AI-এর যুগে মানুষ কি নিজের বুদ্ধিটাই মেশিনের হাতে তুলে দিচ্ছে?

Artificial Intelligence: ছোটবেলায় অনেকেই ভাবত রোবট এসে মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলি করে দেবে। মানুষ অবসর পেয়ে গান শুনবে, কবিতা লিখবে কিংবা বারান্দায় বসে কফি খাবে। বাস্তবে দেখা গেল ঠিক তার উল্টো চিত্র। রোবট এখন কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে আর কোড তৈরি করছে। অন্যদিকে মানুষ সকাল থেকে রাত ল্যাপটপের সামনে বসে শিখছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং।

Goutam Das
৩ মিনিট
AI-এর যুগে মানুষ কি নিজের বুদ্ধিটাই মেশিনের হাতে তুলে দিচ্ছে?

চারদিকে এখন যা শুরু হয়েছে, তাকে অনায়াসে উনিশ শতকের সেই পুরনো ‘গোল্ড রাশ’-এর সঙ্গে তুলনা করা যায়। ১৮৪৮ সালে ক্যালিফোর্নিয়ায় সোনা পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে দুই লক্ষেরও বেশি মানুষ সেখানে ছুটে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত তাদের বেশিরভাগই ফিরেছিল খালি হাতে।

আসল লাভ করেছিল তারাই, যারা বুঝেছিল সোনা খোঁজার চেয়ে সোনা খোঁজার সরঞ্জাম বিক্রি করা অনেক বেশি লাভজনক ব্যবসা।

আজকের এআই (AI) যুগেও গল্পটা ঠিক একই রকম। আসল সোনা ক’জন পাচ্ছে তা নিয়ে সংশয় আছে; কিন্তু চ্যাটবটের সাবস্ক্রিপশন আর নানা ধরনের ‘এআই কোর্স’ বিক্রি করে যারা কোদাল বিক্রেতা হয়ে উঠেছে, তাদের ব্যবসা এখন রমরমা।

মহাবিশ্বের মতো জটিল ব্যবস্থার কথা বাদ দিলেও, মানুষের স্বাভাবিক বুদ্ধিমত্তা বা তথাকথিত ‘হিউম্যান ইনটেলিজেন্স’ এখন নিজের ক্ষেত্রেও শর্টকাট খুঁজছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই শব্দটি এখন পানের দোকান থেকে পার্লামেন্ট—সব জায়গাতেই শোনা যাচ্ছে। তবে একটু তলিয়ে ভাবলে বোঝা যায়, গোটা বিষয়টি আসলে মানুষের আদিম আলস্য আর লোভের এক নতুন মোড়ক মাত্র।

ছোটবেলায় অনেকেই ভাবত রোবট এসে মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলি করে দেবে। মানুষ অবসর পেয়ে গান শুনবে, কবিতা লিখবে কিংবা বারান্দায় বসে কফি খাবে। বাস্তবে দেখা গেল ঠিক তার উল্টো চিত্র। রোবট এখন কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে আর কোড তৈরি করছে। অন্যদিকে মানুষ সকাল থেকে রাত ল্যাপটপের সামনে বসে শিখছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং।

এই আশঙ্কা অবশ্য নতুন নয়। ১৯৩০ সালে অর্থনীতিবিদ জন মেনার্ড কেইন্স তাঁর ‘ইকোনমিক পসিবিলিটিজ ফর আওয়ার গ্র্যান্ডচিলড্রেন’ (Economic Possibilities for our Grandchildren) প্রবন্ধে অনুমান করেছিলেন, উৎপাদনশীলতা বাড়তে থাকলে ভবিষ্যতে মানুষকে সপ্তাহে হয়তো মাত্র পনেরো ঘণ্টা কাজ করতে হবে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
AI-ই বিজ্ঞানীদের শেষ ভরসা? কী বলছেন রসায়নে নোবেলজয়ী হ্যাসাবিস?

Nobel Prize in Chemistry 2024: কম্পিউটারকে ব্যবহার করে প্রকৃতিতে অনুপস্থিত এমন কিছু নতুন ধরনের প্রোটিন তৈরির প্রক্রিয়াকেই বলে কম্পিউটেশনাল প্রোটিন ডিজাইন।

প্রায় একশো বছর পরে এসে দেখা যাচ্ছে, সেই ভবিষ্যৎ আসেনি। প্রযুক্তি কাজের ধরন বদলেছে, কিছু কাজ কমিয়েছে আর অনেক কাজের গতি বাড়িয়েছে ঠিকই; কিন্তু মানুষকে অবসর দেওয়ার বদলে তৈরি করেছে নতুন কাজের বোঝা। এখন মানুষের সেই নতুন কাজেরই একটা বড় অংশ হলো মেশিনকে ঠিকঠাক নির্দেশ দেওয়া।

সৃজনশীলতার একটা বড় অংশ এখন চলে যাচ্ছে অ্যালগরিদমের হাতে। মানুষ ভেবেছিল সে ঈশ্বরের মতো কিছু একটা তৈরি করবে। অথচ নিউরাল নেটওয়ার্ক বানাতে গিয়ে সে যেন নিজের ভাবনার ক্ষমতাকেই কিস্তিতে কিস্তিতে ক্লাউডে তুলে দিল।

প্রযুক্তি শীর্ষে পৌঁছলেই যে মানুষের চিন্তাশক্তিও শীর্ষে থাকবে, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। বরং যন্ত্র যত বেশি মানুষের হয়ে কাজ করতে শুরু করে, নিজের ভাবনার দায়িত্বটুকু তার উপর ছেড়ে দেওয়ার প্রলোভনও তত বাড়ে। আমরা হয়তো এখন সেই জায়গাটার কাছাকাছি।

২০০৬ সালে ব্রিটিশ গণিতবিদ ক্লাইভ হাম্বি বলেছিলেন, “ডেটা হলো নতুন তেল।” কথাটি শুনতে আকর্ষণীয় হলেও এর মধ্যে একটা সতর্কবার্তাও ছিল। মাটির নিচের তেলের মতো ডেটার আসল মূল্য কেবল মজুত করায় নয়, তাকে ব্যবহারের উপযোগী করে তোলার ক্ষমতায়।

আজ সেই নিয়ন্ত্রণ চলে গিয়েছে মুষ্টিমেয় কিছু প্রযুক্তি সংস্থার হাতে। তারা শুধু তথ্য জমিয়ে রাখছে না; কোন তথ্য মানুষের সামনে আসবে আর কোনটা আড়ালে হারিয়ে যাবে, তা-ও ঠিক করে দিচ্ছে তাদের তৈরি অ্যালগরিদম।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বুদ্ধি ফুটুক নাই ফুটুক, AI জাগ্রত দ্বারে!

Artificial Intelligence: যদি প্রযুক্তির উপর আমাদের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায়, AI যদি নিজের মতো করে চিন্তা করতে শুরু করে, তখন কী হবে? আমরা AI-কে ঠিক কতটা বিশ্বাস করতে পারি?

করপোরেট দুনিয়া মানুষকে যেন শেখাতে চাইছে যে আলাদা করে আর চিন্তা করার কোনো দরকার নেই। চিন্তা করার জন্য চ্যাটবট আছে, শুধু সাবস্ক্রিপশনটা প্রতি মাসে রিনিউ করলেই হলো।

তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, হতাশ হওয়ারও কিছু নেই। বিবর্তন ঠিক এভাবেই কাজ করে; পারিপার্শ্বিক পরিবেশ বদলালে মানুষকেও নিজের অভ্যাসে বদল আনতে হয়।

এখানে একটা মজার তথ্য বলে রাখা ভালো, ‘সার্ভাইভাল অব দ্য ফিটেস্ট’ কথাটি কিন্তু চার্লস ডারউইনের নিজস্ব নয়। দার্শনিক হার্বার্ট স্পেন্সার ডারউইনের ‘অন দ্য অরিজিন অব স্পিসিজ’ পড়ার পর প্রথম এই শব্দবন্ধ ব্যবহার করেছিলেন। পরবর্তী সংস্করণে ডারউইন নিজেই কথাটি গ্রহণ করেন।

ইতিহাস অনেক সময় এভাবেই ভুল কৃতিত্ব বিলিয়ে দেয়। ঠিক যেমন এআইয়ের তৈরি লেখা দেখে মানুষ আজ ভুলে যাচ্ছে আসল কৃতিত্ব কার—লেখকের, অ্যালগরিদম মডেলের, নাকি সেই কোটি কোটি মানুষের, যাঁদের লেখা দিয়ে মডেলটি প্রশিক্ষিত হয়েছে?

ডারউইন বেঁচে থাকলে হয়তো আজ লিখতেন, ‘সার্ভাইভাল অব দ্য স্মার্টেস্ট অ্যালগরিদম’।

দিনশেষে এই লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (LLM) কোনো জাদু নয়। মানুষের তৈরি বিপুল পরিমাণ ভাষা থেকে শেখা বিন্যাস, সম্পর্ক আর ব্যাকরণের কাঠামোর উপর দাঁড়িয়েই তার এই ক্ষমতা তৈরি হয়েছে। তাই একে এক অর্থে মানুষেরই তৈরি এক সুবিশাল আয়না বলা যায়। আয়নায় নিজেকে হঠাৎ অন্য রূপে দেখে মানুষ যেমন চমকে ওঠে, এআইয়ের ক্ষমতা দেখেও ঠিক তা-ই হচ্ছে।

কথাটা নেহাত কল্পনা নয়। ২০২৩ সালে গুগলের প্রাক্তন গবেষক জিওফ্রি হিন্টন—যাঁকে অনেকে আধুনিক এআইয়ের অন্যতম পথিকৃৎ বলেন—চাকরি ছেড়ে প্রকাশ্যে সতর্ক করেছিলেন এই প্রযুক্তির ঝুঁকি নিয়ে। যে মানুষটি নিজে এই প্রযুক্তির বিকাশে এত বড় ভূমিকা নিয়েছেন, তিনি যখন এর সম্ভাব্য বিপদ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তখন সেই সতর্কবার্তাকে লঘু করে দেখার আর কোনো সুযোগ থাকে না।

আসল লড়াইটা মেশিনের বুদ্ধি বাড়ানোর নয়। আসল লড়াই হলো এই আর্টিফিশিয়াল ঝড়ের মধ্যে মানুষের সহজাত কাণ্ডজ্ঞান আর শুভবুদ্ধিটুকুকে বাঁচিয়ে রাখা। তা না হলে মানুষ হয়তো নিজেই অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গেই এমন এক ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাবে, যেখানে উত্তর দেওয়ার জন্য হাজারটা মেশিন থাকবে, কিন্তু সঠিক প্রশ্ন করার মতো মানুষ আর থাকবে না।

১৯৭৯ সালে পিংক ফ্লয়েডের কালজয়ী অ্যালবাম ‘দ্য ওয়াল’ (The Wall) প্রকাশ্যে এসেছিল। সেই অ্যালবামের কেন্দ্রে ছিল বিচ্ছিন্নতা, একাকিত্ব আর নিজের চারপাশে গড়ে তোলা মানসিক দেওয়ালআজকের প্রেক্ষাপটে গানটা গেয়েও হয়তো আর কোনও লাভ হবে না। কারণ সেই দেওয়ালে আমরা নিজেরাই ইটের পর ইট গেঁথে ফেলেছি। এবার প্রতিটা ইট তৈরি হচ্ছে এক একটা প্রম্পট থেকে।

যন্ত্র প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে। হয়তো এমন প্রশ্নেরও উত্তর দেবে, যার উত্তর খুঁজতে আমাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা কিংবা কয়েক বছর লেগে যেত। কিন্তু ঠিক প্রশ্নটা করার বুদ্ধি, উত্তরের উপর সন্দেহ করার সাহস, আর নিজের মাথায় চিন্তা করার অভ্যাসটুকু যদি হারিয়ে ফেলি, তাহলে সেই হাজার হাজার সঠিক উত্তরেরও শেষ পর্যন্ত কোনো মূল্য থাকবে না।

লিখেছেন
Goutam Das
Goutam Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

মহাকাশে রওনা নাসার টেলিস্কোপের, বদলে দিতে পারে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি?

NASA’s Roman Space Telescope: নাসার নতুন ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ বদলে দেবে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি? হাবল ও জেমস ওয়েবের পর কেন প্রয়োজন হলো এই নতুন মহাকাশ-চোখের? ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে কি নতুন তথ্য দেবে রোমান? মহাবিশ্বের প্রসারণের ইতিহাস বুঝতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ?

সৌরপৃষ্ঠ আসলে কেমন? ৩৩ বছর পর মিলল উত্তর

Sun’s surface mystery: সূর্যের পৃষ্ঠকে এতদিন দূর থেকে তুলোর মতো নরম ও শান্ত দেখালেও, তা কি সত্যিই এমন? বিশ্বের বৃহত্তম সৌর টেলিস্কোপ ড্যানিয়েল কে ইনোয়ের তোলা সর্বোচ্চ-রেজোলিউশনের ছবিতে দেখা গেল ছোট ছোট হিংস্র প্লাজমার ঘূর্ণি। ৩৩ বছর আগে করা জোয়ান কার্পেনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কি অবশেষে সত্যি প্রমাণিত হলো? এই আবিষ্কার কি বদলে দেবে সৌরপৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা?

৩ অগাস্ট থেকে বদলে যাচ্ছে শেয়ার বাজারের নিয়ম!

Stock Market India: নতুন ব্যবস্থার অধীনে শেয়ার বাজার বন্ধের সময়কে তিনটি আলাদা অংশে ভাগ করা হয়েছে। তবে নন-এফএন্ডও (Non-F&O) স্টকগুলির ক্ষেত্রে আগের মতোই বিকেল ৩:৩০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন চালু থাকবে, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। কিন্তু এফএন্ডও স্টকগুলির ক্যাশ মার্কেটে প্রতিদিন একটানা লেনদেন চলবে বিকেল ৩:১৫ মিনিট পর্যন্ত।

আইআইটি-র দুই প্রাক্তনীর বৈদ্যুতিক কৃষিযন্ত্রে একরপ্রতি খরচ মাত্র ৪০ টাকা

Electric Power Tiller: বাজারে যেসব ট্র্যাক্টর পাওয়া যায়, তা হয় বিশাল বড় জমির উপযোগী, না হয় কেনা ও চালানো দুটোই খুব ব্যয়বহুল। ভারতে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কৃষকের জমিই ছোট ও খণ্ড-বিখণ্ড, যেখানে বড় যন্ত্র ঢোকানোই সম্ভব নয়। আবার চিন থেকে আমদানি করা ছোট ছোট সস্তা মেশিনগুলিতে যন্ত্রাংশ ও সার্ভিসিংয়ের চূড়ান্ত সমস্যা তৈরি হয়। তাই বিদেশ থেকে আমদানির কথা না ভেবে, আইআইটি বোম্বের দুই প্রাক্তনী ঐশ্বর্য রামকৃষ্ণন ও কেদার গোখলে সিদ্ধান্ত নেন খাঁটি দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতের মাটির উপযোগী সমাধান তৈরি করার।

মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও উষ্ণ থাকে সোনাম ওয়াংচুকের বাড়ি

Sonam Wangchuk House: সোনম ওয়াংচুক মানেই পাহাড়ঘেরা লাদাখের ছবি, বরফে ঢাকা জীবন আর নতুন এক ভাবনার আলো। পেশায় তিনি একজন প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ এবং উদ্ভাবক। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে তিনি যেন রূপকথার সেই মানুষটি, যিনি পাহাড়ের রুক্ষ জীবনের কঠিন সমস্যাগুলিকে বিজ্ঞানের সহজ ছোঁয়ায় অত্যন্ত সহজ করে তুলেছেন।

মহাকাশে মিলল চিনির সন্ধান, কেন গুরুত্বপূর্ণ এই আবিষ্কার?

natural sugar in space: ছায়াপথের কেন্দ্রের একটি আণবিক মেঘে প্রথমবারের মতো প্রকৃত মনোস্যাকারাইড ‘এরিথ্রুলোজ’-এর সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার জানাচ্ছে, নক্ষত্র ও গ্রহ তৈরির আগেই মহাকাশে জটিল জৈব অণু তৈরি হতে পারে। ফলে পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বে জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে গবেষণার আগ্রহ বেড়েছে।

কর্মদক্ষতা মাপল এআই, চাকরি হারালেন কর্মীরা? মেটার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা

Meta mass layoffs: কর্মীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেবে? মেটার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় অভিযোগ, এআই-নির্ভর মূল্যায়নের কারণে মাতৃত্বকালীন ও চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকা কর্মীরা অন্যায্যভাবে চাকরি হারিয়েছেন।