স্থানীয় থেকে জাতীয় লাফ! মোদির কুসুম বিছানো পথে কাঁটার নাম কেজরি?

AAP in Gujarat Election: গুজরাত বিধানসভা নির্বাচনে ৫ আসন এবং ১২.৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে আম আদমির দল। এর সঙ্গেই ৬ শতাংশের বেশি ভোট জুটেছে গোয়ার বিধানসভায় নির্বাচনেও

Ramen Das
৫ মিনিট
স্থানীয় থেকে জাতীয় লাফ! মোদির কুসুম বিছানো পথে কাঁটার নাম কেজরি?

আঞ্চলিক থেকে জাতীয়। এক রাজ্য থেকে গোটা ভারত। মাত্র এক দশকেই অসাধ্যসাধন করলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। তাঁর তৈরি আম আদমি দল (AAP), যা এতদিন ছিল একটি, আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল- গুজরাত নির্বাচনের (Gujarat Election Result) ফল প্রকাশের পরেই পরিবর্তিত হল জাতীয় দলে। এবার থেকে আর আঞ্চলিকতা নয়, এবার দেশ জুড়ে অস্তিত্ব পাকা করে ফেললেন কেজরিওয়ালরা।

জাতীয় দল 'আপ'

গুজরাত বিধানসভা নির্বাচনে প্রায় ১৩ শতাংশ ভোট পেয়েছে আম আদমি পার্টি। ১৮২ আসনের গুজরাত বিধানসভায় তাদের ঝুলিতে এসেছে ৫ আসন। প্রথমবার লড়াইয়ে নেমেই রাজ্যে তৃতীয় শক্তি হিসেবে উঠে এসেছেন অরবিন্দ কেজরিওয়ালরা। আর এখানেই শুরু হয়েছে আলোচনা। স্বয়ং কেজরিওয়াল জানিয়ে দিয়েছেন, ''আমরা এখন জাতীয় দল। গুজরাতের মানুষকে ধন্যবাদ এই তকমা লাভ করানোর জন্য। আগামীতে লড়াই আরও বাড়বে। আমরা ফের জিতব।'' যদিও নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহের রাজ্যে বিজেপি রেকর্ড ভেঙেছে ফের। ২৭ বছর পর ১৫৬ আসনে জিতেছে কোনও একটি দল। এদিকে হিমাচলপ্রদেশে তেমন একটা সুবিধা করতে পারেননি জেপি নাড্ডারা। সেখানে ক্ষমতায় বসতে চলেছে কংগ্রেস। যদিও বিজেপির বিরুদ্ধে 'ঘোড়া কেনাবেচা'র অভিযোগ উঠছে এখন থেকেই।

মমতা না কেজরিওয়াল?

গুজরাত বিধানসভা নির্বাচন এবং সামগ্রিকভাবে জাতীয় দল কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ফের। অনেকেই বলছেন, অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে রাহুল গান্ধীর দল। ক্রমশ তলানিতে যাচ্ছে এই দলের ইতিহাস। অবনমন ঘটছে প্রভাবের। আর এই সুযোগেই উঠে আসছেন একাধিক আঞ্চলিক নেতারা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমকে স্ট্যালিন, নীতিশ কুমার, অরবিন্দ কেজরিওয়ালরা সামনের সারিতে আসছেন বারবার। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদি-বিরোধী মুখ হিসেবে জায়গা করে নিচ্ছেন আঞ্চলিক দলের এই সমস্ত জনপ্রিয় নেতারা।

এবার সেই জায়গাতেই থাবা বসাতে পারেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং তাঁর আম আদমি পার্টি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, এর কারণ আসলে জাতীয় দল হয়ে ওঠা। বলা হচ্ছে, দেশজুড়ে একাধিক রাজনৈতিক দলের মধ্যে দেশের নবম জাতীয় দল হিসেবে নথিভুক্ত হতে চলেছে আম আদমি পার্টি, যা মোদি-বিরোধী মুখ হওয়ার ক্ষেত্রে খানিকটা স্বস্তি দিতে পারে কেজরিওয়ালকে। আর এখানেই মমতা বা অন্যান্য নেতা ছাড়িয়ে প্রধান বিরোধী মুখ হিসেবে উঠে আসতে পারে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নাম।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আপই কি নয়া 'কংগ্রেস'? গুজরাত নির্বাচন যে প্রশ্ন তুলে ধরছে বারবার

Arvind Kejriwal AAP: 'দিল্লির লাড্ডু' পৌঁছে দিয়েছেন গুজরাতের কোটি কোটি জনতার মধ্যে। প্রথমবারের লড়াইয়ে রাজ্যজুড়ে প্রায় ১২.৯ শতাংশ ভোট পেয়েছেন আম আদমি দলের প্রার্থীরা।

আঞ্চলিক থেকে জাতীয়

ভারতবর্ষের সংবিধান অনুযায়ী, কোনও রাজনৈতিক দল যদি কমপক্ষে ৪টি রাজ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ ভোট পেয়ে রাজ্যের দল হিসেবে যোগ্যতা অর্জন করতে পারে, তাহলে দেশের নির্বাচন কমিশনের তরফে সেই দলের মাথায় জোটে জাতীয় দলের তকমা। অর্থাৎ একই প্রতীকে দেশের যে কোনও রাজ্যে লড়াইয়ে নামতে অসুবিধা থাকে না আর। এমনকী প্রতীকের টানাপড়েন থেকে শুরু করে সংগঠন, দেশ জুড়ে সমস্ত কিছুর বিস্তারেও সমস্যা অনেক কমে।

এই শর্ত ইতিমধ্যেই পূরণ করেছে 'আপ'। গুজরাত বিধানসভা নির্বাচনে ৫ আসন এবং ১২.৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে আম আদমির দল। এর সঙ্গেই ৬ শতাংশের বেশি ভোট জুটেছে গোয়ার বিধানসভায় নির্বাচনেও, যা কয়েকমাস আগেই অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেও ২ টি বিধানসভা আসনে জিতেছেন আপ প্রার্থীরা। পাশপাশি, দিল্লিতে তৃতীয় বারের জন্য সরকার গঠন করেছে আপ। আবার সম্প্রতি পঞ্জাবেও ৬০ এর বেশি বিধানসভা আসনে জিতে রাজ্যের ক্ষমতা দখল করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল-ভগবন্ত মানের দল। অর্থাৎ দিল্লি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হলেও প্রথম একটি পূর্ণ ক্ষমতার সরকার পঞ্জাবে গঠন করেছে আপ। এর সঙ্গেই আগে থেকেই অস্তিত্ব বজায় ছিল গোয়ায়। এবার আম আদমি পার্টির প্রভাব বিস্তার হয়েছে গুজরাতে, সেখানেও যাবতীয় শর্ত পালন করেছে এই দল। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে জাতীয় দলে পরিণতি হতে চলেছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি।

ভারতের জাতীয় দল

সম্প্রতি ভারতে ৮টি রাজনৈতিক দলকে জাতীয় দলের তকমা দিয়েছে দেশের নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে রয়েছে, ভারতীয় জনতা পার্টি অর্থাৎ বিজেপি, ভারতের জাতীয় কংগ্রেস, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস, ন্যাশনাল কনফারেন্স দল, ভারতের মার্ক্সবাদী কমিউনিস্ট দল, ভারতের কমিউনিস্ট দল, জাতীয় জনতা দল, বহুজন সমাজবাদী পার্টি। এর সঙ্গেই এবার যোগ হতে চলেছে আম আদমি পার্টি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হাই ভোল্টেজ প্রচারও ব্যর্থ! মোদির ম্যাজিকে কেন আস্থা নেই হিমাচল প্রদেশের?

Himachal Pradesh Election Congress: গুজরাতবাসী ভূমিপুত্র মোদির সঙ্গে আবেগের টান অনুভব করলেও, হিমাচলবাসী মোদির সেই ডাকে সাড়া দেননি।

আম আদমি পার্টির ইতিহাস

২০১০ সাল। দেশজুড়ে দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম মুখ হিসেবে উঠে আসা প্রাক্তন আমলা অরবিন্দ কেজরিওয়াল যোগ দিলেন আন্না হাজারের আন্দোলনে। 'জন লোকপাল বিল'-এর দাবিতে, দেশে দুর্নীতি-বিরোধী আন্দোলনরত আন্না হাজারের সঙ্গেই শোরগোল ফেললেন কেজরিওয়ালও। ২০১১ জুড়ে এই আন্দোলন বিপুল সাড়া ফেলল দেশে। চাপে পড়ল কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন মনমোহন সিংয়ের সরকার। উত্তাল হল দিল্লি। রামলীলা ময়দান মুখরিত হল আন্না-বাণীতে।

১০ বছর আগের এক নভেম্বরে নতুন উদ্যোগে লড়াইয়ে নামলেন দিল্লির 'মাফলার ম্যান'। আন্না-সঙ্গ ত্যাগের বিতর্ক নিয়েই ২৬ নভেম্বর, ২০১২-তে তৈরি করলেন নতুন রাজনৈতিক দল। প্রতীক হিসেবে বেছে নিলেন ঝাঁটা।

প্রথম অবস্থায় অরবিন্দের উদ্যোগের পাশে বেশি লোক আসেননি। অল্প কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়েই জীবনের বড় 'রিস্ক' নিয়ে ফেললেন কেজরিওয়াল। দিল্লি জুড়ে শুরু করলেন প্রচার।

২০১৩। দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী দিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। লক্ষ্য, কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতের শাসনের অবসান। নির্বাচন হল। অপ্রত্যাশিতভাবে ৭০ আসনের দিল্লি বিধানসভায় ২৮ আসনে, প্রথমবারেই জয় ছিনিয়ে নিল আম আদমি পার্টি। ত্রিশঙ্কু হল বিধানসভা। দায়িত্ব পড়ল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের উপরে। তিনিই সাধারণ নেতা থেকে হয়ে গেলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু নড়বড়ে সরকার! বাইরে থেকে সমর্থন নিয়ে এগোতে হচ্ছে তাঁকে।

মাত্র ৪৯ দিনেই মোহভঙ্গ। 'জন লোকপাল বিল' থেকে শুরু করে, একাধিক ক্ষেত্রে শুরু হল মতবিরোধ। পদত্যাগ করলেন কেজরিওয়াল। ফের দিলেন লড়াইয়ের বার্তা। তখনও দিল্লিতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে 'আপ'।

২০১৪-র মোদি-ঝড়ের রেশ কাটতে কাটতেই দিল্লির বিধানসভা নির্বাচন। ২০১৫-র নির্বাচনে ফের রুখে দাঁড়ালেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এবার বিপুল জয়। বিজেপি-কংগ্রেসকে উড়িয়ে ৬৭ আসনে জয়ী হলেন আম আদমি পার্টির প্রার্থীরা। সরকারে বসলেন অরবিন্দ। দ্বিতীয় বারের জন্য দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হলেন তিনি। একাধিক জনমুখী প্রকল্পের ঘোষণা, বিনামূল্যের আবহের মধ্যেই ক্রমশ বাড়ছিল আপ। কেজরিওয়াল বিস্তার লাভ করতে শুরু করলেন দিল্লির পাশের রাজ্যগুলোতে। ফের নির্বাচন। আবার জয়। তৃতীয় বার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এর সঙ্গেই গোয়ায় ঢুকল আম আদমি পার্টি। বহু দিনের লড়াই, দুর্বল সংগঠনকে তাজা করে একে একে একাধিক জয় হাসিল করলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

পঞ্জাব থেকে লোকসভা আসনে জয়। এরপর ফের লড়াই। কংগ্রেস আর বিজেপি এবং শিরোমণি আকালি দলের মিথ ভেঙে পঞ্জাবে ঝড় তুললেন তিনি। গড়লেন 'আপ' সরকার। এর সঙ্গেই চলে গোয়ার লড়াই। সেখানেও প্রথম বারেই জয় পেলেন দুই আসনে।

২০২২। কেজরিওয়ালের লক্ষ্যে উঠে এল গুজরাত। মোদির রাজ্যের কোণায় কোণায় ছড়িয়ে দিতে শুরু করেন নিজের দলকে। ভারতীয় টাকায় লক্ষ্মী, গণেশের ছবি থেকে শুরু করে বিলকিস বানো নিয়ে কোনও মন্তব্য না করা। একের পর এক কৌশলে খানিকটা প্রভাব বিস্তার শুরু করল আম আদমি পার্টি। আর সেই প্রভাবেই প্রায় ১৩ শতাংশ ভোট নিজেদের ঝুলিতে ভরে 'আপ'।

আর এখানেই একদা দিল্লির দুর্বল দল থেকে মাত্র এক দশকের লড়াইয়েই নজির স্থাপন করল আম আদমি পার্টি। আঞ্চলিক থেকে হয়ে গেল জাতীয়। নাছোড়বান্দা মনোভাব এবং একাধিক প্রতিবন্ধকতা কাটানোর উপায় বাতলে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার কৌশল, এই অস্ত্রেই সাফল্য অর্জন করেছে আপ, বলছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরাও।

লিখেছেন
Ramen Das
Ramen Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

শুভেন্দুর নৌকোয় মুসলিম ভোট?

Nandigram, Rejinagar Bypolls: ভোটগণনার শেষে হাসিরানি রথ পেয়েছেন ১ লক্ষ ৬৪ হাজার ৪২৭টি ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসের মিলন প্রধান পেয়েছেন ৪১ হাজার ৬৭৪টি ভোট। বামফ্রন্ট, ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ) এবং তৃণমূলের বিদ্রোহী গোষ্ঠী ডেমোক্র্যাটিক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীরাও অনেক পিছিয়ে রয়েছেন।

ভারতীয় বংশোদ্ভূত নাভি পিল্লাই কেন পেলেন নোবেল শান্তি পুরস্কার?

Navi Pillay Nobel Peace Prize 2026: ১৯৪১ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে এক দরিদ্র ভারতীয় তামিল পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন নাভি পিল্লাই। তাঁর ঠকুমা-ঠাকুরদা ১৮৯০-এর দশকে ভারত থেকে চুক্তিবদ্ধ শ্রমিক হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার নাতাল প্রদেশের চিনি বাগানে কাজ করতে এসেছিলেন।

আরশোলা কর্মী শেখ আব্দুল হাফিজকে বেআইনিভাবে আটক, কী ঘটেছিল?

Cockroach abdul Detained for Dissent: ৮ অক্টোবর, ২০২৬, কলকাতা পুলিশ বাঁকুড়ার সিজেপি কর্মী শেখ আব্দুল হাফিজ ও তাঁর দলকে আটক করে। অভিযোগ, পুলিশি হেফাজতে মারধর ও মহিলা সদস্যদের নিগ্রহের। ৯ ঘণ্টা থানায় আটকে রেখে জোর করে স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা করা হয়। ১০ অক্টোবরের যন্তর মন্তর সমাবেশ ঘিরে, ১০ হাজার কর্মী আটকের অভিযোগ করেছে সিজেপি। অগাস্ট মাসে সিজেপির 'স্কুল ঠিক করো' অভিযানের পর, আব্দুলের বাবার মৃত্যু হয়েছিল।

বিপাকে ভারতীয় কর্মীরা, গ্রিন কার্ডের আবেদন থেকে কেন বাদ টিসিএস, উইপ্রো- সহ ৮ তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা?

US Green Card Restrictions: মার্কিন প্রশাসনের দাবি, বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে একাধিক সংস্থা এমন ব্যবস্থার সুযোগ নিয়েছে, যার ফলে আমেরিকার নাগরিকদের চাকরির সুযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই বিদেশি কর্মী নিয়োগ ও অভিবাসন ব্যবস্থার উপর নজরদারি আরও কঠোর করছে ট্রাম্প প্রশাসন।

ছ’বছর ধরে জেলবন্দি, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার রক্ষক সম্মান পেলেন উমর খালিদ

Umar Khalid Human Rights Award: এ বছর তাঁর সঙ্গে আরও চার জন মানবাধিকারকর্মী এই সম্মান পেয়েছেন। তাঁরা হলেন ইরানের মৃত্যুদণ্ড-বিরোধী আন্দোলনকর্মী আহমদরেজা হায়েরি, অ্যাঙ্গোলার গণতন্ত্রকর্মী লরিন্ডা ম্যানুয়েল গুভেইয়া, ব্রাজিলের ব্ল্যাক ট্রান্স নারী ও অধিকারকর্মী আদ্দা ভিক্টোরিয়া কায়েতানো এবং সার্বিয়ার শান্তি ও নারীবাদী আন্দোলনের কর্মী লিলিয়ানা নেশিচ।

তিন দিনে তিনবার আটক রাহুল, রাজঘাটে বিরোধীদের ধর্না: SIR নিয়ে সংঘাত কোথায় গিয়ে ঠেকল?

Rahul Gandhi SIR protest: গত তিন দিন ধরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে দিল্লি। মঙ্গলবার সংসদ থেকে নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তরের দিকে পদযাত্রা দিয়ে শুরু হয় এই প্রতিরোধ। পুলিশ বাধা দিলে রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডে উঠে জাতীয় পতাকা নাড়ান এবং সহকর্মীদের নিয়ে ঢুকে পড়েন সংলগ্ন আকাশবাণী ভবনে।

বেঙ্গালুরুতে জনতার ট্রাইব্যুনাল, এসআইআর-এর বিরুদ্ধে সরব প্রকাশ রাজ-ধ্রুব রাঠী

Bengaluru Protest Against SIR: এসআইআর-এর বিরুদ্ধে বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কে পথে নামলেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করলেন প্রকাশ রাজ, ধ্রুব রাঠী-সহ প্রতিবাদীরা। ‘পিপলস ট্রাইব্যুনাল’-এ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ উঠল?

মোদির ২৫ বছর: গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে ভারতের দীর্ঘতম সরকারপ্রধান

Modi's Quarter Century in Power: ৭ অক্টোবর ২০২৬, গুজরাটের ভূমিকম্পোত্তর পুনর্গঠন থেকে ক্ষমতার শীর্ষে, টানা ২৫ বছর সরকারপ্রধানের পদে রেকর্ড গড়লেন নরেন্দ্র মোদি। গত ১০ জুন, তিনি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নেহরুর ৪,৩৯৮ দিনের রেকর্ড ছাড়িয়ে গিয়েছেন। তাঁর আমলে ভারতের জিডিপি হয়েছে তিনগুণ, বৈদেশিক রফতানি পৌঁছেছে বিলিয়ন ডলারের হিসাবে, কিন্তু শিক্ষিত যুবদের বেকারত্বও হয়েছে আকাশছোঁয়া, তাঁর করা নোটবাতিলে দরিদ্রতমরা হয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত, একাডেমিক ফ্রিডমের প্রশ্নে দেশের নাম ডুবেছে বারবার। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, মোদিযুগের অর্জন, ব্যর্থতা ও গণতান্ত্রিক অবক্ষয়ের হিসাব।