সোনাম ওয়াংচুকের অনশন: কী ভাবে দেখছে আন্তর্জাতিক মিডিয়া?

Sonam Wangchuk hunger strike: সোনাম ওয়াংচুকের অনশন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের নজর কেড়েছে। রয়টার্স, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস, আল জাজিরা, বিবিসি ও দ্য গার্ডিয়ান এই আন্দোলনকে কীভাবে দেখছে, দিল্লি পুলিশের পদক্ষেপ, আইনি লড়াই, গণতান্ত্রিক অধিকার এবং সরকারের জবাবদিহির প্রশ্ন কীভাবে উঠে এসেছে?

inscript
৫ মিনিট
সোনাম ওয়াংচুকের অনশন: কী ভাবে দেখছে আন্তর্জাতিক মিডিয়া?

ভারতের শিক্ষক ও সমাজসেবী সোনাম ওয়াংচুকের অনশন এখন আর শুধুমাত্র দেশের একটি আন্দোলনের খবর নয়। গত কয়েক সপ্তাহে এই অনশন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেরও নজর কেড়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রভাবশালী সংবাদসংস্থা ও সংবাদপত্র ঘটনাটিকে শুধু একজন ব্যক্তির অনশন হিসেবে দেখেনি; ভারতের গণতান্ত্রিক পরিবেশ, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার, সরকারের জবাবদিহি এবং নাগরিক সমাজের ভূমিকার বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষণ করেছে। একসময় আমির খান অভিনীত থ্রি ইডিয়টস ছবির বাস্তব অনুপ্রেরণা হিসেবে পরিচিত ওয়াংচুক এখন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুখ।

অনশনের ২০তম দিনে দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে সোনাম ওয়াংচুককে জোর করে সরিয়ে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করে দিল্লি পুলিশ। পুলিশের দাবি, চিকিৎসকদের পরামর্শ এবং আদালতের নির্দেশ মেনেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু ওয়াংচুকের পরিবার ও সমর্থকদের অভিযোগ, তাঁর সম্মতি ছাড়াই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। হাসপাতালের বিছানায় শুয়েও তিনি অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলী আমোং। তিনি আরও দাবি করেছেন, ওয়াংচুক হাসপাতালের দেওয়া চিকিৎসা গ্রহণ করতেও অস্বীকার করেছেন।

এই ঘটনাকে ঘিরে ইতোমধ্যেই দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন গীতাঞ্জলী আমোং। তাঁর অভিযোগ, তাঁর স্বামীকে কার্যত বেআইনিভাবে আটকে রাখা হয়েছে। তিনি আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছেন, ওয়াংচুককে দ্রুত কোনো বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হোক। তাঁর বক্তব্য, সফদরজং হাসপাতালে চিকিৎসার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, সরকারি হাসপাতালের উপর তাঁর আস্থা আর নেই।

গীতাঞ্জলীর অভিযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে অসঙ্গতি। তাঁর দাবি, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রথমে জানিয়েছিল ওয়াংচুকের শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা নেমে ২.৯-এ পৌঁছেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কিন্তু পরে হাসপাতালের প্রকাশিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে সেই নির্দিষ্ট তথ্য উল্লেখ করা হয়নি; শুধু বলা হয় পটাশিয়ামের মাত্রা কমছে। অন্য একটি পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করে পটাশিয়ামের মাত্রা ৩.৫ পাওয়া যায়, যা স্বাভাবিক সীমার মধ্যে। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, ওয়াংচুককে ছেড়ে দেওয়ার আবেদন করা হলেও হাসপাতাল তা মানেনি এবং সেখানে শতাধিক পুলিশ মোতায়েন করে তাঁদের গতিবিধিও নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

এই পুরো ঘটনাপ্রবাহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে। সংবাদ সংস্থা রয়টার্স শুরু থেকেই ওয়াংচুকের অনশন নিয়ে ধারাবাহিকভাবে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে, তারা শুধুমাত্র অনশনের খবর দেয়নি; বরং আন্দোলনের সামাজিক ও রাজনৈতিক তাৎপর্যও তুলে ধরেছে। তাদের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, এই আন্দোলন একজন ব্যক্তির ক্ষোভ নয়, শিক্ষা ব্যবস্থা, পরীক্ষায় অনিয়ম, তরুণ প্রজন্মের উদ্বেগ এবং সরকারের জবাবদিহির প্রশ্নকে সামনে নিয়ে এসেছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সোনম ওয়াংচুকের অনশন আমাদের যা মনে করিয়ে দেয়

Sonam Wangchuk: সোনম ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে রাতারাতি জনপ্রিয় হওয়া 'ককরোচ জনতা পার্টি'র ধরণা মঞ্চে উপস্থিত হন। উল্লেখ্য, তিনি লাদাখের অধিকার ও পরিবেশ রক্ষা নিয়েও দীর্ঘ দিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন। গত ১৪ মার্চ, ২০২৬ তারিখে তাঁকে যোধপুর সেন্ট্রাল জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

রয়টার্স ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থার অবনতির বিষয়টিও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছে। দীর্ঘ অনশনের ফলে দ্রুত ওজন কমে যাওয়া, চিকিৎসকদের উদ্বেগ এবং তাঁর শারীরিক ঝুঁকির কথা যেমন প্রতিবেদনে রয়েছে, তেমনই প্রশাসনের বক্তব্যও সমান গুরুত্ব পেয়েছে। অনশনের ২০তম দিনে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে পুলিশের ব্যাখ্যা এবং তাঁর পরিবারের আপত্তি—দুই পক্ষের বক্তব্যই আন্তর্জাতিক পাঠকের সামনে সমানভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) বিষয়টিকে আরও বিস্তৃত মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকারের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেছে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ একটি গণতান্ত্রিক অধিকারের অংশ। ওয়াংচুককে হাসপাতালে স্থানান্তরের ঘটনাকে তাঁর সমর্থকেরা জোরপূর্বক হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছেন, অন্যদিকে প্রশাসনের বক্তব্য, তাঁর জীবন রক্ষার স্বার্থেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ফলে ঘটনাটি শুধুমাত্র একটি চিকিৎসাজনিত সিদ্ধান্ত নয়; বরং রাষ্ট্রের ক্ষমতা এবং নাগরিক অধিকারের সীমারেখা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় পরিণত হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা শুরু থেকেই এই আন্দোলনের ধারাবাহিক কভারেজ করেছে। তারা আন্দোলনের পেছনের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করেছে। ১৪ জুলাই প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিভিন্ন মহল থেকে ওয়াংচুককে অনশন ভাঙার আহ্বানের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এরপর ১৮ জুলাই প্রকাশিত আরেকটি প্রতিবেদনে অনশনের ২০তম দিনে দিল্লি পুলিশ সোনাম ওয়াংচুককে জোর করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি তুলে ধরা হয়। একই দিনে তাদের ভিডিও প্রতিবেদনে দেখানো হয়, ওয়াংচুককে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর আন্দোলন আরও তীব্র হয়েছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে আন্দোলনের ঘটনাপ্রবাহের পাশাপাশি পুলিশের পদক্ষেপ, জনমতের প্রতিক্রিয়া এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতিও সমান গুরুত্ব পেয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান এই ঘটনাকে আরও বিশ্লেষণাত্মকভাবে উপস্থাপন করেছে। ১৭ জুলাই প্রকাশিত প্রতিবেদনে অনশনের ১৯তম দিনে ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থার অবনতির কথা তুলে ধরা হয়। সেখানে বলা হয়, দীর্ঘ অনশনের ফলে তিনি এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন যে ঠিকমতো কথাও বলতে পারছিলেন না। পরদিন আবারও গার্ডিয়ান এই ঘটনাকে গুরুত্ব দিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে পুলিশের বক্তব্য এবং আন্দোলনকারীদের অভিযোগ—দুই দিকই তুলে ধরা হয়। গার্ডিয়ানের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, শিক্ষা, পরিবেশ ও সামাজিক পরিবর্তনের জন্য দীর্ঘদিন কাজ করা সোনাম ওয়াংচুকের এই অনশন এখন সরকারের জবাবদিহি, নাগরিকের প্রতিবাদের অধিকার এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশে ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে বৃহত্তর আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

বিবিসি বাংলা, বিবিসি হিন্দি, বিবিসি নিউজ ইন্ডিয়াতে ধারাবাহিক লিখিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। বিবিসি নিউজ ইন্ডিয়া ভিডিও প্রতিবেদনের মাধ্যমে ওয়াংচুকের অনশন, তাঁর পরিচয় এবং শারীরিক অবস্থার অবনতির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের আলোচনায় বিবিসির উপস্থিতি থাকলেও, রয়টার্স, আল জাজিরা বা গার্ডিয়ানের মতো বিশ্লেষণ সেখানে দেখা যায়নি।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলির কভারেজে একটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষণীয়। প্রায় সব সংবাদমাধ্যমই সোনাম ওয়াংচুককে শুধুমাত্র একজন আন্দোলনকারী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়নি। তাঁকে একজন শিক্ষাবিদ, উদ্ভাবক এবং পরিবেশকর্মী হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। অর্থাৎ, তাঁর দীর্ঘদিনের সামাজিক কাজের ধারাবাহিকতার মধ্যেই বর্তমান আন্দোলনকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের উপস্থাপনায় এই আন্দোলন ব্যক্তিকেন্দ্রিক না থেকে বৃহত্তর সামাজিক উদ্যোগের অংশ হিসেবেই ধরা পড়েছে।

আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলি ঘটনাটিকে কেবল রাজনৈতিক সংঘাত হিসেবেই দেখেনি। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের স্বাধীনতা, গণতান্ত্রিক অধিকার এবং নাগরিক সমাজের ভূমিকার আলোকে ব্যাখ্যা করেছে। প্রায় সব প্রতিবেদনে প্রশাসনের বক্তব্যের পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, পরিবারের দাবি এবং চিকিৎসকদের মতামতও তুলে ধরা হয়েছে। ফলে একপাক্ষিক বয়ানের পরিবর্তে তুলনামূলকভাবে একটি ভারসাম্যপূর্ণ চিত্র আন্তর্জাতিক পাঠকের সামনে এসেছে।

এর বিপরীতে ভারতের মূলধারার সংবাদমাধ্যমের একটি অংশের কভারেজে ভিন্ন প্রবণতা দেখা গিয়েছে। অনেক টেলিভিশন চ্যানেলে আন্দোলনের দাবি বা অনশনের কারণ নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা না হয়ে বরং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বা বিদেশি প্রভাবের সম্ভাবনা নিয়ে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। ১৭ জুলাই একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানের শিরোনাম ছিল, "চিন ও ককরোচ জনতা পার্টির মধ্যস্থতা! অনশন মঞ্চ থেকেই চিনের হাই কমিশনে বাম নেতা!" একই দিনে আরেকটি অনুষ্ঠানের শিরোনাম ছিল, "সোনাম ওয়াংচুকের আন্দোলনের নেপথ্যে চিন?" অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম যেখানে গণতান্ত্রিক অধিকার, আন্দোলনের দাবি এবং প্রশাসনিক প্রতিক্রিয়ার উপর গুরুত্ব দিয়েছে, সেখানে ভারতের সংবাদমাধ্যমের একটি অংশ আন্দোলনের সম্ভাব্য রাজনৈতিক বা ভূরাজনৈতিক দিককেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ জুন থেকে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র পাশে দাঁড়িয়ে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি এবং NEET পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে অনশনে বসেন সোনাম ওয়াংচুক। দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশের পর তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও, হাসপাতাল থেকেই একটি হাতে লেখা বার্তায় তিনি দেশবাসীকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সেই বার্তায় তিনি এই আন্দোলনকে দেশের ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন’ বলেও উল্লেখ করেছেন। সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর দিন সংসদ ভবন অভিযানের কর্মসূচি ছিল তাঁর। কিন্তু হাসপাতালে ভর্তি থাকায় এবার সেই কর্মসূচির নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছেন তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলী আমোং।

বলা যায়, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কভারেজে সোনাম ওয়াংচুকের অনশন ভারতের গণতান্ত্রিক পরিবেশ, নাগরিকের প্রতিবাদের অধিকার এবং সরকারের জবাবদিহি নিয়ে বৃহত্তর আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। রয়টার্স, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস, আল জাজিরা এবং দ্য গার্ডিয়ানের ধারাবাহিক প্রতিবেদন দেখাচ্ছে, এই অনশন এখন ভারতের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদপরিসরেও একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কভারেজের পার্থক্যও সংবাদ উপস্থাপনার দৃষ্টিভঙ্গি এবং অগ্রাধিকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে সামনে এসেছে।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ছ’বছর ধরে জেলবন্দি, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার রক্ষক সম্মান পেলেন উমর খালিদ

Umar Khalid Human Rights Award: এ বছর তাঁর সঙ্গে আরও চার জন মানবাধিকারকর্মী এই সম্মান পেয়েছেন। তাঁরা হলেন ইরানের মৃত্যুদণ্ড-বিরোধী আন্দোলনকর্মী আহমদরেজা হায়েরি, অ্যাঙ্গোলার গণতন্ত্রকর্মী লরিন্ডা ম্যানুয়েল গুভেইয়া, ব্রাজিলের ব্ল্যাক ট্রান্স নারী ও অধিকারকর্মী আদ্দা ভিক্টোরিয়া কায়েতানো এবং সার্বিয়ার শান্তি ও নারীবাদী আন্দোলনের কর্মী লিলিয়ানা নেশিচ।

তিন দিনে তিনবার আটক রাহুল, রাজঘাটে বিরোধীদের ধর্না: SIR নিয়ে সংঘাত কোথায় গিয়ে ঠেকল?

Rahul Gandhi SIR protest: গত তিন দিন ধরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে দিল্লি। মঙ্গলবার সংসদ থেকে নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তরের দিকে পদযাত্রা দিয়ে শুরু হয় এই প্রতিরোধ। পুলিশ বাধা দিলে রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডে উঠে জাতীয় পতাকা নাড়ান এবং সহকর্মীদের নিয়ে ঢুকে পড়েন সংলগ্ন আকাশবাণী ভবনে।

বেঙ্গালুরুতে জনতার ট্রাইব্যুনাল, এসআইআর-এর বিরুদ্ধে সরব প্রকাশ রাজ-ধ্রুব রাঠী

Bengaluru Protest Against SIR: এসআইআর-এর বিরুদ্ধে বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কে পথে নামলেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করলেন প্রকাশ রাজ, ধ্রুব রাঠী-সহ প্রতিবাদীরা। ‘পিপলস ট্রাইব্যুনাল’-এ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ উঠল?

মোদির ২৫ বছর: গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে ভারতের দীর্ঘতম সরকারপ্রধান

Modi's Quarter Century in Power: ৭ অক্টোবর ২০২৬, গুজরাটের ভূমিকম্পোত্তর পুনর্গঠন থেকে ক্ষমতার শীর্ষে, টানা ২৫ বছর সরকারপ্রধানের পদে রেকর্ড গড়লেন নরেন্দ্র মোদি। গত ১০ জুন, তিনি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নেহরুর ৪,৩৯৮ দিনের রেকর্ড ছাড়িয়ে গিয়েছেন। তাঁর আমলে ভারতের জিডিপি হয়েছে তিনগুণ, বৈদেশিক রফতানি পৌঁছেছে বিলিয়ন ডলারের হিসাবে, কিন্তু শিক্ষিত যুবদের বেকারত্বও হয়েছে আকাশছোঁয়া, তাঁর করা নোটবাতিলে দরিদ্রতমরা হয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত, একাডেমিক ফ্রিডমের প্রশ্নে দেশের নাম ডুবেছে বারবার। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, মোদিযুগের অর্জন, ব্যর্থতা ও গণতান্ত্রিক অবক্ষয়ের হিসাব।

গাজা ধ্বংসের তিন বছর: স্কুল নেই, শিক্ষক নেই, হারিয়ে যাচ্ছে একটি প্রজন্ম

Gaza education crisis: ইউনিসেফের হিসেব অনুযায়ী, গাজার ৪ থেকে ১৭ বছর বয়সি প্রায় ৭ লক্ষ শিশু টানা তিন শিক্ষাবর্ষ ধরে নিয়মিত স্কুলশিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়েও গাজার প্রায় ৪ লক্ষ ২০ হাজার শিশু সরাসরি স্কুলে গিয়ে পড়াশোনার সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল।

এসআইআর: সর্বোচ্চ আদালতের ভূমিকা নিয়েও কথা হোক

SIR controversy: নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে যখন একের পর এক অভিযোগ উঠছে, তখন সুপ্রিম কোর্টের নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও কি প্রশ্ন উঠবে না? ফর্ম ৬, ভোটার তালিকা থেকে বাদ এবং ট্রাইবুনালে দীর্ঘসূত্রিতার মতো ঘটনায় সর্বোচ্চ আদালত কি তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে?

নেহা বোরার সভার পরেই যাদবপুরে কমিটি ভাঙল! রাজনৈতিক অনুষ্ঠান ঘিরে কেন তুঙ্গে বিতর্ক?

Neha Bora Jadavpur University: আয়োজক ছাত্র সংগঠন আইসার যাদবপুর ইউনিট দাবি করেছে যে তারা যথাযথ নিয়ম মেনে ২০ সেপ্টেম্বরই আবেদনপত্র জমা দিয়েছিল এবং ২৫ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট কমিটি থেকে অনুষ্ঠানটির অনুমোদনও পেয়েছিল। অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার দেবজিৎ দত্ত দাবি করেন, এই ধরনের কোনো ফাইল বা অনুমতির চিঠি তাঁর দপ্তরে পৌঁছয়নি।

এসআইআর ফর্ম ৭ বিতর্ক, ৩০ জন মুসলিম ভোটারের নাম বাদের অভিযোগে এফআইআর

SIR Form 7 Controversy: হায়দরাবাদে এসআইআর-এ ফর্ম ৭ নিয়ে বিতর্ক। ৩০ জন মুসলিম ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার আবেদন করার অভিযোগে বিজেপির এক বুথ এজেন্টের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে। নির্বাচন আধিকারিকদের যাচাইয়ে ওই ভোটারদের ঠিকানায় থাকার প্রমাণ মেলে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনায় ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।