ছোট্ট তুকেই সারতে পারে এইডস! দিশা দেখাচ্ছে নতুন আবিষ্কার

আর ভ্যাকসিন নয়, HIV/AIDS-এর চিকিৎসার জন্য সরাসরি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংকে হাতিয়ার করতে চলেছেন ইজ়রায়েলের তেল আভিভ ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা।

Madhurima Pattanayak
৪ মিনিট
ছোট্ট তুকেই সারতে পারে এইডস! দিশা দেখাচ্ছে নতুন আবিষ্কার

এবারে আর ভ্যাকসিন নয়, HIV/AIDS-এর চিকিৎসার জন্য সরাসরি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংকে হাতিয়ার করতে চলেছেন ইজ়রায়েলের তেল আভিভ ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা। তার জন্য এইবারে আর শরীরে অ্যান্টিবডি প্রবেশ করানো বা অ্যান্টিবডি তৈরিতে দায়ী জেনেটিক বস্তু প্রবেশ করানো নয়। অ্যান্টিবডি তৈরি করে, সেরকম কোশকেই সরাসরি নিশানা করলেন তাঁরা। আর ভোল বদলে দিলেন সেই কোশের জিনের।

এগুলি কোন ধরনের কোশ, যাদের ভোল বদলালেন বিজ্ঞানীরা? এই কোশ এক ধরনের শ্বেত রক্তকণিকা, যাদের বি সেল (B-Cell) বলা হয়। এবং শরীরে ভাইরাসের আক্রমণ হলে এই কোশগুলি অ্যান্টিবডি তৈরি করে, ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে সাহায্য করে।

কিন্তু সব অ্যান্টিবডি সব ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে না। এইচআইভি বা এইডসের ভাইরাসের বিরুদ্ধে যে অ্যান্টিবডি কাজ করে, নির্দিষ্ট সেই অ্যান্টিবডি আবার নভেল করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে না, বা হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে না। একদম তালা-চাবির মতো নির্দিষ্ট অ্যান্টিবডি নির্দিষ্ট ভাইরাসের বিরুদ্ধেই কাজ করে।

বি সেলগুলির জিনে ভোল বদলানো হলো, যাতে তারা এইচআইভির বিরুদ্ধে কার্যকরী অ্যান্টিবডি তৈরি করবে। জিন এডিটিং-এর মাধ্যমে বি সেলের ডিএনএ-তে নির্দিষ্ট জিন প্রবেশ করানো হলো, যেগুলি ঠিক এমন অ্যান্টিবডি উৎপাদনের জন্য দায়ী। আবার বি সেলগুলিকে শরীরে প্রবেশ করিয়ে দেখা হলো শরীরে এইচআইভির বিরুদ্ধে কার্যকর অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে।

কিন্তু শুরুতেই তো আর যে কোনও পরীক্ষা মানুষের ওপর করে দেখা যায় না। তাই জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং করার পর, বি সেলগুলিকে ইঁদুরের শরীরে প্রবেশ করিয়ে দেখা হয় আদৌ তারা (বি সেল) এইচআইভির বিরুদ্ধে কার্যকর অ্যান্টিবডি তৈরি করছে কি না।

বি সেল সাধারণত তৈরি হয় আমাদের হাড়ের মজ্জায়। তারপর যখন তারা পরিণত হয়, তখন আমাদের রক্ত এবং লিম্ফ্যাটিক সিস্টেমে এসে মেশে। তারপর সেখান থেকে ছড়িয়ে পড়ে শরীরের বিভিন্ন প্রান্তে। এক্ষেত্রে মানুষের রক্ত থেকে বি সেল সংগ্রহ করে, ক্রিস্পার প্রযুক্তির সাহায্যে জিন এডিটিং করেছেন গবেষকরা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
করোনাকে চিনিয়েছিলেন তিনিই, আজ আক্রান্ত নিজেই, যে কারণে অ্যান্টনি ফাউসি থেকে যাবেন ইতিহাসে

অতিমারী নিয়ন্ত্রণে বিরতিহীনভাবে কাজ করে গেছেন অ্যান্টনি ফাউসি। ২০২১ সালের মে মাসে এই বিজ্ঞানী-চিকিৎসক বলেন যে, যুক্তরাষ্ট্রে করোনা হানা দেওয়ার পর থেকে সাপ্তাহিক ছুটি কাটাতে পারেননি তিনি।

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এর জন্য একটি বহুল-ব্যবহৃত প্রযুক্তি হল ক্রিস্পার। ক্রিস্পারকে (CRISPR) বলা হয় আণবিক কাঁচি বা মলিকিউলার সিজা়র। যার সাহায্যে জিনের অপ্রয়োজনীয় বা ক্ষতিকর অংশ কেটে বাদ দেওয়া যায়।

জিনকে কল্পনা করা যাক একটি লম্বা ফুলের মালার মতো করে, যার মাঝের কিছু অংশ আমরা কেটে ফেলতে চাই বা টানা সেই ফুলের মালার মাঝে অন্য কোনও ফুল এনে জুড়তে চাই। এই দু'টি কাজের কোনও একটি করতে গেলে ছিঁড়তে হবে মালার কিছু অংশ, যার জন্য দরকার একটি কাঁচির ।

ক্রিস্পার হল সেই কাঁচি, যার সাহায্যে ঠিক যেখানে দরকার, জিনের ঠিক সেখানেই কেটে জায়গা তৈরি করে বসিয়ে দেওয়া যাবে নতুন কোনও জিন। সেই কাজ হলো, আবার জিনের কাটা অংশগুলিকে জুড়ে একটি নিরবছিন্ন জেনেটিক বস্তু তৈরি করা হয়।

এই গবেষণা যাঁর তত্ত্বাবধানে হয়েছে, তিনি তেল আভিভ ইউনিভার্সিটির গবেষক ড. অ্যাডি বার্জে়ল। ড. বার্জে়ল সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, হাতে গোনা কিছু গবেষকই আজ অবধি শরীরের বাইরে বি সেলকে এনে, এই কোশের জিন এডিটিং করতে পেরেছেন এবং তাঁদের মধ্যে ড. বার্জে়ল ও তাঁর গবেষণার দল অন্যতম। এবং ড. বার্জে়ল ও তাঁর তত্ত্বাবধানে কাজ করা গবেষকরাই প্রথম, যাঁরা শরীরে এরকম পরিবর্তন আনতে পেরেছেন এবং বি সেল থেকে কাঙ্ক্ষিত অ্যান্টিবডি তৈরি করতে পেরেছেন। খুব সম্প্রতি এই গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে 'নেচার' জার্নালেও।

ক্রিস্পারের সাহায্যে জিন এডিটিং তো হলো। কিন্তু তার আগের মূল যে ধাপ, অর্থাৎ অ্যান্টিবডি তৈরি করবে যে জিন, সেটিকে বি সেলের ভেতরে ঢোকানো হলো কী করে? এখানে ব্যবহার করা হয়েছে ভাইরাসের বাইরের অংশ বা এনভেলপকে। এটি একটি খাঁচার মতো অংশ এবং তার ভেতরেই আগে প্রবেশ করানো হয় সেই জিন, যেটি এইডসের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি করবে। বলা যেতে পারে, ভাইরাসের খোলস একটি খাঁচা, যা মালবাহী কার্গোর মতো বয়ে নিয়ে যাবে জিনটিকে।

ভাইরাসের খোলস বা বাইরের এনভেলপ অংশটি বেশ কিছু ক্ষেত্রে ভ্যাকসিন তৈরিতেও ব্যবহার করা হয়। ঘুরিয়ে বললে, একটি ভাইরাসই ব্যবহার করা হচ্ছে, আরেকটি ভাইরাসকে দমন করার জন্যে। তবে ভাইরাসের বাইরের অংশ বা এনভেলপটিতে আবার এক্ষেত্রে একটু ছোট পরিবর্তন আনতে হয়, যাতে আবার তাদের থেকে রোগ সৃষ্টি না হয়। এই গবেষণার ক্ষেত্রেও তার ব্যত্যয় ঘটেনি।

ড. বার্জে়ল জানাচ্ছেন, গবেষণায় ব্যবহৃত ইঁদুরগুলির রক্তে পর্যাপ্ত পরিমাণে এইচআইভি-র বিরুদ্ধে কার্যকর অ্যান্টিবডি পাওয়া গিয়েছিল, তাদের রক্ত পরীক্ষার পর। আর সেখান থেকে গবেষকরা নিশ্চিত হন, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং কেবল সফল হয়েছে এমন নয়, পর্যাপ্ত পরিমাণ এইচআইভি-র বিরুদ্ধে কার্যকরী কাঙ্ক্ষিত অ্যান্টিবডিও তৈরি হয়েছে এর ফলে।

কিন্তু এখানে উল্লেখ্য, গবেষণায় ব্যবহৃত ইঁদুরগুলিকে এইচআইভি সংক্রমণ করে দেখা হয়নি তারা আদৌ ভাইরাসটিকে প্রতিরোধ করতে পারছে কি না। তবে ড. বার্জে়ল আশা করছেন, অ্যান্টিবডিগুলি যে পরিমাণে তৈরি হয়েছে, তা এইচআইভি-কে প্রতিরোধ করতে যথেষ্ঠ। কিন্তু তার পরেও প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, ভাইরাল লোড বেশি হলে বাস্তবে মানুষের দেহে যে পরিমাণ অ্যান্টিবডি তৈরি হবে, তা কতটা পারবে এইচআইভি/এইডস প্রতিরোধ করতে।

এটি এখনও মানুষের শরীরে প্রয়োগ করে দেখা হয়নি, তার ফলে এখনও জানা যায়নি, এই পদ্ধতির কোনও বিরূপ প্রতিক্রিয়া মানুষের শরীরে দেখা যাবে কি না।

তবে ভ‍্যাকসিন প্রয়োগের থেকে এই পদ্ধতি অনেকাংশে আলাদা তো বটেই, পাশাপাশি সুবিধাজনকও। ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে কিছুদিন পরেই শরীরে নির্দিষ্ট ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডির সংখ্যা কমতে শুরু করে। এক্ষেত্রে তা হওয়ার সম্ভাবনা নেই, কারণ শরীরে পাকাপাকিভাবে অ্যান্টিবডি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় জিন থেকে যাচ্ছে।বলা যায়, শরীরেই থেকে যাচ্ছে অ্যান্টিবডি তৈরির কারখানা। যা আবার ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে হয় না।

আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে, যদি মিউটেশনের কারণে এইচআইভি ভাইরাসের রূপ বদল হয়, সেক্ষেত্রে এই অ্যান্টিবডিগুলি আর কাজ করবে কি না। তবে গবেষকদের ধারণা, মানুষের শরীরে প্রবেশ করালে, এই প্রযুক্তির সাহায্যে মিউটেশন হওয়া এইচআইভি ভাইরাসকেও প্রতিরোধ করা যাবে।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

AI-এর যুগে মানুষ কি নিজের বুদ্ধিটাই মেশিনের হাতে তুলে দিচ্ছে?

Artificial Intelligence: ছোটবেলায় অনেকেই ভাবত রোবট এসে মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলি করে দেবে। মানুষ অবসর পেয়ে গান শুনবে, কবিতা লিখবে কিংবা বারান্দায় বসে কফি খাবে। বাস্তবে দেখা গেল ঠিক তার উল্টো চিত্র। রোবট এখন কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে আর কোড তৈরি করছে। অন্যদিকে মানুষ সকাল থেকে রাত ল্যাপটপের সামনে বসে শিখছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং।

মহাকাশে রওনা নাসার টেলিস্কোপের, বদলে দিতে পারে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি?

NASA’s Roman Space Telescope: নাসার নতুন ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ বদলে দেবে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি? হাবল ও জেমস ওয়েবের পর কেন প্রয়োজন হলো এই নতুন মহাকাশ-চোখের? ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে কি নতুন তথ্য দেবে রোমান? মহাবিশ্বের প্রসারণের ইতিহাস বুঝতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ?

সৌরপৃষ্ঠ আসলে কেমন? ৩৩ বছর পর মিলল উত্তর

Sun’s surface mystery: সূর্যের পৃষ্ঠকে এতদিন দূর থেকে তুলোর মতো নরম ও শান্ত দেখালেও, তা কি সত্যিই এমন? বিশ্বের বৃহত্তম সৌর টেলিস্কোপ ড্যানিয়েল কে ইনোয়ের তোলা সর্বোচ্চ-রেজোলিউশনের ছবিতে দেখা গেল ছোট ছোট হিংস্র প্লাজমার ঘূর্ণি। ৩৩ বছর আগে করা জোয়ান কার্পেনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কি অবশেষে সত্যি প্রমাণিত হলো? এই আবিষ্কার কি বদলে দেবে সৌরপৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা?

৩ অগাস্ট থেকে বদলে যাচ্ছে শেয়ার বাজারের নিয়ম!

Stock Market India: নতুন ব্যবস্থার অধীনে শেয়ার বাজার বন্ধের সময়কে তিনটি আলাদা অংশে ভাগ করা হয়েছে। তবে নন-এফএন্ডও (Non-F&O) স্টকগুলির ক্ষেত্রে আগের মতোই বিকেল ৩:৩০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন চালু থাকবে, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। কিন্তু এফএন্ডও স্টকগুলির ক্যাশ মার্কেটে প্রতিদিন একটানা লেনদেন চলবে বিকেল ৩:১৫ মিনিট পর্যন্ত।

আইআইটি-র দুই প্রাক্তনীর বৈদ্যুতিক কৃষিযন্ত্রে একরপ্রতি খরচ মাত্র ৪০ টাকা

Electric Power Tiller: বাজারে যেসব ট্র্যাক্টর পাওয়া যায়, তা হয় বিশাল বড় জমির উপযোগী, না হয় কেনা ও চালানো দুটোই খুব ব্যয়বহুল। ভারতে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কৃষকের জমিই ছোট ও খণ্ড-বিখণ্ড, যেখানে বড় যন্ত্র ঢোকানোই সম্ভব নয়। আবার চিন থেকে আমদানি করা ছোট ছোট সস্তা মেশিনগুলিতে যন্ত্রাংশ ও সার্ভিসিংয়ের চূড়ান্ত সমস্যা তৈরি হয়। তাই বিদেশ থেকে আমদানির কথা না ভেবে, আইআইটি বোম্বের দুই প্রাক্তনী ঐশ্বর্য রামকৃষ্ণন ও কেদার গোখলে সিদ্ধান্ত নেন খাঁটি দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতের মাটির উপযোগী সমাধান তৈরি করার।

মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও উষ্ণ থাকে সোনাম ওয়াংচুকের বাড়ি

Sonam Wangchuk House: সোনম ওয়াংচুক মানেই পাহাড়ঘেরা লাদাখের ছবি, বরফে ঢাকা জীবন আর নতুন এক ভাবনার আলো। পেশায় তিনি একজন প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ এবং উদ্ভাবক। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে তিনি যেন রূপকথার সেই মানুষটি, যিনি পাহাড়ের রুক্ষ জীবনের কঠিন সমস্যাগুলিকে বিজ্ঞানের সহজ ছোঁয়ায় অত্যন্ত সহজ করে তুলেছেন।

মহাকাশে মিলল চিনির সন্ধান, কেন গুরুত্বপূর্ণ এই আবিষ্কার?

natural sugar in space: ছায়াপথের কেন্দ্রের একটি আণবিক মেঘে প্রথমবারের মতো প্রকৃত মনোস্যাকারাইড ‘এরিথ্রুলোজ’-এর সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার জানাচ্ছে, নক্ষত্র ও গ্রহ তৈরির আগেই মহাকাশে জটিল জৈব অণু তৈরি হতে পারে। ফলে পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বে জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে গবেষণার আগ্রহ বেড়েছে।

কর্মদক্ষতা মাপল এআই, চাকরি হারালেন কর্মীরা? মেটার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা

Meta mass layoffs: কর্মীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেবে? মেটার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় অভিযোগ, এআই-নির্ভর মূল্যায়নের কারণে মাতৃত্বকালীন ও চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকা কর্মীরা অন্যায্যভাবে চাকরি হারিয়েছেন।