষকতা করেন। তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ার শুরু হয় ১৯৯৭ সালে। সেই বছর রায়রংপুরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। রায়রংপুর আসনে ২০০০ ও ২০০৯ সালে বিজেপির পক্ষে দাঁড়িয়ে ওড়িশা বিধানসভার সদস্য নির্বাচিত হন দ্রৌপদী।

২০০৪ সাল পর্যন্ত বিজু জনতা দল ও বিজেপি জোট সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শুরুতে বাণিজ্য ও পরিবহণ মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলালেও পরে মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রকের দায়িত্ব অর্পণ করা হয় তাঁকে।

২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তফশিলি সম্প্রদায়ের বিজেপির রাজ্য শাখার সভাপতি ছিলেন দ্রৌপদী মুর্মু। ২০১৫ সালে উড়িষ্যার পার্শ্ববর্তী রাজ‍্য ঝাড়খণ্ডের প্রথম মহিলা রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হয় তাঁকে। তারপর সক্রিয় রাজনীতিতে ইতি টানেন তিনি। শুরু হয় সাংবিধানিক পদে থেকে নতুন দায়িত্ব পালন। ২০২১ সালের জুলাই পর্যন্ত এই পদে ছিলেন তিনি। এখন তিনি দেশের প্রথম নাগরিক।

২৫ জুলাই রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম ভাষণ দেন দ্রৌপদী। দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নির্বাচিত হওয়া দ্রৌপদী দেশের সর্বকনিষ্ঠ রাষ্ট্রপতি। দ্রৌপদী বলেন, "সকলের আশীর্বাদে আমি দেশের রাষ্ট্রপতি হয়েছি। আমি প্রগতিশীল একটি দেশের রাষ্ট্রপতি হয়েছি। নিজেকে খুব সৌভাগ্যবতী বলে মনে হচ্ছে।" তিনি আরও বলেন, "আমিই দেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়া প্রথম ব্যক্তি, যিনি ভারতের স্বাধীনতার পরে জন্মগ্রহণ করেছেন। ভারতের নাগরিকদের কাছে আমার আবেদন, স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রত্যাশা পূরণ করতে আমাদের সকলকে একসঙ্গে চেষ্টা করতে হবে।"

তিনি বলেছেন, "স্বাধীনতার ৫০ বছরে আমার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিল। আর স্বাধীনতার ৭৫ বছরে আমি রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলাম। দেশের রাষ্ট্রপতি হওয়া আমার একার ব্যক্তিগত প্রাপ্তি নয়। এটা ভারতের প্রত্যেক দরিদ্র মানুষের প্রাপ্তি। আমার রাষ্ট্রপতি হওয়া প্রমাণ করে যে, দরিদ্র মানুষরা শুধু স্বপ্নই দেখেন না, তা পূরণ করতেও পারেন।"

আজ তিনি দেশের প্রথম নাগরিক। সাংবিধানিক প্রথান। অনেক জীবন সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে রাইসিনা হিলসে পৌঁছালেন দ্রৌপদী। তিনি বুঝিয়ে দেন, কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে প্রতিকূলতাকে জয় করা যায়। উড়িষ্যার একটি গ্রাম থেকে তাঁর পথচলা শুরু হয়েছিল। অনেক বাধা সত্ত্বেও লড়াই করে গিয়েছেন। দেখিয়ে দিয়েছেন, সংকল্পে স্থির থাকলে উড়িষ্যা আর দিল্লির মধ্যেও দূরত্ব দূর করে ফেলা যায়। যেমনটা করলেন দ্রৌপদী মুর্মু। গ্রামের প্রথম মেয়ে, যিনি কলেজে পা রাখেন। প্রত্যন্ত আদিবাসী এলাকায় গরিব ঘরে জন্ম নেওয়া একটা মেয়ের দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে পৌঁছনো মোটেই মুখের কথা ছিল না। এটাই আসলে গণতন্ত্রের শক্তি, সেই শক্তিই বুঝিয়ে দিল ইচ্ছের জোর থাকলে কোনও কিছুই অসম্ভব নয়।

লিখেছেন
tiasa gupta
tiasa gupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।