কেন ভারতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এলন মাস্কের মাথাব্যথা?

Elon Musk : ভারতের ইউজাররা ৬ জুলাই থেকে রয়টার্সের এক্স হ্যান্ডল-এ ঢুকতে পারেননি। লেখা ছিল, আইনি কারণে ভারতে এই অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

Tanvia Barua
৪ মিনিট
কেন ভারতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এলন মাস্কের মাথাব্যথা?

ভারতে সংবাদপত্রে সেন্সরশিপ চলছে, এমনটাই অভিযোগ করেছে ইলন মাস্কের সংস্থা এক্স। যদিও এই অভিযোগ নস্যাৎ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্সের এক্স হ্যান্ডল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল ভারতে। তারপর থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছে। এখানে কেন্দ্রের কোনও ভূমিকা নেই বলে জানিয়েছে মোদি সরকার। তবে বিতর্ক এখনও চলছেই। সংস্থাটির বিবৃতি অনুযায়ী, ‘ভারতে সংবাদমাধ্যমে যে সেন্সরশিপ চলছে তা নিয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এক্স-এর পক্ষে এই নির্দেশের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া কঠিন। কারণ ভারতীয় আইনে আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আইনি পথে সমাধান খোঁজা হচ্ছে।’ কেন্দ্রীয় সরকার আবার পালটা জানিয়েছে, রয়টার্সের মতো আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থাকে ব্লক করার ইচ্ছা ভারত সরকারের নেই। কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, ‘এক্স-এর সঙ্গে লাগাতার আলোচনা চলছে।’

ভারতের ইউজাররা ৬ জুলাই থেকে রয়টার্সের এক্স হ্যান্ডল-এ ঢুকতে পারেননি। লেখা ছিল, আইনি কারণে ভারতে এই অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটির দাবি, ভারত সরকার ৩ জুলাই ২,৩৫৫টি এক্স অ্যাকাউন্ট ব্লক করার নির্দেশ দিয়েছে। তালিকায় রয়টার্স এবং রয়টার্স ওয়ার্ল্ড-ও রয়েছে। এখন প্রশ্ন হল, ভারতে কী সত্যি প্রেস সেন্সরশিপ চলছে?

তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় তরফে জানানো হয়েছিল, সমাজ মাধ্যমের যে-কোনো পোস্ট ব্লক করার জন্য মন্ত্রণালয়টি নোটিস ইস্যু করতে একটি ওয়েবসাইট এনেছে। চলতি বছর, মার্চ মাসে এক্স অভিযোগ করেছিল, এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ভারত সরকার সেন্সরশিপ আনছে। সরকার পক্ষ অপছন্দের কনটেন্ট ইচ্ছে মতো ব্লক করে দিতে পারে বলে অভিযোগ তুলেছিল সংস্থাটি। গত ৫ মার্চ এক্স কর্ণাটকের আদালতেও এই নিয়ে মামলা দায়ের করেছিল। তারা আদালতে বলেছিল, সমাজমাধ্যম সংস্থা হিসেবে এক্স-এর পক্ষে এই আইন মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
Trump Big beautiful bill: ট্রাম্পের নতুন বিগ বিউটিফুল বিল কী?

Trump: জো বাইডেন যখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন তখন তিনি পরিবেশবান্ধব যানবাহন ও প্রযুক্তি ব্যবহারে কর ছাড় চালু করেছিলেন। কিন্তু নতুন বিলে তা প্রায় নেই।

গত লোকসভা ভোটের আবহে 'ফ্রি স্পিচ কালেকটিভ' বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে একটি প্রতিবেদন করেছিল। ২০২৪ সালের মে মাসে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে উঠে এসেছিল, ভারতে ৪ মাসে ১৪৮টি বাকস্বাধীনতা খর্ব হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে রয়েছে, সাংবাদিকদের উপর আক্রমণ, সাংবাদিকদের উপর নির্যাতন, সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে আইন, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ ইত্যাদি। চার মাসে ৩৪জন সাংবাদিকের ওপর হামলার কথাও উঠে এসেছিল এই তদন্তমূলক প্রতিবেদনে। তাঁদের মধ্যে ২০২৪ সালে এখনও ৫ জন সাংবাদিককে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে আপাতত ৩ জনের জামিন হয়েছে।

'ফ্রি স্পিচ কালেকটিভ'-এর ওই রিপোর্টে কাশ্মীরি সাংবাদিক আসিফ সুলতানের কথাও উল্লেখ ছিল। এই সাংবাদিককে জামিন হওয়ার চার দিন পর পুনরায় গ্রেফতার করা হয়। প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমগুলি পক্ষপাতদুষ্ট সংবাদ প্রকাশ করছে, এর জন্যও স্বাধীন সংবাদমাধ্যমগুলি বারবার হুমকির মুখে পড়ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন, 'The Caravan'-এ প্রকাশিত 'Screams from the army post' শিরোনামের প্রতিদিবেদনটি সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিল তথ্য এবং সম্প্রচারক মন্ত্রক। এছাড়া সংবাদমাধ্যম 'নিউজক্লিক' এবং তার প্রতিষ্ঠাতা প্রবীর পুরকায়স্থকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, বিনোদন, সোশ্যাল মিডিয়া, শিক্ষাক্ষেত্রে এবং সংবাদমাধ্যম জুড়ে মোট ৪৬টি সেন্সারশিপ রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ লেখা হয়েছে, অযোধ্যার রাম মন্দির উদ্বোধনের সময় প্রায় শতাধিক সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ব্লক করা হয়েছিল। হরিয়ানার কৃষক আন্দোলনেও একই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল বলে উল্লেখ রয়েছে প্রতিবেদনে। তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৯এ ধারায় ২০২৪ সালের ১৪ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় তথ্য এবং সম্প্রচার মন্ত্রকের নির্দেশে ১১৭ টি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট এবং ওয়েব লিঙ্ক ব্লক করা হয়েছিল। প্রতিবেদনটি উল্লেখ করেছিল, 'মাঙ্কি ম্যান' সিনেমাটি বিশ্ব জুড়ে প্রকাশ পেলেও, ভারতে প্রকাশের অনুমতি পায়নি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা থেকে মুনাফা লুটছে মাইক্রোসফট, অ্যালফাবেট?

Gaza: প্রতিবেদনে আরও লেখা হয়, মাইক্রোসফট, অ্যালফাবেট ও অ্যামাজন ইজরায়েলকে তাদের ক্লাউড ও এআই-এর বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ করে দিচ্ছে।

'ফ্রি স্পিচ কালেকটিভ'-এর প্রতিবেদনে শিক্ষাক্ষেত্রে ২৪ টি বাকস্বাধীনতা খর্ব হওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলেও লেখা হয়েছিল। উদাহরণস্বরূপ আলোচিত হয়েছে, মুম্বাইয়ের একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক প্যালেস্টাইনের সমর্থনে ট্যুইট করেছিলেন বলে তাঁর উপরও হামলা করা হয়েছিল। এছাড়া, 'রাম কে নাম ' তথ্যচিত্র প্রদর্শনের জন্য হামলার কথাও বলা হয়েছে। এই তথ্যচিত্র প্রদর্শনের জন্যই টাটা ইন্সটিটিউট অফ সোশ্যাল সায়েন্সেস-র ক্যাম্পাস থেকে পিএইচডি স্কলার রামদাস-কে দু-বছরের জন্য সাসপেন্ড করা হয়। এ তথ্যও জানা যায় যে, মোদি সরকারের সমালোচনা করায় 'Bolta Hindustan' নামের ইউটিউব চ্যানেলটি বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

উত্তরাখণ্ড, বাকস্বাধীনতা হননের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই রাজ্যে ১০টি ক্ষেত্রে বাকস্বাধীনতা খর্ব করা হয়েছে। এরপরেই রয়েছে হরিয়ানার নাম। হরিয়ানা, ইন্টারনেট অবরোধের তালিকায় শীর্ষ। কৃষক আন্দোলনের সময় এই রাজ্যে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছিল। তারপরেই রয়েছে পঞ্জাব এবং মণিপুরের নাম। এই রাজ্যগুলিতে পরিস্থিতি সামাল দিতে ইন্টারনেট সংযোগ অবরুদ্ধ করা হয়েছিল। যদিও ২০২৩ সালে মণিপুরে, মে থেকে ডিসেম্বর দীর্ঘ সময় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করেছিল সরকার।

প্রসঙ্গত, আগেও বহুবার সাংবাদিকদের উপর আক্রমণ নিয়ে অভিযোগ উঠেছে নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, উপযুক্ত কারণ ছাড়াই সংবাদমাধ্যম 'নিউজক্লিক' এবং 'বিবিসি'-তে একাধিকবার অভিযান চালায় কেন্দ্রের অধীনে থাকা তদন্তকারী সংস্থাগুলি। পরাধীন ভারতে ব্রিটিশ সরকার বিনা বিচারে ভারতীয়দের জেলে বন্দি করে রাখত। ১৮৯১ সালে 'বঙ্গবাসী' পত্রিকার সম্পাদক রামচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাষ্ট্রদ্রোহিতার সাথে সংযুক্ত আইনে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

'প্রেস ফ্রিডম' তালিকায় ভারতের অবস্থান প্রতিবেশী পাকিস্তান ও বাংলাদেশ-সহ গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত একাধিক দেশেরও নীচে নেমে গিয়েছে। বর্তমান শাসকগোষ্ঠী প্রায় সর্বত্রই নিজের সঙ্গে পাকিস্তানের তুলনা টানে। কিন্তু নেতারা হয়তো ভুলে যান, বাস্তব চাপা দিতে গিয়ে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের থেকেও পিছিয়ে যাচ্ছি আমরা। বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ভারত। দেশের সংবিধানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা মৌলিক অধিকার। তা সত্ত্বেও কেন বারে বারে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা কেড়ে দেওয়া, শিক্ষা ক্ষেত্রেও স্বাধীনতায় আঘাত করার ঘটনা ঘটছে? প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, দেশে যদি গঠনমূলক সমালোচনা করার পরিস্থিতি না থাকে, সরকার পক্ষ যদি এখনও বিরোধীদের কন্ঠরোধই করতে থাকে তবে স্বাধীনতার আগে এবং পরের পরিস্থিতির পার্থক্য ঠিক কোথায়?

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।