শেখ হাসিনা থেকে দলাই লামা: কাকে কাকে আশ্রয় দিয়েছে ভারত?

India’s History of Giving Refuge: শেখ হাসিনার ভারতে আশ্রয় নেওয়া কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? দালাই লামা ও বরথরাজা পেরুমালের মতো রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের থেকে তাঁর ভারতে থাকা আলাদা কেন? বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা ও প্রত্যর্পণের দাবি ‌‌ ভারতকে নতুন কূটনৈতিক সংকটে ফেলেছে?

inscript
৪ মিনিট
শেখ হাসিনা থেকে দলাই লামা: কাকে কাকে আশ্রয় দিয়েছে ভারত?

শেখ হাসিনার ভারতে আশ্রয় নেওয়ার ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে আছে ভারতের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক ইতিহাস, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক এবং রাজনৈতিক শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার পুরনো নীতি। দক্ষিণ এশিয়ার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব অতীতে ভারতে আশ্রয় পেয়েছেন। দেখে নেওয়া যাক, কারা তাঁরা?

ভারত স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক কারণে দেশছাড়া মানুষকে আশ্রয় দিয়েছে। তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত নাম তিব্বতের ধর্মগুরু দলাই লামা। ১৯৫৯ সালে চিনা শাসনের বিরুদ্ধে তিব্বতে বিদ্রোহ ব্যর্থ হওয়ার পর দলাই লামা ভারতে চলে আসেন। ভারত তাঁকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়। তাঁর ভারতে অবস্থান নিয়ে চিনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কেও দীর্ঘদিন টানাপোড়েন চলছে।

দলাই লামা পরবর্তী সময়ে ধর্মশালাকে তাঁর নির্বাসিত জীবনের কেন্দ্র করে তোলেন। তাঁর সঙ্গে হাজার হাজার তিব্বতি ভারতে বসবাস শুরু করেন। ভারত-চিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাঁর উপস্থিতি অবশ্যই একটি সংবেদনশীল বিষয় হয়ে থেকেছে, কিন্তু তাঁর আশ্রয়কে কেন্দ্র করে ভারতের সামনে শেখ হাসিনার মতো প্রত্যর্পণের সরাসরি আইনি চাপ তৈরি হয়নি।

ভারতের আশ্রয় দেওয়ার আর একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা শ্রীলঙ্কার তামিল রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ১৯৯০ সালে শ্রীলঙ্কার উত্তর-পূর্ব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বরদরাজা পেরুমাল ভারতে আশ্রয় নেন। তিনি শ্রীলঙ্কার তামিল অধ্যুষিত অঞ্চলের জন্য আরও বেশি স্বায়ত্তশাসনের দাবি তুলেছিলেন। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়। ভারত তাঁকে দেশছাড়া করেনি। বরং তাঁর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে তাঁকে ভারতে থাকতে দেয়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হাসিনার অতীতের ভারতবাস, কীভাবে আশ্রয়ের হাত বাড়িয়েছিল ভারত?

Sheikh Hasina’s India Connection: ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের হত্যাকাণ্ডের পর শেখ হাসিনা কীভাবে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন? সেই কঠিন সময়ে ইন্দিরা গান্ধী কীভাবে শেখ হাসিনার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন? দিল্লি কীভাবে হয়ে উঠেছিল তাঁর নিরাপদ আশ্রয়?

পেরুমালের ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। শ্রীলঙ্কা সরকার তাঁর প্রত্যর্পণের জন্য ভারতের উপর তেমন চাপ তৈরি করেনি। ফলে দিল্লির সামনে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বনাম প্রত্যর্পণের মতো জটিল প্রশ্ন তৈরি হয়নি।

হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন প্রায় ১৫ বছর। তাঁর দীর্ঘ শাসনকালে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কও অনেকটা ঘনিষ্ঠ হয়েছিল। সীমান্ত নিরাপত্তা, উত্তর-পূর্ব ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে সহযোগিতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো একাধিক ক্ষেত্রে তাঁর সরকারের সঙ্গে দিল্লির ঘনিষ্ঠ সমন্বয় ছিল। ফলে শেখ হাসিনার পতনে ভারতের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সমীকরণও বদলে গেল।

দলাই লামা তিব্বতের প্রশাসনিক ক্ষমতা হারিয়ে ভারতে এসেছিলেন। পেরুমালও নিজের রাজনৈতিক ক্ষমতা হারানোর পর নিরাপত্তার জন্য দেশ ছাড়েন। কিন্তু শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়ার আগের মুহূর্ত পর্যন্ত দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। অর্থাৎ, তিনি এমন একজন নেতা যাঁর সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতার সরাসরি যোগ ছিল এবং যাঁর বিরুদ্ধে নতুন সরকার গুরুতর অভিযোগ তুলেছে।

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, গুম, দুর্নীতি এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো অভিযোগে মামলা করে। শেখ হাসিনার আমলে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালও পরে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হয়ে ওঠে। ২০২৪ সালের আন্দোলনে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে বহু মানুষের মৃত্যুর অভিযোগ তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে ওঠে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হাসিনার দেশে কাদের গুম করে রাখা হতো কুঠুরিতে! কী এই রহস্যময় আয়নাঘর?

Aynaghar Bangladesh: ২০০৯ থেকে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬০৫ জন গুম হয়েছেন বাংলাদেশে।

এই পরিস্থিতিতে ঢাকার কাছে শেখ হাসিনাকে ভারতে থাকা একজন রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে দেখার সুযোগ কম। বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক শক্তির কাছে তিনি একজন অভিযুক্ত এবং দেশে ফেরানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি।

এই কারণেই ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে ২০১৩ সালের প্রত্যর্পণ চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসও জানিয়েছিলেন, প্রয়োজন হলে ওই চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়া হবে।

ভারতের জন্য সমস্যাটা এখানেই। একদিকে রয়েছে দীর্ঘদিনের প্রতিবেশী ও কৌশলগত সম্পর্ক। অন্যদিকে রয়েছে একজন প্রাক্তন সরকারপ্রধানকে আশ্রয় দেওয়ার প্রশ্ন। তাঁকে ফেরত পাঠালে তাঁর নিরাপত্তা, বিচারপ্রক্রিয়া এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার আশঙ্কা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। আবার তাঁকে ভারতে রেখে দিলে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক আরও খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের ব্যক্তিগত দিকটিও উপেক্ষা করা যায় না। ভারতের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের ইতিহাস বহু দশকের। ১৯৭৫ সালে তাঁর বাবা শেখ মুজিবুর রহমান এবং পরিবারের অধিকাংশ সদস্য হত্যার শিকার হওয়ার সময় হাসিনা দেশের বাইরে ছিলেন। পরে তিনি ভারতে নির্বাসিত জীবন কাটান। সেই সময় তাঁর সঙ্গে ভারতের রাজনৈতিক মহলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবারের যোগাযোগ তৈরি হয়েছিল। ১৯৮১ সালে তিনি বাংলাদেশে ফিরে গিয়ে আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নেন।‌

প্রসঙ্গত, এই দ্বন্দ্ব ২০২৬ সালেও পুরোপুরি কাটেনি। বরং শেখ হাসিনার দিল্লিতে প্রকাশ্য বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। তিনি ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন এবং ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার কথা বলেছেন। বাংলাদেশের বর্তমান সরকার তাঁর বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছে এবং তাঁর প্রত্যর্পণের দাবিও আবার সামনে এসেছে। ভারত অবশ্য তাঁর ওই বক্তব্যের আয়োজন বা সমর্থনের সঙ্গে নিজেকে সরাসরি যুক্ত করেনি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেন,

ওই আয়োজন শুরুর আগেই ওই বিষয়ে আমরা আমাদের মতামত স্পষ্ট করে দিয়েছিলাম। আরও একবার বলেছি। আয়োজনটি ছিল একটি বেসরকারি মিডিয়া সংস্থার উদ্যোগ। তাতে সরকারের কোনো ভূমিকাই ছিল না। ওই মঞ্চ থেকে যা কিছু বলা হয়েছে, তার কোনো কিছুই ভারত অনুমোদন বা সমর্থন করে না।

ভারতের ইতিহাসে রাজনৈতিক আশ্রয়ের নজির নতুন নয়। দালাই লামা কিংবা বরদরাজা পেরুমালের মতো ব্যক্তিরা ভারতে আশ্রয় পেয়েছেন এবং দীর্ঘদিন থেকেছেন। কিন্তু শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে প্রথমবারের মতো ভারতকে এমন একজন প্রাক্তন সরকারপ্রধানকে আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্ত সামলাতে হচ্ছে, যাঁকে তাঁর নিজের দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ফেরত চাইছে এবং যাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর ফৌজদারি অভিযোগ রয়েছে।

এই কারণেই শেখ হাসিনার নির্বাসন ভারতের কাছে একেবারেই নতুন ধরনের পরীক্ষা। তাঁকে আশ্রয় দেওয়া যতটা মানবিক বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, তাঁকে কতদিন এবং কোন শর্তে ভারতে রাখা হবে, কিংবা শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়া হবে কি না, সেটি তার চেয়েও বড় কূটনৈতিক প্রশ্ন। আর সেই প্রশ্নের উত্তরই আগামী দিনে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অনেকটা নির্ধারণ করতে পারে।

লিখেছেন
inscript
inscript
15 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

কর্নওয়ালিস স্ট্রিট থেকে বিধান সরণি, ধর্মতলা থেকে লেনিন সরণি: যেভাবে ক্ষমতাসীনরা বদলেছে কলকাতার রাস্তার নাম

Renaming politics of kolkata's street: লটারি কমিটির কর্নওয়ালিস স্ট্রিট নির্মাণ থেকে বামফ্রন্টের লেনিন সরণি, হো চি মিন সরণি—কলকাতার রাস্তার নামকরণ প্রথম থেকেই রাজনৈতিক ছিল। ২০২৬ সালে, বিজেপি সরকারের উৎসাহে দশ সদস্যের কমিটি গঠিত হয়েছে লেনিন, কার্ল মার্কস ও হো চি মিন সরণির নাম বদলের সুপারিশ করতে। কিন্তু নাম বদলালেই কি মানুষের স্মৃতি বদলায়?

মাছে-ভাতে বাঙালি, দুর্গাপুজোর ভোগেও আমিষের চল, কী বলছে শোভাবাজার রাজবাড়ির ২৭০ বছরের ইতিহাস?

Durga Puja non vegetarian food: পুজোর দিনগুলিতে সকালে রাজবাড়ির সদস্যরা উপোস করে অঞ্জলি দেন এবং পুজোর কাজে অংশ নেন। দিনের সেই সময়ে তাঁরা নিরামিষ খাবারই গ্রহণ করেন। কিন্তু সন্ধ্যার পর আমিষ খাবার খাওয়ার রীতি রয়েছে। অর্থাৎ পুজোর প্রত্যেক দিনই পরিবারের সদস্যরা মাছ-মাংস খান।

পেরিয়ারের মৃত্যু নেই, যে লড়াই আজও চলছে

Periyar’s 148th Birth Anniversary: পেরিয়ারের ১৪৬তম জন্মদিনেও এক শতাব্দী আগে তিনি যে প্রশ্নগুলি তুলেছিলেন, সেগুলিই নতুন করে সামনে আনতে হচ্ছে। কেন বারবার জাতের পরিচয় হিংসার কারণ হয়ে ওঠে? কেন সংবিধান ও আইন থাকা সত্ত্বেও জাতিভেদ, সামাজিক ক্ষমতা এবং বৈষম্যের এই কাঠামো এখনও ভাঙা যায়নি?

গণতন্ত্রের আলো প্রতিফলিত হয় ব্যক্তির চরিত্রে, শিখিয়েছিলেন সুমিত সরকার

Historian Pradip Kumar Datta on Sumit Sarkar's historiographical legacy: ‘হিস্ট্রি ফ্রম বিলো’ থেকে আখ্যান বিশ্লেষণ, সাম্প্রদায়িকতার ইতিহাস থেকে হিন্দুত্বের উত্থান—সুমিত সরকারের চিন্তার নানা পর্বের সঙ্গে দীর্ঘ বৌদ্ধিক সম্পর্ক রয়েছে ইতিহাসবিদ প্রদীপ কুমার দত্তের। ‘কারভিং ব্লকস’ ও ‘হেটেরোজিনিয়েটিস’-এর সূত্র ধরে ইতিহাস, সাম্প্রদায়িকতা ও মিথ-হিস্ট্রির রাজনীতি নিয়ে তাঁর সঙ্গে আলাপচারিতায় অত্রি ভট্টাচার্য।

রাজনীতির অভিধানে ‘পিতৃতন্ত্র’ ঢুকছে? রাহুলের বক্তৃতা কি নতুন কোনো শুরু?

Rahul Gandhi patriarchy: পুনের ‘ছাত্রোঁ কি গুঞ্জ’ অনুষ্ঠানে রাহুল গান্ধীর বক্তৃতা সম্পূর্ণ নতুন বয়ান তৈরি করল। এই প্রথম কোনো মূলধারার রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সরাসরি “পিতৃতন্ত্র নিপাত যাক” এই স্লোগান তুললেন। লক্ষ্য করার মতো বিষয়, এই কথাগুলি তিনি বলেছিলেন সরাসরি তরুণী জেন জি শ্রোতাদের সামনে দাঁড়িয়ে।

এআইয়ের বাড়বাড়ন্তে বিপদে চিনের কমিউনিস্ট পার্টি?

AI Threat to China’s Communist Party: এআই শুধু প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ বদলাবে, নাকি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও রাজনীতিতেও তৈরি করবে নতুন সংকট? কেন চিনের শীর্ষ গোয়েন্দা কর্তা এআইকে কমিউনিস্ট পার্টির ক্ষমতার জন্য সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে দেখছেন? বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার হাতে এআই গেলে কী ধরনের বিপদ তৈরি হতে পারে? আর কেন শি জিনপিং এআইকে মানুষের নিয়ন্ত্রণে রাখার কথা বলছেন?

টোকিওর জিম্বোচো: বইয়ের শহরে পাঠকের খোঁজে

Tokyo book market: কফিহাউজ যেমন কলেজস্ট্রিটের প্রাণকেন্দ্র, তেমনই জিম্বোচোতে রয়েছে একাধিক কিস্‌সাতেন—শান্ত নিঝ্‌ঝুম কফির দোকান। এর মধ্যে সবচেয়ে পুরনো কিস্‌সাতেনের নাম সাবোরু।

জার্মানিতে ফের যেভাবে বাড়ছে নাৎসি রাজনীতির ছায়া

AfD Rise in Germany: জার্মানিতেই এখন আবার এমন একটি রাজনৈতিক শক্তি দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে, যার বক্তব্যে অভিবাসীবিরোধিতা, জাতিগত জাতীয়তাবাদ, ইসলামবিদ্বেষ এবং ‘জার্মান পরিচয়’ রক্ষার নামে বহিষ্কারের রাজনীতি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। দলটির নাম অলটারনেটিভ ফর জার্মানি বা এএফডি।